পাঁচ সহস্রাধিক বাংলাদেশিকে হত্যা
২৬ জুন ২০২৫ ১০:৪১
॥ সাইদুর রহমান রুমী॥
বাংলাদেশ সীমান্তে বাংলাদেশিদের ওপর ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীদের নির্বিচার বর্বর হামলা ও নৃশংসতা থামছে না। ভুক্তভোগী ও মানবাধিকার কর্মীদের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি পর্যায়ে দাবি তোলার পরও ভারত ভ্রƒক্ষেপ করছে না। এমনকি আইন-আদালত ও ন্যায়বিচারকে পদদলিত করছে। ৫৪ বছরে বিএসএফের বিনা উসকানিতে ছোঁড়া গুলিতে ৫ সহস্রাধিক নিরপরাধ বাংলাদেশি নাগরিক খুন হয়েছেন।
২০২১ সালে ভারতের হিন্ধুত্ববাদী সরকার নিরীহ বাংলাদেশিদের ওপর আরো বেশিমাত্রায় বর্বরতা চালানোর যে লাইসেন্স বিএসএফকে দিয়েছে তা ব্যবহার করে বিএসএফ আরো হিংস্রতা দেখাচ্ছে। এ হত্যাকাণ্ড বন্ধে বাংলাদেশের চাপে দু’দেশের উচ্চ পর্যায়ের সীমান্ত বৈঠক হলেও সমস্যার জট খুলছে না, হত্যাকাণ্ডও থামছে না।
৫৪ বছরে পাঁচ সহস্রাধিক বাংলাদেশি হত্যা
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ১৫৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত রয়েছে, যা বিশ্বে পঞ্চম বৃহত্তম। বন্ধুপ্রতিম দাবি করা ভারতের বিএসএফের হাতে প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশিদের সাথে নৃশংসতার খবর আসে মিডিয়ায়। আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের হিসাবে দেখা যায়, ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিগত ৫৪ বছরে বিএসএফ নির্বিচারে ৫ হাজার ২৩৫ বাংলাদেশিকে হত্যা করে, যা বিএসএফের সীমান্তরক্ষী হিসেবে সারা বিশ্বে চরম নৃংশসতা ও নজিরবিহীন। এর মাঝে শুধু ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়েই ১ হাজার ৬৪ বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যা করে বিএসএফ। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০০০ সালের আগ পর্যন্ত বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যার বিষয়গুলো সঠিকভাবে না থাকায় এ নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরো অনেক বেশি হবে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তে ৩১২ বার বিএসএফ হামলা চালায়। এতে ১২৪ বাংলাদেশি নিহত হয়। এর মধ্যে ১৯৯৬ সালে ১৩০টি হামলায় ১৩ জন নিহত, ১৯৯৭ সালে ৩৯টি ঘটনায় ১১ জন, ১৯৯৮ সালে ৫৬টি ঘটনায় ২৩ জন, ১৯৯৯ সালে ৪৩টি ঘটনায় ৩৩ জন, ২০০০ সালে ৪২টি ঘটনায় ৩৯ জন নিহত হয়। এ সকল ঘটনায় আহত হন ২৪২ জন। সার্বিক বিচারে বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের নৃশংসতা আঁচ করা যায়। যার প্রত্যক্ষ ইন্ধনে রয়েছে খোদ ভারতীয় সরকার।
প্রতিবার ওয়াদাভঙ্গ করে বাংলাদেশিদের হত্যা করা হচ্ছে
সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারত বার বার আশ্বাস দিলেও সেটার বাস্তবায়ন হয়নি কখনোই। ভারতের পক্ষ থেকে সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি ছিল শুধুই আশ্বাস। থেমে ছিল না বিএসএফের গুলিতে প্রাণহানির ঘটনা। পতাকা বৈঠকেই সীমান্ত হত্যার সমাধানের পথ। সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারত বার বার আশ্বাস দিলেও সেটার বাস্তবায়ন শূন্যের কোটায়।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভূরাজনৈতিক ও বৈদেশিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা সীমান্ত হত্যা বন্ধে নানা উদ্যোগ ও পরামর্শ বাস্তবায়নের তাগিদ দিলেও কার্যত তার কোনো প্রতিফলন নেই।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারতের সঙ্গে বিজিবি ও সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে আলোচনা করা হলেও প্রতিবেশী দেশটির কাছ থেকে ঘুরেফিরে আসছে ব্যর্থতার বার্তা।
এ বছর ৩ এপ্রিল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে জাহানুর আলম (২৪) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। পঞ্চগড়ে ১৫ জুন বিএসএফের গুলিতে এক যুবক নিহত হন। জেলার সদর উপজেলার হারিভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। নিহত যুবকের নাম রাজু (৩০)। তার বাড়ি হাড়িভাসা ইউনিয়নের ঝুলিপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। এভাবে প্রায় প্রতিদিনই ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর গুলিতে নিরীহ বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা ঘটছে।
বিএসএফের হাতে হত্যার তালিকায় বাদ যায়নি বিজিবি সদস্যরাও। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গত ২৪ সালের শুরুতে যশোর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মোহাম্মদ রইশুদ্দীন নামে এক বিজিবি সদস্য মারা যান। বিগত আওয়ামী লীগের সময় লাগাতার সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) তখন মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মিছিলে ‘আমার বুকে তিস্তার জল কাইড়া নিল কে?’, ‘দিল্লির দাদাগিরি মানি না মানব না’, ‘সীমান্তে লাশ কেন, কসাই মোদি জবাব দে’, ‘সীমান্তে মানুষ মরে বিজিবি কী করে?’, ‘ফেলানী থেকে স্বর্ণা দাস, সীমান্তে আর কত লাশ?’, ‘বাংলাদেশের জলসম্পদ নিয়ন্ত্রণকারী আগ্রাসী দিল্লির দখলদারিত্ব নিপাত যাক’সহ নানা স্লোগান দেয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিবেক নাড়া দেয়া ফেলানী-স্বর্ণা দাস হত্যার বিচার হয়নি আজও
প্রায় এক যুগ পার হয়ে গেলেও বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক নৃশংসভাবে গুলিতে নিহত নিরপরাধ ফেলানী হত্যার বিচার পাওয়া যায়নি। বরং হত্যায় সরাসরি জড়িত বিএসএফ সদস্যদের খালাস দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। উপরন্তু ২০২১ সালে বাংলাদেশি সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে মোদি সরকার।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ফেলানী হত্যার দিনকে সারা বিশ্বে ‘ফেলানী হত্যা দিবস’ পালন করছে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন মানবাধিকার গ্রুপগুলো। এ দিনে ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর অনন্তপুর সীমান্তে ৯৪৭নং আন্তর্জাতিক পিলারের ৩নং সাব পিলারের পাশ দিয়ে মই বেয়ে কাঁটাতার ডিঙিয়ে বাবার সঙ্গে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল ফেলানী। এ সময় টহলরত চৌধুরীহাট ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ তাকে গুলি করে হত্যা করে। ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, চোখের পানি শুকিয়ে গেলেও মেয়ে হারানোর কষ্ট আজও ভুলতে পারেননি। তারা চোখের সামনে আমার নিরপরাধ মেয়েটাকে পাখির মতো গুলি করে মেরেছে। এ দৃশ্য কখনো মন থেকে মুছে যাবে না। এ হত্যার ন্যায়বিচার না পেলে মরেও শান্তি পাব না। তাই সরকার ও মানবাধিকার সংস্থার সহায়তায় আইনি লড়াই চালিয়ে যাব। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিবিদ্ধ হয়ে তার নিথর দেহ কাঁটাতারের ওপর ঝুলে থাকে প্রায় ৫ ঘণ্টা। এ যেন কিশোরী ফেলানী নয় ক্ষত-বিক্ষত বাংলাদেশটিই যেন ঝুলে থাকে। এ ঘটনায় বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংস্থাগুলো চরম প্রতিক্রিয়া দেখায়। কিন্তু চরম বেহায়া ভারত সরকার তেমন কর্ণপাত করেনি। সাথে তৎকালীন হাসিনা সরকারও এর কোনো জোরালো প্রতিবাদ করেনি। যার ফলে আজও সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়নি। এ ঘটনায় বিশ্বব্যাপী তোলপাড় শুরু হলে ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের কোচবিহার জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে হত্যা মামলার বিচার শুরু হয়। বিএসএফের কোর্টে সাক্ষ্য দেন ফেলানীর বাবা নূর ইসলাম ও মামা হানিফ। একই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর আসামি বিএসএফ জোয়ান অমিয় ঘোষকে খালাস দেয় বিশেষ কোর্ট। রায় প্রত্যাখ্যান করে পুনর্বিচারের দাবি জানায় ফেলানীর পরিবার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্বিচার শুরু হলে ১৭ নভেম্বর আবারও আদালতে সাক্ষ্য দেন ফেলানীর বাবা। ২০১৫ সালের ২ জুলাই আদালতে ফের আত্মস্বীকৃত আসামি অমিয় ঘোষ পুনরায় খালাস পান। রায়ের পর একই বছর ১৪ জুলাই ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) ফেলানীর বাবার পক্ষে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট পিটিশন করে। ওই বছরের ৬ অক্টোবর রিট শুনানি শুরু হয়। এরপর ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দফায় দফায় শুনানির দিন ধার্য হয়। কিন্তু হয়নি শুনানি। ২০২০ সালের ১৮ মার্চ সর্বশেষ শুনানির তারিখ নির্ধারণ হলেও করোনার কারণে তা আর হয়নি। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বিচারের জন্য বার বার চেষ্টা করলেও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বিচারের নামে প্রহসন পুরো প্রক্রিয়াটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর তারিখে স্বর্ণা দাস (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে। সেদিন রাতে মা সঞ্জিতা রানী দাসের সঙ্গে ভারতের ত্রিপুরায় থাকা ভাইকে দেখতে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। তারা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ইরানি থানার কালেরকান্দি সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কাছে পৌঁছালে বিএসএফ তাঁদের লক্ষ করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। গুলিতে কিশোরী স্বর্ণা মারা যায় এবং স্বর্ণার মাসহ কয়েকজন আহত হয়। চাঞ্চল্যকর এ হত্যার আজও কোনো সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হয়নি।
হত্যা ও গুলি মানবাধিকার লঙ্ঘন
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেন, কোনো মানুষকে হত্যা বা গুলি করে হত্যা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন। সীমান্তে কোনো মানুষ মানুষকে এভাবে মারতে পারে না। প্রতিবারই আমরা আশার বাণী শুনি, পরে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ হত্যাকাণ্ড বন্ধে দুই দেশের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তৎপর হতে হবে। সীমান্তে হত্যা বন্ধে সংশ্লিষ্ট এ দপ্তরগুলোয় তৎপরতায় ঘাটতি রয়েছে। দুই দেশেই আইন আছে, তবুও সীমান্তে আইন লঙ্ঘন করে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে, যা মানবাধিকার লঙ্ঘন।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ত্বহা হুসাইন এ প্রসঙ্গে বলেন, রেগুলেশন বা অথরিটির যে চুক্তিগুলো রয়েছে, সেখানে স্পষ্ট বলা আছে, কেউ যদি কোনো সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রতি বছরই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে নিহত হচ্ছে অসংখ্য বাংলাদেশি নাগরিক। তবে আশ্বাসের বাণী শোনালেও এখন পর্যন্ত এর কোনোটির বিচার হয়নি।
ভারত আগ্রাসী নীতি চালাচ্ছে
নিরাপত্তা বিশ্লেষক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম বলেন, ভারত সবসময়ই বাংলাদেশের প্রতি আগ্রাসী নীতি অবলম্বন করে এসেছে। এটি বন্ধে সীমান্তে ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রতিহত করতে হবে সাহসিকতার সাথে। বিজিবিকে বিএসএফের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে হবে। ভারতের আলোচিত মানবাধিকার কর্মী অরুণধতি বাংলাদেশ সীমান্তে তার দেশের সীমান্তরক্ষীরা যে মারাত্মকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে সেদিকেও কোনো নজর দিচ্ছেন না। এমনকি ভারতের মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান বিচারপতি অরুণ মিশ্রাও এ ব্যাপারে নিশ্চুপ জীবনযাপন করছেন।
সীমান্তে ভারতীয় রক্ষীদের চরম পর্যায়ের মানবাধিকার লঙ্ঘনের এ ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আদালতে উত্থাপনের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল মহল দাবি তুলেছেন। সরকারের পক্ষ থেকেও এ দাবি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আদালতে উত্থাপন করা উচিত, যাতে জট বেঁধে থাকা বাংলাদেশ সীমান্তে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলোর সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন হয়। ফলে এ দেশের ভুক্তভোগী মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারবে।
ভারতের নয়াদিল্লিতে এ বছর ফেব্রুয়ারিতে চার দিনব্যাপী মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে ভারতীয় সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক। এ সময় বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালক সীমান্তে মৃত্যু শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালকের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। এদিকে বর্তমান বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বাংলাদেশি নাগরিকের নামে সুপরিকল্পিতভাবে ভারতের রোহিঙ্গাসহ শত শত বিদেশিকে বাংলাদেশে পুশইন বিভিন্ন ইস্যুতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের নিন্দা জানিয়েছেন। বিজিবি মহাপরিচালক বলেছেন, ভারত যা করছে, তা ন্যক্কারজনক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল।