বিজয় নিশ্চিত করতে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : সাইফুল আলম খান মিলন


১০ এপ্রিল ২০২৫ ১২:৫৫

ইসলামী আন্দোলনকে গতিশীল ও দীনের বিজয় নিশ্চিত করতে প্রত্যেক মানুষের ঘরে ঘরে ইসলামের সুমহান আদর্শ তুলে ধরতে সকল স্তরের জনশক্তির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন।
তিনি গত ৯ এপ্রিল বুধবার রাজধানীর মগবাজারের একটি মিলনায়তনে হাতিরঝিল অঞ্চল জামায়াত আয়োজিত কেন্দ্র ঘোষিত গণসংযোগ কর্মসূচি বাস্তবায়ন উপলক্ষে এক দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও অঞ্চল পরিচালক হেমায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি ও অঞ্চল সহকারী পরিচালক মু. আতাউর রহমান সরকারের সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদ, মজলিসে শূরা সদস্য এডভোকেট জিল্লুর রহমান, আহসান উল্লাহ, ইউসুফ আলী মোল্লা, কলিম উল্লাহ, আবু সাঈদ মণ্ডল প্রমুখ।
সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ইসলাম একটি শাশ্বত ও পরিপূর্ণ জীবনবিধান। মানবজীবনের এমন কোনো সমস্যা নেই, যার সমাধান ইসলামে দেওয়া হয়নি। আর আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এ দীনে হক প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানো অত্যাবশ্যকীয় করে দিয়ে যুগে যুগে নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। বিশ্বনবী (সা.)ও একই দায়িত্ব নিয়ে দুনিয়ায় প্রেরিত হয়েছিলেন। তার আসহাব (রা.)গণও একই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে গেছেন। সে ধারাবাহিকতায় তা এখন আমাদের ওপর বর্তেছে। কিন্তু একাজ সহজসাধ্য ও কণ্টকমুক্ত নয়। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা দীনে হককে বাতিলের ওপর বিজয়ী করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন। তাই কোনো অপশক্তির বাধা-প্রতিবন্ধকতায় হতোদ্যম হলে চলবে না, বরং সকল জুলুম-নির্যাতন উপেক্ষা করে দীনকে বিজয়ী করতে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালাতে হবে। তিনি দেশকে ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করতে ময়দানে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, মুসলিম উম্মাহ সম্প্রতি ঈদ উদযাপন করলেও যায়নবাদী দখলদার বাহিনী ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাকে ধ্বংসস্তূপ ও মৃত্যুপুরীতে পরিণত করছে। আন্তর্জাতিক আইনকানুন ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে উপর্যুপরি বিমান হামলা চালানো হচ্ছে গাজা নগরীতে। প্রতিনিয়তই মজলুম ফিলিস্তিনিদের রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে গাজা নগরীর রাজপথ। দখলদার বাহিনীর জিঘাংসা থেকে রেহাই পাচ্ছে না নারী, শিশু ও বৃদ্ধরাও। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সেবা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলোও ইহুদিবাদী জিঘাংসা থেকে মুক্ত থাকছে না, যা অতীতের হালাকু খানের বাগদাদ ধ্বংসের নির্মমতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি গাজায় ইসরাইলি হামলা ও নির্মম হত্যাযজ্ঞ বন্ধে মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালানোর আহ্বান জানান। অন্যথায় দখলদাররা আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

রুশ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:০৩