রাসূল (সা.) বিশ্বজাহানে শান্তি প্রতিষ্ঠার অনন্য নজির স্থাপনকারী


২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:২১

॥ সাইদুর রহমান ॥
আমাদের বিশ্বজনীন ধর্ম মানবতার মুক্তির সনদ ইসলামের নামকরণ সিলম ও সালাম তথা শান্তি শব্দ থেকে এসেছে। সালামই এ ধর্মের পরিচয় ও নিদর্শন। শান্তিই এর আহ্বান ও পথ-পন্থা। সালামের এ ধর্মই আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের জন্য মনোনীত করেছেন, ‘আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দীন (জীবনব্যবস্থা) হিসেবে মনোনীত করলাম।’ [সূরা মায়িদা : ৩]।
রাসূল (সা.) বিশ্বজাহানে শান্তি প্রতিষ্ঠার এক অনন্য নজির স্থাপন করেন, সর্বক্ষেত্রে তিনি সফল ব্যক্তিত্ব। জর্জ বার্নার্ড শ’-এর ভাষায় বলা যায়- ‘If all the world was to be united under one leader then Muhammad (Sallellahu Alaihis-Salam) would have been the best fitted man to lead the people of various needs dogmas and ideas to peace and happiness’. ‘সমগ্র দুনিয়াটাকে যদি একত্র করে একজনের নেতৃত্বে আনা যেত, তাহলে নানা ধর্মমত, ধর্মবিশ্বাস ও চিন্তার মানুষকে শান্তি সুখের পথে পরিচালনার জন্য হযরত মুহাম্মদ (সা.)-ই হবেন সর্বোত্তম যোগ্য নেতা।’ আজ অশান্ত বিশ্বে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, জাতি-গোত্রে হানাহানি সবকিছুর মূলোৎপাটন করে বিশ্বমানবতাকে শান্তির সুশীতল ছায়াতলে আচ্ছাদিত করতে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই।
হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্বমানবতার জন্য আল্লাহর অনন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত। আল্লাহ তায়ালার ঘোষণা, ‘আমি তোমাকে প্রেরণ করেছি বিশ্বজগতের জন্য বিশেষ রহমতস্বরূপ।’ (সূরা-আম্বিয়া : ১০৭)।
তিনি ধনী-দরিদ্র সাদা-কালো সব মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট ছিলেন। তিনি শুধু দার্শনিকই ছিলেন না, বরং তিনি যা আল্লাহর পক্ষ থেকে নিয়ে প্রেরিত হয়েছেন, তা নিজেই এর বাস্তব নমুনা হিসেবে মানবজাতির জন্য পেশ করেছেন। পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন আঞ্জাম দিয়েছিলেন অত্যন্ত সুচারুরূপে। রাসূল (সা.) পৃথিবীর সবচেয়ে বর্বর একটি জাতিকে শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত করে পৃথিবীতে অনাগতের জন্যও এক অতুলনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন রেখে গেছেন।
সব নবী-রাসূলের সমাপ্তিকারী শেষ নবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন শান্তি ও সালামের পতাকাবাহী। তাঁর আদর্শ ও সুন্নত ছিল, তিনি নিজের সালাত শেষ করামাত্র তাঁর উম্মতকে মনে করিয়ে দিতেন, শান্তি আল্লাহর নিয়ামত এবং সেটি প্রত্যাশা ও প্রদান করা হয় আল্লাহর পক্ষ থেকে। এজন্য তিনি সালাম ফিরিয়ে বলতেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি শান্তিময়, তোমার কাছ থেকেই শান্তি অবতীর্ণ হয়। তুমি বরকতময়, হে পরাক্রমশালী ও মর্যাদা প্রদানকারী।’ [মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী]।
কুরআনুল কারীমে বলা হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা সর্বাত্মকভাবে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ [সূরা বাকারা: ২০৮]।
মুমিনের কর্তব্য, পূর্ণাঙ্গভাবে ইসলামে প্রবেশ করা এবং জীবনের সকল অঙ্গনে ইসলামের সঠিক শিক্ষা ও বিধানের চর্চা ও বিস্তারে ব্রতী হওয়া। তাহলে আল্লাহর ইচ্ছায় আমাদের জীবনে পূর্ণ শান্তি বিরাজ করবে এবং ইসলাম শান্তির ধর্ম কথাটির সত্যতা ও যথার্থতা বাস্তবরূপে প্রতিফলিত হবে।
যে কেউ নবী কারীম (সা.)-এর জীবন পর্যালোচনা করলে দেখতে পাবেন, তাঁর দাওয়াতই ছিল শান্তি ও সালামের প্রতি। নবুয়্যতের আগে-পরে সর্বদাই তাঁর জীবনের প্রধান ও মুখ্য চাওয়া ছিল শান্তি ও সালাম। তিনি জীবনের প্রাথমিক সময়গুলোয়ই অংশগ্রহণ করেছিলেন উত্তম চরিত্র, মানুষে মানুষে সম্পর্ক জুড়ে দেওয়া এবং মজলুমের সাহায্যের মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায়। অংশ নিয়েছেন হিলফুল ফুজুল প্রতিষ্ঠায়।
তেমনি নবুয়্যতের পরও তাঁর চাওয়া ছিল একটাই- ‘দয়া ও কোমলতা, শান্তি ও সালাম। তাঁর আহ্বান ও আকর্ষণ কেবল এসবের প্রতি। ‘আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপই প্রেরণ করেছি।’ [সূরা আম্বিয়া : ১০৭]।
বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে, ‘হুদায়বিয়া নামক স্থানে গিয়ে নবীজি (সা.)-এর উটনী কাসওয়া বসে পড়ল।’ কুরাইশের কাফেররা আল্লাহর রাসূল (সা.)-এ ওমরাহ আদায়ে বাধা হয়ে দাঁড়াল। তিনি তখন বললেন, ‘সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, কুরাইশরা আল্লাহর সম্মানিত বিষয়গুলোর মধ্যে যে কোনো বিষয়ের সম্মান প্রদর্শনার্থে কিছু চাইলে আমি তা পূরণ করব।’ তিনি আরো বললেন, ‘আমরা যুদ্ধ করতে আসিনি। বরং আমরা এসেছি ওমরাহ করতে।’ তথাপি কুরাইশরা তাঁকে হারাম শরীফে ঢুকতে বাধা দেয়। তখন তিনি তাদের সঙ্গে একটি সন্ধিচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, যা থেকে শান্তি ও সালাম প্রতিষ্ঠায় তাঁর আগ্রহ ফুটে ওঠে। ‘যদি তারা সন্ধি করতে আগ্রহ প্রকাশ করে, তাহলে তুমিও সে দিকেই আগ্রহী হও এবং আল্লাহর ওপর ভরসা কর। নিঃসন্দেহে তিনি সর্ব শ্রবণকারী; পরিজ্ঞাত।’ [সূরা আনফাল : ৬১]।
নবী (সা.)-এর সুরভিত জীবন চাক্ষুষ সাক্ষ্য, তিনি যুদ্ধ বা সংঘাতের প্রতি ডাকেননি। ঝগড়া বা বিবাদের দিকে আহ্বান জানাননি; বরং তিনি ছিলেন দয়ার্দ্র, উদার ও ক্ষমাপ্রবণ। মক্কায় দাওয়াতের সূচনাসময়ে যখন তাঁর জাতি তাঁকে অসহ্য যাতনা দিচ্ছে, তাঁর কাছে পাহাড়ে ফেরেশতা এলেন। অনুমতি চাইলেন মক্কার দুই পাহাড়কে মিলিয়ে কুরাইশ কাফেরদের পিষে মারতে। তখন তিনি শান্তি ও সালামই বেছে নেন। বলে ওঠেন, ‘বরং আমি আশা করি, আল্লাহ তাদের বংশ থেকে এমন ব্যক্তিদের বের করবেন, যারা এক আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তাঁর সঙ্গে শরিক করবে না।’ [বুখারি ও মুসলিম]।
মানুষের জীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই ইসলামী ব্যবস্থা মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা, সহমর্মিতা, সহযোগিতা, সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং ঐক্যবদ্ধ জীবনযাপনকে অপরিহার্য করে দিয়েছে। পক্ষান্তরে যেসব বিষয় মানুষের মধ্যে বিভেদ, অনৈক্য, হিংসা-বিদ্বেষ, জিঘাংসা, হানাহানি, খুন-খারাবি, হতাশা, বঞ্চনা, শোষণ, নিপীড়ন এবং সাধারণ ও স্বাভাবিক সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরায়, ইসলাম এ সকল বিষয়কে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে এবং হারাম ঘোষণা করেছে। তাই ইসলামের সাথে সন্ত্রাসবাদ বা জঙ্গিবাদসহ যে কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের কোনোই সম্পর্ক নেই।
ইসলাম মানুষের কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়েছে, মানবতার কল্যাণের অন্যতম দিক হলো শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা। এ দায়িত্ব মুসলিম জাতির ওপর ন্যস্ত। যারা এ দায়িত্ব পালন করবে আল্লাহ তাদেরকে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ‘তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি, তোমাদের বাছাই করা হয়েছে মানবতার কল্যাণের জন্য।’ [সূরা আলে ইমরান: ১১০]।
কুরআন সৎপথ প্রদর্শনকারী। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয়ই এ কুরআন হিদায়াত করে সেই পথের দিকে, যা সুদৃঢ় এবং সৎকর্মপরায়ণ মুমিনদের সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্য রয়েছে মহাপুরস্কার। যারা আখিরাতের ওপর ঈমান রাখে না, আমরা তাদের জন্য বেদনাদায়ক শাস্তি তৈরি করে রেখেছি।’ [সূরা বনি ইসরাঈল: ৯-১০]।
ইসলাম মাতা-পিতা, আত্মীয়-স্বজন, গরিব-মিসকিন তথা সকল মানবের সাথে সদ্ব্যবহারের নির্দেশ প্রদান করেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা ইবাদত কর, আল্লাহর আর তার সাথে কাউকে শরিক করো না, পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, এতিম, মিসকিন, নিকটাত্মীয়-প্রতিবেশী, অনাত্মীয় প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সহচর পথিক এবং তোমাদের ডান হাত যাদের অধিকারী তাদের সাথে সদ্ব্যবহার কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ অহঙ্কারী ও আত্মাভিমানীকে ভালোবাসেন না।’ [সূরা নিসা : ৩৬]।
ইসলাম অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করতে ও কারো সম্পদ আত্মসাৎ করতে নিষেধ করেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অন্যায়ভাবে পরস্পরে একজন আরেকজনের ধন-সম্পদ ভক্ষণ করো না, তবে পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে (যা উপার্জিত হয় তা ভক্ষণ করো)। আর তোমরা একে অপরকে হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি অতি দয়াশীল। আর যে কেউ সীমালঙ্ঘন ও নির্যাতন করে এরকম করবে আমি তাকে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করব। এটা আল্লাহর জন্য খুবই সহজ।’ [সূরা নিসা: ২৯-৩০]।
ইসলাম লোকজনকে নিয়ে ঠাট্ট-বিদ্রƒপ করতে নিষেধ করেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! কোনো পুরুষ যেন অন্য পুরুষকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ না করে। সম্ভবত ওরা বিদ্রুপকারীদের থেকে ভালো হতে পারে। আর কোনো নারী যেন অন্য নারীকে নিয়ে উপহাস না করে। সম্ভবত ওরা উপহাসকারিণীদের থেকে ভালো হতে পারে। তোমরা একজন আরেকজনকে দোষারোপ করো না এবং একজন আরেকজনকে মন্দ নামে ডেকো না। ঈমান আনার পর অসৎকাজ করা কতই না খারাপ। আর যারা তাওবা করে না তারাই অত্যাচারী।’ [সূরা হুজুরাত: ১১]।
ইসলাম পরনিন্দা করতে নিষেধ করেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অধিক ধারণা থেকে দূরে থাক। কারণ কোনো কোনো ধারণা গুনাহ। আর তোমরা অন্যের গোপন বিষয় অন্বেষণ করো না এবং তোমরা একজন আরেকজনের পরনিন্দা করো না। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত ভক্ষণ করাকে পছন্দ করবে? না, তোমরা একে অপছন্দই করবে। ভয় করো আল্লাহকে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবা কবুলকারী ও পরম দয়াবান।’ [সূরা হুজুরাত: ১২]।
ইসলাম জিহ্বা ও হাত দ্বারা কাউকে কষ্ট দিতে নিষেধ করেছে। আল্লাহর রাসূল সা. বলেছেন, ‘প্রকৃত মুসলিম হলো সে, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে।’ [বুখারী ও মুসলিম]।
রাসূল সা. বলেছেন, ‘যার অসদাচরণ থেকে প্রতিবেশী নির্ভয় ও নিরাপদ থাকতে পারে না, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ [বুখারী ও মুসলিম]।
মানুষ কেন, বরং কোনো প্রাণীর ওপরও জুলুম করা ইসলামে অবৈধ। আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা. বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সা. বলেছেন, ‘একজন মহিলাকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেওয়া হয়েছে। সে বিড়ালকে বেঁধে রেখেছে। তাই সে মারা গেছে। ফলে মহিলাটি জাহান্নামে প্রবেশ করেছে। মহিলাটি যখন বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিল, তখন তাকে খেতেও দেয়নি এবং পান করতেও দেয়নি। এমনকি তাকে মাটির কীটপতঙ্গও খেতে দেয়নি।’ [বুখারি, মুসলিম ও মিশকাত]।
ঐতিহাসিক গিবনের ভাষায় বলা যায়, ‘In the long history of the world there is no instance of magnanimity and forgiveness which can approach those of Muhammad (Sallellahu Alaihis-Salam) when all his enemies lay at his feet and he forgave them one and all.’ ‘হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর পায়ে অবনত অবস্থায় সকল শত্রুকে পেয়েও তাদেরকে ক্ষমা করে ঔদার্য ও ক্ষমাশীলতার যে অনুপম আদর্শ প্রদর্শন করেন তার দ্বিতীয় কোনো নজির দুনিয়ার সুদীর্ঘ ইতিহাসে নেই। ইউরোপীয় ঐতিহাসিকগণ স্বীকার করেছেন যে, ‘যুদ্ধ বিজয়ের সকল ঐতিহাসিক বিবরণীতে মহানবী (সা.)-এর বিজয়ীর বেশে মক্কা নগরীতে প্রবেশের মতো দৃশ্য আর দেখা যায় না।’ বিশ্ব ইতিহাস মহানবী (সা.)-এর মতো ব্যক্তিত্ব এখন পর্যন্ত সৃষ্টি করতে পারেনি। যাঁর ছিল ক্ষমা করার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। বস্তুত মক্কা বিজয় ছিল ইসলামের এক অনন্য বিজয়, মহানবী (সা.)-এর দীনের উদ্দেশ্যে অটল বিশ্বাসের বিজয়, শত্রুকে ক্ষমা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অনন্য নজির উপস্থাপন।
রাসূল (সা.) অসভ্য বর্বর জাতিকে সভ্য জাতিতে পরিণত করেছেন। পাপাচারে লিপ্ত মানুষগুলোকে সোনার মানুষে পরিণত করেছিলেন। যাদের নেতৃত্বে সুদীর্ঘকাল শান্তির আবেশে অর্ধজাহান শাসিত হয়েছিল। যাদের কাছে সমগ্র দুনিয়া পদানত হয়েছিল। সেই খোলাফায়ে রাশেদার যুগ যুগে যুগে ধরায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্রত অনাগত সকল নেতৃত্বকে শান্তি প্রতিষ্ঠা অনুকরণ করতে অনুপ্রাণিত করবে।
লেখক : সাংবাদিক।