আজকের পত্রিকা:’বাংলাদেশ-‘পাকিস্তান গোয়েন্দা বিনিময় চুক্তি: পররাষ্ট্র সম্পর্কে নতুন মোড়’
১২ মে ২০২৬ ১০:৫৭
আজ মঙ্গলবার ১২মে ২০২৬।
‘বাংলাদেশ-পাকিস্তান গোয়েন্দা বিনিময় চুক্তি: পররাষ্ট্র সম্পর্কে নতুন মোড়’ নয়াদিগন্তের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দীর্ঘ কয়েক দশকের শীতল সম্পর্কের পর ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ১০ বছর মেয়াদি গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে প্রস্তাবিত চুক্তির খবর দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত সমীকরণে বড় ধরনের কম্পন সৃষ্টি করেছে।
গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও কৌশলগত শিফট : ডিফেন্স রিসার্চ ফোরামের (ডিআরএফ) তথ্য মতে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ১০ বছরের জন্য গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
নয়াদিল্লি এই চুক্তিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। ভারতীয় নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এটি দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের দীর্ঘদিনের কৌশলগত প্রাধান্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের নিরাপত্তা নীতি ভারতের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল। পাকিস্তানের সাথে এই নতুন সমঝোতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ঢাকা এখন তার বৈদেশিক ও নিরাপত্তা নীতিতে ‘মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট’ বা বহুমুখী ভারসাম্যের পথে হাঁটছে।
গত ৮ মে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে পাকিস্তান একটি খসড়া চুক্তি প্রস্তাব করেছে, যা বর্তমানে ঢাকা পর্যালোচনা করছে।
’চার মহাসড়কে চার সমস্যা’ সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন ঈদযাত্রায় দেশের চারটি মহাসড়কে অন্তত চার ধরনের সমস্যায় পড়তে হবে ঘরমুখী মানুষকে।
সড়ক ও সেতুতে বোতলগলা (বটলনেক) পরিস্থিতির কারণে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ পথে যানবাহনের অত্যধিক চাপ তৈরি হতে পারে। ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে ভোগাতে পারে ভাঙাচোরা সড়ক।
ঢাকা-ময়মনসিংহ পথে জলাবদ্ধতার সমস্যা আর ঢাকা-সিলেট সড়কে ভোগান্তির কারণ হতে পারে অসমাপ্ত নির্মাণকাজ।
এর পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা, সড়কে পশুর হাট, গাড়ি পার্কিংয়ের মতো দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা কিছু কারণ যাত্রার সময় দীর্ঘ করতে পারে।
যদিও ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে টানা তিন দিন ছুটি, শিল্পকারখানা ধাপে ধাপে বন্ধ করার মতো উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবু শেষ সময়ে যাত্রীর চাপে আগের ঈদের মতো এবারও যানজটে ভোগান্তির আশঙ্কা রয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ অংশে খানাখন্দ, সিদ্ধিরগঞ্জ বাজার ও অবৈধ স্থাপনা এখনও রয়েছে। গজারিয়ায় মালবাহী যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকা ও সড়কের পাশে বাজার বসায় স্বাভাবিক গতিতে যান চলাচল করতে পারছে না।
ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কের কোনাবাড়ী ও মৌচাক এলাকায় সড়কের পাশে দোকানপাট ও বাজার, চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় সড়ক সরু হয়ে যাওয়া, টাঙ্গাইলে লক্কড়ঝক্কড় যান চলাচল এবং এলেঙ্গায় ফ্লাইওভার নির্মাণকাজ চলমান থাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।
‘সম্পর্ক উদ্ধারে মনোযোগী দিল্লি’ মানবজমিনের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে পরবর্তী ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে যোগ দিচ্ছেন দীনেশ ত্রিবেদী। আগামী জুনের মাঝামাঝি তার ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।
পেশাদার কূটনীতিকের পরিবর্তে একজন রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার হিসেবে বেছে নেওয়া আপাতত ইতিবাচক বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কূটনীতিকদের মতে, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা হিসেবে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি।
ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক গতিপথ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং চীনের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের মতো ইস্যুতে ত্রিবেদীর এই নিয়োগ ‘রাজনৈতিক ভাবমূর্তি’ বাড়ানোর কৌশল হতে পারে।
বিগত ইউনূস সরকারের আমলে দুই দেশের সম্পর্ক একদম তলানীতে পৌঁছায়। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, শরিফ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের দেশে ফেরানো এবং সীমান্তে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া বা পুশইনের বিষয়গুলোই ছিল ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কে অবনতির মূল কারণ।
‘ব্যাটারিচালিত রিকশা আসছে করজালে’ যুগান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, রাজস্ব আদায় বাড়াতে মরিয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। খুঁজছে নতুন নতুন খাত। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রাইভেটকার, জিপ ও সিএনজি অটোরিকশার মতো ব্যাটারিচালিত রিকশার ওপরও এক হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর আরোপের চিন্তা করছে সংস্থাটি।
এছাড়া সিসিভেদে মোটরসাইকেলের ওপরও দুই হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর আরোপ করা হতে পারে। দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রাজধানীসহ সারা দেশে কত ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে, নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা না থাকায় তার সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। খাতসংশ্লিষ্টদের ধারণা, সারা দেশে ৫০ লাখেরও বেশি ব্যাটারিচালিত রিকশা রয়েছে।
এর মধ্যে ঢাকাতেই চলাচল করছে ১০-১২ লাখের মতো। এসব রিকশা নিবন্ধনের আওতায় আনতে গত বছর ‘বৈদ্যুতিক থ্রি-হুইলার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫’র খসড়া করেছিল সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ।
খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, গতি ও গাড়ির ধরনভেদে বিআরটিএ থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন নিতে হবে।
কোনো ব্যক্তি নিজ নামে মধ্যমগতির তিনটির বেশি বা গঠিত পরিবহণ কোম্পানির নামে ২৫টির বেশি অটোরিকশা ক্রয় ও নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। ধীরগতির অটোরিকশার ক্ষেত্রে একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচটি কিনতে ও নিবন্ধন করতে পারবেন।
‘বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পিডিবির নতুন কৌশল’ প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে নতুন কৌশল নিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি আবাসিক গ্রাহকদের বিলের ধাপ (স্ল্যাব) বদল করে আয় বাড়াতে চায় সংস্থাটি।
প্রস্তাবটি কার্যকর হলে কম দামে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুবিধা হারাতে পারেন গ্রাহকদের একটি বড় অংশ। এ ছাড়া বছরে দুবার দাম সমন্বয় চায় পিডিবি।
পিডিবির প্রস্তাব অনুযায়ী, এতে ৩৫ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহকের ওপর বাড়তি বিলের চাপ তৈরি হতে পারে। তাদের মধ্যে ২৩ শতাংশই নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির, যাঁরা মাসে ২০০ ইউনিটের কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন।
এমন গ্রাহকেরা সাধারণত বাসায় নিয়মিত একাধিক বাতি, ফ্যান, ফ্রিজ ও টিভি চালাতে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন। বর্তমানে আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে মাসে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারী লাইফলাইন গ্রাহক সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ধাপ।
যারা মূলত বাতি ও একটি ফ্যান চালান। এরপর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীরা প্রথম ধাপের গ্রাহক। প্র
স্তাব অনুযায়ী, লাইফলাইন ও প্রথম ধাপের গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম বাড়বে না। তবে ৭৫ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেই গ্রাহককে বাড়তি দামের আওতায় পড়তে হবে।
‘কম্পিউটার ব্যবহার করেন না উচ্চশিক্ষিতদের প্রায় অর্ধেকই’ বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রিধারীদের প্রায় ৪৫ শতাংশই কম্পিউটার ব্যবহার করেন না।
সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘ব্যক্তি ও খানা পর্যায়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) প্রবেশাধিকার ও ব্যবহার জরিপ ২০২৪-২৫’-এ এমন উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।
বিবিএসের জরিপ অনুযায়ী, শিক্ষার স্তর যত বাড়ে, কম্পিউটার ব্যবহারও বাড়ে ঠিকই, তবে সে হার আশানুরূপ নয়। প্রাথমিক বা তার নিচে শিক্ষিতদের মধ্যে কম্পিউটার ব্যবহার মাত্র ৩ দশমিক ৮ শতাংশ, নিম্ন মাধ্যমিকে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ।
উচ্চ মাধ্যমিক ও ডিপ্লোমা পাসদের মধ্যে এই হার ৩৭ দশমিক ৯ শতাংশে উঠলেও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এসে তা মাত্র ৫৫ দশমিক ৩ শতাংশে সীমাবদ্ধ থাকে।
জরিপে আরও দেখা গেছে, জাতীয়ভাবে মোট কম্পিউটার ব্যবহারকারীর হার মাত্র ১১ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যের সঙ্গে একটি বড় বৈপরীত্য তৈরি করছে।
‘হামের ভয়াবহতার মধ্যে ভয় দেখাচ্ছে ডেঙ্গু’ আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, রাজধানীসহ সারা দেশে টানা কয়েক দিন বৃষ্টিপাতের পর আবারও বেড়েছে মশার প্রকোপ। তবে এবার আর কিউলেক্স মশা না , বাড়ছে ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিসের বিস্তার।
গত পাঁচ বছরের হিসাব অনুযায়ী, ডেঙ্গুতে সারা দেশে মোট মৃত্যুর অর্ধেকই রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। তাই এবার ডেঙ্গু নিয়ে আগাম সতর্কতার কথা জানিয়েছেন দুই সিটির কর্মকর্তারা। তারা বলেছেন, এডিস মশা প্রতিরোধে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত সারা দেশে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুজনই রাজধানীর বাসিন্দা।
গত কয়েক দিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে । এ রকম বৃষ্টিতেই পথঘাট ছাড়াও পরিত্যক্ত বোতল বা পাত্র, ডাবের খোসা ইত্যাদিতে জমা পানিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন , আগে এডিস স্বচ্ছ পানিতে বংশ বৃদ্ধি করলেও সাম্প্রতিককালে ঢাকায় তাঁরা নোংরা পানিতেও এ মশার জন্ম হতে দেখছেন। রাজধানীজুড়ে সব সময় বহু ভবন নির্মাণাধীন থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই দীর্ঘসময় লাগে এসবের কাজ শেষ হতে।
নিউ এইজের শিরোনাম ‘Crisis looms over Ganges treaty renewal’ অর্থাৎ ‘গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নিয়ে সংকট তৈরি হতে পারে’।
খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ডিসেম্বরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা পানিবন্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। অভিন্ন নদীর পানি কীভাবে বন্টন করা হবে তা নিয়ে দুই দেশেই বিপরীতমুখী অবস্থান রয়েছে। এ কারণে চুক্তি নবায়ন নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি বলেছেন যে, দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলোর মধ্যে পানি তাদের কাছে সবসময়ই একটি অগ্রাধিকারের বিষয় ছিল। কারণ দুই দেশ অন্তত ৫৪টি নদী ভাগাভাগি করে। এর মধ্যে শুধু গঙ্গার জন্যই একটি পানি বণ্টন চুক্তি রয়েছে।
এদিকে, বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় কূটনীতিক পঙ্কজ সরণ বলেছেন, ১৯৪৯ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত ৪০ বছরের ঐতিহাসিক পানিপ্রবাহের উপর ভিত্তি করে তৈরি পানিবণ্টন সূত্রটি ১৯৯৬ সালে নবায়ণ করা গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির ক্ষেত্রে আর কার্যকর নাও হতে পারে।
৫ই মে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ থেকে আসা একটি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, জনসংখ্যা বেড়েছে এবং পানির প্রবাহ কমে গেছে। এটিকে তিনি চুক্তি নবায়নের জন্য ‘নতুন বাস্তবতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম ‘Half the children were too young for shots’ অর্থাৎ ‘হামে মারা যাওয়া শিশুদের অর্ধেকেরই টিকা নেওয়ার বয়স হয়নি।
খবরে বলা হচ্ছে, হামে মারা যাওয়া ৬০টি শিশুর প্রায় অর্ধেকেরই বয়স ছিল নয় মাসের কম। যার অর্থ হলো, তারা তখনও নিয়মিত টিকা পাওয়ার যোগ্য হয়নি। সরকারি তথ্য থেকে বিষয়টি জানা গেছে।
সরকার শিশুদের নয় মাস বয়সে হাম-রুবেলা টিকার প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দিয়ে থাকে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) কাছ থেকে ২১টি জেলায় হামে ৬০টি শিশু মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২৯টি শিশু নয় মাস বয়স হওয়ার আগেই মারা গেছে। যাদের মধ্যে ১৫ জনের বয়স ছিল ছয় মাস বা তার কম।
বাকি শিশুরা নয় মাস বা তার বেশি বয়সে মারা গেছে।
গত মাসে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরুর আগে হামের টিকা নেওয়ার বয়স কমিয়ে ছয় মাস করার সুপারিশ করেছিল সরকার। কারণ সম্প্রতি হামে আক্রান্ত শিশুদের এক-তৃতীয়াংশেরই বয়স নয় মাসের কম।
প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এখন ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। তবে, নিয়মিত টিকাদানের সময়সূচি অপরিবর্তিত রয়েছে।
টাইমস অব বাংলাদেশের শিরোনাম ‘SOLAR FAILURE costs $1B’.
খবরে বলা হচ্ছে, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলো দ্রুত রুফটপ সোলার পাওয়ার সিস্টেম চালু করেছে। তবে এই পদ্ধতি চালু করতে ঢাকার অনীহা রয়েছে। বর্তমানে রুফটপ সিস্টেমের প্রায় ৭০ শতাংশই নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পড়ে আছে।
ইসলামাবাদের বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১৫-২০ শতাংশ এবং করাচির ২০-৩০ শতাংশ সৌরশক্তি থেকে পূরণ করা হয়। সেখানে ঢাকায় সৌরশক্তির অবদান নেই বললেই চলে।
টেকসই ও নবায়নযোগ্য শক্তি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-স্রেডার তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার রুফটপ সোলার থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র ৮৭ মেগাওয়াট। যা সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে ৫,২৩৩ মেগাওয়াটের তুলনায় ২ শতাংশেরও কম।
২০২৬ সালের শুরু নাগাদ আনুমানিক ১১৩-১২৬ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও, অবহেলা ও দুর্বল রক্ষণাবেক্ষণের কারণে মাত্র ৩০-৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, শুধু শিল্প ও বাণিজ্যিক ভবনগুলোতে ২,০০০ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার প্যানেল স্থাপন করলেই বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার সাশ্রয় করতে পারে।