নির্বাহী বিভাগের কব্জায় আবার বিচার বিভাগ
২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২১
॥ জামশেদ মেহদী ॥
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ-সংক্রান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা তিনটি অধ্যাদেশ বাতিল করেছে জাতীয় সংসদ। আলাদা দুটি বিল পাসের মাধ্যমে এসব অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়। গত ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ দুটি বিল পাস হয়েছে। এর মধ্যে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ রহিতকরণ বিল-২০২৬’ পাসের মাধ্যমে বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল হয়। আর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ বিল-২০২৬’ পাসের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (সংশোধন) অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়। ফলে আপাতত সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের জন্য আলাদা কোনো আইন থাকছে না। সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার আইনগত ভিত্তিও থাকছে না। বিচারক নিয়োগ ও বিচার বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রম আগের কাঠামোয় ফিরে যাচ্ছে।
গত ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবারও সরকার এমন দুটি অধ্যাদেশ বাতিল করেছে, যে অধ্যাদেশগুলো জনগণের ৭২ বছরের (পাকিস্তানের ২৪ বছর এবং বাংলাদেশের ৫৪ বছর) আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছিলো। এসব অধ্যাদেশ এই পার্লামেন্ট আইনে পরিণত করবে, এটিই ছিলো দেশবাসীর প্রত্যাশা। কিন্তু কাজ হয়েছে তার ঠিক উল্টোটি। জুলাই বিপ্লবের প্রধান জনআকাক্সক্ষাই ছিলো আর যেন ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচার ফিরে না আসে। সেজন্য থাকবে সাংবিধানিক রক্ষাকবচ।
যে দুটি অধ্যাদেশ ব্রুট মেজরিটির জোরে বিএনপি সরকার বাতিল করলো, তার একটি হলো সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ। আর একটি হলো সুপ্রিম কোর্টের স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা। এই দুটি দাবিই কিন্তু আমরা সেই পাকিস্তান আমল থেকেই শুনে আসছি।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার যে কয়টি ভালো কাজ করেছে, তার মধ্যে এ দুটি অধ্যাদেশ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এ দুটি অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ার ফলে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ আবার শেখ হাসিনার জামানার বিচার বিভাগে ফিরে গেল।
বিদ্যমান সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রেসিডেন্ট প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে বিচারক নিয়োগ দেবেন। কিন্তু ৪৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া প্রেসিডেন্ট অন্যান্য কাজ করবেন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী। অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশটি বাতিল হওয়ার ফলে অতঃপর প্রেসিডেন্ট সমস্ত বিচারক নিয়োগ দেবেন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে। এ অবস্থাটিই শেখ হাসিনার আমলে ছিলো। সেটিই আবার ফিরে এলো।
অতীতে কোনো সরকার বিচারক নিয়োগের আইন করেনি। অতীতে বিভিন্ন সময়ে বিচার বিভাগে দলীয়করণের অভিযোগও ছিল। এমন প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ জারি করে। তাতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক নিয়োগের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করবে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে স্বতন্ত্র এ কাউন্সিল যোগ্য ব্যক্তির নাম প্রেসিডেন্ট বরাবর সুপারিশ করবে।
জাতীয় সংসদে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল’ পাস হওয়ায় এই বিধান আর থাকছে না। আগের মতো সংবিধানে থাকা বিধান অনুযায়ী বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া যাবে।
অন্তর্বর্তী সরকার আরেকটি অধ্যাদেশ জারি করে, যেখানে বলা হয়, অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত সব প্রশাসনিক ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়। বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটিবিষয়ক সব সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় এই সচিবালয়ের হাতে থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সচিবালয়ের সচিব প্রশাসনিক প্রধান হবেন। এই অধ্যাদেশটিও বাতিলের ফলে ফ্যাসিবাদী জামানার বিচার বিভাগে ফিরে গেল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে স্বাধীন বিচার বিভাগের দাবি কয়েক যুগ ধরে বিভিন্ন মহল থেকে করা হচ্ছিল। এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা ও সভা-সমাবেশের মধ্যে ১৯৯৫ সালে বিসিএস বিচার অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মাসদার হোসেন ও তার সহকর্মীরা বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব থেকে মুক্ত করার দাবিতে মামলা করেন।
সেই মামলায় ১৯৯৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত রায় দেন। সেই রায়ের ২৬ বছর পর বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় করার পদক্ষেপ গত বছর ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সররকারের অনুমোদন পায়। তার ১০ দিনের মাথায় ৩০ নভেম্বর ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫’ জারি হয়।
এ অধ্যাদেশ পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার পর নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলাজনিত বিষয়, ছুটির পাশাপাশি নিম্ন আদালতের বিচারকদের নিয়োগের সব কিছু সুপ্রিম কোর্টের সচিবালয় করবে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী ১১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা করে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়। সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনিক ভবন-৪ এ সচিবালয় উদ্বোধন করেন তখনকার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ঐসব অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ ফিরে এলো। গণতন্ত্রের মুখর প্রবক্তা বিএনপির সরকার শেখ হাসিনার মতোই বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপের রাস্তা খুলে দিলো। তার ভাষায়, ‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় নিম্ন আদালতকে ব্যবহার করে বিরোধী মত দমনের আয়োজন চলছে।’ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নাজিবুর রহমান বলেন, বিচার বিভাগ এখন স্বাধীনভাবে কাজ করছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় কিছু বিচারককে শোকজও করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আগে মন্ত্রণালয়ের কথা না শুনলে বিচারকদের দূরবর্তী জেলায় বদলি করা হতো। এখন সেই পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি বলেন, হাইকোর্টের একটি রায়ের ভিত্তিতেই সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। তার ভাষায়, ১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে আনা পরিবর্তন অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়েছে এবং মূল ১১৬ অনুচ্ছেদ ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনরুজ্জীবিত’ হয়েছে। সে অনুযায়ী বিচারিক কার্য সম্পাদনকারী ম্যাজিস্ট্রেটদের পদায়ন, পদোন্নতি, ছুটি ও শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত হয়েছে।
নজিবুর রহমান বলেন, ‘সে রায় বাস্তবায়িত হয়ে গিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে। সেখানে রায়টি স্থগিত হওয়া কিংবা বাতিল হওয়া ছাড়া এটিকে বিলুপ্ত করা, সেই সচিবালয়কে বিলুপ্ত করার জন্য বিল আনা বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ এবং আদালত অবমাননার শামিল।’
ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে বিএনপি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেয়নি। সে অবস্থায় এখন রহিতকরণ বিল আনা জনগণের সঙ্গে ‘প্রতারণার’ শামিল।
ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান যেসব পয়েন্ট উত্থাপন করেন তার জবাবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, সুপ্রিম কোর্ট কোনো আইন অসাংবিধানিক কি না, তা বলতে পারে। কিন্তু সংসদকে কোনো আইন প্রণয়ন করতে ‘ডিক্টেট’ করতে পারে না।
মাসদার হোসেন মামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আদালত আইন নিয়ে মত দিতে পারে। কিন্তু আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের।
তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় এই যে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চেয়ে যিনি মামলা করেছিলেন এবং বিজয়ী হয়েছিলেন সেই মাসদার হোসেনেরও আইনজীবী লাইসেন্স বার কাউন্সিল স্থগিত করেছে।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ এবং স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার অধ্যাদেশ বাতিলের পক্ষে বলতে গিয়ে সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে যে, এসব অধ্যাদেশ আরো গভীরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। অতঃপর স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আরো শক্তিশালী আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে বিল আনা হবে। সরকারের এই বক্তব্য খুব মুখরোচক মনে হলেও এর মধ্যে রয়েছে শুভঙ্করের ফাঁক। সরকার যদি আরো শক্তিশালী আইন প্রণয়ন করতে চান, তাহলে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো বাতিল বা অকার্যকর না করে এই মুহূর্তে সেগুলো পাস করা যেত এবং আইনে পরিণত করা যেতো। এর পর সরকার এটিকে শক্তিশালী করার জন্য যেসব পয়েন্ট যোগ করতে চান, সেগুলো সংশোধনী আকারে জাতীয় সংসদে উত্থাপন করে পাস করা যেত। তাহলে সরকারের কাক্সিক্ষত শক্তিশালী বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা যেত। সেই বিষয়টি এই সরকারের জন্য জলবত তরলং। কারণ সংসদে তাদের রয়েছে ২১১ জন সদস্য, অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি।
যদি আইনের শাসন না থাকে, যদি বিচার বিভাগ স্বাধীন না হয়, যদি বিচার বিভাগ শেখ হাসিনার জামানার মতো শৃঙ্খলিত থাকে, তাহলে বিচার প্রার্থীর বিরুদ্ধে শুধু বেইনসাফিই হয় না, মানুষের জীবন পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন মানুষকে জীবন দিয়েছেন। আবার তিনিই তার নির্ধারিত সময়ে মানুষের জীবনের সমাপ্তি ঘটান। কিন্তু শেখ হাসিনা ইনসাফের নামে বেইনাসাফি করে বিচারপতিদের কাঁধে বন্দুক রেখে হত্যা করেছেন মাওলানা নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আব্দুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলী ও সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে। সেদিন যদি ইচ্ছামতো রায় দিয়ে তাদের হত্যা করা না হতো, তাহলে আজ হয়তো তারা বেকসুর খালাস পেতেন।
এটি কোনো পলিটিক্যাল রেটোরিক নয়। জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি তার জ¦লন্ত প্রমাণ। তার বিরুদ্ধে তো ফাঁসির রায় ঘোষিত হয়েছিলো। তিনি রিভিউ পিটিশন দিয়েছিলেন। রাজনৈতিক ডামাডোলে হাসিনার জামানায় ঐ রিভিউ পিটিশনের চূড়ান্ত ফয়সালা হয়নি। হলে তাকেও ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলতে হতো। ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান যেমন বলেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করেছে। তাই আমরা দেখি, আওয়ামী চিফ জাস্টিস ওবায়দুল হাসান যেখানে আজহারুল ইসলামকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছিলেন, সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চিফ জাস্টিস রেফাত আহমেদের সুপ্রিম কোর্ট আজহারুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, তার প্রতি যে অবিচার করা হয়েছে, বছরের পর বছর ধরে তার ওপর যে মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে তার জন্যও সুপ্রিম কোর্ট দুঃখ প্রকাশ করেছে।
শুধুমাত্র এটিএম আজহারুল ইসলামই বেকসুর খালাস পাননি। আরেকজনও বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তিনি হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আব্দুল জব্বার। তার খালাসের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে ‘অপর্যাপ্ত প্রমাণ’।
ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান ঐ অধ্যাদেশটি বাতিলের পূর্বে সে সম্পর্কে জনমত যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। সরকার শোনেনি। আগামী ৩০ এপ্রিল সংসদ অধিবেশন শেষ হবে। জনগণ চায়, পরবর্তী অধিবেশন বাজেট অধিবেশন হলেও সেই অধিবেশনেই যেন সরকারের কথিত শক্তিশালী বিল উত্থাপন করা হোক অথবা অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশটি পুনরুজ্জীবিত করা হোক।
Email:jamshedmehdi15@gmail.com