শিখন ঘাটতিতে এসএসসির ফল বিপর্যয়

বরাদ্দ বেড়েছে তিনগুণ, ফেল করেছে প্রায় ৭ লাখ


১২ আগস্ট ২০২৬ ২০:১১

আওয়ামী খামখেয়ালিতে শিক্ষায় ধস

॥ সাইদুর রহমান রুমী ॥
বাংলাদেশে শিক্ষা খাতে বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগের চরম খামখেয়ালিপনা, নৈরাজ্য, লুটপাট, দলীয়করণ আর গ্রেস মার্ক সংস্কৃতির কারণে এবারের এসএসসির ফল বিপর্যয়। ফি বছর দফায় দফায় শিক্ষায় বাজেট বাড়িয়ে নিজেদের পকেট ভারী করলেও বাড়েনি শিক্ষার মান। দুর্নীতি, অনিয়ম আর দলীয়করণের ফলে জবাবদিহিহীনতার এক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। শিক্ষা বাজেটের একটি বড় অংশ অবকাঠামো ব্যয় এবং কথিত সৃজনশীল কারিকুলামের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের বন্দোবস্তু করা হলেও বিশ্বমানে পিছিয়ে দেয়া হয় বাংলাদেশকে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের এসএসসির মারাত্মক ফল বিপর্যয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন নেতিবাচক পদক্ষেপের কারণে বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে দিন দিন পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। আন্তর্জাতিক মান তো দূরের কথা, দেশের চাকরির বাজারের উপযোগী করেও শিক্ষার্থীরা গড়ে উঠতে পারছে না। বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল দলীয়করণ আর দুর্নীতির আখড়া। দুর্নীতিগ্রস্ত খাতগুলোর মাঝে অন্যতম হলো শিক্ষা সেক্টর। ফলে যা হবার তাই- শিক্ষার মান নয়, বেড়েছে নানা বাহারি খরচের বাহানা।
১৯ বছরে সবচেয়ে কম পাসের হার
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা বিগত ১৯ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। সর্বশেষ ২০০৭ সালে পাসের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী, তথা প্রায় ৭ লাখ শিক্ষার্থী, যা স্মরণকালের চরম ফলাফল বিপযয়। অকৃতকার্যদের মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা বেশি। এসএসসিতে ছেলে পরীক্ষার্থী ছিল ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন। ছেলেদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
গত বছর এসএসসিতে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ কম পেয়েছে ২২ হাজার ৩৫৬ শিক্ষার্থী। এবার ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা পাস করা মোট শিক্ষার্থীর ১০ দশমিক ২৪ শতাংশ।
৩১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল
চলতি বছর দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও কমেছে। এবার ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি।
বোর্ডভিত্তিক পাসের হার
১১টি বোর্ডের ফলাফলে সবার ওপরে এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড এবং তলানিতে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড। তবে শুধু সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের হিসাব কষলে ফলাফলে সবার নিচে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশালে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ও ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এছাড়া বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। মাদরাসা শিক্ষায় ফলাফলের অবনতি এবার আরও স্পষ্ট। এবার শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর ৮৬টি মাদরাসা থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি, এবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৬টিতে। চলতি বছর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় মোট ২ লাখ ৯৮ হাজার ৯৮২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন। সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ বছর দাখিল পরীক্ষায় মোট ৬ হাজার ৭১৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৫৭২ জন এবং ছাত্রী ৩ হাজার ১৪৪ জন।
শিখন ঘাটতি বড় সংকট
এবারে ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক শিখন ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। শিক্ষার্থীদের মাঝে সাধারণ বেসিক বিষয়ে ব্যাপক ঘাটতি বিরাজমান। ফলে এসএসসির মতো বড় একাডেমিক পরীক্ষাগুলোয় এসে শেষ পর্যন্ত ঝরে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। সাধারণ ৯ বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে পাসের হার কম ময়মনসিংহ বোর্ডে। এ বোর্ডে ইংরেজিতে পাস করেছে মাত্র ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর গণিতে পাস করেছে ৬৯ দশমিক ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী। অর্থাৎ এই বোর্ডে ইংরেজিতে প্রতি ১০০ জনে ৩৩ জন ফেল করেছে। আর গণিতে প্রতি ১০০ জনে ৩০ জন ফেল করেছে।
বিষয়ভিত্তিক ফলে ইংরেজি ও সাধারণ গণিতে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে কয়েকটি বোর্ডের শিক্ষার্থীরা। এর মাঝে ইংরেজিতে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার মাত্র ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। একই বোর্ডে সাধারণ গণিতে পাসের হার ৬৯ দশমিক ৬১ শতাংশ; যা এ দুই বিষয়ের মধ্যে সর্বনিম্ন। বাংলায়ও যশোর বোর্ডের পাসের হার নেমেছে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশে। সামগ্রিকভাবে বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইংরেজি ও সাধারণ গণিতেই ফলাফলের দুর্বলতা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে।
কুমিল্লা বোর্ডের অধীন চান্দিনা থানার একসময়ের স্বনামধন্য কাদুটি হাইস্কুলের কয়েকজন অভিভাবক, শিক্ষার্থী জানান, স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে দলীয় লোক নিয়োগ, ভালো যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকের চরম সংকটসহ সার্বিক বিষয়ে স্কুল কমিটির অবহেলা, অযত্ন দিন দিন গ্রামাঞ্চলের স্কুলগুলোকে পিছিয়ে দিচ্ছে।
শিক্ষাবিদরা বলেন, ইংরেজি ও গণিতের দুর্বলতা নতুন নয়। প্রতি বছরই এ দুটি বিষয়ে বেশি ফেল দেখা যায়। কেন শিক্ষার্থীরা ফেল করছে, তা মাঠপর্যায়ে গিয়ে খোঁজ নিতে হবে। উত্তরপত্র যত কঠোরভাবে মূল্যায়ন করা হোক না কেন, এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল গ্রহণযোগ্য নয়। এসএসসি ও সমমানের ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার মোটাদাগে দুই কারণে পাসের হারে ধস নেমেছে। একটি হলো মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ব্যর্থতা আর দ্বিতীয়টি হলো গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে বেশি ফেল। অনেকে বলছেন, শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার বাইরে বেশি সময় কাটাচ্ছে। বিশেষ করে মোবাইল ফোন ব্যবহারে তাদের সময় বেশি কাটছে। এ কারণে গণিত ও ইংরেজির মতো তুলনামূলক কঠিন বিষয়ে তারা মনোযোগ দিয়ে পড়ছে না। এই দুটি বিষয়ের কারণে পরীক্ষায় ফেলের হার বাড়ে এবং পাসের হার কমে যায় বলে মন্তব্য করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
জানতে চাইলে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, ‘ফলাফল একেবারেই অপ্রত্যাশিত না। কিন্তু আমরা হোঁচট খেয়েছি। ক্রমাগত যদি বিপর্যয় হতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে কোথাও না কোথাও গলদ আছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বলছি, শুধু জিপিএ-৫ পাওয়ার পেছনে দৌড়ানো শিক্ষার পরিচয় নয়। আন্দোলনের পর সব জায়গায় বিশৃঙ্খলা বা অনিশ্চয়তা হতে পারে। আমরা সব জায়গায় দেখেছি। কিন্তু অনিশ্চয়তা যে অরাজকতার দিকে চলে যাবে- এটা বুঝতে পারিনি। সেই জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছি। এজন্য শিক্ষার্থীরা দায়ী না। দায়ী হচ্ছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাপনা।’ তিনি বলেন, ‘এখন নিবিড় গবেষণার সময় এসেছে, সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে সঠিকভাবে মার্কিং করেছেন, এটি একটি কারণ বেরিয়ে এসেছে। কিন্তু মফস্বলের স্কুল-কলেজগুলোয় শিক্ষক নেই। ইংরেজিতে শিক্ষকরা খারাপ করেছে। শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও মর্যাদার জন্য মাঠে নামতে হয়, তাহলে সব কারণগুলো খুঁজে দেখতে হবে। এজন্য নিবিড় গবেষণা দরকার। শিক্ষার্থীদের কী অপরাধ? এদের পেছনে কোথায় ঘটতি, কোথায় গলদ, সেগুলো দেখতে হবে, কিন্তু সেটা কোথায়। শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয় একাই দায়ী নয়, সংশ্লিষ্ট সবারই দায় আছে। শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, শিক্ষক, অভিভাবক সবাইরই দায় আছে।’
এই শিক্ষাবিদ আরও বলেন, ‘শিক্ষক স্বল্পতা, বেতন-ভাতার অভাব, কোচিং বাণিজ্য রয়েছে। যে যত অর্থ খরচ করতে পারবে, সে তত ভালো ফল করবে। আমরা বিনিয়োগ করতে পারছি না। শিক্ষায় বিনিয়োগ করতে হবে। নিবিড় গবেষণা করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের মাঠের খবর রাখতে হবে। শুধু যথাযথ মার্কিং করার কারণেই কমেছে সেট নিয়ে বসে থাকলেই হবে না। লাখ লাখ শিক্ষার্থী ফেল করেছে তারা যাবে কোথায়? তাদের দোষ কী। তাদের দায় আমাদের নিতে হবে। দায়িত্বশীলদের দায় নিতে হবে।’
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন শিক্ষাঙ্গনের সার্বিক পরিবেশকেও দায়ী করছেন খারাপ ফলাফলের জন্য। আমরা সবাই জানি, শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ খুব বেশি শিক্ষামুখী ছিল না। এটা আমরা সবাই অনুভব করি। হতে পারে সেটারও প্রভাব থাকতে পারে, অন্যান্য কারণও রয়েছে। আমরা ধারণা করে পরিকল্পনা করতে চাই না। সার্ভে করে আসল কারণ চিহ্নিত করি এবং তার ভিত্তিতে পরিকল্পনা করি যাতে আউটকামটা ভালো পেতে পারি।
শিক্ষায় আওয়ামী লীগের দশ বছরে তিনগুণ বরাদ্দ বৃদ্ধি
দেশে বিগত ১০ বছরে শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ প্রায় ৩.৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এই বরাদ্দের সিংহভাগই যায় অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক নিয়োগ ও বেতন-ভাতায়। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, গবেষণা কিংবা কারিকুলাম সংস্কারে বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে কম। বাজেটের হিসেবে দেখা যায় ২০১৩-১৪ সালে বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ১০.৬ শতাংশ। যার পরিমাণ ছিল তেইশ হাজার ছয়শ’ কোটি টাকা। এভাবে প্রতি বছর বাড়তে বাড়তে ২০২২-২৩ সালে শিক্ষায় বরাদ্দ দেয়া হয় ৮১ হাজার ৪শ’ কোটি টাকা, যা ছিল মোট বাজেট বরাদ্দের ১২ শতাংশ। এতকিছুর পরও শিক্ষার মান বাড়াতে কোনো উদ্যোগ ছিল না বিগত সরকারের। আর এসব বরাদ্দের বেশিরভাগই অবকাঠামো খাতে। গবেষণা কিংবা মানোন্নয়নে এগোয়নি তেমন। যার চরম খেসারত দিচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থী আর অভিভাবকগণ।
এসব নীতিবাচক কর্মকাণ্ডের ফলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ২০২২ সালে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করে যে, শিক্ষার গুণগতমান কমে যাওয়া দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ বলেন, ‘শিক্ষার মানের দিক দিয়ে আমরা খুব একটা এগোতে পারছি না। আমাদের ছেলেমেয়েরা বুদ্ধিমান। এত বছর আমাদের শিক্ষক নিয়োগের মান ভালো ছিল না। ফান্ডের সংকটে গবেষণা পিছিয়ে আছে। প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের যে বেতন দেওয়া হয়, তা খুবই কম। ফলে মেধাবীরা শিক্ষকতায় আসছে না। তাই শিক্ষার মান বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিকল্প নেই।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবদুল হাসিব চৌধুরী বলেন, পাঠ্যক্রম সংক্ষিপ্ত, যুগোপযোগী করা প্রয়োজন। আর কেন এত বিপুল শিক্ষার্থী ফেল করছে তার জন্য সংশ্লিষ্ট স্কুল ও শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।