স্থিতিশীলতা বনাম পরিবর্তন

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভবিষ্যৎ

প্রিন্ট ভার্সন
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:২৪

॥ ফারাহ মাসুম ॥

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু নির্বাচন শুধু সরকার পরিবর্তনের ঘটনা নয়; সেগুলো রাষ্ট্রের চরিত্র, ক্ষমতার কাঠামো এবং নাগরিক-রাষ্ট্র সম্পর্কের দিকনির্দেশ নির্ধারণ করে। আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ঠিক সেই ধরনের একটি সন্ধিক্ষণ। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়লেও মৌলিক কাঠামোগত সংস্কার এখনো অসম্পূর্ণ। এ প্রেক্ষাপটে নির্বাচনটি রূপ নিয়েছে একটি রাজনৈতিক রেফারেন্ডামে- দেশ কি বিদ্যমান ক্ষমতাকাঠামোর নিয়ন্ত্রিত ‘স্থিতিশীলতা’ বেছে নেবে, নাকি অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও ‘পরিবর্তন ও পুনর্গঠন’-এর পথে হাঁটবে?
এ দ্বন্দ্ব শুধু দলীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, এটি আসলে দুটি রাষ্ট্রভাবনার সংঘর্ষ- একদিকে নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক ধারাবাহিকতাভিত্তিক রাষ্ট্র; অন্যদিকে জবাবদিহি, সংস্কার ও নাগরিক ক্ষমতায়নের রাষ্ট্র।
জুলাই অভ্যুত্থানের উত্তরাধিকার : অসম্পূর্ণ মুক্তি
জুলাই ২০২৪-এর আন্দোলন একটি রাজনৈতিক সরকারকে উৎখাত করলেও রাষ্ট্রের গভীর কাঠামো- প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিচারব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান- প্রায় অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। এ বাস্তবতা থেকেই ‘পরিবর্তনের রাজনীতি’ তার নৈতিক শক্তি আহরণ করছে।
আন্দোলনের শহীদ, নির্যাতনের স্মৃতি, গুম ও বিচারহীনতার ইতিহাস এখনো জনমানসে সক্রিয়।
কিন্তু একইসঙ্গে এ উত্তরাধিকার শাসকশূন্যতার ভয়ও তৈরি করেছে। ক্ষমতার শূন্যতা, প্রশাসনিক দুর্বলতা, বিদেশি চাপ এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা একটি নতুন ধরনের সামাজিক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এ উদ্বেগ থেকেই ‘স্থিতিশীলতার রাজনীতি’ পুনরায় সংগঠিত হচ্ছে।
স্থিতিশীলতার রাজনীতি : নিয়ন্ত্রিত শাসনের প্রত্যাবর্তন
স্থিতিশীলতা ব্লকের মূল কৌশল হচ্ছে অস্থিরতার ভয়কে রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করা। জুলাই-পরবর্তী বিশৃঙ্খলা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সীমান্ত নিরাপত্তা, বিনিয়োগ ঝুঁকি- এসব ইস্যুকে সামনে এনে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্রকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাঠে ছেড়ে দেওয়া বিপজ্জনক।
এ ব্লক উন্নয়ন স্মৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা, অবকাঠামো প্রকল্প, ডিজিটাল সেবা, নগরায়ণ- এসব অর্জন তুলে ধরে তারা একটি ‘পরিচালনাযোগ্য রাষ্ট্র’ ইমেজ তৈরি করতে চাইছে। অর্থনৈতিক দুর্নীতি, ব্যাংকিং খাতের সংকট, রিজার্ভ কেলেঙ্কারি কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা তুলনামূলকভাবে আড়াল করা হচ্ছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে এই ব্লকের নীরব সংযোগ। মাঠ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় ক্ষমতাবান নেটওয়ার্ক- এ ত্রিভুজ নির্বাচনের বাস্তবতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রার্থী বাছাই, মনোনয়ন বাতিল, মামলা, নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাস, স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যবস্থাপনা সবকিছু মিলিয়ে একটি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির চেষ্টা লক্ষণীয়।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও এই ব্লক নিজেদের ‘স্থিতিশীল অংশীদার’ হিসেবে উপস্থাপন করছে। বিশেষত ভারত ও আঞ্চলিক শক্তির কাছে বার্তা দেওয়া হচ্ছে- রাজনৈতিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সীমান্ত নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও কৌশলগত ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ফলে বিদ্যমান শক্তিই নিরাপদ বিকল্প।
তবে এ কৌশলের সীমাবদ্ধতা গভীর। তরুণ ভোটারদের একটি বড় অংশ রাষ্ট্রীয় দমননীতির অভিজ্ঞতা বহন করছে। শহুরে মধ্যবিত্তের মধ্যে ব্যাংকিং কেলেঙ্কারি, মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের সংকট নিয়ে ক্ষোভ জমেছে। এ সামাজিক বাস্তবতা ‘স্থিতিশীলতার’ ন্যারেটিভকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
পরিবর্তনের রাজনীতি : সংস্কারের প্রতিশ্রুতি ও ঝুঁকি
পরিবর্তন ব্লকের রাজনৈতিক শক্তি মূলত নৈতিকতা ও ক্ষোভের ওপর দাঁড়িয়ে। তারা যুক্তি দিচ্ছে, সরকার বদল হলেও প্রশাসনিক সংস্কার না হলে ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি অনিবার্য। বিচার বিভাগ স্বাধীনতা, পুলিশ সংস্কার, নির্বাচন কমিশনের কার্যকর ক্ষমতা, ব্যাংকিং স্বচ্ছতা- এসব এখন তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডার কেন্দ্র।
অর্থনৈতিক বাস্তবতা তাদের পক্ষে কাজ করছে। দ্রব্যমূল্যের চাপ, তরুণ বেকারত্ব, আমদানি ব্যয়, রেমিট্যান্স চাপ, ব্যাংক খেলাপি ঋণ সবকিছু মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত। গ্রামীণ কৃষক ও শ্রমজীবী শ্রেণির জীবিকা সংকট রাজনৈতিক অসন্তোষে রূপ নিচ্ছে।
জুলাই চার্টার এ ব্লকের জন্য একটি প্রতীকী রোডম্যাপ। এটি শুধু সংস্কারের দলিল নয়; এটি আন্দোলনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সংরক্ষণের চেষ্টা।
আন্তর্জাতিকভাবে মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন এ ব্লকের কূটনৈতিক ভাষা। পশ্চিমা শক্তির কাছে তারা নিজেদের বৈধতা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।
তবে এ ব্লকের দুর্বলতাও স্পষ্ট। বিএনপি-জামায়াত সম্পর্কের ঐতিহাসিক বোঝা, নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ রূপরেখার অস্পষ্টতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ঘাটতি এবং অতিরিক্ত প্রত্যাশা সৃষ্টি করার ঝুঁকি রয়েছে। আন্দোলনের আবেগকে কার্যকর রাষ্ট্রনীতি হিসেবে রূপ দেওয়া সহজ নয়।
তৃতীয় শক্তি ও ভোট বিভাজন
নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, সংস্কারপন্থী তরুণ গোষ্ঠী ও কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থী শহুরে ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে। তারা দুর্নীতিবিরোধী, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন, স্বচ্ছতা ও নতুন রাজনীতির কথা বলছে। যদিও তাদের সাংগঠনিক শক্তি সীমিত, তবুও ভোট বিভাজনের মাধ্যমে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে প্রভাবিত করতে পারে।
ভোটার মনস্তত্ত্ব : ভয় বনাম আশা
এ নির্বাচনের গভীর লড়াই হচ্ছে ভোটারদের মানসিকতায়। একদিকে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার আকাক্সক্ষা; অন্যদিকে ন্যায়বিচার ও মর্যাদার আকাক্সক্ষা। মধ্যবিত্ত শ্রেণি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার দিকে ঝুঁকতে পারে, কিন্তু তরুণ ও নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠী পরিবর্তনের দিকে ঝুঁকছে।
প্রশাসন ও নির্বাচনের বাস্তবতা
নির্বাচনের ফল নির্ধারণে প্রশাসনের ভূমিকা ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা, আদালতের ভূমিকা সবকিছু মিলিয়ে মাঠের বাস্তবতা তৈরি হয়। এখানেই প্রকৃত লড়াই সবচেয়ে তীব্র।
ভূরাজনীতি ও বৈদেশিক চাপ
বাংলাদেশ এখন ভারত-চীন-পশ্চিমা শক্তির কৌশলগত প্রতিযোগিতার কেন্দ্রে। একটি অস্থিতিশীল বা অপ্রত্যাশিত সরকার আঞ্চলিক ভারসাম্য বদলে দিতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো সরাসরি না বললেও নির্বাচনের ফলাফলের প্রতি গভীর নজর রাখছে।
শ্রেণিভিত্তিক ভোটপ্রবণতা ও সামাজিক বিভাজন
এ নির্বাচনে ভোট আচরণ শুধু দলীয় আনুগত্য দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না; শ্রেণিভিত্তিক সামাজিক বাস্তবতা এখানে গভীর ভূমিকা রাখছে। নিম্নআয়ের শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী দ্রব্যমূল্য, কাজের নিশ্চয়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাদের কাছে পরিবর্তনের বার্তা আবেগগতভাবে গ্রহণযোগ্য হলেও তা বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে।
মধ্যবিত্ত শ্রেণি দুই ভাগে বিভক্ত। একাংশ রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে; অন্য অংশ দুর্নীতি, ব্যাংকিং অনিয়ম ও প্রশাসনিক দমননীতির বিরুদ্ধে সংস্কারমুখী অবস্থান নিচ্ছে।
উচ্চবিত্ত ও ব্যবসায়িক এলিট মূলত পূর্বানুমেয় নীতিনির্ভর পরিবেশ চায়। তাদের একটি অংশ স্থিতিশীলতা ব্লকের দিকে ঝুঁকছে, আবার কিছু রপ্তানিমুখী শিল্পগোষ্ঠী আন্তর্জাতিক বৈধতা ও শ্রমমান বজায় রাখতে পরিবর্তনের পক্ষেও নীরব সমর্থন দিচ্ছে। এ শ্রেণিভিত্তিক দ্বন্দ্ব নির্বাচনের ফলাফলে সূক্ষ্ম, কিন্তু গভীর প্রভাব ফেলবে।
মিডিয়া, তথ্যযুদ্ধ ও ডিজিটাল প্রোপাগান্ডা
এ নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম ‘তথ্যযুদ্ধনির্ভর’ নির্বাচন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক লাইভ, বিকল্প নিউজ পোর্টাল সবকিছু মিলিয়ে একটি সমান্তরাল জনমত ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
স্থিতিশীলতা ব্লক রাষ্ট্রীয় ও কর্পোরেট মিডিয়ায় প্রভাব বিস্তার করে নিরাপত্তা ও উন্নয়নের গল্প প্রচার করছে। অন্যদিকে পরিবর্তন ব্লক বিকল্প মিডিয়া ও সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নির্যাতন, দুর্নীতি ও সংস্কার দাবিকে সামনে আনছে।
ফেক নিউজ, এআই কনটেন্ট, কাট-এডিট ভিডিও, আবেগপ্রবণ মিথ্যা প্রচারণা ভোটার মনস্তত্ত্বকে দ্রুত প্রভাবিত করছে। নির্বাচন কমিশন ও রাষ্ট্রের ডিজিটাল রেগুলেটরি সক্ষমতা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সীমিত।
ব্যবসায়িক এলিট ও অর্থনৈতিক শক্তির অবস্থান
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর প্রভাব অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ব্যাংকিং, রিয়েল এস্টেট, জ্বালানি, অবকাঠামো এবং আমদানিনির্ভর গোষ্ঠীগুলো সাধারণত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পক্ষেই থাকে। তারা নীতিনির্ভর পূর্বানুমেয়তা চায়; এমনকি তা সীমিত গণতন্ত্রের বিনিময়েও।
তবে সাম্প্রতিক ডলার সংকট, ব্যাংকিং কেলেঙ্কারি ও বৈদেশিক ঋণের চাপ কিছু ব্যবসায়ীকে সংস্কারপন্থী করে তুলছে। তারা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও আন্তর্জাতিক আস্থার পুনর্গঠনকে অর্থনৈতিক টিকে থাকার শর্ত হিসেবে দেখছে। ফলে ব্যবসায়িক এলিটের মধ্যেও একটি নীরব বিভাজন তৈরি হয়েছে।
নির্বাচন-পরবর্তী তিনটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট
প্রথম দৃশ্যপট: স্থিতিশীলতা ব্লকের বিজয়
সংস্কার প্রক্রিয়া শ্লথ হবে, প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে, রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। আন্তর্জাতিকভাবে নিরাপত্তাভিত্তিক সহযোগিতা জোরদার হবে, কিন্তু গণতান্ত্রিক উত্তরণ সীমিত থাকবে।
দ্বিতীয় দৃশ্যপট : পরিবর্তন ব্লকের বিজয়
রাষ্ট্র সংস্কারের জানালা খুলবে, কিন্তু প্রশাসনিক প্রতিরোধ ও ক্ষমতার পুনর্বিন্যাসে টানাপড়েন তৈরি হবে। স্বল্পমেয়াদে অস্থিরতা বাড়তে পারে, দীর্ঘমেয়াদে প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তৃতীয় দৃশ্যপট : ঝুলন্ত বা বিতর্কিত ফলাফল
রাজনৈতিক অচলাবস্থা, আদালত ও প্রশাসনের ওপর চাপ, আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পথ।
উপসংহার : রাষ্ট্রের আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়; এটি নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি নাগরিকের কাছে কতটা দায়বদ্ধ হবে, কতটা নিরাপত্তাকেন্দ্রিক হবে এবং কতটা সংস্কারমুখী হবে। জুলাই অভ্যুত্থান যে নৈতিক প্রশ্নগুলো উত্থাপন করেছে- ন্যায়বিচার, মর্যাদা, অংশগ্রহণ, জবাবদিহি; এ নির্বাচনের মধ্য দিয়েই তার রাজনৈতিক উত্তর খোঁজা হবে।
এ নির্বাচন শেষ পর্যন্ত কে সরকার গঠন করবে তা নয়, বরং বাংলাদেশ কী ধরনের রাষ্ট্র হতে চায়- নিয়ন্ত্রিত স্থিতিশীলতা না গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন, সেই আত্মপরিচয়ের সিদ্ধান্ত।

॥ ফারাহ মাসুম ॥

বাংলা সাহিত্যে রোজা
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৬

আল মাহমুদের গল্পে প্রেম ও প্রকৃতি
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৫

প্রেরণার বাতিঘর : আল মাহমুদ
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৪

বাবারা এমনই হয়
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৩

সম্পর্কিত খবর