বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি দেয়া হয়েছে
৬ মে ২০২৬ ১৮:২৯
॥ জামশেদ মেহদী ॥
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের অব্যবহিত পর থেকেই বিএনপির কথাবার্তা ও আচরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহল এবং শিক্ষিত সচেতন জনমনে প্রশ্ন দেখা দিতে শুরু করে। প্রথমে সেই প্রশ্ন ওঠে জুলাই বিপ্লবের তরুণ নেতৃবৃন্দের মাঝে। জুলাই যুদ্ধের অন্যতম নায়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার লিখিত ‘জুলাই-মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘৫ অগাস্ট, ২০২৪ শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার খবর প্রচারিত হওয়ার পর তারা ৪ জন চ্যানেল ২৪ টেলিভিশন কেন্দ্রে মিলিত হন। সেখান থেকে তারা বিকেলে লন্ডনে তারেক রহমানকে ফোন করেন। ফোনে তারা তারেক রহমানকে অনুরোধ করেন যে, তিনি যেন দেশে ফিরে এসে তার নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদবিরোধী সমস্ত শক্তি নিয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করেন। ঐ সময় ঐ পরিস্থিতিতে যখন দেশে ছিল না কোনো সরকার, চারদিকে কোটি কোটি মানুষ রাস্তায়, লাখ লাখ মানুষ শেখ হাসিনাকে না পেয়ে গণভবন দখল করেছে, সেই পরিস্থিতিতে আন্দোলনকারীদের সামনে মাত্র ২টি অপশন খোলা ছিল। একটি হলো বিপ্লবী সরকার গঠন, সংবিধান বাতিল এবং বিপ্লবী সরকারের হুকুমনামা জারি করে দেশ পরিচালনা করা।’ জাতীয় সংসদের সমাপনী অধিবেশনের আগের দিন ৩২ মিনিটব্যাপী প্রদত্ত ভাষণে এনসিপির আহ্বায়ক এবং জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন যে, তারেক রহমান জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব তৎক্ষণাৎ নাকচ করে দেন। বরং তিনি তখনই বলেন যে, আপনারা ৩ মাসের মধ্যেই একটি নির্বাচন দিন।
তারেক রহমানের এই পরামর্শ ছাত্র নেতৃবৃন্দের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। কারণ প্রথমত, এই আন্দোলন এবার করেছিলেন আওয়ামীবিরোধী সবগুলো রাজনৈতিক দল ও তাদের অঙ্গ সংগঠনসমূহ। আর আন্দোলনের প্রধান শক্তি ছিলেন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ছাত্র-ছাত্রী এবং কৃষক-শ্রমিক নির্বিশেষে সর্বশ্রেণির জনগণ। রাজনৈতিক দল এবং ছাত্র সংগঠন এই আন্দোলনে শামিল হলেও সকলেই তাদের পরিচয় গোপন রেখেছিলেন। কারণ রাজনৈতিক দল এবং ছাত্র সংগঠনসমূহ যদি নিজেদের নামে আন্দোলনে নামতেন, তাহলে আদর্শের সংঘাত বা নেতৃত্বের সংঘাতের আশঙ্কা থেকে যেত।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস যদিও বলেছেন যে, এই আন্দোলন ছিলো মেটিকুলাসলি ডিজাইনড, আসলে তিনি ভুল বলেছেন। তার কাছে সঠিক ইনফরমেশন ছিলো না। মেটিকুলাসলি ডিজাইনড বা সুনিপুণ পরিকল্পনা অনুযায়ী আন্দোলন পরিচালিত হয়নি বলেই শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাওয়ার পর আন্দোলনের সেই মুহূর্তের কাণ্ডারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ সিদ্ধান্তহীনতায় পড়ে যান। এরপর কী হবে? কাদের দিয়ে সরকার গঠন করা হবে? তাদের ভেতর এমন কোনো ম্যাচিউরড ব্রেইন ছিল না যে, তাদেরকে বলে যে এখন বিপ্লবী সরকার গঠন করো। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে যেহেত বিএনপি ছিল দেশের বৃহত্তম দল, তাই বিএনপি প্রধান তারেক রহমানের কাছেই তারা প্রথম এ্যাপ্রোচ করে। তারেক রহমান জাতীয় সরকারের প্রস্তাব তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান করলে দ্বিতীয় অপশন আসে ক্ষমতা গ্রহণের জন্য সেনাবাহিনীকে আহ্বান করা।
কিন্তু শেখ হাসিনার পতনের অন্তত ৫ দিন পূর্বেই আত্মগোপনে থাকা ছাত্র নেতৃবৃন্দ সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন যে, কোনো অবস্থাতেই তারা দেশে মার্শাল ল’ চান না। আর সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বিকাল ৩টার মধ্যে হাসিনাকে ভারতের উদ্দেশে বিমানে উঠিয়ে দেওয়ার পর সেনাপ্রধান সেই মুহূর্তে পরিস্থিতির হাল ধরেন। পরবর্তী ঘটনা সকলেরই জানা।
কাদের বুদ্ধি ও পরামর্শে অন্তর্বর্তী সরকারের আইডিয়া পলিটিশিয়ানদের মাথায় এলো, সেটা আজও পরিষ্কার জানা যায়নি। তবে ছাত্ররা ঐ মুহূর্তে মনে করেছিলেন যে, যেহেতু বিএনপি জাতীয় সরকার গঠনে আগ্রহী নয়, তাই জাতীয় সরকারের পরিবর্তে একজন অরাজনৈতিক কিন্তু সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করতে হবে। ড. ইউনূসের নাম প্রস্তাব করা হলে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার উপদেষ্টা থাকাকালীন সময় প্রদত্ত বক্তব্য থেকে জানা যায় যে, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অন্তর্বর্তী সরকার তথা উপদেষ্টা পরিষদ ও প্রধান উপদেষ্টার কনসেপ্ট মেনে নেন। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের নামের তিনি বিরোধিতা করেন। ছাত্র নেতৃবৃন্দ সেনাপ্রধানের বিরোধিতা উপেক্ষা করেই ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করার ব্যাপারে অটল থাকেন। অবশেষে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়।
এখানে প্রাসঙ্গিকভাবে কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ না করলে বর্তমানে বিরাজমান সঙ্কটের পটভূমি জানা যাবে না। লক্ষ করার বিষয় হলো যে, ৫ আগস্ট দুপুর থেকে ৮ আগস্ট রাত ৮টা পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনো সরকার ছিল না। ড. ইউনূস ফ্রান্স থেকে ফিরে ৮ আগস্ট রাত ৮টায় তিনি এবং তার উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ শপথ গ্রহণ করেন। উপদেষ্টা পরিষদ তথা অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হওয়ার আগেই ৬ অগাস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়। কে নিয়োগ দিলেন? বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তো পালিয়ে গেছেন। তাহলে কার সুপারিশে আসাদুজ্জামানকে অ্যাটর্নি জেনারেল করা হয়?
৬ তারিখে আরেকটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। শেখ হাসিনার আমি ও ডামির জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়। বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ মোতাবেক জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু ঐ যে আগেই বলেছি, গোটা মন্ত্রিপরিষদসহ শেখ হাসিনা ইন্ডিয়ায় পালিয়ে গেছেন। তাহলে জাতীয় সংসদ ভাঙা হলো কার পরামর্শে?
আরেকটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করবো। সর্বশ্রেণির পাঠক এ বিষয়টি গভীরভাবে চিন্তা করবেন। বলা হয়েছে যে, বিদ্যমান সংবিধানের ১০৬ ধারা মোতাবেক এমন পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের সুপারিশ বা মতামতের প্রয়োজন হয়। প্রেসিডেন্ট সুপ্রিম কোর্টের কাছে এ ব্যাপারে রেফারেন্স পাঠাবেন। এই রেফারেন্স পাওয়ার পর সংবিধানে স্পষ্ট বিধান রয়েছে যে, সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্সের ওপর শুনানি করবেন। সেনাবাহিনী কর্তৃক জারিকৃত একটি নোটিশ থেকে দেখা যায় যে, ভিভিআইপিসহ দেশের ৬২৬ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে ৬ আগস্ট থেকে সেনা ছাউনিতে নিরাপত্তামূলক আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ঐ ৬২৬ জনের নাম সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছিল। ঐ ওয়েব সাইটে যেসব নাম ছিল, তার মধ্যে ৩টি নাম এখানে প্রাসঙ্গিক। এই ৩টি নামের মধ্যে একটি ছিল সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, অপরটি ছিল সাবেক প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং আরেকজন হলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিনিয়র মোস্ট বিচারপতি এনায়েতুর রহিম।
এখানে প্রশ্ন হলো, প্রেসিডেন্ট যদি সুপ্রিম কোর্টে রেফারেন্স চেয়ে পাঠান, তাহলে সেটি তিনি কার পরামর্শে পাঠিয়েছিলেন? দ্বিতীয়ত, সুপ্রিম কোর্টে কি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকাত অনুযায়ী আদৌ কোনো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছিল? কারণ তখন তো সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিসহ অন্যান্য সিনিয়র বিচারপতি ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা হেফাজতে ছিলেন। সেজন্যই অনেকে প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্সের কপি দেখতে চেয়েছেন। অনেকে শুনানির কার্যবিবরণী হুবহু দেখতে চেয়েছেন। অনেকে সুপ্রিম কোর্টের মতামতের কপি দেখতে চেয়েছেন।
এসব প্রশ্ন আজ এজন্যই উঠছে যে, বিএনপি ডে ওয়ান থেকে সংবিধানের দোহাই পেড়ে সবকিছু করতে চাচ্ছে। যে বিপ্লবটি ঘটলো, সেটিই তো সংবিধানবহির্ভূত। পরবর্তীতে জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ইত্যাদি সবই তো সংবিধানবহির্ভূত। তাহলে প্রশ্ন ওঠে, জুলাই বিপ্লবসহ পরবর্তীতে যা কিছুই ঘটেছে, সব কি বেআইনি?
মোটেই বেআইনি নয়। বরং সবকিছু ঘটেছে জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছা মোতাবেক। জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছা প্রকাশিত হয়েছে জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে। ইংরেজিতে এটাকে বলা হয়, ঞযব যিড়ষব ড়ভ ইধহমষধফবংয যধফ ংঢ়ড়শবহ ড়ঁঃ রহ ঔঁষু জবাড়ষঁঃরড়হ. অর্থাৎ জুলাই বিপ্লবে বাংলাদেশের সমস্ত মানুষ কথা বলেছিলেন। জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছাই সমস্ত আইনের উৎস। সংবিধান জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার সাবোর্ডিনেট, জনগণের ইচ্ছা সংবিধানের সাবোর্ডিনেট নয়।
আমি শুরুতেই বলেছি যে, এমনকি ৫ আগস্টেও তারেক রহমান জাতীয় সরকারের পরিবর্তে নির্বাচন দাবি করেছেন। ৭ আগস্ট নয়াপল্টনে জনসভা করে, সেখানে তারেক রহমান অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এবং বিএনপি নেতৃবৃন্দ ৩ মাসের মধ্যে নির্বাচন দাবি করেছেন। কার কাছে তারা ঐ দিন নির্বাচন দাবি করেছিলেন? তখন তো কোনো সরকার ছিলো না।
তার পর ১৮ মাস গত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার এবং জামায়াত ও ছাত্র নেতৃবৃন্দের দাবি ও প্রায়োরিটি ছিলো প্রথমে সংস্কার, পাশাপাশি শেখ হাসিনার ১৫ বছরে কৃত সমস্ত অপকর্মের বিচার এবং অতঃপর একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন। পক্ষান্তরে বিএনপি প্রথম থেকেই সংস্কার এবং বিচারকে সাইডট্র্যাক করে প্রথমে নির্বাচন এবং পরে সংস্কার এবং বিচার চাচ্ছিলো।
এদেশের মানুষের কাছে আজও এ বিষয়টি রহস্যাবৃত যে, দেশের ৩৩টি রাজনৈতিক দলকে উপেক্ষা করে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস গত বছরের ১৩ জুন লন্ডন উড়ে যান এবং তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করে এই দুই নেতা পরের বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ঘোষণা করেন। তার পর থেকে ১২ফেব্রুয়ারি নির্বাচন পর্যন্ত সবকিছুই বিএনপির ইচ্ছামতো ঘটতে থাকে এবং বিএনপির ইচ্ছামতোই জুলাই বিপ্লবের ওপর সংবিধান প্রাধান্য পায়।
এরপর নির্বাচন হয়েছে। অন্তত ৪৫টি আসনে ব্যালট টেম্পারিং করে বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি দেওয়া হয়েছে। একথা মনে করিয়ে দেয় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠক মোতাবেক ভারত মার্কিন ও জেনারেল মইনের পরিকল্পনা অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি দিয়ে ক্ষমতায় আনা হয়। সেটিরই রেপ্লিকা দেখা গেলো ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে। সংবিধানে বিদেশি নাগরিককে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত করা হয়েছে। সংবিধানের ঐ অনুচ্ছেদটি উপেক্ষা করে বিএনপির অন্তত ২৫ জন প্রার্থীকে এমপি করা হয়েছে। ১ হাজার কোটি টাকা থেকে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণখেলাপি অন্তত ২৩ জনকে এমপি করা হয়েছে। এভাবেই বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি দেওয়া হয়েছে।
ক্ষমতায় আসার দুই মাসের মধ্যেই আসল রহস্য উদ্ঘাটিত হচ্ছে। বিএনপির আসল চেহারা বেরিয়ে আসছে। স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জাতীয় সংসদে বক্তৃতা করে বলেছেন, আমরা ৪৭ মানি না। বিএনপির একজন সদস্যও প্রতিবাদ করেননি। বরং তারা টেবিল চাপড়িয়ে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অথচ ৪৭ না মানলে আমরা কিন্তু সকলেই অখণ্ড ভারতে ফিরে যাই।
সব শেষে বলতে হয়, সদ্য নির্বাচিত বিএনপির মহিলা এমপি নিলুফার চৌধুরী মনির কথা। তিনি সেদিন এক টেলিভিশন টকশোতে বলেছেন যে, জাকাত, ফিতরা বা লিল্লাহর চেয়েও উত্তম চাঁদাবাজি। গত ২ মে প্রথম আলোর ফ্যাক্ট চেকিং এটি কনফার্ম করেছে।
বিএনপির অবগুণ্ঠন ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে। সেই আংশিক উন্মোচিত চেহারা দেখে জনগণ প্রশ্ন করছেন, বিএনপি কোন পথে?