জুলাই ঘোষণাপত্র কেন জরুরি?
১৭ জুলাই ২০২৫ ১৩:০৭
॥ জামশেদ মেহদী॥
৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভারতে পলায়নের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের একটি পর্ব শেষ হয়। শেখ হাসিনার পলায়নের মাধ্যমে এটি বোঝায় না যে, জুলাই বিপ্লবের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যও অর্জিত হয়েছে। সিপিবি এবং বাসদ ছাড়া আওয়ামী লীগবিরোধী সব রাজনৈতিক দল, তাদের অঙ্গ সংগঠনসমূহ এবং ছাত্র সংগঠনসহ সকলেই এ বিপ্লবে নিজেদের নাম উহ্য রেখেছিল। কারণ আন্দোলনের প্রারম্ভে বা আন্দোলন চলাকালে এসব সংগঠন যদি নিজ নিজ পরিচয় প্রকাশ করে, তাহলে তাদের দলীয় আদর্শ ও কৌশল ছাত্র-জনতার সর্বাত্মক ঐক্যে ফাটল ধরার এবং বিপ্লব ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
হাসিনা পালিয়েছে। বিপ্লব সফল হয়েছে। তবে বিপ্লবের ভ্যানগার্ড ছাত্রনেতৃত্ব আরো বেশি স্বপ্ন দেখেছিলেন। তারা ভেবেছিলেন, বিপ্লবের পর এ ঐক্য ধরে রাখার জন্য বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় সরকার গঠিত হবে। স্থানীয় সরকার এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পুস্তক ‘মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’ থেকে এ তথ্য জানা যায়। এ পুস্তকের ১১২নং পৃষ্ঠায় বলা হয়, ‘খবর পেলাম বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ক্যান্টনমেন্টে যাচ্ছেন।
সেখানে ক্ষমতার পালাবদলের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হচ্ছে। মনে হয়েছিলো, এমন একটা ঐতিহাসিক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের সব সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে প্রবীণ রাজনীতিবিদরা ঠিক কাজ করছেন না। ব্যাপারটা আমাদের ভালো লাগেনি।’
নাহিদ ইসলাম এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া যখন শুনলেন যে, হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন, তখন তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, তারা একটি সংবাদ সম্মেলন করবেন। রাজনৈতিক নেতারা ক্যান্টনমেন্টে গেছেন শুনে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমও সেদিকে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নাহিদ এবং সজীব ভূঁইয়া টেলিফোন করে তাদের ফিরে আসতে বলেন। এরপর তারা ৪ জন চ্যানেল ২৪ অফিসের ছোট সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নেন। এর মধ্যে একজন প্রস্তাব করেন যে, সংবাদ সম্মেলনের আগে বিএনপি প্রধান তারেক রহমানের সাথে কথা বলে নিলে ভালো হয়। তখন তারা তারেক রহমানের সাথে অনলাইনে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে ওরা ৪ জন ছাড়াও মাহফুজ আলম এবং নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীও উপস্থিত ছিলেন।
তাদের প্রস্তাব ছিলো জাতীয় সরকারে ৫০ শতাংশ রাজনৈতিক দলের এবং ৫০ শতাংশ সুশীল সমাজ ও শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি থাকবে। তারেক রহমান বললেন, তারা এ ধরনের কিছুর অংশ হতে চান না। ছাত্রনেতৃত্ব তাদের সংস্কারের ভাবনাগুলো বললেন। তারেক রহমান সরাসরি বললেন, ‘এত বেশি দায়িত্ব নেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে তো মনে হয় না। আপনারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে একটা নির্বাচন দিয়ে দিতে পারেন। তারেক রহমান প্রস্তাব দিলেন একজন প্রধান উপদেষ্টা রেখে সাতজনের একটা সরকার গঠন করে তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া যেতে পারে। সজীব ভূঁইয়ার বর্ণনা মতে, তারা জাতীয় সরকারই গঠন করতে চায়। বিএনপি সরকারে এলে সরকার স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। তারেক রহমান সাতজনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ব্যাপারেই বেশি আগ্রহী ছিলেন। তারেক রহমানকে আমরা জানলাম যে, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে।
জাতীয় সরকার গঠনের সম্ভাবনাটা সেখানেই শেষ হয়ে গেল। ৬ আগস্ট মাহফুজ ভাই ‘জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। বিএনপি আসছে না বলে সেখানেও আলাপটা থেমে যায়।’
‘বাসসের সাথে সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তৎকালীন সভাপতি সাদিক কায়েম বলেন, ৩ আগস্ট সকালে আমি প্রথমবারের মতো প্রফেসর ইউনূসের সাথে যোগাযোগ করি। আমি তার বিশেষ সহকারীর সাথে যোগাযোগ করে প্রফেসর ইউনূসের সঙ্গে কানেক্ট হই। তাকে আমি একটা ইমেইল করি, পুরো জুলাই মাসে কী কী ঘটেছে, কী পরিমাণ খুন হয়েছে, হিউম্যান রাইটস লঙ্ঘন হয়েছে, এখন হাসিনার পতন ঘটা সময়ের ব্যাপার। কিন্তু সরকার গঠন হলে সেটার প্রধান হিসেবে তাকে ছাড়া কাউকে বিকল্প পাওয়া যাচ্ছে না, তা-ও জানালাম। উনি মেইলের উত্তরে বেশ সুন্দর কিছু কথা লেখেন। আমাদের অভিনন্দন জানান, আমরা বিশ্বের বুকে নজির স্থাপন করেছি, সেটিও জানান। আমাদেরকে অ্যাপ্রিশিয়েট করার পর আমি ৪ আগস্ট উনার সাথে একটা মিটিং ফিক্সড করি, যেখানে আমি ছাড়াও আসিফ মাহমুদ (অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা) থাকবে। তবে এর আগেই ৩ আগস্ট বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক দফা ঘোষণার জন্য ডাক দেয়া হয়। সেদিন বৃষ্টি উপেক্ষা করে লাখ লাখ মানুষ শহীদ মিনারে আসে, জুলাই আবার ফিরে আসে। সেদিন সাধারণ মানুষও বুঝে যায়, এ সরকার যাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।’
৫ আগস্ট সন্ধ্যায় অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে ছাত্রনেতাদের কথা হয়। লাউড স্পিকারে আসিফ এবং নাহিদ কথা বলেন। অধ্যাপক ইউনূসকে বললাম, ‘স্যার, সরকারের তো পতন হয়ে গেছে। এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’ তাকে আমরা জাতীয় সরকারের ধারণার কথাটাই বললাম। অধ্যাপক ইউনূস বললেন, তিনি ইতিবাচক, তবে অনেকগুলো ব্যাপার আলোচনা করতে হবে। সবাইকে জানালাম, অধ্যাপক ইউনূস ইতিবাচক। ৫ আগস্ট রাতেই আমরা অধ্যাপক ড. ইউনূসের সঙ্গে আবার যোগাযোগ করলাম। তার সঙ্গে লাউড স্পিকারে নাহিদ ভাই আর আমার ঘণ্টাখানেক কথা হলো।
অধ্যাপক ইউনূসকে বললাম, ‘স্যার, দেশের যে পরিস্থিতি, তাতে দ্রুত ঘোষণা করা দরকার দেশের পরবর্তী প্রধান উপদেষ্টা কে হচ্ছেন।’ অধ্যাপক ইউনূস এ ব্যাপারে সতর্ক ছিলেন, এক-এগারোর মতো সেনাসমর্থিত সরকার হলে তিনি দায়িত্ব নেবেন না। সরকার তার মতো করেই চলতে হবে। অন্য কেউ সরকার চালালে তিনি থাকবেন না। অধ্যাপক ইউনূসকে জানালাম, এটা আমাদেরও মত। সেনাসমর্থিত সরকার হলে আমরাও মানবো না। অধ্যাপক ইউনূস ব্যাপারটা নিয়ে আগেই সেনাবাহিনীর সঙ্গে কথা বলে নিতে বললেন। নাহিদ ভাই তাঁকে বললেন, হস্তক্ষেপ না করার কথা বললে আমাদেরই দুর্বলতা প্রকাশ পাবে। এর চেয়ে অভ্যুত্থানের প্রতি মানুষের একাত্মতা আর মাঠের শক্তি দিয়েই আমরা তাদের ক্ষমতা থেকে দূরে থাকার বিষয়টা বোঝাতে পারবো।
দীর্ঘ আলোচনার পর অধ্যাপক ইউনূস সম্মত হলেন। রাত ৩টায় আসিফ, নাহিদ ও বাকের ফেসবুকে একটা ভিডিওতে ‘অধ্যাপক ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদে সম্মত’ হওয়ার কথা ঘোষণা করেন। বলা হলো যে, ‘ছাত্র নাগরিক অভ্যুত্থানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে শান্তিপূর্ণ অবস্থান রাখুন। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন।’
ছাত্রনেতারা মনে করেন যে, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক দলগুলোর আমাদের সঙ্গে কোনো আলাপ-আলোচনা না করে ক্যান্টনমেন্টে যাওয়াটা ছিল বড় একটা ভুল। রাজনৈতিক দলগুলো বুঝে বা না বুঝে সেখানে গিয়ে ক্ষমতাকে একরকমভাবে ক্যান্টনমেন্টের দিকে নিয়ে যান। সেনাবাহিনী বৈঠক ডেকেছিলো ৫ আগস্ট বেলা ১১টায়। তখনো শেখ হাসিনা পালিয়ে যাননি। শেখ হাসিনার পতন হওয়ার আগেই বৈঠক ডাকার অর্থ কী? বিষয়টা এমন ছিলো যে, বেলা ১১টা থেকে দুই-তিন ঘণ্টা বৈঠক শেষে সেনাপ্রধান ভাষণ দেবেন। আলোচনা হওয়ার কথা ছিলো ১১টা থেকে, যখন শেখ হাসিনার পতন হয়নি। তখন কোনো সরকার ছিলো না। তাহলে শেখ হাসিনাকে সামরিক বিমানে করে ভারতে যাওয়ার অনুমতি কে দিলো? অন্যকথায় শেখ হাসিনাকে সেফ এক্সিট কে দিলো?
এখন প্রশ্ন হলোÑ বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী যদি নির্বাচন হয়, তাহলে সরকার তো এ সংবিধানে হাত দিতে পারবে না। কারণ বর্তমান সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদ মোতাবেক এ সংবিধানের অন্তত ৫৪টি অনুচ্ছেদ এবং উপ-অনুচ্ছেদ সংশোধন করা যাবে না। অন্যকথায়, একটি সংবিধানের এক-তৃতীয়াংশকেই সংশোধনের ঊর্ধ্বে রাখা হয়েছে। এই ৫৪টি অনুচ্ছেদ এবং উপঅনুচ্ছেদে এমন সব বিধান রয়েছে, যেগুলো এ সরকার, জামায়াত এবং ছাত্রনেতৃবৃন্দ তো বটেই; এমনকি বিএনপিও সেগুলোর সংশোধন চায়। যেমন ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র প্রভৃতি। রয়েছে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ। ঐসব অনুচ্ছেদের আমরা উল্লেখ করলাম না। তাহলে যে সংসদ নির্বাচনের দাবি উঠেছে, সেই সংসদ এই ‘৭(খ)’ ধারা বিলোপ করবে কীভাবে? কারণ এসব অনুচ্ছেদের সবগুলোকেই মৌলিক কাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তার অর্থ হলো, নতুন সংসদ সংবিধানের এসব সংশোধনে হাতই দিতে পারবে না।
জুলাই বিপ্লব শেষ হওয়ার পর থেকেই বিপ্লবের নায়করা অর্থাৎ ছাত্রনেতৃত্ব বলে আসছেন যে, তাদের কাছে এ বিপ্লবের একটি ভিশন ছিলো। ভিশনটি কী, সেটি তারা পরিষ্কার করে বলেননি। কিন্তু তাদের দাবি মোটামুটি ৩টি। (১) বর্তমান সংবিধান মুজিববাদী। তাই এটি বাতিল করতে হবে। (২) সংবিধান সংশোধন নয়, নতুন সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে। (৩) সেই সংবিধান প্রণয়নের জন্য সর্বাগ্রে গণপরিষদ নির্বাচন করতে হবে। অবশ্য বিএনপি বার বার পার্লামেন্ট নির্বাচনের দাবি করায় একটি মধ্যম পথ হিসেবে ছাত্রনেতৃবৃন্দ বলেন যে, নির্বাচনের মাধ্যমে যে গণপরিষদ গঠিত হবে, সেই গণপরিষদ পার্লামেন্ট হিসেবেও কাজ করবে। যতদিন পর্যন্ত গণপরিষদ নতুন সংবিধান প্রণয়ন এবং কার্যকর করতে না পারবে, ততদিন পর্যন্ত ঐ গণপরিষদ পার্লামেন্ট হিসেবেও কাজ করবে।
সেই সাথে তারা আরো দুটি দাবি যোগ করেন। একটি হলো, ‘বাংলাদেশকে দ্বিতীয় রিপাবলিক ঘোষণা করতে হবে। এজন্য দেশে জুলাই প্রোক্লামেশন বা জুলাই ঘোষণাপত্র জারি করতে হবে। জুলাই প্রোক্লামেশন সংবিধানের প্রস্তাবনায় থাকবে। জুলাই প্রোক্লামেশনের আরেকটি কারণ।’ সেটি হলো জুলাই বিপ্লবের সাংবিধানিক স্বীকৃতি। নাহিদ ইসলাম এর কারণটি বিভিন্ন সময় বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। সেটি হলো, যেহেতু জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ছিলো একটি গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব, তাই সেই বিপ্লব বা অভ্যুত্থান সংবিধানের পথ ধরে আসেনি। বিপ্লব বা অভ্যুত্থান জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে সেটি সমস্ত জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত হয়ে থাকে।
কিন্তু ছাত্রনেতৃত্বকে পাশ কাটিয়ে ৮ আগস্ট শপথ গ্রহণের সময় যখন বর্তমান সংবিধানের অধীনে নেওয়া হয়েছে এবং এ সংবিধানকে রক্ষা করার শপথ নেওয়া হয়েছে, তখন এ সংবিধান যদি বহাল থাকে, তাহলে জুলাই বিপ্লব অসাংবিধানিক, অর্থাৎ বেআইনি হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে পরবর্তী কোনো এক সরকার এ তথাকথিত সংবিধানবিরোধী বা বেআইনি কাজের জন্য বিপ্লবের নায়কদের সংবিধানবিরোধী কাজ অর্থাৎ রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে বিচার করতে পারে।
সুতরাং জুলাই বিপ্লবকে ভবিষ্যতের সাংবিধানিক সরকারের আক্রমণ থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রয়োজন। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মেহেরপুরের আম্রকাননে তথা মুজিবনগরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দেওয়া হয়েছিলো। সেই ঘোষণাপত্রে ওয়াদা করা হয়েছিলো, ‘বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানিবক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা হবে।’ কিন্তু সেই সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করা তো দূরের কথা, সেটি পদে পদে পদদলিত করা হয়েছে। সেজন্যই তার স্থলাভিষিক্ত হবে জুলাই প্রোক্লামেশন বা ঘোষণাপত্র। আগামী ৩ আগস্ট এ ঘোষণাপত্র শহীদ মিনারের বিশাল জনসমাবেশ থেকে দেওয়া হবে। বিএনপি এ ঘোষণাপত্রের প্রয়োজন নেই বলে মনে করে।
এমন প্রচারণা উড়িয়ে দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পক্ষে বিএনপি।