বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর : সেকাল এবং একাল


২৭ মার্চ ২০২৫ ১৬:৪৩

॥ প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ ॥
মুসলিম সমাজের সবচেয়ে আনন্দঘন উৎসব ঈদ। জাঁকজমকপূর্ণ উৎসব পালন করার ক্ষেত্রে সামর্থ্যরে কমবেশি থাকলেও ধর্মীয় কারণে আনন্দের ভাগাভাগীতে মুসলমানদের ঐতিহ্য সূচনালগ্ন থেকেই। এভাবেই যুগ যুগ ধরে বাংলায় ঈদ উৎসব পালিত হয়ে আসছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, মধ্যযুগের সাহিত্যে ঈদ সম্পর্কে তেমন কিছু লেখা পাওয়া যায় না। সমকালীন ইতিহাস গ্রন্থের তো অভাব রয়েছেই। অনেক পরে ইংরেজ শাসন যুগে; বিশেষ করে উনিশ শতকের সূত্রে বাঙালির ঈদ উদযাপনের কিছু ছবি পাওয়া যায়। সাধারণত গ্রামবাংলায় বেশি আনন্দ ঘন ছিল ঈদুল ফিতর। তবে ঈদের আগের সন্ধ্যার আনন্দও কম ছিল না। ঈদের চাঁদ দেখা ও চাঁদরাতে ঈদের প্রস্তুতি নেওয়ার আনন্দের মাত্রাও ছিল ভিন্ন।
গ্রামীণ জনপদে সাধারণ মানুষের ঈদ ছিল ইবাদতকেন্দ্রিক। ঈদের দিন আনন্দের প্রধান জায়গাজুড়ে ছিল ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়া। সুলতানী কিংবা মোগল বাংলার সাধারণ মানুষের ঘন ঘন পোশাকাদি কেনার সামর্থ্য ছিল না। সব বাড়ির ছোটরা অধীর আগ্রহে ঈদের জন্য অপেক্ষা করতো। সাধারণত বছরে একবার নতুন পোশাক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা উজ্জ্বল থাকতো। সাধারণত মুসলমানগণ ঈদের দিন সন্তানদের নতুন পোশাক দেওয়া ধর্মীয় কর্তব্য মনে করতেন। বড়রাও সাধ্যমতো চেষ্টা করতেন নতুন কিছু পরার। সামর্থ্যে না কুলালে পুরোনো পোশাক ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতেন। পরিষ্কার করা কাপড় বালিশের নিচে রেখে ইস্ত্রি করার কাজটা সেরে ফেলতেন।
সুলতানী, মোগল এবং নবাবী আমলেও ধনী সামর্থ্যবানের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা সম্পদের হিসাব মোতাবেক যাকাত আদায়ের চেষ্টা করতেন। প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা যাকাত আদায়ে নানাভাবে সহযোগিতা করতেন। যাকাত তহবিল থেকে যেমন গরিবদের পুনর্বাসনের সুযোগ তৈরি হতো, তেমনি নানা ধরনের জনহিতৈষী কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হতো। কিন্তু ইংরেজ ও ব্রিটিশ আমলে ক্রমশ মুসলমান সমাজে দুর্গতি নেমে আসে। প্রশাসনিক পদপদবি থেকে তারা ছিটকে পড়েন। জমিজমাও হাতছাড়া হয়ে যায়। মুসলমান সমাজের অধিকাংশ মানুষ খেটে খাওয়া শ্রমিক শ্রেণিতে পরিণত হন। শিক্ষা-সংস্কৃতির দিক থেকেও তারা পিছিয়ে পড়েন। হাতেগোনা দুদশজন মানুষ যাকাত দেয়ার মতো সামর্থ্য রাখতেন। তাই যাকাতদাতারা সাধারণত শাড়ি ও লুঙ্গি যাকাত হিসেবে দরিদ্র প্রতিবেশী বা আত্মীয়দের দান করতেন।
শহুরে নাগরিক জীবনে ঈদের আবেদন ছিল কিছুটা আলাদা। পুরনো নথিতে ঢাকার ঈদ উৎসব সম্পর্কেই বিশেষভাবে জানা যায়। মোগল যুগে ঢাকা সুবা বাংলার রাজধানী হওয়ার কারণে এবং ইংরেজ শাসনকালে ঢাকা গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র হওয়ায় এখানে জনবসতি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বিদেশিদের মধ্যে উত্তর ভারত ও ইরান থেকে অনেক মুসলমান চাকরি ও ব্যবসা করার সূত্রে ঢাকায় বসবাস করেছেন এ সময়ে। তাই নানা অঞ্চলের মুসলমানদের সংস্কৃতির মিশ্রণ ঘটে ঢাকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে। এসব কারণে ঢাকায় ঈদ উৎসব একটি ভিন্ন মাত্রা পায়।
মোগল যুগের শেষ অধ্যায়ে, অর্থাৎ নবাবী আমলে নায়েব-নাজিমদের পৃষ্ঠপোষকতা ছিল ঈদ উৎসব আয়োজনে। তবে সবচেয়ে বেশি আনন্দঘন ছিল ঈদুল ফিতরের দিনটি। এক মাস সিয়াম সাধনা, অর্থাৎ রোজা রাখার পর আসতো ঈদের দিন। পুরো রোজায় শেষ রাতে সাহরি খাওয়ার জন্য ঢাকার মানুষের ঘুম ভাঙাতে মহল্লায় মহল্লায় হেঁটে হেঁটে কাসিদাশিল্পীরা কাসিদা গাইতেন। ঈদের দিন ঢাকা শহরে ঈদের মিছিল বের করা হতো। ধারণা করা হয়, ঈদ মিছিল আয়োজনে উৎসব আমেজে আলাদা প্রাণ খুঁজে পাওয়া যেতো। নবাবি আমলে ঈদের দিন নগরবাসীর প্রধান আকর্ষণ ছিল ঈদ-মিছিল। নায়েব-নাজিমদের তত্ত্বাবধানে এসব মিছিলে বেশ আড়ম্বর ছিল। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে চিত্রশিল্পী আলম মুসাওয়ার ঢাকার ঈদমিছিলের কয়েকটি ছবি এঁকেছিলেন। এই ছবি থেকেই আড়ম্বরের ধারণা পাওয়া যায়। এ সময় মিছিলে নেতৃত্ব দিতেন নায়েব-নাজিম স্বয়ং। সঙ্গী-সাথীসহ তিনি ঈদ-মিছিলে অংশ নিতেন। হাতির পিঠে তৈরি কারুকাজখচিত হাওদায় বসতেন নায়েব-নাজিম। অন্যান্য অভিজাত বসতেন পালকিতে। ছাতা বরদাররা ছাতা হাতে এগিয়ে যেত। এসব ছাতাও হতো রঙিন ও কারুকাজ করা। এছাড়া রঙিন কাপড়ের পতাকা নিয়ে হাঁটত একেক দল মানুষ। মিছিলের সামনে বা শেষ দিকে ব্যান্ডপার্টি বাদ্য বাজাত। শত শত দর্শক ভিড় জমাত রাস্তার দুই পাশে। আশপাশের বাড়িঘরের ছাদ ও ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে মানুষ এ মিছিল উপভোগ করতো।
বিশ শতকে ইংরেজ শাসন যুগে সারা বাংলায় ঈদ আনন্দে ভাটা পড়ে। অর্থনৈতিকভাবে মুসলমানগণ দুর্বল হয়ে পড়েন। এমনকি ঢাকাসহ বিভিন্ন মফস্বল শহরেও ঈদের আনন্দে অনেকটা ভাটা পড়ে যায়। তবে ঢাকা শহরের কিছু এলাকায় ঈদ উৎসব লক্ষণীয় ছিল। বিশেষ করে এ সময় ঈদ উৎসবের প্রধান আয়োজক ছিলেন ঢাকার নবাবরা। তখন বাণিজ্য ও চাকরির সূত্রে অনেক ধনী অভিজাত শ্রেণির মানুষের বাস ছিল ঢাকায়। নানা অঞ্চলের জমিদারদের অনেকে ঢাকা নগরীতে বাগানবাড়ী কিনে বসবাস করতেন। সাধারণ মানুষের ভাষায় এরা ছিলেন ‘বাবু’। এই বাবুরা তাদের যাপিত জীবনে যে সংস্কৃতি ধারণ করতেন, তা ‘বাবু সংস্কৃতি’ নামে পরিচিত ছিল। বাবুরা ঈদ উৎসবে বাড়তি কিছু আয়োজন যুক্ত করতেন, যে কারণে বাংলার আটপৌরে ঈদ উৎসবের চেয়ে ঢাকার ঈদ উৎসব ভিন্নমাত্রা পেয়ে যায়।
বিশ শতকের প্রথমার্ধে ঈদের দিন রমনা, আরমানিটোলাসহ ঢাকার বড় বড় মাঠে মঞ্চ বানানো হতো। এসব মঞ্চে আয়োজিত হতো কত্থক নাচ। শহর ও শহরতলি থেকে অনেক মানুষ এসে এসব অনুষ্ঠান উপভোগ করতো। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত হতো নৌকাবাইচ ও ঘুড়ি ওড়ানো প্রতিযোগিতা। এসব আয়োজনে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। তবে বাবুদের তত্ত্বাবধানে ঈদের দিন দুটি অনুষ্ঠানের আয়োজন হতো ঢাকায়। এর একটি হিজড়া নাচ আর অন্যটি ঘোড়দৌড়। হিজড়া নাচের আয়োজন তখন আভিজাত্যের প্রতীক ছিল। এ কারণে ঈদ এগিয়ে এলে হিজড়া সম্প্রদায়ের মানুষের কদর বেড়ে যেত। যার যার মহল্লায় বাবুরা হিজড়া নাচের আয়োজন করতেন। তাই আগেভাগেই এক-এক হিজড়া দলকে বায়না করা হতো। একইভাবে রমনার রেসকোর্স ময়দানে তথা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘোড়দৌড়ের আয়োজন হতো। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় বাবুরা অংশগ্রহণ করতেন।
বিশ শতকের প্রথম দিকে ঢাকায় সিনেমা হল প্রতিষ্ঠিত হয়। সম্ভবত ১৯১৯ থেকে ১৯২২ সালে আরমানিটোলায় প্রতিষ্ঠিত ‘পিকচার প্যালেস’ হলটি ছিল ঢাকার প্রথম সিনেমা হল। পরে যার নাম হয় ‘শাবিস্তান’। ঈদের দিন নগরবাসীর কাছে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল সিনেমা হলে ‘ফুল সিরিয়াল’ দেখা। এতে এক টিকিটে রাতভর সিনেমা দেখার সুযোগ ছিল। এমনি নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আঠারো, উনিশ ও বিশ শতকে ঢাকাবাসী ঈদ উদযাপন করতেন। এভাবে ইংরেজ ও ব্রিটিশ আমলে ভিন্ন সংস্কৃতির প্রভাবে ঈদ আয়োজনে মুসলিম সংস্কৃতির মৌলিক চেতনায় নানা ধরনের বিদ’আতের সংযুক্তি ঘটে। ঈদ উপলক্ষে অনেক গ্রামেই মেলার আয়োজন হতো। সেখানে ঢোল বাদ্যের তালে তালে নানা ধরনের খেলাধুলার পাশাপাশি নাচ-গানও হতো। এখনো কোনো অঞ্চলে মেলার প্রভাব রয়েছে।
সুলতানী, মোগল ও নবাবী আমলের প্রায় প্রতিটি মুসলিম বাড়িতে ঈদের দিনে উন্নত খাবারসহ মিষ্টি মিষ্টান্ন পরিবেশনের রেওয়াজ ছিল। ঈদ উপলক্ষে নানা ধরনের পিঠা বানানো গ্রামবাংলার একটি সাধারণ চিত্র ছিল। পোলাও-কোর্মা রান্নার রেওয়াজ দু-একটি ধনী বাড়িতেই সীমাবদ্ধ ছিল। তবে ঈদের দিন সবার দ্বারই ছিল অবারিত। মেহমানদারীর একটা আলাদা আন্তরিকতা পরিলক্ষিত হতো।
ছোটবেলায় আমরা গ্রামীণ ইঁদুর ও শহুরে ইঁদুর বন্ধুর গল্প পড়েছি, যেই গল্পে দুই ইঁদুরের জীবন যাত্রার মধ্যে পার্থক্য দেখানো হয়েছিল এবং তারা নিজেরা নিজেদের জীবন পদ্ধতি পছন্দ করতো। বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরের ঈদ উৎযাপন এবং ঈদের দিনের খাবারের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে, তবে কিছু কিছু খাবার দুই স্থানেই হয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে কিছু কিছু খাবার ঈদুল ফিতরকেন্দ্রিক হয়। বাংলাদেশের গ্রামে প্রতিটি ঘরে ঈদের দিন রান্না হয় তেলপিঠা চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে যার আঞ্চলিক নাম আন্ধাসা। ঈদুল ফিতর বা ঈদুল আজহা যেকোনো উৎসবেই ঘরে ঘরে তৈরি হয় সেমাই। ঈদের দিনে গ্রামে ঘরে ঘরে রান্না হয় চিকন সেমাই, দুধ সেমাই, হাতের সেমাই, ফিরনি, জর্দা, বুটের ডালের হালুয়া, গাজরের হালুয়া, কড়া ভাজির পিঠা ইত্যাদি। গ্রামাঞ্চলে অতিথি আপ্যায়নের বিশেষ খাবার হলো ঘি বা তেলে ভাজা সেমাই, পায়েস, বিভিন্ন ধরনের নাড়ু, মিষ্টি ও পাপড় ইত্যাদি। এই ঈদে সেমাই জাতীয় খাবারের আধিক্য অনেক পুরোনা আমল থেকেই। তাই তো ঈদুল ফিতরকে সেমাই ঈদ বলেও আখ্যা দেয়া হয়।
শহরেও ঈদের দিনে ঘরে ঘরে তৈরি হয় সেমাই। এছাড়া রান্না হয় লাচ্ছা, ডোনাট, পুডিং, চটপটি, নুডলস, হালিম প্রভৃতি। আগে গ্রামে লাচ্ছা হতো না। হাতে বানানো সেমাই আর মুড়ি-মুড়কি দিয়ে সকালের নাশতা সেরে নেয়া হতো। ইদানীং শহরের মানুষেরা সকালের নাশতার সাথে নানা ধরনের ঝাল খাবারের আয়োজন করেন। সাধারণত ঈদের পরের দিন গোশতের সাথে রান্না করেন পরাটা বা রুটি, ঈদের দিন দুপুরে গোশতের সাথে ভাত বা পোলাও, কাচ্চি, তেহারি, বোরহানি, বারবিকিউ, কাবাব দিয়ে শাহি পোলাও, কোরমা, বিভিন্ন পানীয়, দই, বোরহানি তৈরি করেন। ডিজিটাল যুগের কারণে অবশ্য এখন গ্রামেও পোলাও, কোরমা, কাবাব এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন খাবারের আয়োজন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা যে খাবারটি পছন্দ করে তা করার চেষ্টা করা হয়।
সত্যিকার অর্থে ঈদ মানেই নাড়ির টানে গ্রামে ফিরে যাওয়া, সেটা যত কষ্টই হোক। কত ঝক্কি-ঝামেলার পর অবশেষে ছায়াসুনিবিড় নিজ গ্রামে পৌঁছানো। যানজট আর ধুলাবালির শহরে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষগুলো মাত্র কয়েকদিনের স্বস্তি আর প্রিয়জনের সানিধ্য পাওয়ার লোভে শত বাধা অতিক্রম করে নিজে গ্রামে ফেরে। সত্যিকারের গ্রাম বলতে যা বোঝায়, তার সব বৈশিষ্ট্যই আছে বাংলাদেশের প্রায় সকল গ্রামে। আছে দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ, সবুজ বন বনানী, গাছে গাছে পাখিদের গান। গ্রামের প্রতিটির বাড়ির উঠানের পাশেই গাছে গাছে ঝুলে থাকে আম, কাঠাল, নারিকেল, জাম্বুরা, পেয়ারসহ কত্ত কত্ত ফল। যেগুলো খাওয়ার জন্য ফরমালিন নামক বিষের কথা একবারও ভাবতে হয় না। টিউবওয়েল চাপলে গপ গপ করে বেরিয়ে আসে বিশুদ্ধ পানি যা পান করা যায় নিশ্চিন্তে। পথের পাশে দুষ্টু কাঠবিড়ালীর নির্ভিক ছোটাছুটি কিংবা বুনো কবুতর, শালিকের নিশ্চিন্ত মনে খাবার খোঁজা।
ঈদ মানেই ছোটবেলার সব বন্ধুদের একসাথে পাওয়া। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া স্রোতহীন শান্ত নদীর বাঁকে আড্ডা জমানো। গ্রামের ছোট্ট বাজারে সবাই মিলে চায়ের আড্ডায় মিলিত হওয়া। নিজ আঙিনায় লাগানো গাছের কচি লাউয়ের সাথে স্বাদ আস্বাদন করা। বাড়িতে পরম যত্নে পালিত গাভির টাটকা দুধের সাথে মজা নেয়া। বিল হাওরে মাছের সাথে নিজেকে মিলিয়ে নেয়া। বাজারের শান বাঁধানো বটতলায় বসে রাতের গল্পে আসর বসানো। বিশ্বায়নের খটমটে জীবনের ক্লান্তি মেটাতে এ সবের মজা নেয়ার স্মৃতি ক্রমশ গাঢ় হতে চলেছে।
লেখক: কবি ও গবেষক; প্রফেসর, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

রুশ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:০৩