হাওয়া থেকে পাওয়া খবরে ওরা কারা নাচছে?


৭ অক্টোবর ২০২৬ ২২:১৪

প্রসঙ্গ : অজিত দোভালের ঢাকা সফর
॥ জামশেদ মেহদী ॥
বাংলাদেশের যারা সংবাদপত্রের নিয়মিত পাঠক, তারা অনেকেই জোসেফ গোয়েবলসের নাম শুনেছেন। জোসেফ গোয়েবলস শুধুমাত্র জার্মান ডিক্টেটর হিটলারের অন্ধ ভক্তই ছিলেন না, তিনি ছিলেন হিটলার সরকারের প্রচারমন্ত্রী। শুধুমাত্র প্রচারমন্ত্রী নয়, হিটলারের ঘনিষ্ঠতম সহচর হিসেবে জার্মানির সমস্ত রেডিও-টেলিভিশন এবং প্রচারমাধ্যম তার মুঠোর মধ্যে ছিলো এবং এসব প্রচারমাধ্যমের দ্বারা তিনি হিটলারের চণ্ড নীতির স্বপক্ষে জার্মানদের মতামত গঠন করতেন। সেই গোয়েবলসের একটি উক্তি শুধুমাত্র জার্মানিতে নয়, সারা পৃথিবীতে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। বাংলাদেশেও আওয়ামী লীগ পাকিস্তান আমলে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ আমলে গোয়েবলসের ঐ উক্তিটি এস্তেমাল করে বাংলাদেশের সহজ-সরল জনগণকে বিপুলভাবে বিভ্রান্ত করেছিলেন। হিটলারের সেই বিখ্যাত অথবা কুখ্যাত উক্তিটি হলো, ‘If you tell a lie big enough and keep repeating it, people will eventually come to believe it.’
বাংলা অনুবাদ : ‘আপনি যদি যথেষ্ট বড় একটি মিথ্যা বলেন এবং সেটির পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন, তবে মানুষ একসময় তা বিশ্বাস করতে শুরু করবে।’ আওয়ামী লীগ তার রাজনীতির শুরু থেকে এ পর্যন্ত হিটলারের অনেকগুলো কৌশল ব্যবহার করে বাংলাদেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন। যেমন হিটলার বলতেন, সারা দিন অফিস আদালত বা ব্যবসা-বাণিজ্য করে মানুষের শরীর এবং মন উভয়েই খুব ক্লান্ত থাকে। তাই বিকেল বেলা তার মস্তিষ্ক খুব Receptive থাকে। অর্থাৎ সহজেই কোনো কথা গ্রহণ করে। তাই কোনো রাজনৈতিক ডেমাগোগ বা মেঠো বক্তা যদি বিকেলে জনসভায় জ্বালাময়ী বক্তৃতা করেন, তাহলে সেই বক্তৃতা ক্লান্ত জনগণ মন্ত্রমুগ্ধের মতো শোনেন এবং বিশ্বাস করেন। শেখ মুজিব হিটলারের এই কৌশলটি ভালোভাবেই এস্তেমাল করেছিলেন।
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা যখন জনগণ কর্তৃক সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যাত এবং অদূর ভবিষ্যতে জনগণের সামনে তাদের দাঁড়ানোর কোনো মুখ নাই, তখন তারা ভারতের শরণাপন্ন হয়েছেন। অবশ্য ভারতের শরণাপন্ন হওয়া তাদের জন্য নতুন কিছু নয়।
পাকিস্তান ভাঙার মিশন নিয়ে ১৯৬২ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত নেহরুর সাথে দেখা করার জন্য শেখ মুজিব ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা গিয়েছিলেন। অবশ্য সেবার শেখ মুজিবকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসতে হয়। কারণ পণ্ডিত নেহরু বিএসএফ এবং ত্রিপুরার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে শেখ মুজিবের কাছে এই বার্তা দেন যে, ভারত এখন চীনের সাথে সম্ভাব্য যুদ্ধ নিয়ে ব্যস্ত আছে। এছাড়া পাকিস্তান সীমান্তেও অস্থিরতা বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত ঐ মুহূর্তে নতুন ঝামেলায় জড়াতে রাজি নয়। তার চেয়ে শেখ মুজিব বরং দেশে ফিরে যান এবং তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব দেশে থেকেই পালন করেন। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, শেখ মুজিব আগরতলা যান ১৯৬২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। আর ভারতের যুদ্ধ বাধে ১৯৬২ সালের অক্টোবর মাসে। নভেম্বর মাসে চীন একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে এবং দখলকৃত এলাকা ছেড়ে চলে যায়।
দ্বিতীয়বার শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন তার পিতার মৃত্যুর পর আগস্টের ২৪ তারিখে। আবার এবার জুলাই বিপ্লবের পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ঝাড়েবংশে বলতে গেলে আওয়ামী লীগের গোটা সংগঠন এবং পার্লামেন্টসহ ভারতে পালিয়ে গিয়ে সেখানে আশ্রয় নেন এবং আজও সেখানেই আছেন।
এর মধ্যে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগারদের দেশে ফেরার সমস্ত পথ রুদ্ধ। ইত্যবসরে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই ৯ জন হলেন— (১) শেখ হাসিনা, (২) আসাদুজ্জামান খান কামাল, (৩) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, (৪) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, (৫) সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, (৬) যুবলীগের সাবেক সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, (৭) যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, (৮) ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, (৯) ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
সুতরাং দৃশ্যত দেখা যাচ্ছে যে, শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের প্রায় সমস্ত নেতার দেশে ফেরার পথ বলতে গেলে চিররুদ্ধ। কিন্তু আওয়ামী লীগ হলো ভারতের কংগ্রেস এবং বিজেপির বাংলাদেশ শাখা। এই পরিস্থিতিকে ভারতের কংগ্রেস বা বিজেপি কেউই মেনে নিতে পারছে না। জুলাই বিপ্লবের পর থেকেই তারা ড. ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধংদেহী মনোভাব গ্রহণ করেছিলো। তখন তারা বলেছিলো যে, তারা অনির্বাচিত সরকারের সাথে কথা বলবে না। তারা নির্বাচিত সরকারের সাথে কথা বলবে।
এভাবে ১৮ মাস কেটে যায়। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার এসেছে। তারপরও ৭ মাস ২০ দিন পার হয়েছে। অর্থাৎ ৮ মাস পার হতে চলেছে। কিন্তু বাংলা ভারত সম্পর্ক সেই যে জুলাই বিপ্লবের পর তলানিতে ঠেকেছে সেটি আর ওপরে উঠে আসেনি।
ভারত ভেবেছিলো, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একবার ভারতে নিতে পারলে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হবে। কিন্তু সম্পর্কোন্নয়নে সবচেয়ে বড় পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন স্বয়ং শেখ হাসিনা। ভারতের উসকানিতে শেখ হাসিনা ভারতীয় মিডিয়া ব্যবহার করে এই কথাটি ছড়িয়ে দেন যে, ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসবেন। বাংলাদেশের সরকার এবং বিরোধী রাজনৈতিক দল এই পয়েন্টে একমত যে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসতে পারেন। কিন্তু ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাকে কারাগারে ঢুকতে হবে। এখন কারাগারে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে কিনা সে ব্যাপারে মতদ্বৈধতা রয়েছে। তবে আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মৃত্যুদণ্ডের বিপরীতে শেখ হাসিনার আপিল করার সময় ছিলো এক মাস। সুতরাং তার আপিলের সময় পার হয়ে গেছে।
দেশি এবং বিদেশি পর্যবেক্ষকরা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছেন যে, বাংলাদেশের সাথে দরকষাকষিতে ভারতের বার্গেইনিং কাউন্টার খুব হালকা এবং দুর্বল। অতএব কূটনীতির এই যুদ্ধে জয়লাভ করার জন্য ভারত এবার হিটলার এবং গোয়েবলসের নীতির আশ্রয় গ্রহণ করেছে। তারা রাজনীতির অঙ্গনে ব্যাপকভাবে এই কথা ছড়িয়েছে যে, তারেক রহমানের সফরের ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা করার জন্য এর মধ্যেই ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এক সংক্ষিপ্ত গোপন সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ভারতের নিউজ পোর্টাল রেডিফে (Rediff) বুলাদেবী নামে এক সংবাদদাতা এই মর্মে একটি খবর প্রকাশ করেন যে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভারতের জেমস বন্ড বলে খ্যাত নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু গোপন সফরে ঢাকা আগমন করেন। একই ধরনের রিপোর্ট ছাপা হয় ভারতের বহুল প্রচারিত বিখ্যাত ইংরেজি দৈনিক ‘দি টাইমস অব ইন্ডিয়ায়’। ‘দি কাশ্মীর টাইমস’ নামক একটি ইংরেজি দৈনিকে আরেক ডিগ্রি সরস রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ঐ খবরের সূত্র ধরে একই ধরনের খবর প্রচারিত হয় ভারতের অসংখ্য প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায়। বলতে গেলে অজিত দোভালের এই তথা কথিত সফর নিয়ে একটি হাইপ সৃষ্টি করা হয়।
সৌম্য বসু নামক এক রিপোর্টার পরিবেশিত খবরে কাশ্মীর টাইমসে বলা হয় যে, ১৭ সেপ্টেম্বর গাল্ফস্ট্রিমের একটি বিমানে অজিত দোভাল ঢাকার হয়রত শাহজালাল বিমানবন্দরে না নেমে গোপনে ও নীরবে তেজগাঁও বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেন। এরপর তিনি সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান এবং ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশীদের সাথে বৈঠক করেন। তবে অজিত দোভাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বা অন্য কোনো মন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের সাথে দেখা করেননি, যদিও তারা সকলে দেশেই ছিলেন। অতঃপর তিনি ঐ একই বিমানে রাতে দিল্লি ফিরে যান।
কাউয়া কান নিয়ে গেছে, শুনে এক পাগল উড়ন্ত কাকের পেছনে দৌড়াতে থাকে। কিন্তু পাগলটি একবারও তার কানে হাত দিয়ে পরীক্ষা করে না যে, কানটি তার যথাস্থানে আছে কিনা। বাংলাদেশেও ভারতের অন্ধ প্রেমিকরা ঐ পাগলের পথ অনুসরণ করে। নবনীতা চৌধুরী, আনিস আলমগীর, ড. তুষার, কলকাতার মনোজ সেন গুপ্ত প্রমুখ কনসার্টের মতো গান ধরেন যে, অজিত দোভাল এসেছিলেন দুটি পয়েন্টের ফয়সালা করতে। প্রথমটি হলো, শেখ হাসিনা নিরাপদে যেন বাংলাদেশে ফিরতে পারেন তার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে নিরাপত্তা বিধান করতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে তাকে আপিলের সুযোগ দিতে হবে। বাংলাদেশ সরকার নাকি এই দুটি ভারতীয় দাবির কাছেই নতি স্বীকার করেছে। অতঃপর বিজয়ীর বেশে অজিত দোভাল ভারতে ফিরে গেছেন।
ঠিক এই জায়গায়ই কবর থেকে উঠে এসেছে হিটলারের প্রচারমন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের প্রেতাত্মা। কারণ গত ১৬ সেপ্টেম্বর (অজিত দোভালের তথাকথিত বাংলাদেশ সফরের একদিন আগে) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিলো যে, ঐ দিন অর্থাৎ ১৬ সেপ্টেম্বর সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান ৪ দিনের সরকারি সফরে জাপান গিয়েছেন। জাপানে অনুষ্ঠিত ৪ দিনব্যাপী এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকবেন।
গত ২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অপর একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় যে, ২০ সেপ্টেম্বর সেনা প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান জাপান থেকে দেশে ফিরেছেন। এ ব্যাপারে আইএসপিআর ও একই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
আল-জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের ইংরেজি দৈনিক ‘ওয়াদায়’ এই মর্মে রিপোর্ট করেছেন যে, ডিজিএফআই প্রধান মেজর জেনারেল কায়সার রশীদ চৌধুরীও ১৬ সেপ্টেম্বর (অজিত দোভালের তথাকথিত বাংলাদেশ সফরের ১ দিন আগে) একটি উপসাগরীয় দেশ সফরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, দোভালের সফর সম্পর্কিত কোনো খবর তার কাছে নেই। তিনি আরো বলেন, যদি তিনি সফর করতেন তাহলে এটি অবশ্যই একটি সরকারি সফর হতো। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি হাস্যরসিকতা করে বলেন, এই সফরটি আমার মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গেছে।
উল্লেখ করা যেতে পারে যে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের আমন্ত্রণে ডিজিএফআই প্রধান কায়সার রশীদ চৌধুরী ভারতে যান এবং ভারতের ‘র’ এর প্রধান পরাগ জৈনের সাথে দেখা করেন। তিনি ভারতীয় ‘র’ প্রধানকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানালে পরাগ জৈন ৪ সদস্যের ‘র’ টিম নিয়ে ঢাকা সফর করেন। এসব সফরই ছিলো প্রকাশ্য এবং অফিসিয়াল। এগুলোর কোনোটি নিয়েই ঢাকঢাক গুড়গুড় করা হয়নি। কিন্তু অজিত দোভালের সফর নিয়ে প্রথমে ভারতীয় মিডিয়া এবং পরে বাংলাদেশে আওয়ামীপ্রেমী ও ভারতপ্রেমী মিডিয়া এবং মিডিয়া কর্মীরা এই হাওয়াই সফর নিয়ে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় হুলুস্থুল শুরু করেন।
যেখানে ওয়াকার-উজ-জামান এবং কায়সার রশীদ চৌধুরী দেশেই ছিলেন না, সেখানে অজিত দোভাল জেমস বন্ডের মতো বিদেশি একটি বিমানে চড়ে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে না নেমে সিভিল এভিয়েশন অথরিটিকে না জানিয়ে ঢাকা সফর করলেন। আর সেই সফরের খবর বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কোনো মন্ত্রী বা উপদেষ্টা জানলেন না।
অধুনালুপ্ত সাপ্তাহিক চিত্রালী একটি ফিচার ছাপতো। ফিচারটির নাম ছিলো, ‘হাওয়া থেকে পাওয়া’। তেমনি হাওয়া থেকে পাওয়া খবর নিয়ে আমাদের নবনীতারা গলা ফাটিয়ে প্রচার করছেন। কথায় বলে, ‘একে তো নাচুনী বুড়ি, তার ওপরে ঢোলের বাড়ি।’
অনেক দিন আগে একটি প্রবন্ধ পড়েছিলাম, যার শেষ লাইন ছিলো, Paid for the destruction of the bridge which was never constructed.
E-mail : jamshedmehdi15@gmail.com