মায়েদের ইজ্জতের শতভাগ নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আামাদের কেউ থামাতে পারবে না: ডা. শফিকুর রহমান
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মায়েদের ইজ্জতের শতভাগ নিরাপত্তা ও গ্যারান্টি এবং মর্যাদা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আামাদের কেউ থামাতে পারবে না। চব্বিশ সালের ৫ আগস্টের পরিবর্তনের পরে আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম, আমরা কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেবো না। তবে কোনো ভুক্তভোগী বিচার চাইলে আমরা তাকে পূর্ণ সহযোগিতা করবো। সারা বাংলাদেশে আমারা হাজার হাজার মামলা করিনি। আমাদের ৮টি মামলা আছে, আসামি মাত্র ১ জন করে। আমরা দ্বিতীয় লোক খুঁজে পাইনি, লিখবো কেন? কিন্তু কেউ কেউ মামলা করছেন ৮০০-৯০০ আসামি করে, তার ওপর অজ্ঞাত আসামী। এই মামলা করে বাণিজ্য করছেন অনেকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি সকালে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ সরকারি আরসি কলেজ মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো চাঁদাবাজি করিনি, কোনো স্ট্যান্ডে হাত দেইনি। মানুষের জীবন ও ইজ্জতের পাহারাদার হিসেবে আমরা ৬ তারিখ থেকে ১৫ দিন আমাদের কর্মীরা সারা দেশে দায়িত্ব পালন করেছে। আমাদের লক্ষ লক্ষ ভলন্টিয়ার মসজিদ থেকে মন্দির ও মানুষের সম্পদ পাহারা দিয়েছে। আরেকদল নেমে গেল নিজেদের কিসমত বানাতে। কিরে ভাই, এটি কি রাজনীতি? এটি তো দুর্বৃত্তপনা। রাজনীতি হবে নীতির রাজা, মানুষের মানুষের কল্যাণ সাধন করা। মানুষের কোনো অকল্যাণ রাজনীতি হতে পারে না।
আমীরে জামায়াত বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীন হওয়ার পর যারা দায়িত্ব নিল তারা দেশটিকে গোরস্থানে পরিণত করল। জাগায় জাগায় ছোপ ছোপ রক্ত, বিভিন্ন স্থানে লাশ। বড় নেতার ছেলেরা পর্যন্ত ব্যাংক ডাকাতিতে লেগে গেল। মা-বোনরা ঘর থেকে বের হলে আর ইজ্জত নিয়ে ফিরতে পারবে, এমন নিশ্চয়তা ছিল না।
তিনি বলেন, রিলিফ আসলো বাংলাদেশের বিপন্ন মানুষের জন্য, সেই রিলিফ বাংলাদেশ পর্যন্ত পৌঁছতে পারলো না, তার আগেই বিক্রি হয়ে গেল। ৭৪ এর দুর্ভিক্ষে লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা গেল, তাদের দাফন কাফন করার মত সময় সরকারের ছিল না। জনগণ যেভাবে পেরেছে সেই বেওয়ারিশ লাশ দাফন করেছে। শুধু আনজুমান মফিদুল ইসলাম কয়েক হাজার নয়, কয়েক লক্ষ লাশ দাফন করেছে।
তিনি আরও বলেন, এরপর ক্ষমতার পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান আসলেন। তাকেও নির্মমভাবে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেয়া হল। এরপর দেশে অস্থিরতা শুরু হল। সাত্তার সাহেব আসলেন, কিন্তু তিনি সামাল দিতে পারলেন না। তারপর ক্ষমতা ভিন্ন জায়গায় চলে গেল৷ তা আইনসঙ্গত জায়গায় যায়নি। এরপর যিনি আসলেন, তিনি ৯ বছর শাসন করেছেন। এসময় তিনি যা দিয়েছেন, তা এ জাতি সাক্ষী। তিনি ২টা জিনিস দিয়েছেন, একটি হলো, তিনি নির্বাচনের জান কবজ করে দিয়েছেন।
ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, তখনকার একটি স্লোগান ছিল, দশটা গুণ্ডা, দশটা হুণ্ডা, নির্বাচন ঠান্ডা। দুর্নীতিকে তিনি জাতীয়রণ করেছিলেন, বাজারজাত করেছিলেন। জাতীয় সত্ত্বা ফিরে পেল, তা আর থামলো না। দুর্নীতির উৎপাত সকল যুগে ছিল। বিগত ১৫ বছর ছিল সবচেয়ে খারাপ সময়। বাংলাদেশের ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পাচার করেছে ২৮ লাখ কোটি টাকা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী নিঃসন্দেহে সবচেয়ে মজলুম দল। একে একে ১১ জন শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা করা হয়েছে। ১ জনকে পারেনি। ওনার ব্যাপারে আদালত বলেছে, ‘ওনার বিরুদ্ধে দেয়া একটা সাক্ষীও বিশ্বাস যোগ্য নয়।’ এই বৃহত্তর বরিশালের অহংকার। সারা বাংলাদেশের অহংকার। সারা বিশ্বব্যাপী মানুষ যাকে ভালোবাসে, বিশ্ববিখ্যাত মুফাস্সিরে কুরআন আল্লামা দেলোয়ার হুসাইন সাঈদীকে হত্যা করা হয়। প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ড এরকমই ছিল। আমাদের হাজারো কর্মীকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়। পাঁচ হাজারেরও অধিক কর্মী জীবনের তরে পঙ্গু হয়ে যায়। কেউ চোখ হারিয়েছেন, কেউ পা হারিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতীক কেড়ে নেয়া হল, সকল অফিস বন্ধ করে দেয়া হল, শেষ পর্যন্ত দিশেহারা হয়ে দলের নিবন্ধনই বাতিল করা হয়। এরপরও জনগণের দুঃখ দুর্দশায় এই সংগঠনটি ঘুমিয়ে পড়েনি। বিগত ১৫ বছরে যেখানে মানুষ কষ্টে ছিল, সেখানে ছুটে গেছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী। এমনকি সরকারের আগেই। আমাদের সীমিত সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অনেকে বলতো, আপনারা সবচেয়ে কষ্টে আছেন। আবার আপনারাই আসছেন সবার আগে। আমরা বলতাম, কোনো দয়া দাক্ষিণ্য করার জন্য এখানে আসিনি। মানুষ হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, সেই দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। আমরা বলতাম, আমরা রিলিফ নিয়ে আসিনি, সামান্য উপহার সামগ্রী নিয়ে এসেছি।
বরিশালের শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ও আত্মত্যাগ তুলে ধরে তিনি বলেন, বরিশালে ৩০ এর ওপরে শহীদ আছেন। তারা কি চেয়েছিল? তারা একটি বৈষম্যমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, মানবিক বাংলাদেশ চেয়েছিল। কারও দয়ার দানে নয়, মর্যাদার সাথে বাংলাদেশে বসবাস করবে। তারা এটি চেয়েছিল। তারা স্লোগান দিয়েছিল, ‘ইউ ওয়ান্ট জাস্টিস’-আমরা ন্যায়বিচার চাই।
জনগণের কাঙ্ক্ষিত বিচারবিভাগ নিয়ে আমীরে জামায়াত বলেন, আমরা ঘোষণা দিয়েছি, এ ধরনের একটি বাংলাদেশ আমরা উপহার দেবো। সরকারি দলের জন্য এক বিচার, বিরোধী দলের জন্য আরেক বিচার, ধনীর জন্য এক বিচার, গরিবের জন্য আরেক বিচার আমরা হতে দিবো না। সমাজের উঁচু-নিচু সবার সমান বিচার প্রয়োগ করা হবে।
দুর্নীতি বন্ধের বিষয় তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতির পাতা আর ঢাল ধরে টান দিবো না, দুর্নীতির ঘাঁড় ধরে টান দিবো আমরা। রাঘব বোয়াল, গড়ফাদার, মাফিয়ারা থাকবে আইনের ধরাছোঁয়ার বাইরে, আর ছিচকা চোরদের আনবেন আইনের আওতায়, শাস্তি দেবেন। এটি চরম অন্যায়। আল্লাহ আমাদের সুযোগ দিলে৷ দুর্নীতি করবো না, করতে দেবো না।
তিনি আরও বলেন, এখন যে দেশ, আমার মায়েদের ইজ্জতের গ্যারান্টি নেই, ছাত্র ছাত্রীদের নিরাপদ ক্যাম্পাস আমরা দিতে পারিনি, যুবকদের হাতে কাজ দিতে পারিনি। এই বাংলাদেশ আমার আপনার হতে পারে না।
নদীভাঙনের ভয়বহতা তুলে ধরে আমীরে জামায়াত বলেন, অনেকে নদীভাঙনের কবলে পড়ে ভিটে মাটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। কেন? নদী তো আল্লাহ তায়ালার নিয়ামত। সে নদী থেকে আমাদের বেনিফিট নেয়ার কথা। নদীগুলো এখন ভরাট হয়ে মরুভূমি ও কঙ্কালে পরিণত হয়েছে। সামান্য পানি নেমে আসলেই পাড়গুলোকে ভেঙে তছনছ করে দেয়। নদী শাসন নয়, নদী সংস্কার লাগবে আমাদের। নদী বাঁচলে, বাংলাদেশও বাঁচবে, ইনশাল্লাহ। আমাদের অগ্রাধিকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে নদী সংস্কার করা। নদীকে সম্পদে পরিণত করতে হবে। এটি সম্ভব, যদি দুর্নীতি বন্ধ হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা লুণ্ঠনের সকল টাকা ফেরত আনবো। যারা নিজেরা দুর্নীতি ও লুণ্ঠনের সাথে জড়িত, তারা ফেরত আনতে পারবে না। বরং আরও বাংলাদেশকে লুটেপুটে খাইতে চাইবে। আল্লাহ সুযোগ দিলে ওদের পেটের ভিতর হাত ঢুকিয়ে দিয়ে সব বের করে আনা হবে, ইনশাল্লাহ। এদেরকেও আনা হবে। কারণ, এরা রাষ্ট্রের দুশমন।
দেশের ব্যাংকিং খাতের বেহাল অবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো ফোকলা হয়ে থরথর করে কাপছে। আমরা মনে করি, এটা কঠিন হলেও সম্ভব ইনশাল্লাহ। সব জায়গায় সৎ দক্ষ মানুষেরা কাজ শুরু করে দিলে বাকীরাও বার্তা পেয়ে যাবে। তওবা করে সোজা হয়ে যাবে। যারা সোজা হবেন না, তাদের আইনের মুখোমুখি হবে।
জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, যেখানে যাই, সেখানেই দেখি হাহাকার। সেনাবাহিনীর এক ধরনের দাবি, আধা সামরিক বাহিনীর আরেক ধরনের দাবি। রাষ্ট্রীয় অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীতে যারা আছে, তাদের আরেক ধরণের দাবি। সব জায়গায় দাবি। যার মানে কোনো একটা সেক্টরের মানুষই সন্তুষ্ট নয়। আমরা যার যেটা ন্যায্য পাওনা, তার হাতে তুলে দেবো।
নির্বাচনকে ঘিরে নারীদের অসম্মান করার নিন্দা জানিয়ে আমীরে জামায়াত বলেন, এই নির্বাচনে নেমে কেউ কেউ বলে, অমুখ দলের কোনো মহিলা যদি আসে, তাহলে কাপড় খুলে ফেলবা। বলেন, নাউজুবিল্লাহ! কেন ভাই? মাকে একটু সম্মান করতে পারো না। তুমিও তো মায়ের সন্তান, মায়ের গর্ভ থেকে দুনিয়ায় এসেছ। কেমনে তুমি বলতে পারো একজন নারীর একজন মায়ের কাপড় খুলে ফেলতে। এমনকি মায়েদের গায়ে হাত দেয়া হয়েছে দেখেছেন আপনারা। ইদানিং এটা একটু থেমেছে। কারণ, এটার সবাই সোচ্চার হয়েছে। আমি আমি আমার জায়গা থেকে বলেছি, জীবন দিতে রাজি আছি কিন্তু মায়েদের ইজ্জত বন্ধক দিতে রাজি নয়।
তিনি আরও বলেন, তারা আমার বিরুদ্ধে মিসাইল ছুড়েছিল। এখন সেই মিসাইল তাদের কপালে এসে পড়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, সত্য কোনোদিন গোপন থাকে না। মেঘের আড়ালে সূর্য কোনোদিন লুকিয়ে থাকে।
আমীরে জামায়াত বলেন, উন্নয়নের ব্যাপারে আমাদের সাফ কথা। ৫৪ বছর যাকে, যেখানে যত বেশি বঞ্চিত করা হয়েছে, সেখান থেকে আমাদের উন্নয়ন শুরু হবে। আমরা কারও সাথে বেইনসাফি করবো না। নদী ভাঙনের দুঃখ ঘুছাবে, ইনশাল্লাহ। এখন নদী ভাঙনের বাজেট পেটের ভিতর চলে যায়। তাই দুঃখ ঘুছাবে।
জনতার উদ্দেশে আমীরে জামায়াত বলেন, কারে ভোট দিবেন? উত্তরটা এরকম হবে। বিগত ৫৪ বছরে যারা শাসন করেছে, তাদের আমলনামা আমাদের সামনে আছে। আর ৫ আগস্ট থেকে এই ১৭ মাস যাদের দেখেছি, তাদের আমলনামাও আমাদের সামনে আছে। এখানে যাদের আমলনামাকে আমরা ভালবাসবো তাদের ভোট দিবো। যারা নিজেদের দল সামলাইতে পারে না, তারা কি দেশ সামলাতে পারবে না? যারা নিজেদের দল সামলাতে পারে, তারাই দেশ সামলাবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামাত ইসলামী এতদিন চেষ্টা করেছে দলটাকে সামাল দেওয়ার। যাতে কোনোভাবে কেউ অন্যায়ে জড়িত হতে না পারা, তার পাহারিদারি করার। এতদিন পাহারাদারি করেছি দলের, এবার মেহেরবানি করে সুযোগ দেন, আমরা ১৮ কোটি মানুষের চৌকিদারি করতে চাই। তাদের জীবন সম্পদ ও ইজ্জতের পাহারাদার হতে চাই। সেই সুযোগটা যদি আপনারা দেন, আপনাদের আস্থার প্রতিদান দেয়া হবে আমাদের জন্য ওয়াজেব। আমরা জান প্রাণ দিয়ে সেটা চেষ্টা চালিয়ে যাবো, ইনশাল্লাহ।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, বরিশাল অঞ্চল টীম সদস্য একেএম ফখরুদ্দিন খান রাজী, বরিশাল জেলা আমীর ও বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্যপ্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও বরিশাল-৬ আসনের প্রার্থী মাওলানা মাহমুদুন্নবী তালুকদার, বরিশাল-২ আসনের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাস্টার আব্দুল মান্নান, বরিশাল-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা কামরুল ইসলাম খান, বরিশাল জেলা এনসিপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ মুসা, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের জেলা সভাপতি মাওলানা জোবায়ের গালিব, জাগপা জেলা সভাপতি মনির হোসেন ও খেলাফত মজলিসের জেলা সহ সভাপতি রুহুল আমীন কামাল,ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাহমুদ হোসাইন দুলাল।
এছাড়া বরিশাল প্রেস ক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, ছাত্রশিবিরের বরিশাল মহানগর সেক্রেটারি আব্দুর রহমান সুজন, বরিশাল জেলা সভাপতি সাইয়্যেদ আহমেদ, হিজলা মেহেন্দিগঞ্জ সহ বিভিন্ন উপজেলা আমীর ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্য শেষে বরিশাল-৪ আসনের প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার সহ অন্যান্য প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন আমীরে জামায়াত।- তারিখ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. প্রেস বিজ্ঞপ্তি