রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬৫ বছর বয়সীদের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা হবে-ডা. শফিকুর রহমান

সোনার বাংলা অনলাইন ডেস্ক
২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান

মেহেরপুর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীতে যারা দেশ শাসন করেছে তারা একদিকে লুটপাট ও দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিল, অন্যদিকে ধর্ম ও বর্ণের ভিত্তিতে জাতিকে বিভক্ত করেছে। তারা জাতিকে টুকরো টুকরো করে রেখেছিল। আমাদের ১১ দলীয় ঐক্যের মূল অর্থ হলো- একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। এই দেশ ও জাতিকে আর বিভক্ত হতে দেওয়া হবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় মেহেরপুর হাইস্কুল মাঠে জেলা আমীর মাওলানা তাজ উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, অতীতে যারা ক্ষমতায় ছিল তারা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে না যে তাদের সময় ব্যাংক লুট হয়নি, মা-বোনদের ইজ্জত হানি হয়নি। তারা যুবসমাজের হাতে কাজ তুলে দিতে পারেনি কিংবা শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করতেও পারেনি। এই ব্যর্থতার কুফলই হচ্ছে বিগত ৫৪ বছরের শাসন। আপনারা কি চান সেই পুরোনো, বস্তাপচা ব্যবস্থা আবারও বহাল থাকুক? আমাদের সঙ্গে রয়েছে এ দেশের বঞ্চিত কৃষক, শ্রমিক ও আপামর জনসাধারণ।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আপনারা কি আবার দুর্নীতি ফিরে আসুক চান? ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসুক চান? জনতার সমস্বরে জবাব আসে- না। তাই যদি হয়- দেশের সাড়ে ১২ কোটি ভোটারকে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি- ন্যায়, সাম্য ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আদর্শের পক্ষে ১১ দলীয় ঐক্যকে জনগণ সমর্থন দেবে। আল্লাহর কসম, আপনারা যদি আমাদের ওপর পবিত্র আমানত অর্পণ করেন, আমরা জনগণের সম্পদে হাত দেব না। কাউন্সিলর থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য-সবাইকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। পাঁচ বছর পর নয়, প্রতি বছর হিসাব দিতে হবে।

তিনি দেশের নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমাদের নদীগুলোকে হত্যা করা হয়েছে। পদ্মা নদীর ওপর ভয়াবহ জুলুম করা হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পেলে পদ্মাসহ সব নদী খনন করা হবে। নদী খনন হলে মাটি বাঁচবে, মাটি বাঁচলে আমার মা বাঁচবে।

তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে অতীতের মতো লুটপাট করব না-এর প্রমাণও রয়েছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আমাদের দুইজন মন্ত্রী ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে এক পয়সা দুর্নীতির প্রমাণও পাওয়া যায়নি। তাঁরা দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। আগামীতেও এ ধরনের যোগ্য ও সৎ মানুষ দিয়েই মন্ত্রণালয় পরিচালিত হবে।

নারী সমাজের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তিনি বলেন, যে জাতি তার মা-বোনদের সম্মান দেয়, আল্লাহ তায়ালা সেই জাতিকে সম্মানিত করেন। আমরা মা-বোনদের ইজ্জত ও নিরাপত্তার পূর্ণ হেফাজত করব। ঘর, রাস্তা ও কর্মস্থলে তারা শতভাগ সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে চলাফেরা করবে। বিগত ৫৪ বছরে আমাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো বদনাম নেই।

তিনি বলেন, আমরা সবাই একসময় মজলুম ছিলাম। কিন্তু ৫ আগস্টের পর একটি পক্ষ নিজেদের ভাগ্যোন্নয়নে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। মেহেরপুর একটি ছোট ও শিক্ষিত জেলা- এখানেও কি চাঁদাবাজি হয়? দুঃখজনক হলেও সত্য, এখানেও চাঁদাবাজি চলছে। আমরা আর এই চাঁদাবাজি চলতে দেব না। বরং যারা এতে জড়িত, তাদের সম্মানজনক কাজের সুযোগ করে দেওয়া হবে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চাঁদাবাজি নয়—বিনা খরচে দক্ষতা উন্নয়ন করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা শিশুদের জন্য পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত বিনা খরচে শিক্ষা নিশ্চিত করব। ৬৫ বছর বয়সের পর রাষ্ট্র নাগরিকদের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব নেবে। যারা বলবেন তাদের প্রয়োজন নেই- তাদের আমরা সম্মান জানাব।

দেশবাসীর প্রতি প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের সম্পদ পাঁচ বছর আগের পরিমাণের চেয়ে বাড়তে দেওয়া হবে না। জনপ্রতিনিধিরা জনগণের সম্পদ বৃদ্ধিতে কাজ করবেন। যারা এই দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, তারাই জনপ্রতিনিধি হবেন। জনগণের সম্পদ ভোগকারী লুটেরা প্রতিনিধির প্রয়োজন নেই। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের সহকর্মীরা মামলা বাণিজ্য, দখল বাণিজ্য ও চাঁদাবাজি থেকে মুক্ত।

তিনি বলেন, আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। মেহেরপুরের দুটি আসন আমাদের উপহার দেবেন। একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন- আমরা আপনাদের পাশে থাকি কি না। অতীতে এখানকার উপজেলা ও ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে আমাদের প্রতিনিধিরা আপনাদের সেবা করেছেন।

মেহেরপুরবাসীকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, আপনারা যদি আমাদের ঋণী করেন, ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছর জানপ্রাণ দিয়ে সেই ঋণ শোধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আপনাদের সব সমস্যা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সমাধান করা হবে। কোনটি আগে, কোনটি পরে- তা আপনাদের সঙ্গে পরামর্শ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উপর থেকে কিছু চাপিয়ে দেওয়া হবে না। অতীতে যারা চাপিয়ে দিয়েছে, তারা আগে নিজেদের ভাগ বুঝে নিয়েছে।

কুষ্টিয়া

আমরা দলীয় কর্মীদের পেট ভরার জন্য নয়, সকল মানুষের মুক্তির জন্য রাজনীতি করি: কুষ্টিয়ায় আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা সমস্ত মানুষের মুক্তির জন্য চিন্তা করি। আমরা খাবারের জন্য চিন্তা করি না এবং দলীয় কর্মীদের পেট ভরার জন্য আমরা রাজনীতি করি না। বরং এ দেশের অভাব, দুঃখী মানুষের মুখে একটু খাবার তুলে দিতে পারি এবং গায়ে একটু কাপড় দিতে পারি। আমাদের ভিশন এই মজলুম জাতিকে একটুখানি মুক্তির স্বাদ দেয়া। এটাই হবে আমাদের সংগ্রাম, ইনশাআল্লাহ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিুর রহমান বলেন, আমাদের ভাই-বোনদেরকে স্বস্তিতে এক জায়গায় স্থির থাকতে দেয়া হয়নি। আমরা দল হিসেবে কতটা মজলুম ছিলাম। এই অঞ্চলে আমাদের বোনদেরকে দফায় দফায় গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে অপমান করা হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আজকে মায়েরা ন্যায়ের পক্ষে, সত্যের পক্ষে, মানবতার পক্ষে আল্লাহর দীনের আওয়াজ তুলতে ঘরে ঘরে যান। কিছু লোক এটা সহ্য করতে পারে না। তাদের বিরক্ত করে, অপমানজনক আচরণ করে, কষ্ট দেয়- এমনকি দিশেহারা হয়ে দু’এক জায়গায় তাদের গায়েও হাত দিয়েছে। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে কোনো কিছুর বিনিময় আমরা মায়েদের সম্মান রক্ষা করব, হুঁশিয়ারি দেন ডা. শফিকুর রহমান।

আমীরে জামায়াত বলেন, খনন না করায় পদ্মা-গড়াই নদী নয়, যেন এক মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। নদী খননের জন্য প্রতি বছর বাজেট থাকে। সমস্ত টাকা পেটে চলে যায়। নদী আর খনন করা হয় না। উন্নয়নের নামে ৫৪ বছর কমবেশি যারাই ক্ষমতায় গিয়েছে এই একই কাজ তারা করেছে। এ দেশ সবার এবং সবাই মিলে রক্ষা করতে হবে।
চব্বিশের ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পর জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, আমরা প্রতিশোধ না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলাম, আমরা কারো উপর কোন প্রতিশোধ নেইনি। আমরা বলেছিলাম অন্যায়ভাবে কাউকে মামলার আসামি করা হবে না। আমরা অন্যায়ভাবে কাউকে একটা মামলারও আসামি করিনি। বাংলাদেশে হাজার হাজার মামলা আমরা দায়ের করি নাই।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৫ আগেস্টর পরে মামলা বাণিজ্য শুরু হয়ে গেলো। জাগায় জাগায় দখলদারি, অনেক ভাইয়েরা নেমে পড়লেন চাঁদাবাজি করতে। আমরা বলতে চাই, আপনাদের সংসারে অভাব-অনাটনের কারণে যদি করে থাকেন- তাহলে আপনারা এখান থেকে সরে আসুন। আল্লাহ আমাদের যে রিজিক দিয়েছেন ওটাই আমরা ভাগাভাগি করে খেতে রাজি আছি। তবুও চাঁদাবাজি করবেন না।

মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আমীরে জামায়াত বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, এই বাংলাদেশে প্রত্যেকটি পুরুষ এবং নারীদেরকে মর্যাদার কাজ তুলে দিবো। বিশেষ করে যুবক-যুবতীদের হাতে। তাদের এই যৌবনের শক্তি দিয়ে তারা যেন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

দেশের সংকট দূর করতে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরে আমীরে জাময়াত বলেন, আমরা তিনটা জায়গায় কাজ করবো- যোগাযোগ উন্নত করা, দ্বিতীয় সিন্ডিকেট ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়া আর চাঁদাবাজিতে যারা লিপ্ত-তাদের ভালো কাজ দিয়ে বুকে টেনে নেয়া। তিনি বলেন, এই তিনটি কাজ যদি আমরা সফলভাবে আল্লাহ তায়ালার সাহায্যে করতে পারি- তাহলে আমরা বিশ^াস করি এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন দেখবে।

কুষ্টিয়া অঞ্চলের সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, কুষ্টিয়া চিনিকল ছিলো- এখন বন্ধ হয়ে আছে। ইন্ডাস্ট্রির বিস্তার ঘটছে আর একটা একটা করে তালা ঝুলানো হচ্ছে। জামায়াতের সাবেক আমীর শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী যখন শিল্প মন্ত্রী ছিলেন তখন তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন আজ থেকে কোনো সরকারি কল-কারখানায় তালা ঝুলবে না। বরং ঝুলন্ত তালা যেখানে আছে সেগুলো খুলে দিবো আমি এবং তিনি তাই করেছিলেন। বন্ধ কল-কারখানাগুলো খুলে দিয়ে মাত্র আড়াই বছরে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, উল্লেখ করেন আমীরে জামায়াত।

ডা. শফিকুর রহমান দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘আমরা বিশ^াস করি বাংলাদেশের জনগণ যদি আমাদেরকে সুযোগ দেয়, তাহলে সকল সেক্টরে বিপ্লব ঘটবে।’

আমীরে জামায়াত বক্তব্যের শুরুতে সদ্য ইন্তেকাল করা কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবুল হাশেমকে স্মরণ করে তার অবদানকে কবুল করে মাগফিরত কামনা করেন। এসময় তিনি বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীকেও স্মরণ করে তার মাগফিরাত কামনা করেন।

শহীদ আবরার ফাহাদকে স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহামান বলেন, শহীদ আবরার ফাহাদ আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক। সে নিজেই একটা বিদ্রোহী, একটা বিপ্লবের নাম। সে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলো। এটাই তার অপরাধ। এজন্য তাকে দুনিয়া থেকে অত্যন্ত নির্মমভাবে বিদায় করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আধিপত্যবাদীরা তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কেউ আওয়াজ তুলুক এটা পছন্দ করে না। তবে চব্বিশের দ্রোহ এটা প্রমাণ করে দিয়েছে বাংলাদেশের দামাল ছেলেরা আল্লাহ ছাড়া কাউকে পরোয়া করে না। যাদের নেতৃত্বে এই জাতি চব্বিশের লড়াই করে মুক্তি পেয়েছে। চব্বিশের সকল যোদ্ধাদেরকে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আমীরে জামায়াত।

তিনি আরও বলেন, এখানে দাঁড়িপাল্লা হচ্ছে এগারো দলের প্রতীক। দাঁড়িপাল্লা হচ্ছে ইনসাফের প্রতীক। অতীতের সরকারগুলো পাল্লা সহ্য করতে পারেনি। এজন্য পাল্লাকে তারা গুম করে ফেলেছিলো। পাল্লা আয়নাঘরে থেকে মুক্তি পেয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। পাল্লার বিজয় হলে সমাজে ন্যায়বিচার কায়েম হবে।

আমীরে জামায়াত বলেন, বিভিন্ন নারীদের উসকানি দেয়া হয়, পাল্লার বিজয় হলে আপনাদের কেমন লাগবে, এখন মায়েরা বলছে ভালো হবে। যুবসমাজ এবং মায়েরা বিশেষ করে বস্তাপঁচা রাজনীতি আর দেখতে চায় না। মায়েরা যেভাবে পাল্লা বিজয় করতে চায়, সেভাবে মায়েদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হবে।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জামায়াতে ইসলামী

সম্পর্কিত খবর