প্রাণচাঞ্চল্য ক্যাম্পাস, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা
১৪ আগস্ট ২০২৫ ১৪:৫৪
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ায় এ তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ছাত্র সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ক্যাম্পাসগুলোয় প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। দেশের এ তিন গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনের তফসিলের পর অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরাও চাচ্ছেন ছাত্র সংসদ কার্যকর হোক, যার মাধ্যমে গড়ে উঠবে নতুন নেতৃত্ব। এদিকে তফসিলের পর মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। দলীয় প্যানেল তৈরি নিয়ে ব্যস্ত ছাত্র সংগঠনগুলো। প্যানেলের বাইরেও অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থী ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আসছে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন এর আগে ঢাকসু, রাকসু ও জাকসু নির্বাচনের দিকে দৃষ্টি থাকবে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের। কারণ এ নির্বাচন কতটা দলীয় প্রভাবমুক্ত হয়, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়, তা পরবর্তী নির্বাচনের ওপর একটা প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ডাকসুর ভোট ৯ সেপ্টেম্বর
ছয় বছরের ব্যবধানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। গত ২৯ জুলাই ২০২৫-এর তফসিল ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ১২ আগস্ট মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র সংগ্রহের প্রথম দিন। এদিন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন সাত জন। এদের মধ্যে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে দুজন এবং সদস্য পদে পাঁচজন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর আগে ১২ আগস্ট সকাল থেকে ডাকসু নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয়। এ কার্যক্রম চলবে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের তৃতীয় তলায় চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে প্রার্থীরা সরাসরি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। সংগ্রহ করা ফরম ১৯ আগস্ট বিকাল ৩টার মধ্যে জমা দিতে হবে। হল সংসদের মনোনয়নপত্রও একই সময়ের মধ্যে প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট হলের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন। এর আগে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ১১ মার্চ। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনের মাধ্যমে পুনরায় সক্রিয় হয় ডাকসু। ২০১৯ সালের নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন নুরুল হক নূর, জিএস ছিলেন গোলাম রাব্বানী এবং এজিএস পদে নির্বাচিত হন সাদ্দাম হোসেন।
রাকসুর ভোট ১৫ সেপ্টেম্বর
দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে অচল থাকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে রাকসুর তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এনামুল হক। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে ১৭ থেকে ১৯ আগস্ট পর্যন্ত; মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে ২১, ২৪ ও ২৫ আগস্ট; মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২৭ ও ২৮ আগস্ট; প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২ সেপ্টেম্বর। প্রকাশিত তফসিলে বলা হয়, প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ৪ সেপ্টেম্বর, ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রতিটি আবাসিক হলে ভোট গ্রহণ, অর্থাৎ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ওই দিনই ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রায় এক দশক পর ১৯৬২ সালে রাকসু প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর মোট ১৪টি নির্বাচন হয়েছে। সর্বশেষ রাকসু নির্বাচন হয়েছিল ১৯৮৯ সালে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন রাকসু নির্বাচনের দাবি জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই রোডম্যাপ অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি না হলেও শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তফসিল ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জাকসুর ভোটগ্রহণ ১১ সেপ্টেম্বর
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন আগামী ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। গত ১০ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে নির্বাচন কমিশনের সদস্য সচিব অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম এ তফসিল ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, জাকসুর গঠনতন্ত্রের ৮(খ) ধারা অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৭ আগস্ট চূড়ান্ত হালনাগাদ ভোটার তালিকা ও চূড়ান্ত আচরণবিধি প্রকাশ। ১৮ ও ১৯ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা। ২১ থেকে ২৪ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই। ২৫ আগস্ট খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ। ২৬ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্রের বৈধতা ও বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন গ্রহণ। ২৭ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আপিলের শুনানি গ্রহণ এবং বিকেল ৪টায় আপিলের রায় ঘোষণা। ২৮ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। ২৯ আগস্ট বিকেল ৪টায় চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ। ২৯ আগস্ট বিকেল ৪টা থেকে ৯ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা। ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ। পরে ভোট গণনা ও ফলাফল প্রকাশ করা হবে। নির্বাচন কমিশনের সদস্য ও জাবি প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্যানেল চূড়ান্ত করছে ছাত্রশিবির
দেশের তিন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর নির্বাচনে অংশ নিতে প্যানেল চূড়ান্ত করছে ইসলামী ছাত্রশিবির। ১৩ আগস্ট বুধবার সকালে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ছাত্রশিবির কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই সাংগঠনিক প্যানেল ঘোষণা করেনি। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচনে সংগঠনটি পূর্ণ প্যানেল ঘোষণা না দিলে ভিপি ও জিএস পদে কারা নির্বাচন করবেন, তা নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, ডাকসুর ভিপি পদে লড়বেন সংগঠনটির ঢাবি শাখার সাবেক সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম। আর জিএস পদে ঢাবি শাখার বর্তমান সভাপতি এসএম ফরহাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। সংগঠনটি মোট ২৮টি পদের জন্য পূর্ণ প্যানেল ঘোষণা করবে শিগগিরই। ছাত্রী সংস্থার নারী প্রার্থীরা প্যানেলের অংশ হিসেবে থাকবেন। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সাদিক এবং ফরহাদ ভাই দুজনেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া আরো অনেকজনকে প্যানেলে আনার চেষ্টা চলছে। পূর্ণাঙ্গ প্যানেলের সবাই শিবিরের থাকবেন না। তবে প্যানেলে থাকতে পারেন বিভিন্ন অ্যাক্টিভিস্ট, ছাত্রী সংস্থার নেত্রী এবং অমুসলিম প্রার্থীরাও। যদিও এ বিষয়ে এখনো সংগঠনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়নি।’
ডাকসু, রাকসু ও জাকসুর তফসিল ঘোষণায় শিবিরের ধন্যবাদ
ডাকসু, জাকসু ও রাকসু নির্বাচনের তফসিল ও তারিখ ঘোষণায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের তফসিল ও ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে রাকসু এবং গত ২৭ জুন জাকসু নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে ইতিবাচক ও প্রশংসাযোগ্য। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু, ১১ সেপ্টেম্বর জাকসু এবং ১৫ সেপ্টেম্বর রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা প্রত্যাশা করি, নির্ধারিত তারিখেই সকল নির্বাচন সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলকভাবে সম্পন্ন হবে। এর মাধ্যমে ডাকসুর অচলাবস্থা দূর হয়ে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে; দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাকসু নতুন প্রাণ ফিরে পাবে; আর প্রায় ৩৫ বছর ধরে স্থবির থাকা রাকসু পুনরায় কার্যকর হয়ে নেতৃত্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘জাতীয় নেতৃত্ব গঠনের এ গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মটিকে দীর্ঘদিন রাজনৈতিক হীনস্বার্থ এবং লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি জিইয়ে রাখতে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে ছাত্রসমাজের প্রত্যাশা ও তাগিদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ব্যবস্থাকে পুনরায় সক্রিয় করার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে। তবে ছাত্র সংসদকে ধারাবাহিকভাবে চালু রাখতে হলে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা, ছাত্র সংগঠন ও প্রশাসনের সদিচ্ছা, স্বাধীন ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নির্বাচন কমিশন। আরও প্রয়োজন স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক এবং প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন। তফসিল ঘোষণার পর প্রশাসনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপদ ক্যাম্পাস ও লেভেলপ্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে ছাত্রসমাজকে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন উপহার দেওয়া। আমরা আশা করি, প্রশাসন এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে।’
নেতৃবৃন্দ ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘ছাত্রসমাজের অধিকার আদায়ের এ সুযোগকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করতে হবে। ছাত্ররাজনীতিকে সংঘাত, সহিংসতা ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি থেকে মুক্ত করে শিক্ষার্থীবান্ধব ও গঠনমূলক ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে। আদর্শ, যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। সেক্ষেত্রে ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় নেতৃত্ব গড়ার এ প্ল্যাটফর্মকে সুসংহত রাখতে সকল সংগঠনকে যথাযথ ভূমিকা পালন করা আহ্বান ছাত্রশিবির।’
প্রসঙ্গত, অপ্রতুল আবাসন, মানহীন খাবার ও গবেষণার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকাসহ নানা সংকটে ধুঁকছে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীরা বলছেন, আবাসন সংকট সমাধান ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টিসহ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সক্ষম প্রার্থীকেই প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন তারা। আর সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছাত্র সংগঠনের আগ্রহী প্রার্থীরা বলছেন, নির্বাচিত হলে নিশ্চিত করা হবে শিক্ষার্থীদের নায্য অধিকার।