আওয়ামী লীগের পরিণতি হবে মুসলিম লীগের মতো

সোনার বাংলা অনলাইন
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২১:৩৭

আওয়ামী লীগের পরিণতি হবে মুসলিম লীগের মতো

একটি জাতীয় দৈনিকের অন লাইন ভার্সনের প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ মুসলিম লীগের মতো উল্লেখ্য করা হয়েছে। প্রতিবেদনটিকে বলা হয়েছে।
ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যেও এ নিয়ে রয়েছে প্রচণ্ড মতবিরোধ। কেউ কেউ বলছেন, হাসিনাকে রাখতে গিয়ে গোটা বাংলাদেশকেই আমরা হারিয়েছি। এর মধ্যে অনেক ঘটনাই ঘটে গেছে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। বৃহৎশক্তিও নেই আমাদের সঙ্গে। ভূ-রাজনৈতিক কারণটাও বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার মতও দিচ্ছেন অনেকে।
উল্লেখ্য যে, প্রায় ৫০ হাজার নেতাকর্মী ভারতসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। এর মধ্যে বেশিরভাগই রয়েছেন ভারতে। শেষ খবর, হাসিনা এই প্রস্তাবে সম্মত নন। তিনি নিজেকে এখনো প্রধানমন্ত্রী ভাবেন। লড়াই করে পুনরায় ক্ষমতায় আসতে পারবেন এ পরামর্শও দিচ্ছেন কেউ কেউ। যদিও বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতাকর্মী নতুন করে দলকে সংগঠিত করার পক্ষে মত দিচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমেরিকায় অবস্থানরত একজন আওয়ামী লীগ নেতা বললেন, বাস্তবতা না মানলে দলের দশা হবে মুসলিম লীগের মতো। মুসলিম লীগ নামে কোনো দল ছিল এটা অনেকেই জানেন না এখন। পাকিস্তান গড়তে এই দলটির ভূমিকা ছিল। ১৯৭১ সনে বাংলাদেশের বিরোধিতা করতে গিয়ে একদম বিলীন হয়ে গেছে। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এর নেতৃত্বে।

একাধিক কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে হলে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ অনেকটাই জরুরি। কারণ তাদেরও ভোট রয়েছে। তাছাড়া ভবিষ্যৎ সামনে রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম এখন নিষিদ্ধ। এই অবস্থায় আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়া তাদের পক্ষে আইনত সম্ভব হবে না । এ কারণেই কূটনীতিকরা বলছেন, বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে হাসিনার ভাবা উচিত। বাংলাদেশের স্থিতি নিশ্চিত করতে হলে সবদলের অংশগ্রহণ আবশ্যক।
ওদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, শেখ হাসিনা এখন একটি ছায়ার সঙ্গে লড়াই করছেন। তিনি মনে করছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস চলে গেলে তার ফেরাটা খুবই সহজ হবে। ঢাকায় বলাবলি আছে, একটি রাজনৈতিক শক্তি তলে তলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। অভ্যুত্থানের পর এদের এক শীর্ষ নেতা ক্ষমা করার প্রসঙ্গটি সামনে আনেন। ৩রা সেপ্টেম্বর ২০২৪, ওই শীর্ষ নেতা বলেছিলেন, আমরা প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। রাজনৈতিকভাবে আমাদের ওপর যারা জুলুম-নির্যাতন করেছে আমরা তাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি।