সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ


১৭ জুলাই ২০২৫ ১৩:৫৮

ট্রাম্পের হুমকিকে পাত্তা দিচ্ছে না রাশিয়া
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়াকে ৫০ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছেন, এ সময়ের মধ্যে শান্তি চুক্তি না হলে রাশিয়ার ওপর উচ্চ শুল্কআরোপ করা হবে। তিনি ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র সরবরাহের জন্য একটি চুক্তিও ঘোষণা করেছেন। এ বিষয়ে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন যে, রাশিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট জারি করা ‘আলটিমেটাম’ সম্পর্কে ‘পাত্তা দেয়নি’। তিনি বলেন, রাশিয়ান রফতানি ক্রেতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকিসহ ট্রাম্পের মন্তব্য গুরুতর এবং বিশ্লেষণের প্রয়োজন। “ওয়াশিংটনে যা বলা হয়েছিল তা বিশ্লেষণ করার জন্য আমাদের অবশ্যই সময় প্রয়োজন। যখন প্রেসিডেন্ট পুতিন এটি প্রয়োজনীয় মনে করেন, তিনি অবশ্যই মন্তব্য করবেন,” তিনি বলেন। ইউক্রেনে নতুন অস্ত্র সরবরাহের খবরের দিকে ইঙ্গিত করে পেসকভ বলেন, “ওয়াশিংটনে, ন্যাটো দেশগুলোয় এবং সরাসরি ব্রাসেলসে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তা ইউক্রেনীয় পক্ষ শান্তির সংকেত হিসেবে নয়, বরং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সংকেত হিসেবে বিবেচনা করছে।” ক্রেমলিনের মুখপাত্র আরও বলেন, রাশিয়া ইউক্রেনের সাথে সরাসরি আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত, এবং পরবর্তী আলোচনা কখন হতে পারে সে সম্পর্কে তারা এখনো ইউক্রেনের সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছে। আল-জাজিরা।

হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেলেন মাহাথির মোহাম্মদ

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদকে গত ১৩ জুলাই রোববার হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তার ১০০তম জন্মদিন উদযাপনের পর ক্লান্তি অনুভব করায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে তার অফিস। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এ বর্ষীয়ান নেতা দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। হৃদরোগের ইতিহাস রয়েছে মাহাথিরের। তিনি আগে বাইপাস সার্জারিও করিয়েছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বেশ কয়েকবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। সর্বশেষ গত অক্টোবরে তাকে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল। রোববার ক্লান্তিজনিত কারণে কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে তাকে পর্যবেক্ষণের জন্য রাখা হয়। তার অফিস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।
স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য থাকা মাহাথির গত ১৩ জুলাই রোববার নিজেই গাড়ি চালিয়ে জন্মদিন উদযাপনে গিয়েছিলেন। ওই দিনটি ছিল তার স্ত্রী হাসমাহ মোহাম্মদ আলীর ৯৯তম জন্মদিনের পরদিন। জানা গেছে, মাহাথির ক্লান্ত হয়ে পড়ার আগে প্রায় এক ঘণ্টা সাইকেল চালান। তার নিজের জন্মদিন ছিল গত গত ১০ জুলাই বৃহস্পতিবার। উল্লেখ্য, মাহাথির ২০০৩ সাল পর্যন্ত ২২ বছর ধরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এরপর ২০১৮ সালে তিনি বিরোধী জোটের নেতৃত্বে ঐতিহাসিকভাবে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হন। তবে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে তার সরকার ভেঙে পড়ে। আরব নিউজ।

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছে

জুনে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুল্ক অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে, যার ফলে ফেডারেল রিজার্ভ এ মাসে নীতিনির্ধারকদের পরবর্তী বৈঠকে সুদের হার স্থিতিশীল রাখার পথে রয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে যে, ভোক্তা মূল্যসূচক এক বছর আগের তুলনায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে, যা ফেব্রুয়ারির পর থেকে সবচেয়ে দ্রুততম। এটি প্রত্যাশার চেয়ে সামান্য বেশি এবং মে মাসে বার্ষিক ২ দশমিক ৪ শতাংশের হার থেকে বেশি। ‘মূল’ মুদ্রাস্ফীতি, যা অস্থির খাদ্য ও জ্বালানির দামকে বাদ দেয় এবং অন্তর্নিহিত মূল্য চাপের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য পরিমাপক হিসেবে দেখা হয়, তাও আরও বেশি স্থানান্তরিত হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ দামগুলো ২ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। মাসজুড়ে, দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে, যা মে মাসে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধির থেকে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। মূল শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে।
জুনের তথ্য এখনো ট্রাম্পের বিশ্ব বাণিজ্য যুদ্ধের প্রাথমিক প্রভাবকে প্রতিফলিত করে। যেসব পণ্যের ওপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপের ঝুঁকি রয়েছে, যেমন গৃহস্থালির আসবাবপত্র, সেগুলোর দাম ১ শতাংশ বেড়েছে, যা গত মাসের দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধির চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বিশেষ করে যন্ত্রপাতির দাম ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে, যা দশমিক ৮ শতাংশ থেকে বেড়েছে। পোশাক সূচক দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে, যা কয়েক মাসের পতনশীল দামের বিরতি। পেট্রোলের দাম আগের মাসে ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে যাওয়ার পর জুন মাসে ১ শতাংশ বেড়েছে। মুদির দামও বেড়েছে, যা জুন মাসে দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থনীতিবিদরা আশা করছেন যে আগামী মাসগুলোয় দামের চাপ আরও তীব্র হবে, বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সাম্প্রতিক দিনগুলোয় অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমস।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ সবচেয়ে বড় হুমকির মুখে : ম্যাক্রোঁ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ সবচেয়ে বড় হুমকির মুখে পড়েছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেছেন, ইউরোপের স্বাধীনতা বর্তমানে এমন এক ভয়াবহ হুমকির মুখে পড়েছে যেটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর কখনোই দেখা যায়নি। গত ১৪ জুলাই সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্যারিসে ফরাসি সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট ম্যাত্রোঁ বলেন, “আমরা এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছি”, যেখানে বৈশ্বিক রাজনীতি অত্যন্ত জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। তিনি জানিয়েছেন, ফ্রান্স আগামী বছর থেকে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়াবে ৩.৫ বিলিয়ন ইউরো এবং ২০২৭ সালের মধ্যে আরও ৩ বিলিয়ন ইউরো বৃদ্ধি পাবে। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যেই ফ্রান্সের সামরিক বাজেট দ্বিগুণ করা হবে, যা পূর্ব পরিকল্পনার চেয়ে ক্কল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই বছরের মধ্যে বাজেট দাঁড়াবে ৬৪ বিলিয়ন ইউরোতে। তবে এ প্রস্তাব ফরাসি পার্লামেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। বাস্তিল দিবসের আগের দিন দেওয়া এ বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ বলেন, “এই পৃথিবীতে স্বাধীন থাকতে হলে, ভয় পাওয়াতে হয়। আর ভয় পাওয়াতে হলে, শক্তিশালী হতে হয়।” তিনি রাশিয়ার আগ্রাসনকে “সাম্রাজ্যবাদী নীতি” হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “আজকের পৃথিবী আবারও পারমাণবিক শক্তির প্রতিযোগিতা ও বড় বড় সংঘাতের দিকে ফিরে যাচ্ছে।” সম্প্রতি সামরিক জোট ন্যাটোর মিত্ররা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সামরিক খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয় করা হবে, যা আগে ছিল ২ শতাংশ। যুক্তরাজ্যও নিজের প্রতিরক্ষা পর্যালোচনা ঘোষণা করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, “এটি মস্কোতে একটি বার্তা পাঠাবে।” এদিকে, ফরাসি সেনাবাহিনী প্রধান থিয়েরি বারকার্ড গত গত ১১ জুলাই শুক্রবার বলেন, “রাশিয়া ফ্রান্সকে ইউরোপে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখে”। তিনি সতর্ক করে বলেন, “ইউক্রেনে এখন যা ঘটছে, তার মাধ্যমেই আগামী দিনে ইউরোপের অবস্থান ঠিক হয়ে যাচ্ছে।” বিবিসি।

হামাসের নতুন প্রতিরোধ কৌশলে দিশেহারা ইসরাইলি সেনাবাহিনী

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের কৌশলগত পরিবর্তন ইসরাইলি সামরিক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ইসরাইল হায়োম সংবাদপত্র সম্প্রতি এক সরকারি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, গাজায় ইসরাইলি সেনাদের অপহরণের উদ্দেশ্যে প্রতিরোধের চেষ্টা সম্প্রতি বেড়ে গেছে। নতুন এ কৌশল ইসরাইলি সামরিক নেতৃত্বকে বিস্মিত করেছে। তারা এখন এ সংকট মোকাবিলায় নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের দিকে এগোচ্ছে। সংবাদপত্রটি জানিয়েছে, প্রতিরোধ শক্তি বর্তমানে এমন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করছে, যা আত্মত্যাগমূলক অভিযানের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে। একইসাথে প্রতিরোধ সদস্যরা ইসরাইলি বাহিনীর আরো নিকটবর্তী অবস্থানে সাহসিকতার সাথে পৌঁছাচ্ছে। পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত ও নির্দিষ্ট আক্রমণের বদলে ইসরাইলি বাহিনী এখন গাজার শহরগুলোর কেন্দ্রস্থলে প্রতিরোধের ঘাঁটিগুলো ঘিরে ধরে অবিরাম উপস্থিতি বজায় রাখার কৌশল নিচ্ছে।
তবে এর প্রতিক্রিয়ায় প্রতিরোধ বাহিনী তাদের কৌশল পরিবর্তন করেছে। সম্প্রতি খান ইউনিসে একটি ঘটনা বিশেষভাবে ইসরাইলি বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সেখানে প্রতিরোধ যোদ্ধারা একটি সেনাবাহিনীর গাড়িকে লক্ষ্যবস্তু করে এবং বুলডোজার চালানো অবস্থায় থাকা রিজার্ভ ফার্স্ট সার্জেন্ট আব্রাহাম আজুলাইকে অপহরণের চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত তাকে হত্যা করা হয়। ইসরাইলি নিরাপত্তা মূল্যায়ন অনুসারে, এই ধরনের অপহরণের প্রচেষ্টা আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিরোধ বাহিনী ইসরাইলি সেনাদের মোতায়েন কৌশলে দুর্বলতা খুঁজে বের করে তা কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে। এই প্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি অভিযানের পরে নিয়মিতভাবে পরিস্থিতি মূল্যায়নের পাশাপাশি অপারেশনাল শিক্ষা গ্রহণের বিষয়েও জোর দেয়া হয়েছে, যেন হতাহতের ঘটনা এড়ানো যায় এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায়। তবে প্রতিরোধের বিভিন্ন অপারেশন কৌশল সেনা কমান্ডারদের মধ্যে দ্বিধার জন্ম দিয়েছে। এখন মূল প্রশ্নগুলোর মধ্যে রয়েছে বাসা বাড়িতে অভিযান অব্যাহত রাখা কতটা নিরাপদ, বিস্ফোরক পেতে রাখা এলাকায় প্রবেশের ঝুঁকি কতটা এবং সাঁজোয়া যানগুলো কীভাবে আরো ভালোভাবে সুরক্ষিত রাখা যায়।
ইসরাইলি চ্যানেল ১২-তে সাবেক আইডিএফ অপারেশন প্রধান ইসরাইল জিভ সতর্ক করে বলেছেন, ‘গাজায় গেরিলা যুদ্ধ ভয়াবহ এবং এতে আমাদের সেনাবাহিনীর অর্জন উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছি, যেখানে লক্ষ্যগুলো নিজের মধ্যেই পরস্পরবিরোধী। আমাদের বাহিনী সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না। আর হামাস হিট-অ্যান্ড-রান কৌশল ও বজ্রগতির আক্রমণের মাধ্যমে এ দুর্বলতা কাজে লাগাচ্ছে।’ তিনি আরো সতর্ক করে বলেন, এই যুদ্ধ বছরের পর বছর ধরে চলতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত তা ‘বিজয়ের খালি স্লোগান ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তমূলক ফলাফল’ নাও আনতে পারে। চলতি বছরের মার্চে গাজায় ইসরাইলি অভিযান পুনরায় শুরু হওয়ার পর থেকে অ্যাম্বুশ ও স্নাইপার আক্রমণে কমপক্ষে ৩৮ জন ইসরাইলি সেনা নিহত এবং ৯৮ জন আহত হয়েছে। বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছে ৫০ জন এবং আহত হয়েছে ১১৮ জন। আল-জাজিরা।

শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, চাই দুই রাষ্ট্র সমাধান: জাতিসংঘ মহাসচিব

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চলমান ভয়াবহ মানবিক সংকট ও ইসরাইলের লাগাতার আক্রমণের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস স্পষ্ট করে বলেছেন, শুধু যুদ্ধবিরতি নয় গঠনমূলক রাজনৈতিক সমাধান, বিশেষ করে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান ছাড়া টেকসই শান্তি সম্ভব নয়। তিনি একে মানবাধিকারের প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরেন এবং ৫ মিলিয়ন অধিকারবঞ্চিত মানুষের বাস্তবতাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে’ আখ্যা দেন। গত সোমবার (১৪ জুলাই) এক ভাষণে গুতেরেস বলেন, “যুদ্ধবিরতির পর একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। আর সেই সমাধান কেবল তখনই সম্ভব, যদি ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলিরা উভয়েই তাদের নিজ নিজ রাষ্ট্রে বসবাস ও অধিকার চর্চা করতে পারে।” তিনি আরও জানান, জুলাই মাসে জাতিসংঘ একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে যার মূল লক্ষ্য হবে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান নিয়ে আলোচনার পথ প্রশস্ত করা। গুতেরেস তার বক্তব্যে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “গাজায় এমন মৃত্যু ও ধ্বংস চলছে, যার সাম্প্রতিক সময়ে কোনো তুলনা নেই। সেখানে মানুষের মর্যাদার ন্যূনতম শর্তও লঙ্ঘিত হচ্ছে।” তিনি উল্লেখ করেন, “নিজেদের ভূমিতে বসবাসকারী ৫০ লাখ মানুষ যদি কোনো রাষ্ট্রীয় অধিকার না পায়, তাহলে সেটি আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার শামিল।” তিনি বলেন, “গাজায় আমাদের স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন। কিন্তু সেটি কেবল তখনই কার্যকর হবে, যখন একটি বাস্তবিক ও রাজনৈতিক সমাধানের দিকে অগ্রসর হওয়া যাবে।” তিনি এ সময় দুই রাষ্ট্র সমাধানের ধারণাকে জোরালোভাবে তুলে ধরেন এবং জানান, এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐক্য ও নিষ্ঠা জরুরি। আনাদলু এজেন্সি।

শহীদ দিবস পালন ঠেকাতে কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীকে গৃহবন্দি

ভারত-শাসিত কাশ্মীরে ফের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড শুরু করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। মূলত শহীদ দিবসের অনুষ্ঠান ঠেকাতে শ্রীনগরের গুরুত্বপূর্ণ অনেক রাস্তা ও এলাকাগুলো পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ১৯৩১ সালের উপনিবেশবিরোধী আন্দোলনের সময় শহীদদের স্মরণে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এছাড়া অনুষ্ঠানে যোগদান ঠেকাতে মুখ্যমন্ত্রীসহ কাশ্মীরের প্রধান প্রধান নেতাদের গৃহবন্দি করে রাখে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। গত রোববার (১৩ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, রোববার সকালে শহরের বিভিন্ন স্থানে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়। বিশেষ করে খাজাবাজার এলাকায় প্রবেশ একেবারে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানেই ১৯৩১ সালের আন্দোলনে নিহত ২২ জন কাশ্মীরির কবরস্থান অবস্থিত। শুধু সরকারি বা নিরাপত্তা বাহিনীর যানবাহনকেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।
এদিকে কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ অভিযোগ করেন, তাকে বাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “বাড়ির দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ, পুলিশ আর আধাসামরিক বাহিনী যেন কারারক্ষী।” তিনি আরও বলেন, “শ্রীনগরের বড় বড় সেতুগুলোও বন্ধ। শুধু মানুষকে একটিমাত্র ঐতিহাসিক কবরস্থানে যেতে বাধা দিতেই এ ব্যবস্থা।” এদিকে এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু-কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে দেয়। এরপর থেকে অঞ্চলটির রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার চরমভাবে সীমিত হয়ে পড়ে। আগে প্রতি বছর ১৩ জুলাই ‘কাশ্মীর শহীদ দিবস’ হিসেবে পালিত হতো, যা সরকারি ছুটির দিনও ছিল। এই দিনটি ১৯৩১ সালে ডোগরা শাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত ২২ জন কাশ্মীরি নাগরিক পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার স্মৃতি বহন করে। এ বছর অবশ্য কাশ্মীরের প্রধান রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রশাসনের কাছে কবরস্থানে যাওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি চাইলেও তা বাতিল করে দেওয়া হয়। শ্রীনগর পুলিশ এক্সে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, সব ধরনের জনসমাবেশ ও সমবেত হওয়ার আবেদন নাকচ করা হয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দেয়, “আদেশের যেকোনো ধরনের লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

এবার গাজার উদ্দেশে রওনা দিল মানবিক নৌযান ‘হানডালা’

গাজার ওপর ইসরাইলের দীর্ঘদিনের অবরোধ ভাঙতে আবারও পথে নামল ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন’। মানবিক সহায়তা ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে সংগঠনটি এবার নতুন একটি নৌযান পাঠিয়েছে, যার নাম ‘হানডালা’। এর আগে ‘ম্যাডলিন’ নামের একটি নৌযান আটক করেছিল ইসরাইলি বাহিনী। এবার সেই বাধা উপেক্ষা করে আবারও যাত্রা শুরু হয়েছে গাজার জন্য। গত রোববার (১৩ জুলাই) ইতালির সিরাকুসা বন্দর থেকে ‘হানডালা’ যাত্রা শুরু করে। ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে আমাদের “ম্যাডলিন” নৌযান আন্তর্জাতিক পানিসীমা থেকে জব্দ করে ১২ জন নিরস্ত্র কর্মীকে আটক করেছিল ইসরাইল। কিন্তু বৈশ্বিক সংহতির শক্তিতে আমরা গাজার উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রেখেছি।’ কোয়ালিশন জানিয়েছে, তাদের এ নৌযাত্রার মূল লক্ষ্য গাজার শিশুদের জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংহতি প্রকাশ করা।
সংগঠনটি জানিয়েছে, ঠিক কতজন কর্মী এই যাত্রায় অংশ নিচ্ছেন তা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি, তবে প্রায় ১৮ জন কর্মী অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্সের বামপন্থী রাজনৈতিক দল ‘লা ফ্রঁস ইনসুমিস’-এর দুই সদস্য। এর আগে গত ৬ জুন ইতালির সিসিলি বন্দর থেকে গাজার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল ব্রিটিশ পতাকাবাহী ‘ম্যাডলিন’। কিন্তু ৯ জুন সেটিকে জব্দ করে ইসরাইলি নৌবাহিনী এবং নৌযানের ১২ জন কর্মীকে আটক করে। ফ্লোটিলা কোয়ালিশন জানায়, ইসরাইলের নৌ অবরোধের ফলে গাজার জনগণ চরম মানবিক সংকটে পড়েছে। খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানির তীব্র ঘাটতিতে ভুগছে প্রায় ২৩ লাখ গাজাবাসী। এই পরিস্থিতিতে তাদের লক্ষ্য হলো অবরোধ ভেঙে সরাসরি সহায়তা পৌঁছানো এবং দুনিয়ার সামনে গাজার দুর্দশা তুলে ধরা। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোও ফ্লোটিলার এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়ে বলছে, ইসরাইলের একতরফা অবরোধ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। তারা আরও বলেছে, গাজার জনগণ দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ জীবন যাপন করছে, যেখানে শিশুরাও ন্যূনতম চিকিৎসা ও পুষ্টি থেকে বঞ্চিত। আনাদলু এজেন্সি।

গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

ইরানের সংসদে গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি বাড়ানোর জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব বিপুল ভোটে অনুমোদন করা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী, যদি কেউ শত্রুরাষ্ট্র ও গোষ্ঠীর জন্য কোনো গোয়েন্দা ও গুপ্তচরবৃত্তির কার্যকলাপ এবং অপারেশনাল কার্যক্রমে জড়িত বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে তার শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা যাবে। সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলকে এ শত্রুরাষ্ট্র ও গোষ্ঠী চিহ্নিত করার কর্তৃপক্ষ এবং মিনিস্ট্রি অব ইন্টেলিজেন্সকে শত্রুদের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করার কর্তৃপক্ষ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে প্রস্তাবের মূল বক্তব্যে। সুপ্রিম জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল (যারা শত্রুরাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত) বাদে অন্যান্য শত্রুরাষ্ট্র ও গোষ্ঠীগুলোকে মনোনীত করার ক্ষমতা রয়েছে। এর আগে যে প্রস্তাবটি ছিল তাতে প্রতিপক্ষ রাষ্ট্র বা গোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেয়া হয়নি এবং সংসদে ফেরত পাঠানোর জন্য এ অস্পষ্টতাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল।
সংশোধিত মূল প্রস্তাবের আরেকটি অনুচ্ছেদে জনসাধারণের মধ্যে বিভাজন বা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে শত্রু বা বিদেশি নেটওয়ার্কগুলোয় যারা তথ্য বা ভিডিও পাঠায় তাদের শাস্তি নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এই কর্মকাণ্ডগুলো এখন থেকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। একইসাথে এর জন্য কারাদণ্ড এবং সরকারি ও জনসেবা থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করার শাস্তি নির্ধারন করা হয়েছে। চূড়ান্ত প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য কোনো সাজার বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। আর সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা যাবে। এ প্রস্তাবটি এমন এক সময়ে পাস করা হয়েছিল যখন ইরানে ইসরাইলি হামলার প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত অসংখ্য প্রতিবেদনে ইরানি ভূখণ্ডের ভেতরে ব্যাপক গোয়েন্দা তথ্যের অনুপ্রবেশ চিহ্নিত করা হয়েছিল। বিলটি সংসদে পাস হওয়ার পর ইরানের বেশ কয়েকজন আইনজীবী সমালোচনা করেছেন। জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার-বিষয়ক বিশেষ দূত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিবিসি।

প্রথমবারের মতো সরাসরি ফ্লাইট চালু হচ্ছে রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার মধ্যে

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক ও পরিবহন সংযোগ জোরদারের অংশ হিসেবে এবার চালু হতে যাচ্ছে দুই দেশের রাজধানীর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট। এই পদক্ষেপকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ এর মাধ্যমে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে, বিশেষ করে রেলপথ পুনরায় চালুর পরপরই বিমান সংযোগ প্রতিষ্ঠা পেল। গত সোমবার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে আনাদলু এজেন্সি। আগামী ২৭ জুলাই থেকে রাশিয়ার রাজধানী মস্কো ও উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হবে। আনাদলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে সোমবার (১৪ জুলাই) জানানো হয়েছে, রাশিয়ার নর্ডউইন্ড এয়ারলাইন্স প্রতি মাসে একবার এ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। প্রায় আট ঘণ্টার এ ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী পরিবহন আরও সহজ হবে। সম্প্রতি রাশিয়ার রোসাভিয়াতসিয়া সংস্থা এ নিয়মিত ফ্লাইট চালুর অনুমোদন দেওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবারই প্রথম দুই দেশের রাজধানীর মধ্যে সরাসরি বিমান সংযোগ চালু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কমসংখ্যক ফ্লাইট চালু করা হলেও ভবিষ্যতে যাত্রী চাহিদা অনুযায়ী এ রুটকে স্থিতিশীল করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি মূলত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নেরই অংশ। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেন, এর আগে রেল সংযোগ পুনরায় চালুর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ জোরদার করা হয়েছিল। এবার বিমান সংযোগ চালু হওয়ায় মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে যোগাযোগ আরও প্রসারিত হবে। আনাদোলু এজেন্সি। গ্রন্থনা ও সম্পাদনা : আবদুল কাইউম খান