২৮ অক্টোবর আওয়ামী জঙ্গিপনার এক রক্তাক্ত দলিল : এডভোকেট জুবায়ের
২৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:২১
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় যুব বিভাগের সভাপতি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে পল্টনে আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দৃশ্য স্মরণ করলে এখনো শিউরে উঠে মানুষের শরীর, বাকরুদ্ধ হয় বিবেক। পৈশাচিক ও অমানবিকভাবে মানুষ হত্যার দৃশ্য এখনো কাঁদায় সকলকে। বিশ্বমানবতা শতাব্দীর পর শতাব্দী খুনিদের প্রতি ঘৃণা ও অভিশাপ দিতে থাকবে। ২৮ অক্টোবর আওয়ামী জঙ্গিপনার এক রক্তাক্ত দলিল হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, জামায়াত ১৯৯১ সালে বিএনপিকে নিঃশর্ত সমথর্ন দিয়েছিল বলে বিএনপি সরকার গঠন করতে পেরেছিল। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াতসহ ৪ দলীয় জোট করে নির্বাচনে জয় লাভ করে ক্ষমতার অংশ হয় জামায়াত। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে। পাশাপাশি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রত্যাহার করা মামলাগুলো পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বানও জানান তিনি।
বুধবার ২৮ অক্টোবর জেলা যুব বিভাগের সভাপতি মো. বোরহানুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও জেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি এস এম সুরুজ্জামান এর সঞ্চালনায় টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের যুব বিভাগের ‘যুব ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এডভোকেট জুবায়ের বলেন, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং পাড়া মহল্লাসহ সকল স্তরে যুব সংগঠন মজবুত ও শক্তিশালী করতে হবে। যুগে যুগে যুবকরা যেভাবে সকল অন্যায়ের মোকাবেলায় এগিয়ে ছিল ভবিষ্যতেও যুবকরা দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গঠনে ভূমিকা পালন করবে। সকল পর্যায়ের যুবকদেরকে মাদকাসক্ত থেকে মুক্ত করতে হবে এবং বেকারত্ব দূরীকরণে আমাদেরকে ভূমিকা পালন করতে হবে। সর্বোপরি ইনসাফভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আশার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমীর আহছান হাবিব মাসুদ এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী ছাত্র ও যুব ফেডারেশনের মহাসচিব ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক ও জেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম।