আজকের পত্রিকা: ‘বড় ঋণ কারা পাচ্ছে যাচাই করছে বাংলাদেশ ব্যাংক’
১৩ মে ২০২৬ ১১:১৫
আজ বুধবার ১৩ মে ২০২৬।
‘বড় ঋণ কারা পাচ্ছে যাচাই করছে বাংলাদেশ ব্যাংক’ সমকালের শিরোনাম।
দেশের ব্যাংকগুলো থেকে বড় ঋণ কারা পাচ্ছে, তা যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে বিতরণ করা প্রতিটি ব্যাংকের ২০ কোটি টাকা বা এর বেশি ঋণ কোন কোন গ্রাহককে দেওয়া হয়েছে, তার তথ্য এরই মধ্যে সংগ্রহ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এখন গ্রাহক ধরে ধরে দেখা হবে জালিয়াতি ও অর্থ পাচারে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কেউ নতুন করে ঋণ পেয়েছে কিনা।
জানা গেছে, গভর্নরের নির্দেশে প্রতিটি ব্যাংকে টেলিফোন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি-সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এ তথ্য সংগ্রহ করেছে। এখন নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে ঋণের আসল সুবিধাভোগীর যাবতীয় তথ্য যাচাই করা হবে।
কোনো গ্রাহকের বিষয়ে আগে ঋণ নিয়ে অপব্যবহারের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঋণ শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে এবং সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
‘কৃষক কার্ডে অস্তিত্বহীন ৫০৪’ দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে কৃষকদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১১ উপজেলায় ২২ হাজার ৬৫ জনের কৃষক কার্ড তৈরি করা হয়।
গত পহেলা বৈশাখে কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তৈরি হওয়া তালিকায় পাঁচ শতাধিক কৃষকের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটি তালিকাভুক্ত এসব কৃষকের খোঁজ না পাওয়ার কারণ চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার কৃষি মন্ত্রণালয় কমিটির এ সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এসব কার্ডধারীর বিষয়টিকে প্রাথমিক ত্রুটি হিসেবে চিহ্নিত করে সমাধানের পথ খোঁজার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরের ধাপে যাতে এ ধরনের সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
‘ডার্ক ওয়েবে মিলছে টেলিটকের তথ্য’ যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, ডার্ক ওয়েবে ছড়িয়ে পড়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটকের হাজারের বেশি সংবেদনশীল তথ্য। সাইবার থ্রেট ইন্টেলিজেন্স পর্যবেক্ষণে একাধিক ডেটা ব্রিচ ও ডোমেইনভিত্তিক তথ্য ফাঁসের প্রমাণ মিলেছে।
এতে টেলিটকের অভ্যন্তরীণ ই-মেইল সার্ভার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্যভান্ডার এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক ডেটার প্রবেশাধিকার দেখা গেছে।
বিভিন্ন স্ক্রিনশট ও থ্রেট ইন্টেলিজেন্স পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্যে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটরের ‘টেলিটিক.কম.বিডি’ ডোমেইনের আওতায় ১ হাজার ১৯৫টিরও বেশি ‘ওপেন ডেটা ব্রিচ’ এবং প্রায় ১ হাজার ২০০টি ডোমেইনভিত্তিক তথ্য ফাঁসের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে।
এছাড়া ১৯টি পৃথক ঘটনায় অপরাধীরা টেলিটকের পরিচয়ে ছদ্মবেশ ধারণ করে হ্যাকিং কার্যক্রম চালিয়েছে। এপ্রিলেও হ্যাকাররা সন্দেহজনক কার্যক্রম চালিয়েছে।
ডার্ক ওয়েব মার্কেটপ্লেস, হ্যাকার ফোরাম ও এনক্রিপটেড টেলিগ্রাম চ্যানেল মনিটর করা প্লাটফর্মগুলো এ ধরনের তথ্য ফাঁসের বিষয়ে সতর্কবার্তাও দিয়েছে।
‘সরকার আসে, পড়া বদলায়‘ আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আবারও বদল হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই। ক্ষমতার পালাবদলের পর পাঠ্যবইয়ের এই বদল চলছে গত শতকের নব্বইয়ের দশক থেকে।
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ব্যাপক পরিবর্তনের পর বিএনপি সরকার ক্ষমতার আসার পর আবারও বড় ধরনের বদল হচ্ছে পাঠ্যবইয়ে।
এনসিটিবি সূত্র বলেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শ্রেণির ৯৯ টি এবং প্রাথমিক স্তরের ৩৬ টি বই পরিমার্জন হচ্ছে। যুক্ত হচ্ছে নতুন তিনটি বিষয়ের বইও।
শিক্ষাবিদেরা বলছেন, পাঠ্যপুস্তক গবেষণাভিত্তিক, যুগোপযোগী এবং জ্ঞাননির্ভর হওয়া বাঞ্ছনীয়। কিন্তু দেশে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীন সরকার নিজেদের আদর্শ ও অবস্থান অনুযায়ী পাঠ্যবই পুনর্বিন্যাস করেছে।
সরকার বদলের পর পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন তারই ধারাবাহিকতা। এতে দীর্ঘ মেয়াদে শিক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। প্ৰাথমিক , মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন, মুদ্রণ, প্রকাশনা, বিতরণ ও বিপণন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এই দপ্তরের সূত্র জানায়, আগামী বছরের জানুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কয়েকটি পাঠ্যবইয়ে নতুন বিষয় সংযোজনের পাশাপাশি একাধিক বইয়ে বড় ধরনের পরিমার্জন করা হচ্ছে। নতুন তিনটি বিষয় যুক্ত হচ্ছে।
‘চাঁদা নেওয়ার লোক পাল্টেছে, ’অদৃশ্য’ শক্তির’ বাধাও আছে’ প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, মোহাম্মদপুরের কাদেরাবাদ আবাসিক এলাকায় প্রতি ফ্ল্যাট থেকে মাসে ময়লার বিল নেওয়া হয় ১৫০ টাকা, যা গত ডিসেম্বরেও ছিল ১০০ টাকা। লালমাটিয়ায় কোথাও নেওয়া হয় ২৫০ টাকা, কোথাও ৩০০ টাকা।
মিরপুরের বিভিন্ন সেকশনে ফ্ল্যাট প্রতি ১০০-১৫০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। শেওড়াপাড়ায় প্রতি ফ্ল্যাটের জন্য দিতে হয় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।
অন্যদিকে গুলশান-বনানীর মতো অভিজাত এলাকায় ময়লার বিলের পরিমাণ আরও বেশি।এসব এলাকার বড় হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিকদের মাসে দিতে হয় ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা।
ঢাকা উত্তর সিটির একেক এলাকায় এই বিল একেক রকমের। যদিও সিটি করপোরেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ময়লার বিল মাসে ১০০ টাকার বেশি হবে না। কিন্তু যে যেভাবে পারছে, সেভাবেই বিল আদায় করছে।
ঢাকা উত্তর সিটিতে ওয়ার্ড আছে ৫৪টি। এর মধ্যে ১ থেকে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে গৃহস্থালির বর্জ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন নির্ধারিত মাসিক ফি ১০০ টাকা। বাকি ১৮টি ওয়ার্ডের (৩৭-৫৪) ক্ষেত্রে ৫০ টাকা। এসব ওয়ার্ড (উত্তরখান-দক্ষিণখান, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকা) ২০১৬ সালের জুন মাসে সিটি করপোরেশনে যুক্ত হয়।
‘ভালো নেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়’ কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভালোভাবে চলছে না। বর্তমানে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের (ভিসি) পদত্যাগসহ নানা দাবিতে আন্দোলন চলছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রেখে কমপ্লিট শাটডাউন পালন করা হচ্ছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ভিসির অপসারণের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নানা কারণে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা তাঁদের পদ নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছেন। ফলে তাঁদের কাজকর্মে গতি নেই।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বসতে শিক্ষকদের দ্বন্দ্ব লেগেই আছে, যা সমাধান করতে পারছেন না উপাচার্যরা।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দেখভাল করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থাকলেও তারা তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারছে না।
‘গ্যাসের চাহিদা পূরণে অতিরিক্ত আমদানিনির্ভর হয়ে পড়া ছিল আত্মঘাতী’ বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, চাহিদার বিপরীতে দেশে গ্যাসের জোগান সংকট শুরু হয় মূলত ২০১৬ সালের দিকে। স্থানীয় গ্যাসের এ সরবরাহ সংকট মেটাতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির পরিকল্পনা নেয়া হয়।
যার প্রতিফলন দেখা যায় পাওয়ার সেক্টর মাস্টারপ্ল্যান ২০১৬ এবং গ্যাস সেক্টর মাস্টারপ্ল্যান ২০১৭-এ। বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের এসব মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের আমদানিনির্ভরতা তৈরি করা হয়।
গত সাত বছরে ২ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকার বেশি এলএনজি আমদানি করা হয়েছে। এ সময় গ্যাস খাতে ভর্তুকি দেয়া হয়েছে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা।
এভাবে আমদানিনির্ভরতার ফাঁদে পড়ে দেশের গ্যাস খাত। ফলে স্থানীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানো যায়নি, উপেক্ষিত থাকে অনুসন্ধান।
ফলে সে সময়ের সরকারের করা গ্যাস খাতের মহাপরিকল্পনা দেশের জন্য এক রকম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে অর্থনীতিবিদরা।
‘এনআইডি সংশোধনে সীমাহীন ভোগান্তি’ মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, এনআইডিতে বয়স সংশোধনের ক্ষমতা এককভাবে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) মহাপরিচালকের (ডিজি) হাতে।
বয়স সংশোধন ঘিরে নির্বাচন কমিশনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ইসি’র কর্মকর্তাদের অনিয়ম দুর্নীতির কারণে এখন ভুগছেন সাধারণ মানুষ।
বয়সের সামান্য ভুল সংশোধনের জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসতে হচ্ছে রাজধানীতে। বেড়েছে সময় ও অর্থের অপচয়। সেই সঙ্গে পড়তে হচ্ছে সীমাহীন ভোগান্তিতে। সুনির্দিষ্ট তথ্য না পাওয়া, হয়রানীসহ নানা অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
সরেজমিন দেখা যায়, আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বয়স সংশোধনের জন্য মানুষের ভিড়। কেউ এসেছেন খুলনা থেকে, কেউ এসেছেন, চট্টগ্রাম থেকে, আবার কেউ এসেছেন পঞ্চগড় থেকে। সবার মুখে হতাশা আর ক্লান্তির ছাপ।
দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Measles’ unseen toll on the poor’ অর্থাৎ ‘দরিদ্রদের ওপর হামের অদৃশ্য প্রভাব’।
খবরে বলা হচ্ছে, হাম আক্রান্ত সন্তানের চিকিৎসার পেছনে অনেক অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে অভিভাবকদের। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চড়া সুদে টাকা ধার করতে হচ্ছে তাদের। যা পরিশোধ নিয়েও আছে দুশ্চিন্তা।
এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ শিশু হাম ও হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছে। এতে ৪২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল নয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শফিউন নাহিন শিমুল বলেন, এই প্রাদুর্ভাব অব্যাহত থাকলে মানুষের চলমান নানা আর্থিক সংকট আরও বাড়তে পারে।
মহাখালীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালসহ রাজধানীর বেশ কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে। অনেক অভিভাবক তাদের হাম আক্রান্ত শিশুকে ঢাকার বাইরে থেকে নিয়ে এসেছেন।
হাম শনাক্ত হওয়ার পর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা খরচ বহনের জন্য পরিচিতদের কাছ থেকে ধারদেনা করতে হচ্ছে। এতে তাদের ওপর চাপ বাড়ছে।
নিউ এইজের শিরোনাম ’56 under-12 girls raped in four months’ অর্থাৎ ‘চার মাসে ১২ বছরের কম বয়সী ৫৬ কিশোরী ধর্ষিত’।
খবরে বলা হচ্ছে, ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ১২ বছরের কম বয়সী অন্তত অন্তত ৫৬ কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সম্প্রতি সারা দেশে ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে মোট ১৮০টি ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। যেখানে ৮১ জন ভুক্তভোগীর বয়স ১৮ বছরের কম।
তাদের মধ্যে ১৬ জন ভুক্তভোগীর বয়স ৬ বছরের কম, ৪০ জনের বয়স ৭ থেকে ১২ বছরের মধ্যে এবং ২৫ জনের বয়স ১৩ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্যমতে, ১ থেকে ১১ মে-র মধ্যে ধর্ষণের ১৮টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ১১ জনই ছিল নাবালিকা।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, মেয়েরা প্রতিবেশী, নিকটাত্মীয় এবং কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষকদের দ্বারাও ধর্ষিত হয়েছে।
অধিকারকর্মী ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনার প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি, কারণ অনেক ঘটনাই নথিভুক্ত হয় না।
‘অফশোর ব্যাংকিংয়ের আড়ালে লুট’ নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং ইতিহাসের বৃহত্তম ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক জালিয়াতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ)।
নামমাত্র আমদানির আড়ালে এস আলম গ্রুপ ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি থেকে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
বিপুল অঙ্কের এই অর্থ ফেরত আসা তো দূরে থাক, উল্টো ব্যাংকটিকে নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করে বিদেশি দায় মেটাতে গিয়ে এখন অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়তে হচ্ছে।
এস আলম গ্রুপ বিদেশে তাদের বেনামি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সাথে ভুয়া বা কাগুজে আমদানি চুক্তি করত। ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে ‘বায়ার্স’ বা ‘সাপ্লায়ার্স’ ক্রেডিটের এলসি খুলে বিদেশি ব্যাংক থেকে ডলার ঋণ নেয়া হতো।
অনেক ক্ষেত্রে ঘোষিত পণ্য জাহাজীকরণ করা হয়নি, আবার কোথাও আংশিক পণ্য এনে পুরো মূল্যের সমপরিমাণ দায় সৃষ্টি করা হয়েছে। বিদেশি ব্যাংকগুলোকে ইসলামী ব্যাংক ডলার পরিশোধ করলেও, এস আলম গ্রুপ স্থানীয়ভাবে ব্যাংককে টাকা দেয়নি।