কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কলেজশিক্ষার্থীসহ দুই বাংলাদেশি নিহত ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
১১ মে ২০২৬ ১০:০৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। ৯ মে ২০২৬ এক যৌথ বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “কসবা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু সীমান্ত নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। নিহতদের একজন মো. মুরসালিন, যিনি স্থানীয় একটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। অপরজন নবীর হোসেন। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রাণহানির পুনরাবৃত্তি অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। বিনা বিচারে একটি স্বাধীন দেশের নাগরিককে হত্যা করা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার ঘটনা নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলেও কার্যকর সমাধান না আসায় গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা, গণমাধ্যম ও পর্যবেক্ষণমূলক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কয়েক শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। বারবার প্রতিবাদ ও কূটনৈতিক আলোচনা সত্ত্বেও এ ধরনের ঘটনা বন্ধ না হওয়ায় সীমান্তে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।”
পরিশেষে, ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানান এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সীমান্তে এ ধরনের প্রাণঘাতী ঘটনা রোধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কূটনৈতিকভাবে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। তাঁরা নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি,তারিখ : ৯ মে ২০২৬