ফিরেছে চাঁদাবাজি
৩ জুলাই ২০২৫ ১২:০৭
॥ সাইদুর রহমান রুমী ॥
বিভিন্ন সেক্টরে চাঁদাবাজি যেন থামানো যাচ্ছেই না। বরং বিভিন্ন গ্রুপের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি আবার নতুনরূপে ফিরে এসেছে। ফুটপাত, টার্মিনাল, বাজার-ঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্পট ও সেক্টরে চালু হয়েছে চাঁদাবাজির নতুন উৎপাত। বিভিন্ন গ্রুপ-গোষ্ঠীর নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি সমানতালে চললেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা প্রশ্নবিদ্ধ। কোথাও কোথাও পুলিশের নীরবতা ও চাঁদাবাজদের সাথে পুলিশের যোগসাজশের অভিযোগ আসছে। সক্রিয় হয়ে উঠেছে আওয়ামী পল্টিবাজ চক্রটিও।
চাঁদাবাজির হাতবদল : ঢাকাসহ সারা দেশে বিভিন্ন সেক্টরে চাঁদাবাজিতে বর্তমানে নতুন নতুন মুখ যুক্ত হচ্ছে। তারা নিজেদের বিভিন্ন বড় ভাই এবং গ্রুপের পরিচয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ আসছে। কথা হয় মতিঝিল এলাকার ফুটপাতের ব্যবসায়ী ফজর আলীর সাথে। তিনি বলেন, যারা বিগত সময়ে তাদের জায়গাটির জন্য চাঁদা দিয়েছিলেন। এখন আবার তাদের চাঁদা দিতে হচ্ছে আগের সবটাই। বরং আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। তিনি বলেন, একটু খোঁজ নেন, আপনিও তাদের পরিচয় পাবেন। তাদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যোগসাজশ আছে।
দীর্ঘ প্রায় এক দশক কারওয়ান বাজার এলাকায় ব্যবসা করা মোহাম্মদ ইয়াজ উদ্দিন জানান, আগে যারা চাঁদা নিত, তারা আর এখন আসে না। তবে এখন যারা আসে, তারা সব কিছু জানে। তার মানে তাদের সাথে আগের চাঁদাবাজদের যোগাযোগ আছে। তিনি বলেন, গত বছর ছাত্রদের আন্দোলনের পর কয়েক মাস অনেক শান্তিতে ছিলাম। কিন্তু বর্তমানে চাঁদাবাজরা আবার ফেরত এসেছে। তিনি জানান, একটু ঁেখাজ নিলেই আপনারা জানতে পারবেন এখন চাঁদাবাজি কাদের কাছে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ফার্মগেট এলাকার এক হকার জানান, গত বছর ছাত্রদের আন্দোলনের পর বেশ কয়েক মাস চাঁদাবাজিমুক্ত ছিলাম। বৈষম্যবিরোধী অনেক ছাত্র আসত, বলত চাঁদাবাজরা আসলে ধরিয়ে দিতে, খবর দিতে। কিন্তু এখন আর বৈষম্যবিরোধী এসব ছেলে আসে না। তাই আমরা আবার চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মি। পুলিশও কেমন যেন নিষ্ক্রিয়। এসব চাঁদাবাজির সঙ্গে বর্তমান বড় দল ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর স্থানীয় নেতাকর্মীরা জড়িত বলে তিনি ইঙ্গিত করেন।
নগরীর বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, ৫ আগস্টের পর তাদের নিয়ন্ত্রকরা পালিয়ে গেলে আগের লাইনম্যানরাই রাজনৈতিক খোলস পাল্টে দায়িত্ব পালন করছে। সায়েন্সল্যাব, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট ও এলিফ্যান্ট রোডের চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করেন নিউমার্কেট থানাস্থ একটি বড় দলের নেতা। এছাড়া কফি হাউসের গলি ও বাটা সিগন্যাল এলাকাও তার নিয়ন্ত্রণে। নিউমার্কেট থানা, সায়েন্সল্যাব ও এলিফ্যান্ট রোড এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে আরেকটি গ্রুপ। ঢাকা কলেজের সামনের ফুটপাত থেকে চাঁদা নেন কলেজের একটি দলের নেতা। এছাড়া নীলক্ষেতের বই মার্কেট থেকে কাঁটাবনের গাউসুল আজম মার্কেটের সামনে পর্যন্ত জাহাঙ্গীর পাটোয়ারী নামে একজনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
নিউমার্কেট ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ী ইরফান মিয়া বলেন, সন্ত্রাসী ইমনের ভয় দেখিয়ে প্রথমে দোকানের জন্য আমার কাছে ৩ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারায় আমাকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে নতুন দোকান বসানো হয়েছে। নীলক্ষেত মোড়ে কাপড়ের দোকানি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আগে আওয়ামী লীগের লোকদের চাঁদা দিতে হতো। এখন বিভিন্ন সন্ত্রাসী লোকরা চাঁদা নিচ্ছে।
গাজীপুর এলাকার একটি রিসোর্টের মালিক জানান, স্থানীয় সন্ত্রাসীরা রিসোর্টে চাঁদা চেয়ে হুমকি দিচ্ছে। এ ব্যাপারে কয়েকবার পুলিশকে জানানো হলেও তারা কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সন্ত্রাসীদের পক্ষাবলম্বন করছেন।
অতিষ্ঠ পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা
হাসিনার পতনের সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খাতের নিয়ন্ত্রণও হাতবদল হয়েছে। টানা সাড়ে ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সমর্থক ও অনুসারীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল আন্তঃজেলা ও নগর পরিবহনের বিভিন্ন রুট। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বর্তমানে সেই নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে প্রভাবশালী একটি চক্রের হাতে। রাজধানীর গাবতলী, ফুলবাড়িয়া, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে চাঁদাবাজি ফিরে এসেছে অনেকটা আগের মতোই। ফলে সাধারণ পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা রীতিমতো অতিষ্ঠ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ, সিটি করপোরেশন, মালিক সমিতি, টার্মিনাল কর্তৃপক্ষের ফি, কাউন্টার ও টার্মিনালের খরচ, শ্রমিক কল্যাণ, লাইনম্যান, পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং নিরাপত্তারক্ষীদের ফি আদায়ের নামে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ টাকা চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। এসব চাঁদা প্রতিটি বাস মালিক-শ্রমিকদের জোরপূর্বক দিতে বাধ্য করা হয়। কেন, কী কারণে, কোথায় যাচ্ছে এসব চাঁদাÑ এগুলো জিজ্ঞাসা করার অধিকার সাধারণ মালিক-শ্রমিকদের নেই। এসব ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো তৎপরতা বর্তমানে নেই।
অনুসন্ধান দেখা গেছে, রাজধানীর সায়েদাবাদ, মহাখালী, গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া, মিরপুর, আজিমপুর, মতিঝিল-কমলাপুর ও গাবতলী বাস টার্মিনাল এবং ভাসমান মিলে গাড়ির সংখ্যা কয়েক হাজার। এসব গাড়ি রাস্তায় নামলেই দৈনিক ভিত্তিতে চাঁদা দিতে বাধ্য। ছাত্রদের আন্দোলনের পর ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজি কয়েক মাস না থাকলেও তা বর্তমানে আবার শুরু হয়েছে। ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালের (গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া) একাধিক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সূত্র জানিয়েছে, টার্মিনালে কোনো বৈধ কমিটি নেই। তা সত্ত্বেও একটি চক্র মালিক নিজেদের বৈধ কমিটি দাবি করে মালিক সমিতির নামে প্রতি গাড়ি থেকে প্রতিদিন চাঁদা আদায় করছে ৫০০-৭০০ টাকা।
আওয়ামী লীগের সময় দলটির নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজিতে একটি টোকেন ব্যবহার করতো। কিন্তু বর্তমানে চাঁদাবাজরা বিচ্ছিন্নভাবে চাঁদাবাজি করছে। বর্তমানে রাজধানী এবং এর আশপাশের এলাকায় বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, পিকআপ, হিউম্যান হলার (লেগুনা) এবং অটোরিকশাসহ ৯৫ ধরনের টার্মিনাল এবং স্ট্যান্ড রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীজুড়ে ৬৬টি বিভিন্ন ধরনের টার্মিনাল এবং স্ট্যান্ডই রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩৭টি লেগুনা স্ট্যান্ড, সাতটি স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড, পাঁচটি পিকআপ স্ট্যান্ড, চারটি স্থানীয় এবং আন্তঃজেলা বাসস্ট্যান্ড, চারটি অটোরিকশা স্ট্যান্ড, তিনটি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল, ৫টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ড, দুটি ট্রাকস্ট্যান্ড এবং দুটি মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড। বড় একটি রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক গ্রুপগুলো বর্তমানে এগুলো থেকে চাঁদা উঠাচ্ছে বলে অভিযোগে প্রকাশ।
এলাকাভিত্তিক চাঁদাবাজি
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকার খাসজমি ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্পদ, এলাকাভিত্তিক ঝুট ব্যবসা, ফুটপাত, ড্রেন থেকে শুরু করে এলাকার ময়লা ব্যবসাসহ সর্বত্র চলছে চাঁদাবাজির প্রতিযোগিতা। দখল নিয়ে নানা ধরনের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে। এক তথ্যে জানা যায়, এলাকায় এলাকায় শুধু অবৈধভাবে গড়ে তোলা বিভিন্ন দোকানপাট থেকে চাঁদা উঠছে মাসে কোটি কোটি টাকা। আর ঝুট ব্যবসা, ময়লা ব্যবসা থেকেও হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে অন্তত কোটি কোটি টাকা। আগে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালীদের দখলে ছিল এসব অবৈধ বাণিজ্য। এখন একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নাম আসছে বেশি। স্থানীয় প্রভাবশালী ও তাদের সহযোগীরা এসবের নিয়ন্ত্রণ করছেন। বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক, ফুটপাতের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে হাজার হাজার দোকানপাট। এসব দোকান থেকে দৈনিক ২শ’ থেকে ৫শ’ টাকা পর্যন্ত কথিত ভাড়া-চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।
কী বলছেন রাজনৈতিক নেতারা
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিএনপিতে চাঁদাবাজদের কোনো জায়গা নেই। কেউ যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তার দায় বিএনপি নেবে না।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা লড়ছি দুনিয়া ও আখিরাতের মুক্তির জন্য। আমরা চাঁদাবাজি, অসততা, দখলদারি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়ছি। কুরআনের আলোকে দরদি সমাজ গঠনের লক্ষ্যে লড়ছি আমরা। ক্ষমতার লড়াই নয়, মানবতার লড়াই করছি। মানবিক বাংলাদেশ চাই আমরা। সম্প্রতি এক দাওয়াতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মালিক সমিতির নামে চাঁদাবাজি আমাদের এখতিয়ার নয়
এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘মালিক সমিতির নামে চাঁদা আদায় বিষয়টি আমাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়। এ বিষয়টি আমরা অবগত নই।’ এদিকে প্রতি বাস থেকে ৫০০-৭০০ টাকা চাঁদা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম। তিনি বলেন, যারা এ তথ্য দিয়েছে, তারা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। প্রকৃত অর্থে প্রতি বাস থেকে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা তোলা হয়, যা থেকে সিটি করপোরেশনের টোল বাবদ দিতে হয় ৬০ টাকা, শ্রমিক ফান্ডে ৩০ টাকা। এছাড়া রয়েছে আনুষঙ্গিক কিছু খরচ। তিনি আরও বলেন, এসবের বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ যদি সঠিক হয়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, চাঁদাবাজির হাতবদল হচ্ছে। সরকার পতনের পর কয়েক মাস চাঁদাবাজি বন্ধ ছিল, তারপর আবার নতুনরা চলে এসেছে। এ চাঁদাবাজির কারণেই দাম বৃদ্ধি পায়। চাঁদাবাজি বন্ধে সিটি করপোরেশনের কার্যকর উদ্যোগের আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ হকার্স ফেডারেশনের সভাপতি এম এ কাশেম বলেন, ‘ফুটপাত মানেই টাকার খেলা। যেখানেই হকার, সেখানেই আছে লাইনম্যান-চাঁদাবাজ। আর লাইনম্যানদের অধিকাংশই পুলিশের সোর্স। গণঅভ্যুত্থানের পরও এ ধারা পাল্টাইনি। লাইনম্যান আগেরজনই আছেন, শুধু রাজনৈতিক শক্তির বদল হয়েছে।’
বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল হাসিম কবির বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পরও ফুটপাতে যে যার মতো করে নতুন দোকান বসাচ্ছে। আগের চেয়েও দোকানের সংখ্যা বেড়েছে। আর এতে লাখ লাখ টাকা বাণিজ্য করছে আরেকটা পক্ষ।’
এসব বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কাইজার মোহাম্মদ ফারাবি বলেন, বিভিন্ন বাজার ঘিরে রাজনৈতিক পেশিশক্তি কাজ করে। বাজারে কিছু অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা আছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মাঝে মাঝে বাজারে অভিযান চালিয়েছেন। আমরা আশা করছি, দ্রুত এগুলোর সমাধান হবে। আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটগণ নিয়মিতই অন্যান্য অভিযানের সঙ্গে ফুটপাত হকারমুক্ত করছেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ‘ফুটপাতের দোকানের এখন কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। যে যার মতো করে দোকান বসাচ্ছে। আগে পুলিশের সঙ্গে মিলেমিশে চাঁদাবাজি করলেও এখন পুলিশও ভাগ পায় না। আমরা সড়ক, ফুটপাত দখলমুক্ত করছি। কিন্তু পুলিশের তেমন সহযোগিতা না পেলে কার্যকর করা যাচ্ছে না।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, ‘ফুটপাতে একদিকে উচ্ছেদ করলে তারা আরেকদিকে দোকান বসায়। এক্ষেত্রে ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদে পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সবার সমন্বয় প্রয়োজন। ফুটপাতে চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চাই, সড়ক পরিষ্কার রাখতে ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ হোক।’