অতীতে যারা সততার প্রমাণ দিতে পারেনি, ভোট চাওয়ার অধিকার তাদের নেই: পটুয়াখালীতে আমীরে জামায়াত

সোনার বাংলা অনলাইন
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৫৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাউফল উপজেলার পাবলিক মাঠে জুমআ বার (৬ ফেব্রুয়ারি) ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক জনসভায় প্রধান অতিথির ডা. শফিকুর রহমান বাউফলে (পটুয়াখালী-২) আসনের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে দাঁড়পাল্রা প্রতীক তুলে দেন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ৫৪ বছরের যে রাজনীতি আমাদের মামলা-বাণিজ্য, দুর্নীতি, দখলবাজি, ফ্যাসিবাদ ও বিচারহীনতা উপহার দিয়েছে, আমরা তা পাল্টে দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। আল্লাহ আমাদের হায়াত দিলে ১২ তারিখ নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হবে, ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, অতীতে যারা নিজেদের সততার প্রমাণ দিতে পারেনি, এখন যারা দিতে পারছে না, জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার অধিকার তাদের নেই। ভোট তারাই চাইবে- যারা সমস্ত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা দিয়ে দেশের জনগণকে ভালোবাসবে। ১২ তারিখ এ দেশের জনগণ তাদেরই বেছে নেবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাউফল উপজেলার পাবলিক মাঠে  জুমআ বার (৬ ফেব্রুয়ারি) ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, অতীতে কোনো না কোনো দল এই দেশ শাসন করেছে। যারাই এসেছেন, তারা বলেছেন- কিছুই হয়নি, আমরা সব করে দেব। তারা করে দেননি বা করে দিতে পারেননি, যার সাক্ষী বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণ।

আমীরে জামায়াত বলেন, একটি জাতির তিনটি মৌলিক জিনিস- এক; ভালো শিক্ষা, দুই; স্বাস্থ্যসেবার উন্নত ব্যবস্থা আর তৃতীয়টি হচ্ছে সমাজের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ন্যায়বিচার। এই তিনটি যদি কোনো সমাজে থাকে, তাহলে তা একটি ভালো সমাজে পরিণত হয়।

তিনি বলেন, ১৩ তারিখে যে নতুন সূর্য উদিত হবে, তা নতুন বাংলাদেশকে পিঠে নিয়ে উঠবে। আমাদের দুই হাতের ১০ আঙুল সবকিছু থেকে পরিচ্ছন্ন থাকবে। চাঁদাবাজি আমরা করি না, কাউকে করতেও দেব না। মামলা-বাণিজ্য আমরা করি না, কাউকে করতেও দেব না। শেয়ারবাজার লুণ্ঠন করতে দেওয়া হবে না। প্রকল্পগুলো থেকে টাকা লুণ্ঠন করে বিদেশে পাচার করতে দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, কোনো মামু-খালু দেখা হবে না। সাধারণ নাগরিকের জন্য যে বিচার, প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের জন্য একই বিচার প্রযোজ্য হবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আপনাদের যত বঞ্চনা আছে, তার জন্য আপনাদের লড়তে হবে না। সব ন্যায্যতা ও ইনসাফের ভিত্তিতে আপনাদের ঘরে এসে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আজ এখানে ১১ দলের নেতৃবৃন্দ আছেন। শহীদ পরিবারের সদস্যরা আছেন। যারা আমাদের নতুন বাংলাদেশ এনে দিয়েছেন, তাদের লাশ ও রক্ত আমাদের কারও ঘাড়ে, হাতের ওপরে। এই ভার আমাদের বহন করতে হবে। এই আমানত আমাদের রক্ষা করতে হবে, বলেন ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, তারা যে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ চেয়েছিল, তা আমাদের বাস্তবায়নের জন্য দুটি ভোট দিতে হবে। একটি হলো গণভোট। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি। আর আরেকটি হলো সরকার গঠন। তারিখ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জামায়াতে ইসলামী

সম্পর্কিত খবর