জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা ও আমানতদারিতার পরিচয় দিতে হবে : ডা. শফিকুর রহমান এমপি
২১ জুলাই ২০২৬ ২১:৫৪
মঙ্গলবার ২১ জুন সকালে রাজধানীর মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিস স্টাফদের নিয়ে এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান
আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, একটি আদর্শভিত্তিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় অফিস কেবল প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার স্থান নয়; বরং এটি সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা, সেবা ও দায়িত্বশীলতার প্রতিচ্ছবি।
তিনি বলেন, প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, দক্ষতা, সময়ানুবর্তিতা ও আমানতদারিতার সর্বোচ্চ পরিচয় দিতে হবে। দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে হবে।
মঙ্গলবার ২১ জুন সকালে রাজধানীর মগবাজারস্থ আল-ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিস স্টাফদের নিয়ে এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অফিসের প্রতিটি দায়িত্বকে ইবাদতের মানসিকতা নিয়ে পালন করতে হবে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং সমাজ—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তিনি উপস্থিত সকলকে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি, চরিত্র গঠন এবং সেবার মান উন্নয়নে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় অফিস কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মা’ছুমের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় অফিস সেক্রেটারি মাওলানা আ. ফ. ম. আব্দুস সাত্তারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।
কর্মশালার শুরুতে সভাপতির উদ্বোধনী বক্তব্য দেন মাওলানা এটিএম মা’ছুম। এরপর দারসুল কোরআন পেশ করেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।
কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনা করেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন এবং মো. আব্দুর রব।
কর্মশালায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় অফিসের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় অফিস ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন, দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি, সেবার গুণগত মান উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা পেশ করেন বক্তারা।