জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সবাইকে নিয়ে দেশে ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায় : অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন


১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৪১

সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া-১ আসনের ১১ দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও জামায়াতের নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক ইসলামী সংগঠন। জামায়াতে ইসলামী এদেশের মানুষের ভোটে ক্ষমতায় গেলে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিগত সময়ে দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করে সারা দেশের মধ্যে ন্যায় ও ইনসাফের নজির দেখিয়েছে। তাদের নামে হাজারো মামলা দিয়েও পথভ্রষ্ট করা যায়নি। আমরা ক্ষময়তায় গেলে বেকারদের ভাতার পরিবর্তে বিনা সুদে ঋণ দিয়ে বেকারদের কর্মসংস্থান তৈরি করব।
গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মহিচরণ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে দিগদাইড় ইউনিয়ন জামায়াতের আয়োজনে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে কখনো চাকরির জন্য ঘুরতে হবে না। ছেলে-মেয়েদের বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে চাকরি দেয়া হবে। বেকারত্ব দূর করতে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। ব্যবসায়ীদের জন্য সোনাতলা-সারিয়াকান্দি ভায়া হয়ে মাঝপথে নতুন সেতু করে যোগাযোগের নতুন একটি দ্বার উন্মোচিত করা হবে। মেয়েদের নানামুখী কারিগরি শিক্ষা দিয়ে ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করা হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা বৈষম্যে স্বীকার হয়েছি। একটি সন্তান মায়ের পেট থেকে জন্ম গ্রহণ করে লাখ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তিকে আমরা ভোট দিলে নিজের ঋণপরিশোধ করবে। জনগণের কোনো উন্নয়ন করতে পারবে না।
ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ মোজাহিদুল ইসলাম খান, বগুড়া ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এরশাদুল বারী এরশাদ, বগুড়া শহর যুব-বিভাগের সহ-সেক্রটারি অধ্যাপক নামিরুল হক জার্জিস, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি প্রভাষক মাওলানা রবিউল ইসলাম,সহ-সেক্রেটারি এডভোকেট মো. দলিলুর রহমান, সাবেক দিগদাইড় ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন, নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক ও মাস্টার আব্দুর ওয়ারেছ, কাজী মাওলানা রবিউল ইসলাম, জামায়াত নেতা আব্দুর রাজ্জাক, তাজুল ইসলাম, মাওলানা আবু তাহের প্রমুখ।