১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসির সক্ষমতা নিয়ে সংশয়


১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৬:১১

॥ সৈয়দ খালিদ হোসেন ॥
সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। এবারই প্রথম একইদিন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট হচ্ছে। দেশবাসী এবং ইসির কারোরই একদিনে দুই ধরনের ভোট দেওয়া ও গ্রহণের অভিজ্ঞতা নেই। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একইদিনে অনুষ্ঠানে সময় বেশি লাগবে, সে কারণে ভোটগ্রহণের সময় অতীতের চাইতে একঘণ্টা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তফসিল ঘোষণা করেন। ইসির তফসিল ঘোষণার পর জামায়াতে ইসলামী, বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি, আমার বাংলা পার্টিসহ রাজনৈতিক দলগুলো স্বাগত জানায়। তফসিলের পরদিন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির ওপর গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা। ওই ঘটনায় তিনি এখনো সংকটময় পরিস্থিতিতে রয়েছেন। গত ১৫ ডিসেম্বর সোমবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় তাকে উন্নত সিকিৎসা দেওয়ার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে। এদিকে ১৫ ডিসেম্বর সোমবার ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে আখ্যা দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তার এ বক্তব্যে নিন্দার ঝড় ওঠে। তাকে পদত্যাগ করতে বলেন অনেকে। পরে অবশ্য ইসির পক্ষ থেকে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তফসিলের পর সম্ভাব্য প্রার্থীর ওপর গুলির ঘটনায় অন্য প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে পাবনা ও সিরাজগঞ্জে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে প্রার্থীর সমর্থকদের ওপরও হামলা হচ্ছে। এসবের মধ্যে ইসি তার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়াও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পোস্টাল ব্যালটেও ভোটার নিবন্ধনও বাড়ছে। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আসতে চিঠি দেওয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।
তফসিলের পরই সম্ভাব্য প্রার্থী গুলিবিদ্ধ
চব্বিশের জুলাইয়ের পটভূমিতে জন্ম নেওয়া ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী। ব্যাপক প্রচার-প্রচারণায় তৎপর ছিলেন তিনি। প্রতি শুক্রবারে জনসংযোগ করতেন। এই জুলাই বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদির ঝাঁকড়া চুলের মাথা ঘাতকের গুলিতে ঝাঁজরা করে দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞান ও সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন হাসপাতালে। চিকিৎসকরা আশার কথা শোনাতে পারছেন না। গত ১৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার এ রিপোর্ট লেখার সময় তিনি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত ১২ ডিসেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের পর দিনদুপুরে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডে পয়েন্ট ব্লাঙ্ক গুলি হাদির মাথার একদিক থেকে ঢুকে মগজ ভেদ করে অন্যদিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। চলন্ত রিকশায় বসা হাদিকে মোটরসাইকেল আরোহী নরপিশাচ ঘাতকরা পেছন থেকে অনুসরণ করে খুব কাছে রিভলভারের গুলিতে হত্যা নিশ্চিত করতে চায়। পালিয়ে যায় নির্বিঘ্নে। এ খবরে স্তম্ভিত ও বাকরুদ্ধ হয়ে যায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও পুরো দেশবাসী। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত না হতেই একজন সম্ভাব্য প্রার্থীকে হত্যাচেষ্টা সবার মধ্যে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে।
হালকাভাবে নিয়েছে ইসি
ওসমান হাদি জুলাই বিপ্লবের আইকনিক। ভারতীয় আগ্রাসন ও আওয়ামী ফ্যাসিবাদ থেকে জাতীয় মুক্তির লড়াইয়ে অন্যতম নায়ক। তফসিল অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠানে কোনো শঙ্কা নেই বোঝাতে গিয়ে হাদির ওপর হামলাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে আখ্যা দিয়েছেন। গত ১৫ ডিসেম্বর সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন এলে এমন দু-একটি খুন-খারাবি হবেই। তিনি আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার ও শাহ আবু মুহাম্মদ সামসুদ্দিন কিবরিয়া (এএমএস কিবরিয়া) হত্যার উদাহরণ সামনে নিয়ে আসেন। তার বলার ঢংও পছন্দ হয়নি তরুণ সমাজের। তিনি বলছিলেন, আমাদের আহসানউল্লাহ মাস্টার ও কিবরিয়া হত্যা হয়েছে না। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি পাল্টা প্রশ্ন তোলেন আইনশৃঙ্খলার অবনতি দেখলেন কোথায়? অর্থাৎ একজন আলোচিত প্রার্থীকে প্রকাশ্যে নৃসংশভাবে গুলি করার পরও এটাকে স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার; যা সচেতন নাগরিকরা ভালোভাবে নেয়নি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর যিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে রয়েছেন, তিনি পরিস্থিতির অবনতি দেখছেন না। হাদির ওপর হামলাকে সিইসির ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে মন্তব্য সামনে আসার পরই সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ দেখছেন না নির্বাচন বিশেষজ্ঞরাও। ভোটের আগে এ ধরনের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় নির্বাচন কমিশন ও সরকারের তরফে দ্রুত পদক্ষেপ দেখতে চান তারা। এমন ঘটনা চলতে থাকলে তা এবারের ভিন্ন পরিস্থিতিতে তরুণ ভোটারদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা।
সিইসির বক্তব্যে তীব্র সমালোচনা
গত ১৫ ডিসেম্বর সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তর পর্বে আইনশৃঙ্খলার অবনতি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বাধা কি না, এমন জিজ্ঞাসায় সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলো কোথায়? একটু মাঝেমধ্যে দুই একটা খুন-খারাবি হয়। এই যে হাদির একটা ঘটনা হয়েছে। আমরা এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে করি। এ ধরনের ঘটনা তো সবসময় ছিল। আগে কি আহসানউল্লাহ মাস্টার খুন হয় নাই? এরকম তো অনেক আগেও হয়েছে, ঘটনা তো অনেক আছে। আমাদের কিবরিয়া সাহেব যে ফরমার ফরেন মিনিস্টার (সাবেক অর্থমন্ত্রী), কিবরিয়া সাহেব খুন হন নাই? নির্বাচন এলে এ ধরনের ঘটনা হয়। বাংলাদেশে এগুলো নতুন কিছু না। সুতরাং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বরং উন্নতি হয়েছে। এ নিয়ে নানা মহলের তীব্র সমালোচনার পর ১৫ ডিসেম্বর সোমবার মধ্যে রাতে হাদিকে নিয়ে সিইসির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিইসি বক্তব্যে বোঝাতে চেয়েছেন, ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলা আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। কমিশন তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে এবং তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। সিইসি হাদি প্রসঙ্গে গত ১৫ ডিসেম্বর সোমবার দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। একইদিন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সিইসির সমালোচনা করে বলেছেন, নাসির উদ্দিন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক আরও বলেন, সিইসি ওই দায়িত্বে থাকার নৈতিক অধিকার রাখে না। এছাড়া এবি পার্টি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) তরফে এ মন্তব্য প্রত্যাহার করার দাবি তোলা হয়েছে। তাছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয়ও সিইসির বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করা হয়।
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে গত ১১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এদিন দেশের ৩০০ আসনে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন এবং একই সাথে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ এর ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর সোমবার পর্যন্ত। ৩০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হবে। রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত। কমিশনের দায়ের করা আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে ১৮ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার। রিটার্নিং অফিসাররা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি বুধবার। সিইসি জানান, নির্বাচনী প্রচারণা চলবে আগামী ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি।
অংশ নিচ্ছে বিদেশি পর্যবেক্ষক
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কয়েকশ’ বিদেশি পর্যবেক্ষক যুক্ত হতে পারেন। এ তথ্য জানিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ২০০৮ সালের পর সর্বোচ্চসংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক আসছেন আগামী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে। ইসি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই), ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কমনওয়েলথসহ আন্তর্জাতিক বেশ কিছু সংস্থা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে। এছাড়া বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যবেক্ষক যুক্ত হবেন বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে পর্যবেক্ষক পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন ইতোমধ্যে চিঠি পাঠানো শুরু করেছেন।
লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ড নেই
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে অবাধ, গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু করতে হলে সব দলের সমঅধিকার নিশ্চিতে লেবেলপ্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিপক্ষের প্রচারণায় হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে। ১৫ ডিসেম্বর ভোলা-৪ আসনে (চরফ্যাশন) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর দফায় দফায় হামলা হয়েছে। হামলার পর আহতরা হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখানেও হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলাকারীরা সবাই বিএনপি প্রার্থীর লোক বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এর আগে আরও কয়েকটা ঘটনা ঘটেছে। বরিশালে ফুয়াদের ওপর যে ঘটনাটা হয়েছে, নোয়াখালীতে তানিয়া রবের ওপর যা হয়েছে, সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় জামায়াতের প্রার্থীর ওপরে হামলা হয়েছে। এ ঘটনাগুলো যদি থেমে যায়, তাহলে বিচ্ছিন্ন, যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই। জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, তফসিল ঘোষণার পর সব কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে আসে। সেজন্য কোনো দলের বিশেষ প্রার্থীকে বিজয়ী করতে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা সুযোগ দেবেন এমনটা প্রত্যাশা নয়। অবাধ, গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব দলের সমঅধিকার নিশ্চিতে লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে। আর এ দায়িত্ব প্রশাসনের।