বিধ্বস্ত অর্থনীতিতে ফিরছে গতি
১৪ আগস্ট ২০২৫ ১৪:৫৮
॥ উসমান ফারুক॥
স্বৈরাচারের সর্বোচ্চ সীমায় ওঠা জনগণের লাশ বিছিয়ে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে নামাতে এক সাগর রক্ত পথ পাড়ি দিতে হয় ছাত্র-জনতাকে। লাল টকটকে রক্তে ভেজানো রাজপথে এখনো দাগ কাটা থাকলেও সেই বিপ্লবীদের হত্যাকারী ঘাতকদের সবাই বিচারের আওতায় আসেনি। মোটাদাগে খুনি হাসিনার বিচারকাজ শুরু হলেও এখনো অধরা নির্দেশনা বাস্তবায়নকারী পুলিশ, আমলা, র্যাব ও বাহিনীর দুর্নীতিবাজ অসৎ কর্মকর্তাদের বড় অংশটি। স্বৈরাচারকে ক্ষমতা থেকে নামানোর আন্দোলনে ছাত্র-জনতার বিপ্লব সফল হলে দেশ থেকে অতিগোপনে ভারতে পালিয়ে যান দিল্লির তাঁবেদারি করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রেখে যান উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রিজার্ভ থেকে অর্থ পাচার, বেকারত্বে ভরা, মেগা প্রকল্পের নামে লুটপাটে ক্ষয়ে গিয়ে ধ্বংস হওয়া অর্থনীতি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর অর্থনীতিকে টেনে সোজা করায় সরকারের সফলতার সুবিধা পাচ্ছে দেশবাসী। লাগামহীন মূল্যস্ফীতি কমেছে, বেড়েছে রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স। ভারত হঠাৎ করেই পণ্য বিক্রি বন্ধ করলেও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সফলতায় খাদ্যশস্য আমদানিতে কোনো সমস্যায় পড়েনি সরকার। অন্যদিকে প্রশাসনের সব স্তর থেকে আওয়ামী ছোবলমুক্ত করা, পুলিশ সংস্কার, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ না নেয়া, বিপ্লবের উদ্দেশ্য অনুযায়ী জুলাই সনদ তৈরি করতে না পারা ও জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব দিতে না পারাটা ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় দিকে পরিণত হয়েছে।
গত বছরের আগস্ট মাসে স্বৈরাচার পতনের পর কূটনৈতিক মহল ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নতুন মর্যাদা স্থাপন করতে পারার একটা নজির স্থাপন করতে পেরেছে সরকার। দিল্লির প্রভাবের বাইরে গিয়ে বড় অর্থনীতি ও পরাশক্তির দেশগুলোর সঙ্গে মাথা উঁচু করে আলোচনা করার সক্ষমতায় যেতে পেরেছে বাংলাদেশ। যার সবচেয়ে বড় সফলতা এসেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সকল দেশের পক্ষ থেকে নতুন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে স্বীকৃতি ও সাধুবাদ দেয়া। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক আলোচনায় বড় সফলতা।
মূল সড়কে বাংলাদেশের অর্থনীতি
আওয়ামী সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান শুধু যুক্তরাজ্যেই ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ পাচার করেছে, বাংলাদেশ থেকে। এর মধ্যে ১ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ইতোমধ্যে জব্দ করেছে যুক্তরাজ্যের সরকারি সংস্থা বাংলাদেশের অনুরোধে। তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কূটনৈতিক সফলতায় প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে কোনো রাষ্ট্র এগিয়ে এলো।
একইভাবে শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে আর্থিক খাতের মাফিয়া হয়ে যাওয়া সালমান এফ রহমান ও তার ছেলের হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানেও বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক সাফল্য দেখা গেছে। শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের অর্থপাচার শনাক্ত করা হয়েছে, শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকও মন্ত্রিত্ব হারিয়েছে দুর্নীতিতে সহযোগিতা করায়। আওয়ামী সরকারের সুবিধা নেয়া মন্ত্রী, সাবেক সচিব, পুলিশ কর্মকর্তা ও দলটির পাচারকারী সদস্যদের মুখোশ উন্মোচন করতে শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে পেরেছে সরকার। এসবই করতে পেরেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার।
পুরো বিশ্বের সামনে সরকার প্রমাণ করতে পেরেছে বাংলাদেশে একসময়ে আওয়ামী সরকার শুধু স্বৈরতন্ত্রই প্রতিষ্ঠা করেনি, দেশ ও জনগণের রক্ত চুষে খেয়েছে। অর্থ পাচার করে বিভিন্ন দেশে জমা করেছে। দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল রেকর্ড ভেঙেছে। ভোটাধিকার নষ্ট করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। এসব অন্যায়ের প্রতিবাদ করামাত্রই গুম ও হত্যার শিকারে পরিণত হয়েছে ছাত্র, রাজনীতিবিদসহ সব পর্যায়ের মানুষ এখনো অনেকের লাশ খুঁজে পায়নি তাদের পরিবার।
লাগামহীন অর্থ পাচার করায় তলানিতে নেমে যায় দেশের রিজার্ভ। তাতে ডলারের দর বেড়ে যাওয়ায় টাকার মান হারায় দুই বছরে ২৫ শতাংশের বেশি। ৮৪ টাকা দামের ডলার ওঠে ১২৫ টাকায়। অর্থ পাচার বন্ধ, হুন্ডি বন্ধ করতে পারায় ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্সে রেকর্ড উল্লম্ফন হয়েছে। ব্যাংক খাতে সংস্কারে সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হয়। আওয়ামী আমলে লুটপাটের শিকার হওয়া বেসরকারি খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ এখন ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে।
১১টি সংস্কার কমিশন গঠন
আর্থিক খাত, পুলিশ, বিচার বিভাগ, শ্রম, সংবিধান, পুঁজিবাজারসহ বিভিন্ন খাতে মোট ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করেছে সরকার। সেসব কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়েছে। এতে সরকারি সেবায় অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।
সরকারের ৩৬৫ দিনের কার্যক্রম মূল্যায়ন করতে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) একটি সংবাদ সম্মেলন করেছে। সেখানে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন সরকারের কার্যক্রম নিয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন। সেখানে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে লক্ষণীয় সাফল্যের মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি, আপেক্ষিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনরুজ্জীবন পেয়েছে। এ সাফল্যগুলো হচ্ছে কঠোর পাচারবিরোধী পদক্ষেপ, রেমিট্যান্সপ্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি ব্যয়ের শৃঙ্খলাবদ্ধ ব্যবস্থাপনার ফল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সরকারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, পরিবর্তন তো হয়েছে, এখন কাউকে গুম করা হচ্ছে না। দোষ বাছতে বাছতে একটা নড়বড়ে অবস্থা। বিগত ১৫ বছরের শাসনামলের ভেঙে পড়া কাঠামোয় আপনারা কতটা সংস্কার বাস্তবায়ন আশা করেন। তারপরও আমরা একটা কাঠামো দাঁড় করানোর চেষ্টা করছি। কোথাও শুনেছেন কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পালিয়ে যায়। সেই তালিকায় আবার গরিবের ব্যাংকারখ্যাত গভর্নরও রয়েছেন।
জ্বালানি সমস্যা সমাধানের উদ্যোগে ধীরগতি
অর্থনীতির প্রাণ হচ্ছে বিনিয়োগ। সেই বিনিয়োগের ধারাবাহিকতা রক্ষা পায় শিল্পে জ্বালানি গ্যাস ও তেলের সরবরাহ ঠিক থাকলে। ফ্যাসিস্ট সরকারের লুটপাটে এ খাতেও ৪ বিলিয়ন ডলারের বকেয়া রেখে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয় আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতা-কর্মী। সেই দায় পরিশোধ করার পরও জ্বালানি তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে পেরেছে সরকার।
এ কারণে বিদ্যুতে এখনো কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। শিল্পে গ্যাস সরবরাহ ঠিক থাকলেও মাঝে কিছুদিন সমস্যা দেখা দিয়েছিল আবহাওয়ার কারণে বন্দরে সময়মতো জাহাজ ভিড়তে না পারায়। নানামুখী উদ্যোগে সেই সমস্যা কেটে গেলেও অবৈধ ও গোপন গ্যাসলাইন সংযোগ বন্ধ করতে তেমন কোনো উদ্যোগ নিতে পারেনি সরকার।
এ কারণে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠানই গ্যাস সংকটে ভুগছে মাঝেমধ্যেই। প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে অবৈধ সংযোগ নিয়ে ব্যবস্থা নিতে পারলে শিল্প থেকে এ সমস্যাও কেটে যাবে বলে মনে করেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
সীমাবদ্ধতা প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ, জুলাই শহীদ বিচারে
সরকারি আমলা, পুলিশ, বিশেষ শ্রেণির গণমাধ্যম ও কিছু ব্যবসায়ীর অর্থায়নে আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট সরকার গত ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে অংশ নেয়া বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। গুম, মামলা, হয়রানির সঙ্গে নির্বিচারে গুলি করে দিনের আলোয় বিশ্ব মিডিয়ার সামনে মেরে ফেলে ছাত্র, জনতা, শিশু, কিশোর, যুবক নারীসহ মেহনতি মানুষকে। জাতিসংঘ তাদের প্রতিবেদনে দেড় হাজারের বেশি হত্যার দলিল উপস্থাপন করেছে বিশ্বদরবারে।
লাখ লাখ ক্যামেরায় ধারণ করা সেই দৃশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে নেট দুনিয়ায়। গুলি করে মেরে ফেলা, লাশ পুড়িয়ে ফেলা, হেলমেট বাহিনীর আক্রমণ, নারীর কাপড় টেনে বিবস্ত্র করার চেষ্টার দৃশ্য সবার সামনে রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিচার করাটা ছিল এ সরকারের প্রথম ও সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
গত এক বছরে সরকার মোটা দাগে শেখ হাসিনার বিচারকাজ শুরু করতে পারলেও হাজার হাজার নাগরিক হত্যাকারী খুনিদের বিচারের আওতায় আনতে পারেনি। শুরুটা করতে পারলেও এ কাজ করতে বিশেষায়িত কোনো মন্ত্রণলয় করেনি। এতে যে কারণে জুলাই বিপ্লব হয়েছে, সেই ধারায় নিজেদের ধরে রাখতে ততটা তৎপর দেখা যায়নি সরকারের উপদেষ্টা পরিষদকে।
জুলাই ম্যাসাকার বা গণহত্যায় জড়িতরা এখনো সরকারি বেতন নিচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া তো দূরের কথা, শাস্তির আওতায় আনতে তালিকা পর্যন্ত করা হয়নি। আহত ও শহীদ পরিবারের প্রধান দাবি, খুনিদের বিচার শুরু করা। সেই বিচারটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় চলে গেছে। এরাই সরকারি বিভিন্ন পদে থেকে সরকারকে চাপে রাখতে নিত্যনতুন ষড়যন্ত্র করছে। যার প্রমাণ মেলে সরকারি কর্মচারী ও এনবিআরে আন্দোলন।
জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও তাদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে সবাই অভিযোগ করেছেন। আহতদের তালিকায় নাম থাকলেও বেশিরভাগই ঢাকার বাইরে থাকায় তারাও সঠিক সময়ে অর্থ পাননি। ভিক্ষে করে ও অপরের সহযোগিতা নিয়ে চলছে কিছু যোদ্ধার সংসার, তা পত্রিকায় এসেছে। এখানে সরকারের উপদেষ্টাদের এক ধরনের নেতৃত্বের সংকট ধরা পড়েছে জনগণের মাঝে। প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা দিতে পারেনি সরকার।
দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে পারেনি সরকার
ছাত্র-জনতার দাবি অনুযায়ী, জুলাই সনদ তৈরি, মুজিববাদী সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান তৈরি, সরকারি আমলাদের মধ্যে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে পারেনি সরকার। হত্যাকাণ্ডে জড়িত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি এখনো। হাতেগোনা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও তাদের অপরাধের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়নি।
একইভাবে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যে পরিবর্তনের আশা করেছিল ছাত্র-জনতা তা হয়নি। শুধু একটি রাজনৈতিক দলকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে সরকার জনতার দাবিকে পাশ কাটিয়ে গেছে।
বিশ্লেষক, অর্থনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, জুলাই আহতদের সম্মানের সঙ্গে পুণর্বাসন ও হত্যাকণ্ডে জড়িতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা করে অপরাধের ধরন অনুযায়ী মামলা করতে হবে। আগে অপরাধের সংজ্ঞা ঠিক করে সে অনুযায়ী আইন মন্ত্রণালয় মামলা করবে। দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করতে আদালতের সংখ্যা আরো বাড়ানোর সময় হয়েছে। হত্যাকারীদের বিচার শেষ করতে না পারলে নির্বাচনের পর রাজনৈতিক টানাপড়েনে ঝুলে যেতে পারে উদ্যোগ। আহতদের পুনর্বাসন করার উদ্যোগে গতি আনতে না পারলে হতাশ হবে সাধারণ মানুষও। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার সঙ্গে সঙ্গে সরকারি সেবা পেতে নাগরিক হয়রানি বন্ধ করার দৃশ্যমান উন্নয়ন আনা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে ভর্তুকি বাড়িয়ে সকলের জন্য বিনামূল্যে করতে পারার উদ্যোগটা এ সরকারই করতে পারে। দুর্নীতি বন্ধে নগদ টাকার ব্যবহার উঠিয়ে দিয়ে পুরোটা অনলাইনভিত্তিক করতে হবে। সর্বোপরি স্বৈরাচার জন্ম দেওয়া বাহাত্তরের সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিয়ে নতুন বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন সংবিধান রচনা করতে হবে সরকারকে।