অ্যাসপায়ারিং বাংলাদেশ পলিসি সামিট

প্রিন্ট ভার্সন
২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৩০

গত ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পলিসি সামিট-২০২৬ অনুষ্ঠানে উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান ও জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের একাংশ

দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়
॥ হারুন ইবনে শাহাদাত ॥

৩৬ জুলাই-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নবজাগ্রত বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভিশন দেশবাসীর মনে নতুন আশা জাগিয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেমন প্রত্যাশিত দেশ গড়তে চায়, সেই চিত্রকল্প তুলে ধরতে গত ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে ‘অ্যাসপায়ারিং বাংলাদেশ পলিসি সামিট ২০২৬’-এর আয়োজন করেছিল। ‘আসুন একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ (Together let’s build Bangladesh)-এ স্লোগানে সামিটে পাওয়া পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন অভিজ্ঞ গবেষক, সাবেক আমলা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, মানবাধিকার ও সমাজকর্মী, রাজনীতিবিদ ও চিকিৎসক, নারী অধিকারকর্মী ও জুলাইযোদ্ধা তরুণরা।
অ্যাসপায়ারিং বাংলাদেশ পলিসি সামিট ২০২৬-এ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের মূল দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য (Keynote Address)-এর বক্তব্যের পর যে পলিসি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়, তার উপস্থাপক ও প্যানেলিস্ট ছিলেন যারা ও যা তুলে ধরা হলো-
পলিসি প্রেজেন্টেশন সেশন-১
বাংলাদেশের কৌশল : শাসনকাঠামোর রূপরেখা (Strategy for Bangladesh: Governance Framework)
দেওয়ান এ এইচ আলমগীর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক। তিনি ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি এবং নীতি বিশেষজ্ঞ।
প্যানেল আলোচক ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর, সাবেক এমপি ও এমপি প্রার্থী (কুমিল্লা-১১) ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ও অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শরিফুল আলম জিন্নাহ, সাবেক সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী (গাজীপুর-১) শাহ আলম বখশী, ইলেকট্রিক্যাল কনসালট্যান্ট, প্রাইভেট ফার্ম ও যুগ্ম সম্পাদক এবং সম্মিলিত নারী প্রয়াস ইঞ্জিনিয়ার নিয়ামা ইসলাম।
পলিসি প্রেজেন্টেশন সেশন-২
সমৃদ্ধির প্রসার : অর্থনীতি, ব্যবসা এবং বিনিয়োগ (Promoting Prosperity: Economy, Business and Investment)
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ও ডিন (এসবিই), ইউনিভার্সিটি অব লিডস (যুক্তরাজ্য) থেকে পিএইচডি (কর্পোরেট ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং) ড. ওয়ারেসুল করিম। প্যানেল আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক সংসদ সদস্য ও এমপি প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার, অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, ফিন্যান্স বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ড. এইচ এম মোশারফ হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয় শামীম সারা খান, সহকারী অধ্যাপক (অর্থনীতি), নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি; পিএইচডি (অ্যাপ্লাইড ইকোনমিক্স), মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি ড. শিব্বির আহমদ, পলিসি অ্যাডভাইজার, ইন্টারন্যাশনাল গ্রোথ সেন্টার; সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (ঘইজ) ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ।
পলিসি প্রেজেন্টেশন সেশন-৩
যুব কর্মসংস্থান : জেন-জি এবং আলফা প্রজন্মের শক্তির বিকাশ (Youth Employment: Unleashing the Power of Gen-Z & Alpha)
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক রিজিওনাল ম্যানেজার ফর এশিয়া, সেন্ট্রলাইজড সাপোর্ট টু ইএনএফপি (ঊঘঋচঝ) নেটওয়ার্ক ড. আশিকুর রহমান।
প্যানেল আলোচক ছিলেন সাবেক সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, ইন্টেল (Intel) মাসুদ রহমান, সিইও, থ্রাইভিং স্কিল (Thriving Skill) মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, কার্যনির্বাহী কমিটি সদস্য, বেসিস (BASIS) ইঞ্জিনিয়ার বেলাল আহমেদ, কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির (বিআইসিএস) নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, মডারেটর টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি এবং ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট ইঞ্জি. তুনাজ্জিনা রহিমু।
পলিসি প্রেজেন্টেশন সেশন-৪
সমতা নিশ্চিতকরণ : নারী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রম (Delivering on Equity: Women and Inclusion in Action)
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক শিক্ষক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ইঞ্জিনিয়ার মারদিয়া মমতাজ।
প্যানেল আলোচক ছিলেন সেক্রেটারি (মহিলা বিভাগ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নুরুন্নেসা সিদ্দিকা, সিনিয়র এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন, পিএইচডি ফেলো, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়া (IIUM) সুমাইয়া রাবেয়া, সাবেক সহযোগী অধ্যাপক (ইসলামিক স্টাডিজ) এবং লালমাটিয়া সরকারি কলেজ, সেক্রেটারি, সম্মিলিত নারী প্রয়াস ড. ফেরদৌস আরা খানম।
পলিসি প্রেজেন্টেশন সেশন-৫
আগামীর শিক্ষা: পরিবর্তনের জন্য নীতি (Education for the Future: Policy for Change)
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক সোয়ানসি ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্যের অধ্যাপক ড. মোকাররম হোসেন।
প্যানেল আলোচক ছিলেন ১. সাবেক সিনিয়র সচিব, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ড. কে এম কবিরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, ইইই (EEE) বিভাগ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, ঢাকা অধ্যাপক ড. শাখাওয়াত জামান, সাবেক অধ্যক্ষ, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ও সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী (ঢাকা-১৬) কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেন, চেয়ারম্যান, আরবি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপক ড. জুবায়ের মুহাম্মদ এহসানুল হক এবং ভাইস প্রিন্সিপাল, এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল মহসীনা মমতাজ মারিয়া।
পলিসি প্রেজেন্টেশন সেশন-৬
স্বাস্থ্যসেবা : রূপান্তরের জন্য নীতি (Health Matters: Policy for Transformation)
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক সহযোগী অধ্যাপক (সার্জারি), ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ সহকারী সেক্রেটারি, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (ঢাকা মহানগর উত্তর) ডা. হাসান আল বান্না।
প্যানেল আলোচক ছিলেন চেয়ারম্যান ও কনসালট্যান্ট, বাংলাদেশ ফার্টিলিটি হসপিটাল লি. সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী (ঢাকা-১৭) ডা. এস এম খালিদুজ্জামান, শিশু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ; সেক্রেটারি জেনারেল, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (NDF); কাউন্সিলর, বিএমডিসি ও সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী (শরীয়তপুর-২) অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন, সাবেক অধ্যাপক (মাইক্রোবায়োলজি), ঢাকা মেডিকেল কলেজ অধ্যাপক ডা. নায়মা মোয়াজ্জেম এবং চিফ মেডিকেল প্ল্যানার, গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট ডা. লুৎফুর রহমান।
ঘোষিত পয়েন্টসমূহ তুলে ধরা হলো-
পলিসি সামিটে বিভিন্ন প্যানেল ডিসকাশনে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পলিসি ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ‘পলিসি সামিট-২০২৬’ এর ঘোষিত পয়েন্টসমূহ-
১. দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে।
২. ট্যাক্স ও ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) বর্তমান হার থেকে ক্রমান্বয়ে কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ট্যাক্স ১৯ শতাংশ ও ভ্যাট ১০ শতাংশে নিয়ে আসার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হবে।
৩. ওয়ান ম্যান স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড চালু করা হবে (এনআইডি, টিআইএন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এক কার্ডে)।
৪. আগামী ৩ বছরে সব শিল্পে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির চার্জ বাড়ানো হবে না।
৫. বন্ধ কলকারখানা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে চালু এবং ১০% মালিকানা শ্রমিকদের প্রদান করা হবে।
৬. ব্যবসাবান্ধব পলিসি তৈরি করা হবে। সহজ লাইসেন্সিং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৭. ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের জন্য সুদবিহীন ঋণ সুবিধা দেয়া হবে।
● শিক্ষা সংক্রান্ত
৮. গ্র্যাজুয়েশন শেষে চাকরি পাওয়া পর্যন্ত সময়ে ৫ লাখ গ্র্যাজুয়েটকে সর্বোচ্চ ২ বছর মেয়াদি মাসিক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা সুদমুক্ত ঋণ (কর্জে হাসানা) প্রদান করা হবে।
৯. মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে ১ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ দেয়া হবে।
১০. প্রতি বছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য ১০০ শিক্ষার্থীকে সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ প্রদান করা হবে। গরিবের মেধাবী সন্তানও যেন হার্ভার্ড, এমআইটি, অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজে পড়তে পারে।
১১. ইডেন, বদরুন্নেসা ও হোম ইকোনমিক্স কলেজকে একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
১২. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে।
১৩. সকল নিয়োগ হবে মেধাভিত্তিক।
● স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত
১৪. ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স্ক ও ৫ বছরের নিচে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে।
১৫. স্বাস্থ্যকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে ৬৪ জেলায় ৬৪টি বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হবে। এবং
১৬. ‘ফার্স্ট থাউজেন্ড ডেইজ প্রোগ্রাম’-এর আওতায় গর্ভধারণ থেকে শুরু করে শিশুর বয়স দুই বছর বয়স পর্যন্ত মা ও শিশুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তাকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
● তরুণদের জন্য পরিকল্পনা
১৭. দক্ষ জনশক্তি ও জব প্লেসমেন্টের জন্য নতুন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
১৮. ৫ বছরে ১ কোটি তরুণকে বাজারভিত্তিক স্কিল প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।
১৯. প্রতিটি উপজেলায় গ্র্যাজুয়েটদের জন্য ‘ইয়ুথ টেক ল্যাব’ স্থাপন করা হবে।
২০. প্রতিটি জেলায় ‘জেলা জব ইয়ুথ ব্যাংক’ গঠন করে ৫ বছরে ৫০ লাখ জব এক্সেস নিশ্চিত করা হবে।
২১. নারী, তরুণ ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিয়ে ৫ লাখ উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।
২২. ১৫ লাখ ফ্রিল্যান্সার তৈরি করা হবে।
২৩. স্বল্পশিক্ষিত যুবকদের জন্য উপযোগী স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালু হবে। ভাষা ও প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশ্ব জনশক্তির বাজারে সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
● আইসিটি ও ভিশন ২০৪০
২৪. আইসিটি সেক্টর উন্নয়নে ‘ভিশন ২০৪০’ ঘোষণা করা হবে।
২৫. ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ লাখ আইসিটি জব সৃষ্টি ও প্লেসমেন্ট করা হবে।
২৬. ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল রপ্তানির জন্য ন্যাশনাল পেমেন্ট গেটওয়ে স্থাপন করা হবে।
২৭. আইসিটি সেক্টর থেকে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় করার লক্ষমাত্রা গ্রহণ করা হবে।
২৮. আইসিটি খাতে সরকারের ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়সাশ্রয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হবে।
২৯. শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হবে।
নারী অধিকার সংক্রান্ত
৩০. নারীদের সম্পত্তির ন্যায্য অধিকার আদায়সহ নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ সালিশি আদালত গঠন করা হবে।
৩১. নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। সকল ধর্ম-বর্ণ ও বিশ্বাসের নারী যেন নির্ভয়ে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া যেতে পারে, তা নিশ্চিত করা হবে।
৩২. নারীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন এবং নারীবান্ধব কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করা হবে।
সামিটে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, পাকিস্তান, কসোভো, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ব্রুনাই, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, ইরান, কানাডা, ফিলিস্তিন, আফগানিস্তান, লিবিয়া, আলজেরিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল, জাতিসংঘ, ইউএনডিপি, আইআরআইসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিবিদগণও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর ডিস্টিংগুইশ ফেলো ও প্রথম নির্বাহী পরিচালক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শাহদীন মালিক, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, ইবনে সিনা ট্রাস্টের সদস্য প্রশাসন অধ্যাপক ড. এ কে এম সাদরুল ইসলাম, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রবীণ সম্পাদক আবুল আসাদ, দৈনিক নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাউদ্দিন বাবর, দ্য নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, ডিইউজে সভাপতি ও দৈনিক মানবকণ্ঠের সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, দৈনিক প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, সাপ্তাহিক সোনার বাংলার বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস আহমদ ভূইয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম নেতৃবৃন্দ।
জামায়াতের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও মাওলানা আ.ন.ম. শামসুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ.টি.এম. মা’ছুম, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা আবদুল হালিম ও এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, মোবারক হোসাইন প্রমুখ।

বাংলা সাহিত্যে রোজা
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৬

আল মাহমুদের গল্পে প্রেম ও প্রকৃতি
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৫

প্রেরণার বাতিঘর : আল মাহমুদ
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৪

বাবারা এমনই হয়
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৩