সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই : ডা. শফিকুর রহমান


১৩ জুন ২০২৫ ০০:২৮

গত ৯ মে সোমবার বড়লেখা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকল ধর্মাবলম্বীদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আজকের এ আয়োজনটা আসলে একটা ভিন্ন মোড়কে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম বাংলাদেশের প্রধান চার ধর্মের লোক আমরা এখানে সমবেত হয়েছি। এটি একটি ফুলের বাগান। আমরা সকলেই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেছি; জন্মসূত্রে আমরা সকলেই প্রিয় দেশের নন্দিত ও মর্যাদাবান নাগরিক। আমাদের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান-মুসলমান এ চার ধর্মের অনুসারী মিলেই আমাদের এ বাংলাদেশ। সকল ধর্মের মানুষ নিয়ে মিলেমিশে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে বিভেদের কোনো দেয়াল থাকবে না।”
বড়লেখা উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে ৯ মে সোমবার বিকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকল ধর্মাবলম্বীদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীরে জামায়াত এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, তিনি ৮ জুন রোববার রাতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের কাঁঠালতলী বাজারে মতবিনিময়, গত ৯ জুন সোমবার দুপুর ১২টায় বড়লেখা উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে বড়লেখা বাজারে ঈদ পুনর্মিলনীতে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির আলোকে প্রতিবেদনটি পত্রস্থ করা হলো।
সকল ধর্মাবলম্বীদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আমীরে জামায়াত আরও বলেন, আপনারা অনেকেই অভিযোগের সুরে বলেছেন যে, ‘৫ আগস্টের আগে আমাদেরকে নিয়ে আপনারা কখনই বসেননি; আমরাও যাইনি। আমরা সব সময় আওয়ামী লীগে ভোট দেই- এই ধারণা থেকে আমাদেরকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল।’ এ অভিযোগের সূত্র ধরে আমীরে জামায়াত বলেন, শুধু আপনারা নন, ৫ আগস্টের আগে তো আমার মা-ও আমাকে পায়নি, আমার বাবাও আমাকে পায়নি, আমার স্ত্রী-সন্তানরাও আমাকে পায়নি। এটা শুধু আমার কথা বলছি না, আমাদের কথা বলছি। ৫ আগস্টের আগে আমাদের স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে দেওয়া হয়নি। আমি চোর-ডাকাত নই, দখলদার নই, চাঁদাবাজ নই, খুনি কিংবা সন্ত্রাসীও নই। তা সত্ত্বেও আমাকে কেন কয়েকবার জেলে রাখা হলো? এটা শুধু আমার ব্যাপারে না, এ ধরনের ঘটনা লক্ষ লক্ষ রয়েছে। আমাদেরকে সমাজের মানুষের সুখ-দুঃখ, ব্যথা-বেদনার অংশীদার হতে দেওয়া হয়নি। তারপরও যেখানে খবর পেয়েছি সারা বাংলাদেশে দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।
তিনি বলেন, “কিছুদিন আগে বরগুনায় পঞ্চম শ্রেণির একটি মেয়ের ইজ্জত নষ্ট করা হয়েছে। মেয়েটির বাবা থানায় মামলা করেছিলেন। লম্পটরা মামলা করার কারণে তার বাপকেও খুন করল। তিনি সনাতন ধর্মের অতি সাধারণ একজন মানুষ; মুরগি বিক্রির দোকানে চাকরি করতেন। এ দিয়ে তার ছোট্ট সংসারটি চলত। তিনটা মেয়ের মধ্যে নির্যাতিত মেয়েটি বড়। কোলের শিশুটির বয়স মাত্র আড়াই মাস। আমি সেখানে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের পাশে কারা কারা দাঁড়িয়েছেন? তারা বললেন, ডিসি সাহেব একজনের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। জিজ্ঞেস করলাম, আর কিছু কি তারা বলেছে? জবাব পেলাম, মামলাটা তারা দেখবেন। জিজ্ঞেস করলাম, এখন আপনারা চলবেন কীভাবে? তিনি বললেন, পরিবারের একমাত্র অভিভাবক মারা গেছেন; এই পরিবারে এখন আর কোনো পুরুষ সদস্য নেই। পরিবারটিতে এখন বিধবা স্ত্রী, আর তিনটা এতিম মেয়ে। মহিলাটি তখন কেঁদে কেঁদে প্রায় বেহুশ হওয়ার উপক্রম। সে হাউ মাউ করে বলল যে, আমরা এখন বাঁচব কী করে? কী খাব? কারা আমাদেরকে খাবার দেবে? আমাদের সংসারের একমাত্র বাতি সে তো নিভেই গেল। আমি তখন আড়াই মাসের বাচ্চাটিকে কোলে তুলে নিয়ে বলেছিলাম- এ বাচ্চাটির দায়-দায়িত্ব আল্লাহর উপর ভরসা করে আমরা নিলাম। আজ পর্যন্ত আমাদের সংগঠন আল্লাহর অপার মেহেরবানিতে প্রতি মাসে এ অসহায় পরিবারটির আর্থিক ভরণ-পোষণ দিয়ে যাচ্ছে।”
বড়লেখা উপজেলা জামায়াতের আমীর এমাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আব্দুল বাছিতের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী, মৌলভীবাজার-১ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান, ঢাকার পল্টন থানা আমীর শাহিন আহমদ খান। উপজেলা নায়েবে আমীর আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল মুহাইমিন, মো. কামাল উদ্দিন প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বড়লেখা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার পাল, সহ-সাধারণ সম্পাদক স্বপন চক্রবর্তী, সহ-সাধারণ সম্পাদক গীতেশ চন্দ্র দাস, কোষাধ্যক্ষ মুক্তাসান বিশ্বাস ও হ্যাডম্যান কেমেডি সুমের। অনুষ্ঠান শেষে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত সকলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষনেতাকে অতি কাছে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হন।
সাড়ে ১৫ বছরে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ করতে পারেনি
– ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “গত ০৫ আগস্টের পরিবর্তনের পর মাস জুড়ে যেখানে গিয়েই সালাম দিয়েছি, সবাই উত্তরে বলেছে ‘ঈদ মোবারক’। এটি একটি বড় পরিবর্তনের বার্তা। অথচ গত সাড়ে ১৫ বছরে ৩২টি ঈদ চলে গেছে, কিন্তু দেশের মানুষ শান্তি ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ করতে পারেনি।”
৮ জুন রোববার রাতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের কাঁঠালতলী বাজারে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, “সাড়ে ১৫ বছরে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নষ্ট হয়েছে, দেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দুর্নীতির কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যত ধ্বংসপ্রাপ্ত।”
ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন, আমরা অতীত এবং বর্তমান বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেব ইনশাআল্লাহ। এ বাংলাদেশ দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত হোক- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক সভাপতি মাওলানা মারুফ আহমদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি হাফেজ আবু সুফিয়ানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগরের আমীর মো. ফখরুল ইসলাম, মৌলভীবাজার জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মো. ইয়ামির আলী, সাবেক সেক্রেটারি খন্দকার আব্দুস সুবহান, ঢাকার পল্টন থানা আমীর শাহীন আহমদ খান, মৌলভীবাজার পৌর আমীর হাফেজ তাজুল ইসলাম, কুলাউড়া উপজেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল মুন্তাজিম, সাবেক আমীর আব্দুল হামিদ খান, বর্তমান সেক্রেটারি বেলাল আহমদ চৌধুরী, জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, উপজেলা মজলিসে শূরা সদস্য রাজানুর রহিম ইফতেখার, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম খান ও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, কর্মপরিষদ সদস্য তরিকুল ইসলাম খান, সাবেক উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিক উদ্দিন ও কর্মধা ইউনিয়ন জামায়াতের সহ-সভাপতি সালেক আহমদ প্রমুখ।
তরুণ ও প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “নির্বাচনী সিডিউলের আগে যেসব তরুণদের বয়স হবে ও প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তাদেরকে রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলবেন আর নাগরিকত্বের প্রথম অধিকার ভোট দিতে দিবেন না এটা হবে না। আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তারা যেন বিদেশ থেকে স্বচ্ছতা এবং স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।” সোমবার ০৯ জুন দুপুর ১২টায় বড়লেখা উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে বড়লেখা বাজারে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীরে জামায়াত এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “সাড়ে ১৫ বছর যারা জাতির ওপর জুলুম করলো এখনো তারা তা অব্যাহত রেখেছে। মাঝেমধ্যে তারা দেশের সবকিছু তছনছ করে দেওয়ার হুমকি দেয়। জাতিকে তারা অস্থির করতে চায়। আড়াই বছরের শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত খুন করলো। এতো কিছুর পরও তারা অনুশোচনা করে না, জাতির কাছে মাফ চায় না এবং লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয় না।
তিনি যুবকদের উদ্দেশে বলেন, আমি যুবকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই তোমাদের নেতৃত্বের হাত ধরে বাংলাদেশে পরিবর্তন এসেছে। সাড়ে ১৫ বছর জালিমের জাঁতাকলে অতিষ্ঠ হয়েছি, প্রতিবাদ করেছি, আন্দোলন করেছি, ফ্যাসিবাদীদের আমরা বিদায় করতে পারি নাই। তোমরাই সফল হয়ছো। আমরা একটা বিশৃঙ্খল বাংলাদেশ দেখতে চাইনা, মানবিক বাংলাদেশ দেখে যেতে চাই। জাতি আশা করে আগামী দিনে সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে তোমরা আরও সাহসী ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, সাড়ে ১৫ বছর তোমরা ভোট দিতে পারো নাই। এখনো যাদের বয়স হয় নাই কিন্তু ভোটের আগে যাদের বয়স হয়ে যাবে, সরকারের কাছে অনুরোধ; যাদের বয়স নির্বাচনের সিডিউলের আগে ১৮ বছর হয়ে যাবে তাদের ভোটাধিকার অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। যুবকরা লড়াই করে অধিকার ফিরিয়ে এনেছে এবং ভোটাধিকার তাদের প্রাপ্য।
তিনি আরও বলেন, এবারের ভোটে কেউ যদি কালো ও পেশিশক্তি দেখায় তাহলে জুলাইতে যেভাবে কালো শক্তিদের বিতাড়িত করা হয়েছে সেই পরিণতি তাদেরও ভোগ করতে হবে। এবারের ভোটের লড়াইয়ে যুবকদের নেতৃত্ব দিতে হবে।
নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা প্রধান উপদেষ্টার কথায় আস্থা রাখতে চাই। তিনি ইতোমধ্যে বলেছেন এপ্রিলের মধ্যখানে নির্বাচন দিবেন। তিনি যেন জাতিকে দেয়া তার ওয়াদা রক্ষা করেন। আমরা বলেছিলাম নির্বাচন রমজানের আগে হলে ভালো হয়। একান্ত কোনো কারণে নির্বাচন পেছালে সেটি অবশ্যই এপ্রিল মাস অতিক্রম করা উচিত নয়। এই নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয়, জনগণ যাতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে; সেই ব্যবস্থা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।
শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে। এ শিক্ষা নৈতিক চরিত্রের অধিকারী বানায় না। শিক্ষা অর্জনের পর ফাইল নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও চাকরি পাওয়া যায়না। এ শিক্ষাব্যবস্থাকে বদলে দিতে হবে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে প্রথমে শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনবে। শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে। শিক্ষা অর্জন করে একজন লোকও বেকার থাকবে না।”
বড়লেখা উপজেলা জামায়াতের আমীর এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আব্দুল বাছিতের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুর রহমান, সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী, মৌলভীবাজার-১ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, ঢাকা পল্টন থানা আমীর শাহিন আহমদ খান, ড. আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু, সিলেট মহানগর শিবিরের সভাপতি শরীফ মাহমুদ, খেলাফত মজলিস উপজেলা সভাপতি মাওলানা এনামুল হক, মৌলভীবাজার শহর শিবিরের সভাপতি তারেক আজিজ, জেলা সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সাবেক ছাত্রনেতা ডক্টর আব্দুল ওয়াদুদ টিপু, উপজেলা নায়েবে আমীর আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন, হুমায়ুন কবির সাজু প্রমুখ।
ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শেষে আমীরে জামায়াত বড়লেখা উপজেলায় ঈদের দিন কুরবানির গোশত বিতরণ করতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত দুই ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে তাদের পিতা আলাউদ্দিন আলাী মিয়াকে সান্ত্বনা দেন ও উপস্থিত সকলকে নিয়ে তাদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।