দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫০
৮ ফেব্রুয়ারি ভারতি বিদ্যাপীঠ এডুকেশনাল কমপ্লেক্সের নতুন দিল্লি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের বিষয় ছিল “দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে শান্তি রক্ষা ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা” (Role of Journalism in Peace Making and Cooperation in South Asian Countries)। সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম ইন্ডিয়া চ্যাপ্টারের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও বিশিষ্ট কম্পিউটার বিজ্ঞানী ড, এম হুদা। প্রধান অতিথি ছিলেন এসজিএফ প্রেসিডেন্ট রাজু লামা, সেক্রেটারি জেনারেল আবদুর রহমান, ইন্ডিয়া চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট ড. অনিরুদ্ধ শুধাংশু, সদস্য ড. স্মিতা মিশ্র, বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ হাসান নবীসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সাংবাদিক, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠানের অগণিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।
নয়াদিল্লি, ৮ ফেব্রুয়ারি:
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তি, আস্থা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—এমন অভিমত উঠে এসেছে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে।
৮ ফেব্রুয়ারি ভারতি বিদ্যাপীঠ এডুকেশনাল কমপ্লেক্সের নতুন দিল্লি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের বিষয় ছিল “দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে শান্তি রক্ষা ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা” (Role of Journalism in Peace Making and Cooperation in South Asian Countries)।
সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম ইন্ডিয়া চ্যাপ্টারের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন
প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও বিশিষ্ট কম্পিউটার বিজ্ঞানী ড, এম হুদা। প্রধান অতিথি ছিলেন এসজিএফ প্রেসিডেন্ট রাজু লামা, সেক্রেটারি জেনারেল আবদুর রহমান, ইন্ডিয়া চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট ড. অনিরুদ্ধ শুধাংশু, সদস্য ড. স্মিতা মিশ্র, বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ হাসান নবীসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সাংবাদিক, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদ্যাপীঠ প্রতিষ্ঠানের অগণিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ হাসান নবী। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অভিন্নতা সত্ত্বেও আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা ‘সার্ক’ বর্তমানে স্থবির। এই ভূ-রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে এবং জনমানুষের মধ্যে আস্থার সেতু তৈরিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
দক্ষিণ এশিয়ায় সাংবাদিকতা কেবল সংবাদ পরিবেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি শান্তি নির্মাণ ও জনমত গঠনের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। দায়িত্বহীন রিপোর্টিং যেমন উত্তেজনা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে, তেমনি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ভুল বোঝাবুঝি দূর করে সংলাপ ও আস্থা গড়ে তুলতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল যুগে ভুয়া খবর ও অপপ্রচার আঞ্চলিক শান্তির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের তথ্য যাচাই, নৈতিকতা ও সংযত ভাষা ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
আলোচকরা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও নিয়মিত সংলাপ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদারে সহায়ক হতে পারে। সেমিনার থেকে পিস জার্নালিজম চর্চা জোরদার এবং সাংবাদিকদের পেশাগত মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।