প্রসঙ্গ : সাম্প্রতিক ঘটনা-দুর্ঘটনা এবং মানবিক বিপর্যয়
১০ জুন ২০২৬ ২১:৫৭
॥ একেএম রফিকুন্নবী ॥
সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে লেখার চিন্তা থেকেই আজকের নিবন্ধ। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা একটি বড় ঘটনা। সংসদে আলোচনা ছাড়াই দেশের ১৮ কোটি মানুষের কথা বিবেচনা না করেই প্রায় শতকরা কুড়ি ভাগ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। সংসদ চলছে- বিষয়টি সংসদে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হতো। কারণ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কারণে দেশের সব জিনিসের দামে প্রভাব পড়বে। বিদ্যুৎ বিভাগের দুর্নীতি ও অপব্যবহার, বিলের কারচুপি বন্ধ করতে পারলে বড় ধরনের অর্থ সাশ্রয় হতে পারে। আমার পরামর্শ সংসদের সরকারি ও বিরোধীদলের সদস্য নিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহার ও অপব্যবহার বিলের কারচুপি বিবেচনা করা যেতে পারে। বিদ্যুৎ বিভাগের দুর্নীতিও আলোচনায় আনতে হবে।
মাত্র কয়েকদিন পূর্বে ঈদুল আজহা চলে গেল। ঈদুল আজহায় প্রায় ১ কোটি পশু কুরবানি হয়েছে। কুরবানির পশুর দামে স্বস্তি থাকার কারণে দেশের খামারিদের উৎপাদিত পশু দিয়ে এবার কুরবানি করা গেছে। কিন্তু কুরবানির চামড়ার একটি বড় অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় থাকে। দেশের এতিমখানা, মাদরাসা, জাতীয় প্রতিষ্ঠানের আয়ের একটি বড় উৎস কুরবানির চামড়া। সরকারের বেঁধে দেয়া দামে চামড়া বিক্রয় হয়নি, বরং চামড়ার দাম খুবই কম হওয়ায় চামড়া পানিতে ফেলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে; যা আমাদের এই মুসলিমপ্রধান দেশের বড় আয়ের উৎস। সরকারি প্রতিষ্ঠানকে আরো সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।
দেশের বার্ষিক বাজেট অধিবেশন চলছে। দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ভূমিকা রাখে ব্যাংকগুলো। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও অন্য ব্যাংকগুলো দেশের একটি গ্রুপ এস আলম গ্রুপ স্বৈরাচার হাসিনার সরাসরি পদক্ষেপে ব্যাংকগুলো খালি করে লাখকোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ফলে দেশের আর্থিক ঋণ অনেকটা বসে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। সেখানে একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ গভর্নরকে জোর করে অপদস্থ করে বিদায় দিয়ে একজন ঋণখেলাপি ব্যবসায়ীকে বসানো হয়েছে দলীয় ক্যাডার হিসেবে এবং ব্যাংক লুটকারী এস আলমের দোসর। আবার ইসলামী ব্যাংকে একজন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়েছে আরেক ঋণখেলাপি পরিবার থেকে। সেও এস আলমের ধামাধরা ব্যক্তি। মূলত দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেয়ার জন্যই এই আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা অবশ্যই রুখে দিতে হবে। ইসলামী ব্যাংকের প্রায় ২ কোটি গ্রাহক বিনিয়োগকারী ইতোমধ্যেই সঠিক ভূমিকা রাখতে শুরু করেছে। কোনোভাবেই দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতি করে কোনো ভূমিকা রাখতে দেয়া যাবে না ব্যাংক লুটকারীদের।
আরেকটি ঘটনা হলো চিরশত্রু ভারতের আগ্রাসন। বারবার পুশইন করার জন্য দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অহরহ চেষ্টা করছে। এবার আমাদের বিজিবি বাহিনী ও এলাকার জনগণ যৌথভাবে পুশইন ব্যর্থ করে দিচ্ছে। নামকাওয়াস্তে দুই দেশের যৌথ মিটিং চলছে। কিন্তু দাদারা সীমান্ত হত্যা ও পুশইন থেকে বিরত হচ্ছে না। তারা আমাদের চাপেই রাখতে চায়। তবে তাদের মনে রাখা দরকার, ছোট দেশ মালদ্বীপে তারা টিকতে পারেনি। বাংলাদেশেও তারা পারবে না, যদি সরকার আল্লাহর ওপর ভরসা করে জনগণের সমর্থন নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কূটনৈতিক ও সীমান্ত পাহারা মজবুত করতে পারে, তবে ভারতীয়রা এগোতে পারবে না। কারণ ইতোমধ্যেই ভারতে মোদিবিরোধী আওয়াজ জোরদার হয়েছে।
বড় একটি ঘটনা ঘটেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। আমেরিকার কংগ্রেস ও আদালত এবং জনগণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরোধী ভূমিকা সোচ্চার হয়েছে। আমেরিকার কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানের সাথে যুদ্ধে না জড়ানোর। ৩৯ দেশে ট্রাম্পের অভিবাসন আইন আদালতে অবৈধ ঘোষণা করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মাথানত হয়েছে ইসরাইলি নেতানিয়াহুর কূটকৌশলে। অন্যদিকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানাতে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। তারা ঘোষণা করেছে, আমেরিকার কাছে পাওনা ইরানকে পরিশোধ না করলে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হবে না। আমরা মুসলিম দুনিয়ার নেতাদের দৃঢ়ভাবে ইরানের সাথে ঐক্য করার জোর দাবি জানাচ্ছি। মুসলমানরাই দুনিয়া শাসন করবে, ইনশাআল্লাহ।
ভূরাজনীতির পরিবর্তনের আগে স্পষ্ট হয়েছে, শক্তিধর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের রাজধানীতে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। আবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনও চীনের প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইন্দোনেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইবরাহীমের সাথে সাক্ষাতের জন্য আগামী ২৩ জুন মালয়েশিয়া যাচ্ছেন। ভূরাজনীতির গোলকধাঁধায় ইরান-পাকিস্তান-তুরস্ক-বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার সাথে বন্ধুত্ব যাতে ঐক্যের বাণী নিয়ে চলতে পারে। এদিকে তুরস্কের অর্থে বাংলাদেশে ড্রোন ফ্যাক্টরি করাটাও ভূরাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
দুর্ঘটনা হলো আমাদের পাহাড়ি অঞ্চলে বিদ্রোহীরা পাহাড়ের সামরিক স্থাপনায় আঘাত করে তছনছ করে দিয়েছে। যদিও বর্তমানে তাদের আঘাত প্রতিরোধ করে আমাদের বাহিনী জোর প্রতিরোধ করে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। আমরা চাই কোনোভাবেই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত সহ্য করা যাবে না। মিয়ানমারের দিকেও আমাদের কড়া নজর রাখতে হবে। আমাদের সরকার বিরোধীদল ও শসস্ত্র বাহিনীর ঈমানের জোরে পদক্ষেপ নিলে ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবেই, ইনশাআল্লাহ।
আমাদের সড়ক, রেল ও নদীপথে দুর্ঘটনার শেষ নেই। গত কয়েকদিনের মধ্যে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস নদীতে পড়ে গেছে। এর আগেও এ ঘটনা ফেরিঘাটে ঘটেছে। টিআইবি বলেছে, এ সরকারের ১০০ দিনে খুন হয়েছে ৬০৫ জন আর ধর্ষিত হয়েছে ১০২ জন।
আমরা কোন যুগে বাস করছি, শিক্ষা-দীক্ষায় আর্থিক উন্নয়নে কম নয়। কিন্তু মানবিক গুণাবলী কি আমাদের লোপ পাচ্ছে? ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করার ঘটনা আইয়্যামে জাহেলিয়াতকেও ছাড়িয়ে গেছে। যদিও এর বিচার সবচেয়ে কম সময়ে সরকারের সহযোগিতার রায় হয়েছেÑ স্বামী-স্ত্রীর উভয়েরই মৃত্যুদণ্ড। আগামী দিনের বিচার ব্যবস্থার জন্য এটি একটি মাইলফলক হিসেবে দাঁড়াবে। আমরা আশা করব, এ জাতীয় আরো যেসব মামলা দীর্ঘদিন যাবত আদালত চত্বরে ঘুরপাক খাচ্ছে, সেগুলোর ত্বরিত ব্যবস্থা করা হোক। দেশকে জাহেলি কায়দায় আর চলতে দেয়া যায় না।
মানবিক বিপর্যয়ের বড় উদাহরণ শিক্ষিত পদধারী ২ ছেলে ও ১ মেয়ের মায়ের পচনশীল অবস্থায় মেয়ের বাসা থেকে উদ্ধার করা। এক ছেলে সরকারের যুগ্ম সচিব, আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক, মেয়ে স্কুল শিক্ষক। তাদের মা ঘরে মরে পড়ে থাকলো। কোনো সঠিক জবাব নেই। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, মা-বাবার সাথে এমন ব্যবহার করবে না, যাতে তারা আহ, উহ করে। আবার মহান আল্লাহ শিখিয়ে দিয়েছেন, তোমরা তোমাদের মৃত মা-বাবার জন্য দোয়া করোÑ ‘রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা’; হে আল্লাহ! আমার বাবা-মাকে তুমি এমনভাবে লালন-পালন করো, যেমন তারা আমাদের শিশুবেলায় লালন-পালন করেছে।
আমাদের ছেলেমেয়েদের দেশি-বিদেশি নামকরা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করাচ্ছি। কিন্তু তাদের যদি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত না করি, তবে আমাদেরও অবস্থা ঐ ৩ ছেলেমেয়ের মায়ের মতো হবে- যা আমরা কেউই চাই না।
যিনি ছোটবেলায় প্রাইমারি ও হাইস্কুলে লেখাপড়ার সময় আমাদের একজন হেড মাওলানা ছিল, আমাদের কুরআন-হাদিস ও নৈতিক শিক্ষা দিতেন। স্বৈরাচার হাসিনা সরকার তার দাদাদের নির্দেশে নতজানু হয়ে আমাদের ইসলামী শিক্ষা ও শিক্ষকের পদ বাতিল করে রেখেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। অতি শিগগিরই ৯২% মুসলমানের দেশে প্রাইমারি থেকে কলেজ পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানাচ্ছিÑ নীতি-নৈতিকতা শিক্ষা দুনিয়ার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই আছে। কেউ কেউ তাদের ধর্মীয় অনুভূতি দিয়েই শিক্ষা দেয়। যারা মনে করে তাদের প্রতিটি কাজের জন্য দুনিয়ায়ও জবাবদিহির আওতায় আসবে আর আখিরাতে তো প্রতি অনুপরিমাণ ভালো-মন্দের হিসাব দিতে হবে। সেখানে কোনো ফাঁকি দেয়া যাবে না।
স্বৈরাচার হাসিনা ও তার দোসররা পালানোর পর তার লোকেরা বিভিন্ন জায়গায় ঘাপটি মেরে বসে আছে এবং বর্তমান সরকারকে বিভিন্নভাবে ভিন্ন পথে চালাতে তৎপর। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে এমপিদের আমলনামা সংগ্রহ করছেন। মন্ত্রীদের পরিবর্তনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। আমরা আগেও বলেছি, আবার বলছি, আপনি প্রধানমন্ত্রী, আপনার বাবা শহীদ জিয়াউর রহমান ও মা খালেদা জিয়ার পথে চলেন। কোনো জুজুর ভয়ে আপনি ভয় না পেয়ে জনগণের কথা বিবেচনা করে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরেন। বিরোধীদলেরও সমর্থন পাবেন। আপনার চলার পথ পরিষ্কার হয়ে যাবে। মহান আল্লাহই ৫ আগস্ট ঘটিয়ে দিয়েছেন ছাত্র-জনতার মাধ্যমে। আমরা যেন জুলাই ৩৬-এর কথা ভুলে না যাই। জুলাই সনদ সবাই মিলেই উৎসবমুখর পরিবেশে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খোলা আকাশের নিচে হাজার হাজার জনতার সামনে সই-স্বাক্ষর করেছে দেশের সব দল। তাই জনতাকে প্রতারিত না করে সোজা পথে হাঁটলেই ৫৫ বছরের এ সোনার বাংলাকে আমরা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেরাতে পারব। অনাগত নতুন প্রজন্মকে আমরা দেশ গড়ার কাজে লাগিয়ে মেধাকে গুরুত্ব দিয়ে এগোতে চাই। আর পেছনে তাকাতে চাই না। দল-মত নির্বিশেষে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বন্ধ করে সৎ ও যোগ্য লোকের শাসন কায়েম করতে চাই।
ইতোমধ্যে দেশের মানুষ টের পেয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির প্যানেল ডাকসুসহ ৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে বিজয় লাভ করে তারা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে, লেখাপড়ার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, লাইব্রেরি উন্নয়ন সাধনে, চাঁদাবাজি, ক্যান্টিনে ফাও খাওয়া বন্ধ করা, মাদকদ্রব্য পরিত্যাগ করা, ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ইভটিজিং বন্ধ করা থেকে শুরু করে ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা, মসজিদগুলোকে শিক্ষার পার্ট করা সবই চলছে।
ইতোমধ্যে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি দল চীন সফর করে এসেছে। চীনের কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও হাতে-কলমে দেশদরদি নাগরিক গড়ার পদ্ধতি জেনে এসেছে। চীনের অগ্রগতি, সে দেশের মানুষের কর্মক্ষমতা, কঠোর পরিশ্রম হাতে-কলমে ডাকসু নেতৃবৃন্দ দেখে এসেছে, যা আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে প্রচার ও প্রসার করে দেশ গড়ার কাজে লাগাতে পারবে।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ইতোমধ্যেই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দাওয়াত পেয়েছে। সেখান থেকেও তারা বাস্তব জীবনে আধুনিক চলার পথও জেনে আসবে এবং ইউরোপের চলার পথ আর আমাদের চলার পথের সমন্বয় করেই আমরা চলতে চাই। কোনোভাবেই নৈতিকতার সাথে আপস করা যাবে না। আমরা দেশকে সৎ, যোগ্য, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গড়তে চাই।
প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন, সবাই মিলে ঐক্যের মাধ্যমে দেশ গড়ার। আমরা তার আহ্বানে এবং বিরোধীদলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের আহ্বানে দেশকে চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজমুক্ত করে গড়ে তুলব। এতে কোনো ছাড়া নয়। দেশ আমাদের সবার সহযোগিতাতেই দেশ গড়ার জন্য ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র এবং বৈদেশিক সম্পর্ক আমরা ভালোভাবে চালাতে চাই। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে চললে দেশ ভালো হবে। মহান আল্লাহরও সাহায্য আসবে, কোনো সন্দেহ নেই।
লেখক : সাবেক সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।