হ্যাঁ ভোট লঙ্ঘনে নির্বাচন সংসদ ও সরকার সবই প্রশ্নবিদ্ধ
১৭ মার্চ ২০২৬ ১০:২২
॥ জামশেদ মেহদী ॥
গত ১৪ মার্চ শনিবার ১১ দলীয় জোটের তরফ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ সরকারের প্রতি এক আলর্টিমেটাম দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকলে রাজপথে আন্দোলনে যাবে ১১ দলীয় ঐক্য। তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। শিগগিরই শীর্ষনেতারা বৈঠক করে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আগামীকাল (১৫ মার্চ) সরকারের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। এর মধ্যে যদি সরকার জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকে বা ডাকার ব্যবস্থা না করে, তাহলে তারা জাতির কাছে ক্ষমা পাবে না। সংসদ নেতাসহ সরকারকেই এর দায়দায়িত্ব নিতে হবে।
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, এবার জনগণের ভোটাধিকারের প্রতিফলনের নির্বাচন হয়নি। নির্বাচনে হাঙ্গামা কম হয়েছে, তবে নির্বাচনের মাধ্যমে জনআকাক্সক্ষার বাস্তবায়ন হয়নি- এটা এরই মধ্যে প্রতীয়মান হয়েছে। তারপরও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে নির্বাচন মেনে নিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আয়োজিত গণভোটে দেশের ৭০ ভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছে উল্লেখ করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ওপর ভোট মানে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের ভোট। দুটি ভোট একসঙ্গে হয়েছে, একসঙ্গে ফল প্রকাশ হয়েছে, গেজেট হয়েছে। জনগণের ভোটে পাস করার ওপর সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে এটি বাস্তবায়ন করা।
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক বলেন, একই দিনে দুটি ভোট হয়েছে, দুটি অধিবেশনই ডাকার কথা। কিন্তু অধিবেশন ডাকা হয়েছে শুধু জাতীয় সংসদের। বিএনপির সংসদ সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্তে সংসদ সদস্যের শপথ নিলেও সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি। এতে বোঝা যায়, বিএনপি সরকার গঠনের পর তাদের আগের অবস্থান থেকে ইউটার্ন নিয়েছে, সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থানে চলে গেছে। এর মাধ্যমে জাতির সঙ্গে প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। যারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে রায় দিয়েছে, তাদের অপমান করা হয়েছে।
ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্য প্রতিবাদ জানিয়েছে উল্লেখ করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এটা আরেকটা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাঁয়তারা কি না, সেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী সব পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন, তবে প্রশাসক নিয়োগ করা মানে নির্বাচন বিলম্বিত করা, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করার নতুন ষড়যন্ত্রের ফাঁদ তৈরি করা। এসব বিষয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সরকার যেন তাদের প্রত্যাহার করে নেয়।
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, এখন ঢালাওভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে, প্রশাসনিক রদবদল হচ্ছে। আবার দলীয় সিদ্ধান্ত না মানলে তাকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এগুলো বন্ধ করতে হবে। কারণ এটি পেশাদারিত্ব নষ্ট করে। অতীতে যেভাবে দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্নজনকে বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয়েছে, সে প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। এটিও বন্ধ করতে হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আন্দোলনের রূপরেখা তৈরি করার জন্য ২৮ মার্চ ১১ দলের শীর্ষনেতাদের বৈঠকের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি চূড়ান্ত হলে সেই বৈঠকে আগামী দিনের আন্দোলনের রূপরেখা প্রণয়ন করা হবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের এই নেতা বলেন, বেছে বেছে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে চাইলে রাষ্ট্রের মূল সংস্কার হবে না। পছন্দ অনুযায়ী সংস্কার করতে চাইলে সেটি জনগণ মানবে না। কারণ জনগণ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে।
একই দিন আরেকটি প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদেই হবে।
জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ যা বলেছেন, সেটি অত্যন্ত পরিষ্কার। এটি আর বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যার অবকাশ রাখে না। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ যা বলেছেন, সেটি তিনি জেনেবুঝে বলেছেন কিনা, সে ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। কারণ এখন প্রশ্ন উঠছে যে সরকার জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ মানে কিনা। এ বাস্তবায়ন আদেশেই গণভোটের প্রভিশন ছিল। একই দিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি ২টি ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি হলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর একটি হলো গণভোট। (এখন থেকে আমরা সংবিধান সংস্কার পরিষদকে সংক্ষেপে শুধুমাত্র পরিষদ বলবো)।
এখানে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা দরকার। জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ এ বলা হয়েছে, ‘যেহেতু জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়ন করিবার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা একান্ত প্রয়োজন সেই হেতু সরকার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে এই আদেশ জারি করলো।’ এ বিষয়টি মনে হয় বিএনপি হয় বুঝতে পারেনি, না হয়, বুঝতে পারলেও এখন ইচ্ছে করে এড়িয়ে যাচ্ছে। সংবিধান ও আইন সম্পর্কে যার সামান্যতম জ্ঞানও রয়েছে, তিনি পরিষ্কার বুঝতে পারেন যে, জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায় সবকিছুর ঊর্ধ্বে। এমনকি সংবিধানও এই সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের অধীন।
এই আদেশের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনীয় প্রশ্ন-(১) গণভোটে নিম্নরূপ প্রশ্ন উপস্থাপন করা হইবে- ‘আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ এবং ইহার তফসিল ১-এ সন্নিবেশিত সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত খসড়া বিলের প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?।
(২) ব্যালটের মাধ্যমে গণভোট অনুষ্ঠিত হইবে এবং নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত ব্যালটে প্রত্যেক ভোটার গোপনে ভোটদান করিবেন।
ঐ আদেশের ৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, (ক) এই আদেশ জারির অব্যবহিত পর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণের সমন্বয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হইবে, যাহা সংবিধান সংস্কার বিষয়ে গাঠনিক ক্ষমতা (Constituent Power) প্রয়োগ করিতে পারিবে।
(খ) উক্ত নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ একই সাথে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসাবে এবং এই আদেশ অনুসারে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।”
আদেশের ৯ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “(১) নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণের পর একই শপথ অনুষ্ঠানে এই আদেশের তফসিল-২ অনুযায়ী পরিষদ সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে ‘শপথ’ বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর দান করিবেন।
(২) সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রে যিনি শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন তিনিই এই আদেশের তফসিল-২ এ বিধৃত ফরমে পরিষদ সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন।”
এরপর আর এ সম্পর্কে নতুন করে কোনো কিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না। আদেশে পরিষ্কার বলা আছে যে, নির্বাচিত সদস্যগণকে ২টি শপথ গ্রহণ করতে হবে। একটি হলো জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে। আর একটি হলো সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। ২টি শপথই একই দিন একই ব্যক্তির নিকট থেকে পাঠ করতে হবে। ১২ মার্চ প্রধান ইলেকশন কমিশনের নিকট থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করেছেন বিএনপি এবং বিএনপি জোটের সদস্যবৃন্দ। একই দিন সংসদ সদস্য হিসেবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ৭৭ জন সদস্য সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু বিএনপি সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি। পক্ষান্তরে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৭৭ জন সদস্য সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন।
১৭ ফেব্রুয়ারি সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করায় বিএনপি এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সদস্যবৃন্দ জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছেন। এখন সালাহউদ্দিন সাহেব বলছেন যে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদেই হবে, সেটির কোনো ভিত্তি নাই এবং সেটি সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিএনপির বোঝা উচিত যে, জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ লঙ্ঘন করলে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন এবং গণভোট সবকিছুই ভেঙে পড়ে। সংসদেই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে বলে বিএনপি যে কথা বলছে সেই সংসদেরই তো ভিত্তি নড়ে ওঠে। সংসদের ভিত্তি নড়ে উঠলে সরকারেরও ভিত্তি নড়ে ওঠে।
কান টানলে যেমন মাথা আসে, তেমনি ঐ আদেশ অমান্য করলে সবকিছু তছনছ হয়ে যায়। এখন দেখা যাচ্ছে, বিএনপি বর্তমান সংবিধানকে আলোচ্য আদেশ এবং জুলাই সনদের ওপর প্রাধান্য দিচ্ছে। কেউ যদি জেগে জেগে ঘুমায়, তাহলে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে কার সাধ্য? যদি সংবিধানই সব হবে, তাহলে ১২ ফেব্রুয়ারি যে নির্বাচন হলো সেই নির্বাচন কোন আদেশ বলে হলো? সংবিধান বলে? যদি সংবিধান বলে হতে হয়, তাহলে ঐ সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ মোতাবেক যেদিন জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে তার ৯০ দিনের মধ্যে ইলেকশন করতে হয়। জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট। সেই সুবাদে ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেখানে ইলেকশন হলো ১৮ মাস পর। কোন সংবিধান অনুযায়ী ১৮ মাস পরে ইলেকশন হলো?
কেঁচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে যাবে। জাতীয় সংসদ যে ভাঙা হলো, সেটিই বা এই সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে? সংবিধানে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্র প্রধান জাতীয় সংসদ ভেঙে দেবেন। প্রধানমন্ত্রী কি রাষ্ট্রপ্রধানকে এ ধরনের কোনো পরামর্শ দিয়েছিলেন? দেবেন কোত্থেকে? তাকে তো ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি মিলিটারি প্লেনে ভারত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সংবিধানের যে ১০৬ অনুচ্ছেদের রেফারেন্স দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠনকে জাস্টিফাই করা হয়, সেটিও ভ্রমাত্মক। ৬ আগস্ট সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রিম কোর্টের সব বিচারপতি ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সুতরাং ১০৬ অনুচ্ছেদের অধীন রেফারেন্সের জন্য যে শুনানির প্রয়োজন ছিলো সেই শুনানি কীভাবে হলো?
এ ধরনের আরো প্রশ্ন আছে। আমরা আর নতুন করে সেই সব প্রশ্ন আনতে চাই না। তাই বলে ওপরে যা বলা হলো তার সবগুলোই কি অবৈধ ও বেআইনি? মোটেই নয়। ৫ আগস্টের বিপ্লব তো সংবিধান মেনে হয়নি। সেটি হয়েছে জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায় ও ক্ষমতা প্রয়োগ করে। সেই জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায় ও ক্ষমতার প্রয়োগের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হয়েছিলো, সেটি হয়েছিল সম্পূর্ণ বৈধ। আগেই বলেছি, জনতার সার্বভৌম ইচ্ছার অধীন হলো সংবিধান। সেই ইচ্ছার প্রকাশই হলো ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। সেই ইচ্ছার প্রকাশই হলো জুলাই সনদ। সেই সার্বভৌম ইচ্ছা ও ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশই হলো জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫।
সেই জনগণ তাদের সার্বভৌম ইচ্ছা ও ক্ষমতার প্রকাশ ঘটিয়েছেন দ্বিতীয়বার ১২ ফেব্রুয়ারি হ্যাঁ ভোট দিয়ে। সেই হ্যাঁ ভোটকে লঙ্ঘন করলে নির্বাচন, সরকার, সংসদ সব কিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। সুতরাং সাধু সাবধান!
Email:jamshedmehdi15@gmail.com