সার্জিও গোরের সফর : সরকার শীতল কিন্তু ভারতীয় গণমাধ্যমে অনেক গল্প
৬ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৫৮
॥ জামশেদ মেহদী ॥
গত জুন মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৪ দিনের সফরে গণচীন গিয়েছিলেন। তিনি ফিরে আসার প্রায় মাসখানেক পর বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। সার্জিও গোর ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত হলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার এলাকা অনেক বড় করেছেন। ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ছাড়াও সার্জিও গোর দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যও Oversee করবেন। দক্ষিণ এশিয়া বলতে বোঝায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ। আর মধ্য এশিয়া বলতে উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান ও তাজিকিস্তান। মঙ্গোলিয়া এবং আফগানিস্তানও মধ্য এশিয়ার মধ্যে পড়ে। কিন্তু এখনকার ভৌগোলিক বিন্যাস মোতাবেক মঙ্গোলিয়া এবং আফগানিস্তানকে অফিসিয়ালি মধ্য এশিয়ার মধ্যে ধরা হয় না।
যাই হোক, সার্জিও গোরের দেখাশুনা করার এলাকা বিরাট এবং ব্যাপকভাবে বিস্তৃত। তার বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের গণমাধ্যম এবং ভারতের গণমাধ্যম ও একশ্রেণির বুদ্ধিজীবী একটি হাইপ তুলেছিলেন। এর একটি কারণ হতে পারে এই যে, মিস্টার গোর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত বন্ধু। এছাড়া তিনি একজন উজবেক বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। এই ধরনের ডোমিসাইলড নাগরিকরা মার্কিনিদের চেয়েও বেশি মার্কিনি হয়। যেমন ডোনাল্ড ল্যু। তিনি একজন চীনা বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তাঁর কূটচালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পতন হয় বলে দক্ষিন এশিয়ার রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন।
এখানে একটি বিষয় পর্যবেক্ষকমহলের দৃষ্টি এড়ায়নি। সেটি হলো, সার্জিও গোর একজন বড় মাপের কূটনীতিক। তার বাংলাদেশ সফর নিয়ে বাংলাদেশের সরকারি মহলে তেমন একটি হইচই হয়নি। কিন্তু বাংলাদেশের বেসরকারি মহলে; বিশেষ করে যারা আওয়ামী ও ভারতপ্রেমী বলে চিহ্নিত, তারা এই সফরকে নিয়ে একটি সোরগোল সৃষ্টি করেন। তিনি ঢাকা আসার অন্তত সপ্তাহখানেক আগে একটি চিহ্নিত মহলে এবং তাদের অনুসারী গণমাধ্যমে নানা ধরনের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়। সেসব তথ্যকে ঘিরে সেই মুখচেনা মহলটি অনেক রাজনৈতিক প্রেডিকশন করে।
বলা হয় যে, মিস্টার সার্জিও গোর বাংলাদেশে আসছেন প্রধানত ৩-৪টি ইস্যু নিয়ে। তিনি আসছেন বাংলাদেশের কথা শুনতে নয়, বরং বাংলাদেশকে কিছু বলতে। এর মধ্যে রয়েছে ইনক্লুসিভ রাজনীতি ও ইনক্লুসিভ ইলেকশন। ইনক্লুসিভ বলতে তারা সবগুলো রাজনৈতিক দলকে বুঝিয়েছেন। বলাবাহুল্য, সবগুলো রাজনৈতিক দল বললে অবধারিতভাবে আওয়ামী লীগ এসে যায়। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, শেখ হাসিনার আমলে; বিশেষ করে ২০১৪ এবং ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা একতরফা ইলেকশন করেছিলেন, যেখানে বিএনপি এবং অন্যান্য বিরোধীদল ঐসব নির্বাচন বয়কট করেছিলো। তখন মার্কিনিরা এই ধরনের একতরফা নির্বাচনে জড়িত হয়। তারা মৌলিক মানবাধিকারের কথা বলে। কিন্তু বিরোধীদলসমূহ চাচ্ছিলো, আমেরিকা শেখ হাসিনার কাছে ইনক্লুসিভ ইলেকশনের দাবি উত্থাপন করুক। কিন্তু শত চেষ্টা করেও তাদের মুখ থেকে ঐ ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক শব্দটি আদায় করা যায়নি।
এবার যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। গত ৫ আগস্ট জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপিত হয়ে গেল। জুলাই বিপ্লবের একটি স্লোগান ছিলোÑ ‘চাইতে গেলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’। এবার বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার যখন চাচ্ছে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হোক, তখন মার্কিনিরা চাচ্ছে দেশের রাজনীতিতে এবং ইলেকশনে আওয়ামী লীগকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। আসলে এটি মার্কিনিদের মূল দাবি নয়। এটি হলো ভারতীয়দের দাবি। ভারতীয়দের দাবি তারা সার্জিও গোরের মুখ দিয়ে বলাতে চায়।
বাইডেন প্রশাসনের সময় থেকেই আমেরিকা বাংলাদেশকে নিজেদের লেন্স বা চশমা দিয়ে দেখা শুরু করে। এর আগে আমেরিকা বাংলাদেশকে ভারতের চশমা দিয়ে দেখতো। এটি শুরু করেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। ঠিক বারাক ওবামা এটি শুরু করেছিলেন বললে মনে হয় কিছুটা ভুল বলা হবে। আসলে শুরুটা করেছিলেন বারাক ওবামার আগের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ। তিনি বাংলাদেশকে ভারতের জিম্মায় দিয়েছিলেন।
আগেই বলেছি যে, ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময় থেকে বাংলাদেশকে আর ভারতের জিম্মায় রাখা হয়নি। আমেরিকা সরাসরি বাংলাদেশের সাথে ডিল করার চেষ্টা করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসেও বাংলাদেশের ব্যাপারে জো বাইডেনের নীতি অনুসরণ করা শুরু করেন। অর্থাৎ তিনি তথা আমেরিকা বাংলাদেশের সাথে ডাইরেক্টলি ডিল করা শুরু করেন।
কিন্তু মার্কিন প্রশাসনে; বিশেষ করে রিপাবলিকানদের মধ্যে কিছু লোক আছে, যাদের ভারতপ্রেম কমেনি। এদের একজন ছিলেন তুলসি গ্যাবার্ট। তিনি ছিলেন আমেরিকার ডাইরেক্টর অব সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স। গত বছর দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি ভারতে আসেন এবং ভারত যে সুরে বাংলাদেশ সম্পর্কে কথা বলে, সেই সুরে কথা বলতে থাকেন। যেমন বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন না থাকলেও ভারতের শেখানো বুলি অনুযায়ী তুলসি গ্যাবার্ট বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতনের কথা বলেন। তার স্বামী অস্থি ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর তুলসি গ্যাবার্ট চাকরি ছেড়ে দেন। তখন দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ে সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিযুক্ত হন পল কাপুর। তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনি। পল কাপুর বাংলাদেশকে ভারতের সাথে ট্যাগ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তখন ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় ছিলো। তাই পল কাপুর তার মিশনে সফল হতে পারেননি।
সার্জিও গোর ভারতে রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হওয়া এবং কনকারেন্টলি, অর্থাৎ যুগপৎ দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্য এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর অকস্মাৎ তার মধ্যে ভারতপ্রীতি দেখা দেয়। ভারতপ্রীতির ক্ষেত্রে তিনি অনেক সময় ডিপ্লোমেটিক রীতিনীতি লঙ্ঘন করেন। যেমন এক সময়কার বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত হওয়ার পর সার্জিও গোর এবং দীনেশ ত্রিবেদী বৈঠক করেন। ভারতের মাটিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কেন বৈঠক করেন, তার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না।
কিন্তু এবার যখন সার্জিও গোর বাংলাদেশ সফরে আসেন, তখন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী ও সফররত ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর একান্ত বৈঠকে মিলিত হন। অবাক ব্যাপার হলো এই যে, এই বৈঠকের কোনো খবর বাংলাদেশের কোনো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। একমাত্র জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমান এ ব্যাপারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, এই বৈঠক যদি সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়, তাহলে আপত্তি নেই। তাঁর বক্তব্য ছিলো, যদি বৈঠকে বাংলাদেশ বা দুই দেশের পারস্পরিক কোনো বিষয় আলোচনা হয়ে থাকে, তাহলে সেই আলোচনা বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে অন্য দুই দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে বাংলাদেশের বিষয়ে আলাপ-আলোচনা কাম্য নয়।
অবাক ব্যাপার হলো এই যে, যেহেতু সার্জিও গোর দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্য এশিয়ারও দায়িত্বপ্রাপ্ত তাই তিনি যদি সরকার ছাড়া দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলসমূহের সাথেও বৈঠকে বসতেন, তাহলেও কারো কিছু বলার ছিলো না। কিন্তু তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ছাড়া আর কারো সাথে দেখা করেননি। অথচ তিনি ৩ দিনের সফরে ঢাকা এসেছিলেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকমহল প্রশ্ন করছেন যে, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক এবং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন ছাড়া ৩ দিনের অবশিষ্ট সময়গুলো তিনি কীভাবে ব্যয় করেছেন?
যেদিন তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ টিমের সাথে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন, ঐ দিন তার সম্মানার্থে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিলো। অথচ তিনি ঐ নৈশভোজ পরিহার করেন। নৈশভোজের দাওয়াতটি ক্যান্সেল করে তিনি ঐ সময়টি কোন কাজে ব্যয় করেছেন?
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে যে, সার্জিও গোর অধিকাংশ সময় হোটেল ওয়েস্টিনেই কাটান। সেখানেই তার কাছে অনেক ভিজিটর এসেছিলো। কারা কারা ছিলেন ঐসব ভিজিটর?
সার্জিও গোরের বাংলাদেশ সফর নিয়ে সরকারিভাবে তেমন কিছু বলা হয়নি। কিন্তু ভারতীয় গণমাধ্যম এবং ভারতীয় টেলিভিশনের কয়েকজন টকার তার এই সফর নিয়ে অনেক গল্প ফেঁদেছেন। বলা হচ্ছে যে, তিনি নাকি বাংলাদেশ সরকারকে স্পষ্ট বলেছেন যে, চীনের সহায়তায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন ইকোনমিক করিডোর নির্মাণ আমেরিকা মোটেই পছন্দ করছে না। তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনাদের জড়িত হওয়াও আমেরিকার পছন্দ নয়। চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং এসব বন্দরে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠাও মার্কিনিদের বেজায় অপছন্দ।
বাংলাদেশ চীনের নিকট থেকে ২০টি জে-১০ সি জঙ্গিবিমান কিনছে, এটি আমেরিকা ভালোভাবে নিচ্ছে না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে বৈঠকের সময় সার্জিও গোরের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন যে, আমেরিকা তো এর আগেই বাংলাদেশকে উন্নতমানের সমরাস্ত্র সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছিলো। সে ব্যাপারে বাংলাদেশ কোনো মন্তব্য না করে তারা সমরাস্ত্রের জন্য চীনের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এটি তাদের পছন্দনীয় নয়।
জানা গেছে যে, তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন বক্তব্য ধৈর্য ধরে শুনেছেন। তারা নাকি বলেছেন যে, বাংলাদেশ যে করিডোরে চীনের সাথে সংযুক্ত হচ্ছে, সেটি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভেরই একটি অংশ। অথচ আমেরিকা চায় বাংলাদেশ ইন্দো প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির অংশ হোক। এটি একটি গুরুতর ইস্যু। কিন্তু তারেক রহমান এবং ড. খলিল খুব শান্তভাবে মার্কিন বক্তব্য শুনেছেন। কিন্তু কোনোরকম কমিটমেন্টে যাননি।
সার্জিও গোর ৩ দিনের সফর শেষ করে চলে গেছেন। তার সফরের সংবাদ ফলাও করে বাংলাদেশ সরকার প্রচার করেনি। কিন্তু ভারতীয় মিডিয়া এবং কয়েকজন সিনিয়র ভারতীয় সাংবাদিক আগ বাড়িয়ে বলছেন যে, আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়ার জন্য সার্জিও গোর বাংলাদেশ সরকারকে বলেছেন। বাংলাদেশ সরকার এই মার্কিন আবদারে নিরুত্তাপ।
গত ৩ আগস্ট সোমবার বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরকে তিনি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেন। তার ভাষায়, দুই দেশ ‘Comprehensive Strategic Partnership’ আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তিনি বলেন, “আমরা একসঙ্গে কাজ করছি- যাতে আগামী ৫০ বছর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ‘স্বর্ণযুগ’ (Golden Era) হয়ে ওঠে।”
তিনি আরও জানান, চীন অবকাঠামো, সংযোগ (Connectivity) এবং উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া তিনি কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন। তার মতে, নিম্নোক্ত উদ্যোগগুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ব্যাপারে চীন আশাবাদী। এগুলো হলো, তিস্তা সমন্বিত মহাপরিকল্পনা (Integrated Teesta Master Plan), মংলা বন্দরের আধুনিকায়ন চীন-মিয়ানমার-বাাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর।
E-mail : jamshedmehdi15@gmail.com