তাহলে কি ব্যর্থ হচ্ছে রাষ্ট্রের উন্নয়ন কর্মসূচি
২৯ আগস্ট ২০২৫ ১৪:১০
॥ ফেরদৌস আহমদ ভূইয়া ॥
দেশে বিগত তিন বছরে দারিদ্র্য বেড়েছে। তা বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দেশের প্রতি চারজনের মধ্যে একজন এখন গরিব। আরও অনেক মানুষ এমন আর্থিক অবস্থায় রয়েছেন যে, অসুস্থতা বা অন্য কোনো সংকটে তাঁরা গরিব হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন, একটি বেসরকারি সংস্থার এক জরিপে এ তথ্য জানা গেছে। বিবিএসের অপর এক জনশুমারিতে জানা গেছে, দেশে এখন কমপক্ষে পৌনে পাঁচ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। ১৭ কোটি জনসংখ্যার একটি দেশে গরিব মানুষের এ সংখ্যাটা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, যা খুবই আতঙ্কজনক এবং দুঃখজনক। রাষ্ট্রটি গঠিত হওয়ার পাঁচ দশক পরও এভাবে গরিব মানুষের সংখ্যাটি বাড়তে থাকা কোনোভাবেই কাম্য নয়। রাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় রয়েছে, যারা কর্মসংস্থান তৈরি করে দারিদ্র্যবিমোচনের পাশাপাশি নিত্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্বে নিয়োজিত। এসব মন্ত্রণালয়ের জন্য মন্ত্রী থেকে শুরু করে সচিবসহ হাজার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। রাষ্ট্র প্রতি বছর তাদের মাধ্যমে বাজেটের একটি বিশাল অংক এ খাতে বরাদ্দ করে থাকে। তারপরও দারিদ্র্য বাড়ছে, বাড়ছে গরিব মানুষের সংখ্যা। শুধু তাই নয়, চারজন বাংলাদেশির মধ্যে একজন গরিব। তাহলে কি রাষ্ট্র সরকার ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো কী যথাযথ কাজ করছে না? নাকি দারিদ্র্য কমাতে সরকারের নীতিমালা ও কর্মসূচিতে গলদ রয়েছে। নাকি গরিবতা কমাতে রাষ্ট্রের তথা সরকারের সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে।
দারিদ্র্যের এ হিসাব উঠে এসেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) এক গবেষণায়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় করা ‘ইকোনমিক ডায়নামিকস অ্যান্ড মুড অ্যাট হাউসহোল্ড লেভেল ইন মিড ২০২৫’ শীর্ষক এ গবেষণায় বলা হয়, গত মে মাসে এসে দেশের দারিদ্র্যের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৮ শতাংশে, যা ২০২২ সালে সরকারি হিসাবে (পরিসংখ্যান ব্যুরোর খানা আয়-ব্যয় জরিপ) ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।
পিপিআরসি বলছে, দরিদ্রের বাইরে এখন দেশের ১৮ শতাংশ পরিবার হঠাৎ দুর্যোগে যেকোনো সময় দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তিন বছরে অতি বা চরম দারিদ্র্যের হারও বেড়েছে। ২০২২ সালের অতি দারিদ্র্যের হার ছিল ৫ দশমিক ৬ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি মিলনায়তনে গত ২৫ আগস্ট সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। গত মে মাসে দেশের ৮ হাজার ৬৭টি পরিবারের ৩৩ হাজার ২০৭ জনের মতামতের ভিত্তিতে গবেষণাটি করা হয়। ২০২০ সালে করোনা মহামারির আগে তিন দশক ধরে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার কমছিল। এখন দেখা যাচ্ছে, সেটা বাড়ছে। এটা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অগ্রযাত্রা পিছিয়ে যাওয়ার লক্ষণ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারি অনুসারে, ২০২২ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৯৮ লাখ। তখন পরিবারের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ১০ লাখ। জনসংখ্যার ওই হিসাবটি বিবেচনায় আনলে দেশে এখন কমপক্ষে পৌনে পাঁচ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছেন। এ পরিসংখ্যান আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে দেশে গরিব মানুষের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তার মানে বাংলাদেশের বয়স যত বাড়ছে গরিব মানুষের সংখ্যাও ততই বাড়ছে।
ফরাসি লেখক চার্লস পেরো বিশ্বাস করতেন যে, প্রাচীন যুগ আধুনিক যুগের চেয়ে শ্রেয় অর্থাৎ যত সময় যাচ্ছে, মানুষের অবস্থার তত অবনতি ঘটছে। বাংলাদেশে যেন চার্লস পেরোর কথারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। বিগত তিন বছরে দারিদ্র্যের হার ১৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৮ শতাংশে আর অতি দারিদ্র্যের হার ৫ থেকে প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশে বেড়েছে। গরিব মানুষের সংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটিতে পৌঁছেছে।
দারিদ্র্য কমাতে বা গরিব মানুষকে সহায়তা করতে অতীতে বিভিন্ন দেশ, বিভিন্নভাবে কাজ করেছে। তারা বিভিন্ন আইন করে পরিকল্পনা করে গরিবদের সহযোগিতা করার উদ্যোগ নিয়েছে। ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথের সময় ইংল্যান্ডে গরিব আইন চালু ছিল। এ আইনের বিধান ছিল যে, স্থানীয় সরকারসমূহ তাদের আয় থেকে গরিবদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করবে। অথচ বাংলাদেশের দারিদ্র্য কমাতে বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে তারপরও দারিদ্র্য বাড়ছে।
১৮৮০-র দশকে জার্মানিতে প্রথম সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করেন অটো বিসমার্ক। শ্রমিকদের জন্য দুর্ঘটনা, অসুস্থতা ও বার্ধক্যের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বীমার ব্যবস্থা তিনি প্রথম প্রচলন করেন। বিশ শতকের প্রথম দিকে উইনস্টন চার্চিল যুক্তরাজ্যে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেন। ক্রমে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
তাই বিশ্বব্যাপী আজ সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর জন্য তোড়জোড় চলছে। তবে সবাই চায় সমাজের ওপর দরিদ্রদের নির্ভরশীলতা কমাতে। অর্থনীতিবিদ আকবর আলি খান তার ‘পরার্থপরতার অর্থনীতি’ বইয়ে প্রথম অধ্যায়ে এ কথা বলেছেন, ‘দান খয়রাত নয়, বরং সকলেই যাতে কাজ করে খেতে পারে এ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সামাজিক নিরাপত্তার মূল লক্ষ্য।’ উনার এ উক্তির লক্ষ্যও হচ্ছে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেই জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা দেয়া দরকার। আর তখনই গরিব মানুষের সংখ্যা বাড়বে না বরং কমবে।
ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক ড. মুস্তফা কে. মুজেরী একটি দৈনিক পত্রিকাকে বলেন, ২০২২ সালের পর দারিদ্র্য বৃদ্ধির দুটি বড় কারণ তৈরি হয়েছে। একটি হলো জিডিপি প্রবৃদ্ধির ধীরগতি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি। গত ৩ বছরে মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের আশপাশেই ঘোরাফেরা করেছে। ফলে সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় কমে ক্রয়ক্ষমতা নিচে নেমে গেছে। এছাড়া জিডিপি প্রবৃদ্ধি খুব বেশি হয়নি। দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না। ফলে নতুন কর্মসংস্থান নেই বললেই চলে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ বিনিয়োগ অনুকূল নয়। পাশাপাশি দারিদ্র্য কমানোর মতো কার্যক্রম অর্থনীতিতে অনুপস্থিত ছিল। দেশীয় উৎপাদন বাড়েনি।
আমাদের দেশে দারিদ্র্য বাড়ার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কর্মসংস্থানের অভাব ও মূল্যস্ফীতি। বিগত কয়েক বছর ধরে দেশে নতুন কল কারখানা হচ্ছে না, তাই নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে না। অপরদিকে যাদের কোনোরকম কর্মসংস্থান রয়েছে মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণে তাদের দারিদ্র্য বাড়ছে। অথচ সরকারের এক-চতুর্থাংশ মন্ত্রণালয় রয়েছে দেশের বেকার সমস্যা সমাধান করে কর্মসংস্থান তৈরি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণমূলক ম্যাকানিজম ও কর্মসূচি রয়েছে।
গত সপ্তাহে দেশের একটি শীর্ষস্থানী দৈনিকে দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি দেশের মূল্যস্ফীতির একটি উপাত্ত দিয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে শ্রীলঙ্কায় মূল্যস্ফীতি হচ্ছে মাইনাস শূন্য দশমিক তিন, ভারতে এক দশমিক ৫৫, নেপালে দুই দশমিক ৭২, পাকিস্তানে চার দশমিক ১০ আর বাংলাদেশে আট দশমিক ৫৫। আমাদের প্রতিবেশী চার দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি। শ্রীলঙ্কার তুলনায় আটগুণ বেশি আর পাকিস্তানের তুলনায় দ্বিগুণ। কিন্তু কেন বাংলাদেশে এত বেশি মূল্যস্ফীতি। এ মূল্যস্ফীতি কমাতেও কি রাষ্ট্র, সরকার ও সরকারের মন্ত্রণালয়গুলো ব্যর্থ হচ্ছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান একটি দৈনিক পত্রিকাকে বলেছেন, ২০২২ সালের পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ একটি বড় ফ্যাক্টর ছিল। সেই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি যেভাবে বেড়েছে এর সঙ্গে তাল রেখে মজুরি বাড়েনি। ফলে দারিদ্র্যসীমার কাছাকাছি বা ওপরে যারা ছিলেন তারা নিচে নেমে গেছেন। এ কারণে দারিদ্র্য বেড়েছে। একটি পরিবারের খাদ্যের পেছনেই খরচ হয় মোট আয়ের ৫৫ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতার অবনমন ঘটেছে। যদি মূল্যস্ফীতির সঙ্গে আয় বাড়ত, তাহলে কোনো সমস্যা ছিল না। এদিকে ২০২২-২৩, ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কর্মসংস্থান বাড়েনি। ব্যক্তি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়েনি। ফলে বিনিয়োগ না হওয়ায় নতুন কর্মসংস্থান হয়নি। যদি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতো, তাহলে ইতিবাচক ফল আসত। যদিও রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় গ্রামীণ অর্থনীতি কিছুটা চাঙা ছিল। সেটি না হলে দারিদ্র্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত।
দারিদ্র্য কমাতে সরকারের যেসব মন্ত্রণালয়গুলো দায়িত্ব রয়েছে, সেগুলো হচ্ছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জ¦ালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। দেশের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে অনেক সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি রয়েছে রাষ্ট্রের। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হচ্ছে কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি হ্রাস ও সামাজিক নিরাপত্তামূলক প্রোগ্রাম। অর্থনীতিবিদের অভিমত হচ্ছে, সাধারণ জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে প্রয়োজন কর্মসংস্থান ও মূল্যস্ফীতি হ্রাস। কর্মসংস্থান বাড়াতে পারলেই গরিবতা হ্রাস করা যেতে পারে। দরিদ্রতা হ্রাস করতে হলে প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি হ্রাসসহ সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। যেমন কর্মসংস্থানের জন্য বিনিয়োগ বাড়িয়ে নতুন নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়গুলোর কাজের গতি বাড়ানো এবং যথাযথ তদারকি করা। এসব দায়িত্ব পালনের জন্য সরকারের আট-দশটি মন্ত্রণালয় রয়েছে, মন্ত্রণালয়ের জন্য মন্ত্রী, সচিবসহ হাজার হাজার কর্মকর্তা কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রণীত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা ও কর্মসূচি। প্রতি বছর বরাদ্দ করা হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। তারপরও দারিদ্র্য বাড়ছে, গরিব মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। বাড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনধারণের কষ্ট। তাহলে রাষ্ট্র ও সরকারের সব পরিকল্পনা, কর্মসূচি ও বাজেট বরাদ্দ এককথায় সব তৎপরতা ব্যর্থ হচ্ছে। পর্যবেক্ষকমহলের অভিমত, রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্বে যারা আছেন, তাদের এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে। কারণ তারা স্বেচ্ছায় রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। রাষ্ট্রে কাক্সিক্ষত মানের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা নেই, বিধায় তাদেরকে যথাযথ জবাবদিহি করতে হচ্ছে না। তবে তাদের বিবেক রয়েছে, তাদের বিবেকের কাছে নিজেদেরই প্রশ্ন করা উচিত কেন বাড়ছে দারিদ্র্য তথা গরিব মানুষের সংখ্যা আর কেন নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না মূল্যস্ফীতি। সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা রাষ্ট্র, সরকার ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের সচিব থেকে শুরু করে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দেশের সাধারণ মানুষের গরিবতা হ্রাস ও জীবনধারণের কষ্ট লাঘবে তারা সচেষ্ট হবেন।