বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের অর্থনীতি : প্রধান সূচকগুলো নেতিবাচক


২০ আগস্ট ২০২৬ ১০:২০

॥ জামশেদ মেহদী ॥
বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন, অর্থাৎ ৬ মাস পূরণ হলো গত ১৭ অগাস্ট। এই ৬ মাসে তারেক রহমানের সরকার জাতীয় অর্থনীতিতে কতদূর কী করতে পারলো? অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে এই সরকার কি সফল? নাকি ব্যর্থ? সত্যি কথা বলতে কী, এই ৬ মাসে এই সরকারের অর্থনৈতিক সেক্টরের সফলতা বা ব্যর্থতার সামগ্রিক মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। কারণ এই সরকারের ৬ মাস হলো আগের সরকারের ৬ মাসের ধারাবাহিকতা। গত অর্থবছর শুরু হয়েছিলো গত বছরের ১ জুলাই থেকে। তখন ক্ষমতায় ছিলো ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। ঐ অর্থবছর শেষ হয়েছে গত ৩০ জুন। এই সরকার যাত্রা শুরু করেছে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি মাসের ১৭ তারিখ পর্যন্ত ১৮০ দিন বা ৬ মাস বিএনপি সরকারের। কাজেই সাফল্য বা ব্যর্থতা অথবা আংশিক সাফল্য বা আংশিক ব্যর্থতা উভয়টাই শেয়ার করতে হবে অন্তর্বর্তী সরকার এবং বিএনপি সরকার উভয়কেই। তবুও বিএনপি সরকার ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কতদূর সফল বা ব্যর্থ হয়েছে, তার একটা নির্মোহ বিশ্লেষণ হওয়া দরকার। তার আগে বিএনপি সরকারকে একটি বেনিফিট অব ডাউট দেওয়া যেতে পারে।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ক্ষমতায় এসে শেখ মুজিব সরাসরি বলে দেন যে, আগামী ৩ বছর তিনি কিছুই দিতে পারবেন না। কারণ পাকিস্তানিরা সব ধ্বংস করে গেছে। তবে এ কথা বলে শেখ মুজিব পার পাননি। বরং তার ৩ বছর ৮ মাসের শাসনকে দেশবাসী অপশাসন, দুঃশাসন এবং কুশাসন মনে করেছিলেন। দুর্নীতি এবং দুর্ভিক্ষে দেশটি ক্ষতবিক্ষত হয়েছিলো। শেখ মুজিবের মর্মান্তিক পতনে তখন জনমনে কোনো সহানুভূতি দেখা যায়নি।
অনুরূপভাবে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত ১৬ অগাস্ট বলেছেন যে, বিদ্যুৎ সেক্টরকে পুরোপুরি ঠিক করতে ২ বছর লাগবে। অর্থমন্ত্রী বা তার সরকার যতই যুক্তি দেন না কেনো, জনগণ তাদের ২ বছরের সময় দেবে না। যেভাবে গ্যাস এবং বিদ্যুতের ভয়াবহ সঙ্কট চলছে, সেটা যদি আরো ৬ মাস অব্যাহত থাকে, তাহলে সুনিশ্চিতভাবে জনবিস্ফোরণ ঘটবে। ইতোমধ্যেই জনরোষের ভয়ে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ কেন্দ্র জনরোষ থেকে বাঁচার জন্য সরকারের নিকট পুলিশ প্রটেকশন চেয়েছে। এখনই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে আগামী ৬ মাস বা আগামী ১ বছরে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, সেটি বলা মুশকিল।
এই সরকারের অর্থনৈতিক সেক্টরের ১৮০ দিনের সালতামামি করতে হলে আমাদের জিডিপি, কর্মসংস্থান, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ইত্যাদি বিবেচনায় আনতে হবে। আরো বিবেচনায় আনতে হবে মূল্যস্ফীতিকে। মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত শ্রেণি অথবা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ইতোমধ্যেই যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে, সেটির প্রধান কারণ হলো মূল্যস্ফীতি। সরকার বলতে চাচ্ছে যে, তারা মূল্যস্ফীতিকে ৮ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখতে পেরেছে। কিন্তু জনগণ সরকারের এই কথাকে গ্রহণ করেননি। মূল্যস্ফীতি শব্দটি তাদের কাছে দুর্বোধ্য মনে হয়েছে। একসময় বলা হতো মুদ্রাস্ফীতি বা ইনফ্লেশন। এসব অর্থনৈতিক পরিভাষাও সাধারণ মানুষ ভালোভাবে বোঝেনও না, বুঝতেও চান না। তারা দেখছেন যে, বিএনপি সরকারের এই ৬ মাসেও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য হু-হু করে বেড়েছে। কিছুটা অর্থনৈতিক পরিভাষা ব্যবহার করে বলা যায় যে, যদি মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের মধ্যে আটকে রাখা যেত তাহলে সেটি সাধারণ মানুষের কাছে সহনীয় হতো। অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছিলেন। কিন্তু এই সরকারের আমলে সেটি ০.৫ শতাংশ বেড়েছে। এটি হলো গড় হিসাব। কিন্তু পণ্যওয়ারি হিসাবে অনেক ক্ষেত্রেই দ্রব্যমূল্য ডাবল না হলেও দেড়গুণ বেড়েছে। ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। ফলে দারিদ্র্য বেড়েছে। বিএনপি সরকার হয়তো বলতে পারে যে, আগের সরকারের মূল্যস্ফীতির ট্রিকলিং ডাউন এফেক্ট (Trickling down effect) অর্থাৎ আগের সরকারের প্রভাব চুঁইয়ে চুঁইয়ে তাদের ওপরেও পড়ছে।
ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সামনে প্রধান টার্গেট ছিলো টাকা বা ডলারের বিনিময় হারকে যেকোনো মূল্যে স্থিতিশীল রাখা। এ ব্যাপারে তিনি অনেকখানি সফল হয়েছিলেন। ডলারের তুলনায় টাকার বিনিময় হার ১১৮ টাকার মধ্যে (অফিসিয়াল রেট) সীমাবদ্ধ রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। কিন্তু এখন সেই বিনিময় হার ১২২ টাকা। কিন্তু খোলা মার্কেটে ১২৫ টাকা থেকে ১২৬ টাকা। এখানেও এই সরকারের আর্থিক নীতি কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে।
তবে বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের ক্ষেত্রে এই সরকার কৃতিত্ব দাবি করতেই পারে। তবে সেই কৃতিত্বটিও তাদের শেয়ার করতে হবে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে। আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব মোতাবেক ড. ইউনূস সরকারের আমলে ২০২৫ সালের শেষ দিকে গ্রস বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ ছিলো ২৬ দশমিক ৮বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখন সেটি ৩০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। এটি তাদের সাফল্য। কিন্তু পুরাটা নয়। প্রথমত, এর সিংহভাগ কৃতিত্ব প্রবাসী বাংলাদেশিদের। দ্বিতীয়ত, জুলাই বিপ্লবের।
এখানে আমি ইউনূস সরকারে নাম না নিয়ে জুলাই বিপ্লব বলছি কেন? কারণ হলো, জনগণ বুঝতে পারছিলেন যে, আওয়ামী সরকার স্থানীয় মুদ্রা অর্থাৎ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্থাৎ ডলার বেপরোয়াভাবে বিদেশে পাচার করছিলো। এটি ইউনূস সরকারেরই ক্রেডিট যে তারা ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার ওপর একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছিলো। ঐ টাস্কফোর্স ব্যাপক অনুসন্ধান করে এই ভয়াবহ সত্য আবিষ্কার করেছে যে, হাসিনার জামানায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। তখন অনেক ইউটিউব ব্লগার এবং সামাজিক ইনফ্লুয়েন্সার প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন যে, তারা বাংলাদেশে টাকা পাঠানো বন্ধ করুন। তাদের এবং অন্যদের আহ্বানে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স সম্পূর্ণ বন্ধ না হলেও আংশিক বন্ধ হয়েছিলো।
জুলাই বিপ্লবের পর অর্থনীতির ক্ষেত্রে ঐ লুটপাট এবং বিদেশে পাচার বন্ধ হয়ে যায়। প্রবাসীরাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন। ফলে রেমিট্যান্সপ্রবাহ আবার তাজা হয়। ড. ইউনূসের সময় থেকেই সেই যে বর্ধিত পরিমাণে রেমিট্যান্স আসতে থাকে, সেটা তারেক রহমানের আমলেও অব্যাহত আছে।
অর্থনৈতিক সাফল্য বা ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় সূচক হলো জিডিপি প্রবৃদ্ধির (দেশজ উৎপাদনের) হার। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা এডিবির ২০২৬-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিলো ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এই হার কম হওয়ার কারণটি সকলের জানা। নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই যে, শেখ হাসিনা অর্থনীতির প্রধান স্তম্ভগুলোকেই ধ্বংস করে ফেলেছিলেন। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশের অর্থনীতিকে টেনে তোলার দায়িত্ব পড়েছিলো অন্তর্বর্তী সরকারের কাঁধে। অর্থনীতি যে গিরিখাতে পড়তে যাচ্ছিলো, সেটি অন্তর্বর্তী সরকার আটকে দিতে সক্ষম হয়েছিলো। অনেক খানি মেরামত করা অর্থনীতি পেয়েছেন তারেক রহমান। তাই তার সময় প্রবৃদ্ধির ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে।
তারেক রহমান স্বপ্ন দেখিয়েছেন যে, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার হবে ট্রিলিয়ন ডলার। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, ১ ট্রিলিয়ন ডলার হলো ১ হাজার বিলিয়ন ডলার। এখন বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার কত? কেউ বলেন, ৫০০ বিলিয়ন ডলার, কেউ বলেন ৫৫০ বিলিয়ন ডলার। যাই হোক, ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি করতে হলে বার্ষিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার হতে হবে ৯ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে। তবে কোনো অবস্থাতেই ৯ শতাংশের নিচে হলে চলবে না। আর এই ৯ শতাংশ হতে হবে প্রতি বছর। যেখানে বিএনপি সরকারের শুরুটা ৪ দশমিক ৫ শতাংশ দিয়ে শুরু, সেখানে উল্লম্ফন গতিতে ৯ শতাংশে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
ঐ গতিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বেসরকারি ও বৈদেশিক বিনিয়োগকে বিবেচনায় আনতে হবে। এখন দেশে রক্ষণশীল হিসাব মোতাবেক মোট বেকারের সংখ্যা ২৭ লাখ। এর মধ্যে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ৯ লাখ। অর্থাৎ শিক্ষিত বেকার মোট বেকারের ৩৩ শতাংশ। এই সংখ্যা কমছে তো নয়ই, বরং দিন দিন বাড়ছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে দুর্বল খাত হলো ব্যাংকিং সেক্টর। সকলেই জানেন যে এস আলম, সামিট গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ প্রভৃতি অলিগার্করা ব্যাংকিং সেক্টরকে প্রায় গিলে খেয়েছিলো। এর মধ্যে এস আলম তো একাই ইসলামী ব্যাংকসহ মোট ৭টি ব্যাংক দখল করেছিলো। ধন্যবাদ দিতে হবে জুলাই বিপ্লবকে এবং বিপ্লবোত্তর সরকারকে। সবগুলো ব্যাংককে ঐ সরকার এবং সরকার নিযুক্ত বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ঐ সব ব্যাংকখেকোদের গ্রাস থেকে মুক্ত করেছিলেন। তারা ব্যাংকগুলো পুনর্গঠন করেছিলেন। কিন্তু এখন এই সরকারের মাঝে দু-একজন প্রভাবশালীকে দেখা যায়, যারা এস আলমের সাথে সংগোপনে হাত মেলাতে চাচ্ছেন। আরেক অলিগার্ক বসুন্ধরা গ্রুপের হাতে জ¦ালানি খাত তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিলো। কিন্তু একশ্রেণির গণমাধ্যম এবং বিরোধীদলের প্রবল প্রতিবাদের মুখে সেই উদ্যোগ গ্রহণ থেকে বিরত হয়েছে সরকার।
অর্থনীতিতে রাজস্ব আদায় অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এটিকে অর্থনীতির পরিভাষায় বলে ট্যাক্স জিডিপি রেশিও বা অনুপাত। এই রেশিও গত অর্থ বছরের শেষে ছিলো মাত্র ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। এক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত বিএনপি সরকার উল্লেখযোগ্য কোনো Structural breakthrough করতে পারে নাই।
শেখ হাসিনার আমলের বিগ বাজেটের রোগ এই সরকারকেও ধরেছে। আর সেটি করতে গিয়ে বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় হয়ে গেছে। সরকারের বাজেটের আয়তন (রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটসহ) ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। তার মধ্যে ডেফিসিট বা ঘাটতি হলো ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি কোনোভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। সেই ঘাটতি পূরণ করতে গিয়ে গরিব এবং মধ্যবিত্তদের আয়ের একটি রাস্তার ওপর কুঠারের আঘাত হানা হয়েছে। সেটি হলো সঞ্চয়পত্রের সুদের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো। যারা চাকরি থেকে অবসর নেন, তারা যে রিটায়ারমেন্ট বেনিফিট পান সেই বেনিফিটের টাকা সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করেন। সেই বিনিয়োগ থেকে যে রিটার্ন পান সেটি দিয়ে তারা সংসার চালান। এটির ওপর নির্ভর করেন ছোট কর্মচারী, মাঝারি অফিসার, ছোট দোকানদার শ্রেণির মানুষ। তাদের আয় ইনকামের ওপর হাত দিয়ে সরকার গণবিরোধী তথা গরিব বৈরী পদক্ষেপ নিয়েছে।
বেসরকারি ও বৈদেশিক বিনিয়োগ এখনো তেমন দেখা যাচ্ছে না। যতই বলা হোক না কেন, কর্মসংস্থান আশাপ্রদ নয়।
সবচেয়ে আতঙ্কজনক হলো এই যে, হতদরিদ্রের হার কমার চেয়ে বেড়েছে। কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের যেখানে এক নম্বর প্রায়োরিটি হলো দারিদ্রবিমোচন সেখানে দারিদ্রসীমায় বা তার নিচে অবস্থানকারী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, গত ১ বছরে ১৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছেন।
শেষ করার আগে ইকোনমিক সেক্টরের চুম্বক বলছি। (১) Macroeconomic stabilisation বা সামষ্টিক স্থিতিশীলতা আংশিক অর্জিত হয়েছে। (২) প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, ব্যাংকিং ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্র ইতিবাচক নয়। যেসব দুর্বলতার কথা এতক্ষণ বলা হলো সেসব ক্ষেত্রে সরকার আগামী ৬ মাসে কী পদক্ষেপ নেয়, তার ওপর নির্ভর করবে, প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ উইলিয়াম রস্টোর ভাষায়, আমাদের অর্থনীতি Take off করে কিনা।
Email : jamshedmehdi15@gmail.com