রাজনৈতিক মতদ্বৈধতার নিরসন জরুরি
১০ জুলাই ২০২৫ ০৭:৫৯
॥ জামশেদ মেহদী ॥
বাংলাদেশে জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কেন, তার অন্তর্নিহিত কোনো কারণ কেউ সঠিকভাবে আজ পর্যন্ত ব্যাখ্যা বা উদ্ঘাটন করতে পারেননি। ফলে বিপ্লবের পর ৩ মাস যেতে না যেতেই একেক দল বা মহল একেক দৃষ্টিকোণ থেকে এ বিপ্লবের প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে শুরু করে। বিপ্লবে অংশ নিয়েছিল আওয়ামী লীগবিরোধী সবকটি রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক শক্তি। বিপ্লবের পর রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের আদর্শ ও লক্ষ্য নিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে অবতীর্ণ হয়। ফলে বিপ্লবকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অথবা বিপ্লবের প্রকৃত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য যে ঐক্যের প্রয়োজন ছিল, সেই ঐক্য অতি দ্রুত ভেঙে পড়তে থাকে।
সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হলো এই যে, শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেন ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে। তারপর নতুন সরকার গঠিত হয়নি। নতুন সরকার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে শপথ নেয় ৩ দিন পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট। অথচ নতুন সরকার গঠনের আগেই বিএনপি ৭ আগস্ট নয়াপল্টনে জনসভা করে। এ জনসভায় ভার্চুয়ালি যোগ দেন তারেক রহমান। এছাড়া বেগম জিয়াও ভার্চুয়ালি এ সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ স্ট্যান্ডিং কমিটির প্রায় সব নেতা পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি করেন। লক্ষ করার বিষয় হলো এই যে, যখন বিএনপি এ সভা করছিল, তখন বিপ্লবের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হয়েছে। ড. ইউনূস ফ্রান্স থেকে তখনো দেশের মাটিতে পা দেননি। তাকে বহনকারী বিমানটি তখন মধ্য আকাশে উড্ডীন ছিল।
বিপ্লবের সমাপ্তির দিন থেকেই অর্থাৎ ৫ আগস্ট সন্ধ্যা থেকেই উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান কে হবেন, সেটি নিয়ে ২টি শক্তিশালী মহলের মধ্যে মতভিন্নতা চলছিল। বর্তমান স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা এবং জুলাই বিপ্লবের অন্যতম প্রধান কাণ্ডারি আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া একটি ইউটিউব ভিডিওতে বলেছেন যে, প্রধান উপদেষ্টার পদে কাকে বসানো হবে, সেটি নিয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সাথে তাদের আলোচনা হয়। ছাত্রনেতারা যখন প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের নাম বলেন, তখন সেনাপ্রধান তার বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন যে, ড. ইউনূস একজন ঈড়হারপঃ. অর্থাৎ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি। সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে সরকারপ্রধান করা যায় না। তখন ছাত্রনেতারা বলেন যে, তারা তো ইতোমধ্যেই টেলিফোনে ফ্রান্সে অবস্থানরত ড. ইউনূসকে ঐ পদ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছেন। তাদের অনুরোধে ড. ইউনূস প্রথম দিন সম্মতি দেননি। কিন্তু দ্বিতীয় দিন দেশের টালমাটাল অবস্থা বিবেচনা করে তাকে পুনর্বার সনির্বন্ধ অনুরোধ করা হলে তিনি রাজি হন। তাদের অনুরোধ মোতাবেক ড. ইউনূস সম্মত হয়েছেন এবং সম্ভবত এতক্ষণে বাংলাদেশের উদ্দেশে বিমানে আরোহণ করেছেন। এখন তো আর সেই প্রস্তাব থেকে তারা পিছিয়ে যেতে পারেন না। জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বুকে পাথর চাপা দিয়ে তিনি ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মেনে নিচ্ছেন। এ ঘটনা নতুন কিছু নয়। কয়েক মাস আগে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এ ভিডিও নিয়ে দেশের পত্রপত্রিকা ও সামাজিকমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, প্রশাসনের বিভিন্ন অলিন্দে প্রথম থেকেই মতদ্বৈধতার একটি সূক্ষ্ম রেখার সৃষ্টি হয়েছিল। ৮ আগস্ট যখন উপদেষ্টা পরিষদ শপথ নেয়, তখন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। বলা হয় যে, যারা সদস্য, তাদের দু-একজন ছাড়া আর কেউই জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট ধারণ করেন না। এদের অধিকাংশকেই এনজিও থেকে রিক্রুট করা হয়েছে।
প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্রিগেডিয়ার (অব.) সাখাওয়াত হোসেনের ওপর। কিন্তু আওয়ামী লীগ সম্পর্কিত তার একটি উক্তির কারণে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার দপ্তর পরিবর্তন করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসেন লে. জে. (অব.) জাহাঙ্গীর আলম। এরপর চিত্র পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে সংস্কৃতি উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিলে সামাজিকমাধ্যমে; বিশেষ করে যারা আন্দোলনে ছিলেন, তারা মনে করেন যে, ফারুকী ৩৬ জুলাইয়ের আদর্শ ধারণ করেন না। এভাবে উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে কানাকানি চলছিল।
শেখ মুজিবের অবস্থান নিয়েও উপদেষ্টা পরিষদ এবং কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যে রিজার্ভেশন রয়েছে। কিন্তু দেশের আপামর জনগণ, যারা ছাত্রদের নেতৃত্বে বিপ্লবে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তারা শেখ মুজিবকে নিয়ে শেখ হাসিনার ন্যারেটিভকে মোটেই গ্রহণ করতে পারেননি। তাই যখন শেখ মুজিবের বাড়ি ভাঙা হয়, তখন বিএনপি এটিকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারেনি। কিন্তু যারা সেই রাতে এবং পরদিন ৩২ নম্বরে গিয়েছিলেন তারা দেখেছেন, হাজার হাজার মানুষ বিপুল উল্লাসে এবং উদ্যমে শেখ মুজিবের বাড়ি ভাঙছেন।
যখন ছাত্র-নেতারা ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করার দাবি করেন, তখনো বিষয়টিকে সহজভাবে নিতে পারেনি বিএনপি। কিন্তু ছাত্রদের চাপে যখন ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হয়ে গেল, তখন বিএনপি বলে যে, নিষিদ্ধের প্রক্রিয়াটি নাকি সঠিক হয়নি। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, শুরু থেকেই এ বিপ্লবের মূলমন্ত্র অনেক সুশীল এবং বিএনপির মতো রাজনৈতিক দলগুলো সানন্দে গ্রহণ করতে পারেনি।
ছাত্র-জনতা চায়নি শেখ হাসিনার কদমবুসি করা কট্টর আওয়ামী লীগার, মুজিব বাহিনীর সাবেক সদস্য সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে প্রেসিডেন্ট রাখা হোক। সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে অপসারণের দাবি উঠলে বিএনপি বলে, এর ফলে নাকি সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। তারপরও ছাত্রদের একটি অংশ বঙ্গভবন ঘেরাও করতে গেলে একটি স্ট্রং আর্মি কন্টিনজেন্টের বাধাপ্রাপ্ত হয়। সেই থেকে চুপ্পু প্রেসিডেন্ট রয়েছেন।
ছাত্র-জনতা প্রথম থেকেই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু সেখানেও প্রশাসনের একটি অংশ এবং বিএনপি কথার আইনের মারপ্যাঁচে সেটিকে সাময়িকভাবে আটকে রাখা হয়। অবশেষে ছাত্র-জনতা আরো প্রচণ্ড চাপ দিলে ঠিক আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। তবে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার করা যাবে। জানা গেছে, আওয়ামী লীগের বিচার করার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, জাতীয় ঐক্য পদে পদে বিনষ্ট হয়েছে প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী দোসর এবং বিএনপির অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা মুজিববাদী একটি অংশ দ্বারা।
সারা দেশের মানুষ যখন চাচ্ছেন শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী ঘরানার সব ফ্যাসিস্টদের বিচার, যখন জনগণ চাচ্ছেন স্বৈরাচারের প্রত্যাবর্তন স্থায়ীভাবে ঠেকিয়ে দেওয়ার জন্য আইন ও সংবিধানের কাভার, তখন বিএনপি নির্বাচনের সেই রেকর্ডটি বাজিয়েই চলেছে। ঐ যে গত বছরের ৭ আগস্ট থেকে তারা ইলেকশনের সারিন্দা বাজানো শুরু করেছে, আজ ১১ মাস ধরে সেই সারিন্দা বেজেই চলেছে। তাদের মুখে বিচারের কথা নেই, তাদের মুখে সংস্কারের কথা নেই। ৫ আগস্টের পর থেকে শেখ হাসিনাকে আশ্রয়দান এবং তারপর এ ১১ মাস ধরে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চরম শত্রুতামূলক আচরণ করে যাচ্ছে, যে আচরণের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষও ভারতীয় বিএসএফের মোকাবিলা পর্যন্ত করতে গেছে, সেখানেও বিএনপির মুখে ভারতীয় প্রভুত্বের বিরুদ্ধে কোনো কথা নেই।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, বিএনপির সাথে অন্যসব দলের যে মতদ্বৈধতা, সেটা মৌলিক প্রশ্নে, সেটা আদর্শিক প্রশ্নে। এরকম অবস্থায় ড. ইউনূস যখন তার প্রতিটি ভাষণ বা বক্তৃতায় জাতীয় ঐক্যের কথা বলেন, তখন সেগুলো কাঁঠালের আমসত্বে পরিণত হয়ে যায়। যে দেশের রাজনৈতিক বিরোধ শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য নয়, বরং যে বিরোধ রাজনৈতিক দর্শন এবং বিদেশির প্রতি আনুগত্য নিয়ে, সেখানে ড. ইউনূসের ঐকমত্য কমিশন সোনার পাথর বাটির মতো শোনায়।
আজ তাই দেখা যাচ্ছে, ঐকমত্য কমিশনের ম্যারাথন বৈঠক চললেও ঐকমত্যের ইপ্সিত সোনার হরিণ রয়ে গেছে। দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট, নিম্ন ও উচ্চ পরিষদের গঠন অর্থাৎ সরাসরি নির্বাচন নাকি আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর, ৭০ অনুচ্ছেদের সংশোধন কিন্তু আস্থা ভোট, অর্থ বিল, জাতীয় নিরাপত্তা ও সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে না যাওয়া, কেয়ারটেকার সরকার প্রশ্নে একমত হলেও কেয়ারটেকার সরকারের প্রধান কে হবেন- সে ব্যাপারে নানা মত, এনসিসি বা জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদে দ্বিমত প্রভৃতি প্রশ্নে কোনো ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সংবিধান সংশোধন পদ্ধতি এবং সেইসঙ্গে গণভোটের বিধান রাখার প্রশ্নেও ঐকমত্য হয়নি। বিএনপির ৩১ দফার ৪ নম্বর দফায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, পরপর দুই টার্মের অতিরিক্ত কেউ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। বিএনপি উঠতে-বসতে তাদের এ ৩১ দফার দোহাই পাড়ছে। কিন্তু ঐকমত্য কমিশনে গিয়ে সেখানে ১ টার্মের গ্যাপসহ বিভিন্ন নোক্তা জুড়ে দিচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস পবিত্র ঈদুল আজহার আগের রাত্রে জাতির উদ্দেশে প্রদত্ত ভাষণে ঘোষণা করেন যে, এপ্রিল মাসের প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন হবে। কিন্তু ১৩ জুন লন্ডনে তারেক রহমানের সাথে বৈঠকে ৩টি শর্ত জুড়ে দিয়ে বলেন, এসব শর্তসাপেক্ষে নির্বাচন ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে হতে পারে। কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করে বেরিয়ে আসার পর বলেন, ফেব্রুয়ারি এবং এপ্রিলকে টার্গেট করে তারা ফুল গিয়ারে নির্বাচনী প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। ২টি মাসকে টার্গেট করা হয় কীভাবে? টার্গেট তো হবে মাত্র একটি মাস। তিনি আরো বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের প্রশ্নে তিনি এবং প্রধান উপদেষ্টা একই ওয়েভ লেন্থে রয়েছেন।
বিপ্লবের পর থেকেই ছাত্রনেতৃবৃন্দ জুলাই সনদ এবং জুলাই ঘোষণাপত্রের দাবি করে আসছেন। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর তারা জুলাই ঘোষণাপত্র শহীদ মিনারে একতরফাভাবে জারিও করতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেই ঘোষণার ঠিক পূর্বাহ্নে সরকার থেকে বলা হয় যে, সরকার নিজেই জুলাই সনদ দেবে। ১ মাসের মধ্যে দেওয়ার কথা থাকলেও ৬ মাস হয়ে গেল, সেই সনদ দেওয়া হয়নি। আর জুলাই ঘোষণাপত্রের তো কোনো কথাই নাই। এখানেও বিএনপির আপত্তি আছে বলে শোনা যায়। তাই ক্ষুব্ধ হয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আগামী ৩ আগস্ট তার দল শহীদ মিনারে এক বিশাল জনসভা থেকে জুলাই সনদ এবং জুলাই ঘোষণাপত্র অ্যানাউন্স করবে।
প্রায় মাস ৬ আগে এনসিপি জুলাই সনদের একটি খসড়া সরকারকে দিয়েছে। বিএনপি সেই খসড়ার সাথে একমত হয়নি। তাই জুলাই সনদ ও জুলাই ঘোষণাপত্র শূন্যে ঝুলে আছে।
এভাবে মতদ্বৈধতার তালিকা বানাতে গেলে একটি বিরাট ফর্দ তৈরি করতে হবে। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস কি জাতীয় ঐক্য চেয়েছেন? নাকি রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য চেয়েছেন? তার ১১ মাসের কাজ দেখে মনে হচ্ছে, তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য চেয়েছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর অনৈক্য দেখে মনে হচ্ছে, ড. ইউনূসের ঐকমত্য এখন একটি সোনার হরিণ। আর এ সোনার হরিণ দেখে রাজনৈতিক মহল আশঙ্কা করছেন যে, নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে হয় কিনা, সেটি নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তাই জাতির বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় পর্যায়ের ইস্যুগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতদ্বৈধতার নিরসন জরুরি।