আজকের পত্রিকা:অস্বস্তিকর পরিস্থিতি চাপা আতঙ্ক
২৩ মে ২০২৬ ১০:৫১
দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান হাসিনা
আজ শনিবার ২৩ মে ২০২৬ ।
নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম— অস্বস্তিকর পরিস্থিতি চাপা আতঙ্ক।
এই খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি একাধিক নারী ও শিশু নিপীড়ন-ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি-ছিনতাই, চুরি; এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাংবাদিকের ওপর হামলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি ও চাপা আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সদর দফতরের হিসাব অনুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে শুধু হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ১৪২টি।
নারী ও শিশুর প্রতি নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে ৫ হাজার ৯৫৮টি।
এছাড়া, ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে ১৮৪টি। অপহরণের শিকার হয়েছেন ৩৪৭ জন। আর চুরির ঘটনা ঘটেছে ৪ হাজার ৯৯টি।
আবার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ২১৩ জন পুলিশ সদস্য।
২০২৫ সালে সারাদেশে খুন ও নৃশংস হত্যার ঘটনায় মামলা হয় ৩ হাজার ৭৮৬টি। যা ২০২৪ সালে ছিল ৩ হাজার ৪৪২ এবং ২০২৩ সালে ৩ হাজার ২৩টি।
মানবাধিকার সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বিগত ১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যার শিকার হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিচারহীনতার কারণে নারী-শিশুর প্রতি এমন ঘটনার জন্ম হচ্ছে প্রতিদিন। মাদককারবার নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারায়ও খুনাখুনি একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডের আদেশ মাথায় নিয়ে দেশে ফিরতে চান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; আইএমএফের চলমান ঋণ চুক্তি থেকে সরে আসতে যাচ্ছে সরকার এবং গঙ্গার পানি বণ্টনে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চললেও নতুন চুক্তি নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে— শনিবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকায় এমন খবর গুরুত্ব পেয়েছে।
টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান সংবাদ— Hasina plans to face trial; অর্থাৎ দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান হাসিনা।
এই খবরে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডের আদেশ মাথায় নিয়ে দেশে ফিরতে চান গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হতে চান বিচারের মুখোমুখি।
সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহকারী এবং তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এমন একাধিক নেতা দৈনিকটিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দলীয় প্রধানের দেশে ফেরা উপলক্ষে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্যেও বলা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে যাই বলছেন না কেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এটিকে স্ট্যান্টবাজি হিসেবে দেখছেন।
তারা মনে করছেন, এটি দলের কর্মীদের চাঙ্গা রাখার কৌশল মাত্র। আসলে তিনি বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশে ফিরবেন না।
চব্বিশের পাঁচই অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী ও গণহত্যা মামলায় ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফাঁসির রায় দিয়েছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে দ্রুত সময়ে ফিরতে চান। সেজন্য যেসব প্রক্রিয়া গ্রহণ করা দরকার, তা আমরা করছি।’
সম্প্রতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপ আওয়ামী লীগের এক নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার বিষেয়ে শেখ হাসিনার মনোভাবের কথা ভারত সরকারকে জানানো হয়েছে। এমনকি তিনি আগামী ১৫ই অগাস্টের আগেই দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাছে ট্রাভেল পাসও চাইতে পারেন।
প্রথম আলোর প্রধান খবর— কোরবানির পশুর হাট নিয়ন্ত্রণে পুরোনো ধারা।
এতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের শাসনামলে রাজধানীর অস্থায়ী পশুর হাটগুলোর নিয়ন্ত্রণ ছিল দলটির নেতাকর্মীদের কাছে।
কে কত দর উল্লেখ করবেন, তা সমঝোতার মাধ্যমে ঠিক করে রাখা হতো। আওয়ামী লীগ বা দলটির ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের বাইরে অন্য কেউ যাতে দরপত্র জমা দিতে না পারেন, সেই ব্যবস্থাও থাকত।
ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও পুরোনো সেই ধারা খুব বেশি বদলায়নি। এই নিয়ন্ত্রণ এখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিএনপি ও তাদের ঘনিষ্ঠজনদের কাছে।
এবার রাজধানীতে অস্থায়ী পশুর হাট বসবে ২১টি। এর মধ্যে ঢাকা উত্তরে ১১টি আর ঢাকা দক্ষিণে ১০টি। উত্তরের সব কটি অস্থায়ী হাট এবার ইজারা পেয়েছেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণে অস্থায়ী ১০টি পশুর হাটের মধ্যে ৮টির ইজারাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও তাদের ঘনিষ্ঠজনেরা।
একটি হাটের ইজারা পেয়েছে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এক ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠান। আরেকটি হাটের ইজারাদার এনসিপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এক ব্যবসায়ী।
দ্য ডেইলি স্টারের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Govt to pull out of $5.5b IMF loan deal; অর্থাৎ আইএমএফের পাঁচ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি থেকে সরে আসবে সরকার।
এই খবরে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বিদ্যমান পাঁচ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ঋণ নিয়ে আলোচনার দিকে আগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত জানানোর পর আইএমএফও নতুন ঋণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা করতে রাজি হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, সরকার পাঁচ থেকে ছয় বিলিয়ন ডলারের তিন থেকে চার বছর মেয়াদী নতুন ঋণ কর্মসূচির বিষয়ে ভাবছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানালেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এ নিয়ে আইএমএফকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।
তিনি বলেছেন, সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা এবং নতুন ঋণ কর্মসূচির চূড়ান্ত আকার নির্ধারণ করতে আগামী জুলাই বা অগাস্টে আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— মেয়াদ শেষ হচ্ছে ডিসেম্বরে, নতুন চুক্তির ক্ষেত্রে পানি বণ্টনের ভিত্তি নির্ধারণে জটিলতা।
এই খবরে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে বলা হয়েছে।
গঙ্গার পানি বণ্টনে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি যে চুক্তি তার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে চলতি বছর ডিসেম্বরে।
এরপর দুই দেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টনে বিদ্যমান চুক্তিটিই নবায়ন হবে নাকি নতুন করে চুক্তি হবে— এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
তবে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দুই দেশের কারিগরি দল এ বিষয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছে। বেশকিছু বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্যের মূল বিষয় হলো পানিপ্রবাহের ভিত্তি। ভারতীয় পক্ষ চাইছে ফারাক্কা পয়েন্টে পানিপ্রবাহের ভিত্তিতে চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক দাঁড় করাতে, অন্যদিকে বাংলাদেশের দাবি পুরো নদীর প্রবাহকে বিবেচনায় নিয়ে পানি ভাগাভাগি করা। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে সরকারের (বাংলাদেশের) একটি অগ্রাধিকার হলো ১৯৭৭ সালের সমঝোতা স্মারকের আলোকে চুক্তি সংশোধন করা।’
দেশের নদী গবেষকরা বলছেন, পানির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে সমগ্র নদীর প্রবাহকেই বিবেচনায় নিতে হবে। এক্ষেত্রে শুধু দ্বিপক্ষীয় চুক্তির পরিবর্তে সমগ্র গঙ্গা বেসিনকে বিবেচনা করে বাংলাদেশ-ভারত-নেপালের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— মামলায় সাজা কম, খালাসের হার বেশি।
এই খবরে বলা হয়েছে, মানবাধিকার সংগঠন ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত এক দশকে অন্তত ৫ হাজার ৫৯৮ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে অন্তত ২৭৪ শিশুকে।
এসব ঘটনায় করা অধিকাংশ মামলার বিচার এখনো শেষ হয়নি। আর যেসব মামলার বিচার শেষ হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে আসামিরা খালাস পেয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের যৌথ গবেষণা অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতন-সংক্রান্ত মামলায় সাজার হার মাত্র ৩ শতাংশ। প্রায় ৭০ শতাংশ মামলায় আসামিরা খালাস পেয়ে যায়।
মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র বলছে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধীদের বেপরোয়া করে তুলেছে।
দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে কমে আসতে পারত।
সমকালের প্রধান শিরোনাম— অভিযানে গিয়ে বারবার আক্রান্ত হচ্ছে পুলিশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে অনেকটা গতি ফিরলেও অভিযানে গিয়ে একের পর এক হামলার শিকার হওয়ায় ঘটছে ছন্দপতন।
এমনকি অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ১ মে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ অভিযানের মধ্যেও থেমে নেই আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা।
চলতি মাসে এ পর্যন্ত ঢাকাসহ ৯ জেলায় অন্তত ১৩টি স্থানে হামলা হয়েছে। এতে আহত হন পুলিশ ও র্যাবের অন্তত ৩২ সদস্য।
এছাড়া, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে আরও ২১৩টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। পৃথক ঘটনায় সিলেট ও চট্টগ্রামে মারা গেছেন পুলিশ ও র্যাবের দুই সদস্য।
আর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সারাদেশে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় ‘মব’ ও হামলার শিকার হয় পুলিশ। এতে তাদের মনোবল ভেঙে যায়। আবার অনেক পুলিশ সদস্য মামলা, সংযুক্তি, প্রত্যাহার ও চাকরি হারানোর আতঙ্কে রয়েছেন। তাই পুলিশ এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তাই অপরাধীরা মনে করছে, পুলিশ এখনও দুর্বল অবস্থানে আছে।
কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ইসির।
এই খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরই মধ্যে স্থানীয় সরকার আইনে যেসব জায়গায় পরিবর্তন এসেছে, সে আলোকে বিধিমালা সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ইসির আইন ও বিধিমালা সংস্কার কমিটির বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক বিষয়ে আলোচনা হয়।
তার মধ্যে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনে ঋণখেলাপিরা যেন কোনোভাবেই অংশ নিতে না পারেন, সে ব্যাপারে আলাপ হয়।
এছাড়া, স্থানীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের প্রভাব ঠেকাতে সব ধরনের উপায় খুঁজছে ইসি।
আইন ও বিধিমালা সংস্কার কমিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচনের আইনে স্পষ্ট করে বলা আছে ঋণগ্রহীতা ও জামিনদারের কথা; স্থানীয় নির্বাচনে ঋণখেলাপির সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা জামিনদার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
এখন পর্যন্ত মোটামুটি কিছু বিষয় চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানান এই নির্বাচন কমিশনার। যার মধ্যে রয়েছে, প্রার্থীদের জামানত ও ব্যয়ের সীমা বৃদ্ধি, অনলাইনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমার সুযোধ বন্ধ, পোস্টার না রাখা এবং অনলাইনে প্রচারের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন।
নিউ এইজের প্রধান খবর— Laundering thru crypto leaves Bangladesh chasing shadows।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে থেকে এমনিতেই বিভিন্ন উপায়ে বিদেশে অর্থপাচার হয় এবং তার খুব কমই ফিরে আসে; সেখানে ক্রিপ্টোকারেন্সি আরেকটি মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কারণ, এই অন্ধকার গলিপথ দিয়ে অর্থপাচার হচ্ছে বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন।
কিন্তু অপর্যাপ্ত লজিস্টিকস ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবে তা শনাক্ত করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তথ্যমতে, ২০২৩ সালে মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জের (এমটিএফই) মাধ্যমে ১৩৬ মিলিয়ন ডলার ক্রিপ্টোকারেন্সি পাচার করা হয়, যা ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০১ মিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ চুরির চেয়েও বড়।
মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থের মধ্যে সিআইডি চলতি বছরের মার্চে তিন দশমিক ছয় মিলিয়ন ডলার বা প্রায় সাড়ে ৪৪ কোটি টাকা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। যা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম সাফল্য।
সিআইডি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভার্চুয়াল এই মুদ্রার লেনদেনে জড়িত সন্দেহভাজনরা অনলাইন প্রতারণা, সাইবার হয়রানি ও অনলাইন জুয়ার মতো নানা অপরাধের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে।
তবে, ক্রিপ্টোকারেন্সি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কোনো সমঝোতা স্মারক না থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই ডিজিটাল অপরাধের চোরাগলি শনাক্ত করতে পারছেন না।