রক্তাক্ত জুলাই : নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে চলা


৩ জুলাই ২০২৫ ১১:৪২

সোনার বাংলা রিপোর্ট: জুলাই-আগস্ট বাংলাদেশে বর্ষাকাল। এ সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আল্লাহর নিয়ামত বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে-মুছে নির্মল হয় বাংলার প্রকৃতি ও পরিবেশ। কিন্তু গত ২০২৪-এর বর্ষাকালে শুধু বৃষ্টিই ঝরেনি, ঝরেছে অনেক তাজা তরুণ প্রাণ। আকাশের বৃষ্টি আর লাল তাজা রক্তের স্রোতে ভেসে গেছে দেশের সবচেয়ে বড় জঞ্জাল ফ্যাসিস্ট হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের খুনি সরকার।
২০২৪ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ এক অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী হয়। এদিন শিক্ষার্থীদের ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন’ ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে’ রূপ নেয়। এটি ছিল প্রায় ১৬ বছরের স্বৈরতান্ত্রিক আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সূচনাবিন্দু। মানুষ কল্পনাও করেনি যে, শুরুতে কেবল চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনই শেষ পর্যন্ত ‘জুলাই বিদ্রোহে’ রূপ নেবে, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর গণআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ছাত্রদের এ অসন্তোষের সূচনা ঘটে ২০১৮ সালের কোটা বাতিলের সরকারি প্রজ্ঞাপনকে হাইকোর্ট কর্তৃক অবৈধ ঘোষণা করার রায়ের পর। সরকার ২০১৮ সালে তীব্র ছাত্র আন্দোলনের চাপে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করেছিল। কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে ৫৬ শতাংশ কোটা পুনঃপ্রবর্তিত হয়- যাতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ, পশ্চাৎপদ জেলার জন্য ১০ শতাংশ, সংখ্যালঘুদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়।
ছাত্ররা এ ব্যবস্থাকে মেধাবীদের প্রতি বৈষম্য হিসেবে মনে করে প্রতিবাদে রাস্তায় নামে। সরকার প্রতিবাদকারীদের কঠোরভাবে দমন করতে চাইলে পরিস্থিতি বিদ্রোহে রূপ নেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারপন্থী সন্ত্রাসীরা একযোগে আক্রমণ চালালে অন্তত ২০০০ জন নিহত এবং প্রায় ৩০,০০০ জন আহত হয়। স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাসে এটা ছিল সবচেয়ে নিষ্ঠুর দমন-পীড়ন। অনেকে বিশ্বাস করেন, এই জুলাই বিদ্রোহের মধ্য দিয়েই ২০০৮ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। ২০২৪ সালের ১ জুলাই এ আন্দোলন পুরো মাত্রায় শুরু হলেও এর গোড়াপত্তন ঘটে ৫ জুন। ওইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাস্তায় নামে।
আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ‘জুলাই : মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’ বইতে লিখেছেন, ‘৫ জুন বিকেলে আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে চানখাঁরপুলে স্কুটি মেরামত করাচ্ছিলাম। তখন ফেসবুকে দেখি- হাইকোর্ট কোটা পুনর্বহাল করেছে। মনে হলো ২০১৮ সালের অর্জনগুলো ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে।’ এরপর কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক বৈঠকের মাধ্যমে প্রতিবাদ কর্মসূচির সূচনা হয়। রাত সাড়ে ৭টায় ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী’ ব্যানারে একটি মিছিল বের হয় এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে তা শেষ হয়। এ সমাবেশে তারা হাইকোর্টের রায়কে ‘মেধাবীদের সঙ্গে তামাশা’ বলে প্রত্যাখ্যান করে।
সমাবেশে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র, বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির প্রধান নাহিদ ইসলাম পরদিন ৬ জুন বিকেল ৫টায় রাজু ভাস্কর্যে সমাবেশের ঘোষণা দেন।
প্রায় পাঁচ থেকে ছয়শ’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ওই মিছিলে অংশ নেয় এবং স্লোগান দেন, ‘কোটা পদ্ধতি মানি না’, ‘হাইকোর্টের রায় মানি না’, ‘কোটা বাতিল করতেই হবে’।
আসিফের বক্তব্যের সাথে একমত প্রকাশ করে নাহিদও ৫ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে তাদের প্রথম বৈঠকের কথা এবং কীভাবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে পেরেছিলেন তা স্মরণ করেন। নাহিদ পরে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ঈদুল আজহার ছুটির আগে মাত্র তিন দিন আন্দোলনের সুযোগ পেয়েছিলাম।’
৬ জুন ঢাবি, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জগন্নাথসহ দেশের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা কোটা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেন।
৯ জুন শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল করে অ্যাটর্নি জেনারেল বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেন। এর প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে। শুনানির দিন ধার্য হয় ৪ জুলাই।
১০ জুন আবারও মিছিল হয় এবং শিক্ষার্থীরা সরকারকে ৩০ জুনের মধ্যে ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন পুনর্বহাল করতে আলটিমেটাম দেন, না হলে সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু করার ঘোষণা দেন।
আসিফ স্মরণ করেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ৩০ জুন পর্যন্ত ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছিল, তাই আমরা সেই দিনটিকে আলটিমেটামের সময়সীমা হিসেবে নির্ধারণ করি। আমরা সরকারকে সতর্কও করেছিলামÑ যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি পূরণ না হয়, তাহলে আমরা আবার আন্দোলন শুরু করব।’ ৩০ জুন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ঘোষণা না আসায় ১ জুলাই ঢাবি, জগন্নাথ, জাবি, রাবি, চবি, বরিশাল ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমে পড়েন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কিছু সময়ের জন্য ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণ থেকে একটি মিছিল বের করেন, যা রাজু ভাস্কর্যে শেষ হয়। সমাবেশ থেকে নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দেন, আগামী ৪ জুলাই পর্যন্ত দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও পরীক্ষা বর্জন চলবে।
তিনি তিন দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন- ২ জুলাই দেশব্যাপী মহাসড়কে মিছিল, ৩ ও ৪ জুলাই রাজধানীর রাজু ভাস্কর্যে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত সরকারি কলেজ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমাবেশ।
সমাবেশে নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দেন- ৪ জুলাই পর্যন্ত দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন চলবে। সেই সঙ্গে তিনি চারটি দাবি উত্থাপন করেন- ১. দ্রুত কোটা সংস্কারে কমিশন গঠন, যেন পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী উপকৃত হয়। ২. কোটা পূরণ না হলে মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করা। ৩. নিয়োগে একাধিকবার কোটা সুবিধা ব্যবহার বন্ধ করা। ৪. প্রশাসনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রশিবিরের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। এ আন্দোলনে ছাত্রশিবির সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং সরকার পতনে ভূমিকা রাখে। নেপথ্যের শক্তি : ছাত্রশিবির।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শুরু থেকেই ইসলামী ছাত্রশিবির, ছাত্রদল ও বাম ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা দল-মত ভেদাভেদ ভুলে অংশ নিয়েছিলেন। শিক্ষার্থী ও নানা শ্রেণি-পেশা মানুষের সম্মিলনেই একটি সফল গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। সমন্বয়করা ফ্যাসিবাদবিরোধী সব ছাত্র সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করে ভ্যানগার্ডের ভূমিকা পালন করেন।
দৈনিক ইত্তেফাকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তবে প্রথম সারির ছয় সমন্বয়ককে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার পর আন্দোলন যখন বেহাত হয়ে যাচ্ছিল, তখন নেপথ্যের শক্তি হিসেবে আন্দোলনে রসদ জোগায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির। বিশেষ করে ডিবি কার্যালয়ে ছয় সমন্বয়ককে জোর করে যখন আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়, তখন ৯ দফা প্রণয়ন করে বাইরে থাকা সমন্বয়কদের দিয়ে ঘোষণার মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে ছাত্রশিবির। এ সমন্বয়কদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকারও ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাদিক কায়েম। ৮ আগস্ট বঙ্গভবনের দরবার হলে অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাদিক কায়েমসহ সংগঠনটির সাবেক নেতারা। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ তাদের সাবেক কয়েকজন দায়িত্বশীল নিয়ে এ ৯ দফা প্রস্তুত করেন। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময় সাদিক কায়েম ও ফরহাদরাই ৯ দফা সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছে দেন। এই ৯ দফাই পরবর্তীতে সরকার পতনের ১ দফায় রূপ নেয়। ৯ দফা যে শিবিরই প্রণয়ন করেছিল, তা সমন্বয়ক আব্দুল কাদের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে স্পষ্ট করেছেন। এছাড়া ‘মুখে ও চোখে লাল কাপড় বেঁধে ছবি তুলে অনলাইনে প্রচার’, ‘রিমেম্বারিং আওয়ার হিরোজ’, গায়েবানা জানাজা, ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ ইত্যাদি অভিনব কর্মসূচি প্রণয়নে শিবির ভূমিকা রাখেন বলে সাদিক কায়েম দাবি করেন। যদিও এ বিষয়ে সমন্বয়করা কোনো প্রত্যুত্তর দেননি। (সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ১ জানুয়ারি ২০২৫)।
এ আন্দোলনে সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও আন্দোলনে যোগদানে উৎসাহিত করতে ছাত্রশিবির ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন বাড়তে থাকে হাসিনার খুনের নেশা। ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মেধাবী শিবির নেতা আবু সাঈদকে টার্গেট কিলিং করে শহীদ করে পুলিশ। চট্টগ্রামে শহীদ হয় ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম। হাসিনার রক্তপিপাসা বাড়তে থাকে। শহীদ ছাত্রদের নিয়ে ভিত্তিহীন মিথ্যা ন্যারেটিভ তৈরি করে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপি ও নেতারা। সেই ন্যারেটিভের সাথে রং মিলিয়ে কল্পকাহিনী প্রচার করতে থাকে হাসিনা সরকারের অনুগত মিডিয়াগুলো। ছাত্র-জনতার এ আন্দোলন দমাতে হাসিনা সরকারের নিষ্ঠুরতা ও আর বর্বরতায় দেশের মানুষ ও বিশ্ববিবেক জাগ্রত হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্যসহ গণতন্ত্রের পক্ষের সব রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনতা যার যার অবস্থান থেকে হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে রাজপথে নেমে আসে। ভারত ও রাশিয়া সরকার ছাড়া অধিকাংশ দেশ জনতার আন্দোলনকে সমর্থন করে। জাতিসংঘসহ সারা বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলো প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু হাসিনা দমে না গিয়ে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যদের আদেশ দেন স্থল, আকাশ ও পানি সর্বত্র অবস্থান নিতে। জাতিসংঘের ভেহিক্যাল, হেলিকপ্টার ব্যবহার করা শুরু করে শান্তিপ্রিয় নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের দমাতে। অবশেষে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ক্যালেন্ডারে লেখা ৩৬ জুলাই। হাসিনা সরকার জনরোষ থেকে বাঁচতে পালিয়ে ভারত আশ্রয় নেন। নতুন করে স্বাধীনতার আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে জেগে ওঠে বাংলাদেশ। তৈরি হয় স্বপ্ন বুকে নিয়ে পথচলা।

বাংলা ভাষায় নবীপ্রেমের কবিতা ও গান
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:২৯

প্রতিশোধ নয়, উদারতা
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:২৬

সাহিত্যে সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:২৫

গ্রন্থ পরিচিতি
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:২১

মোশাররফ হোসেন খান
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:২০