চাঙ্গা হয়ে উঠছে অর্থনীতি
২৭ মার্চ ২০২৫ ১৬:১০
॥ উসমান ফারুক॥
লণ্ডভণ্ড করে রেখে যাওয়া অর্থনীতির ক্ষতগুলো সেরে ওঠার পর ইসলামের রোজা ও ঈদকে কেন্দ্র করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে। মন্দার কবল থেকে মাত্র আট মাসের চেষ্টায় অর্থনীতিকে গুছিয়ে শৃঙ্খলায় আনার কাজটি মোটেও সহজ ছিল না। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের চেষ্টায় অতিদ্রুত ক্ষতগুলো চিহ্নিত করে মেরামতের কাজটি শুরু করেছে ছাত্র-জনতার বিপ্লবে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অপচয় বন্ধ, বিদেশি ঋণের নির্ভরতা কমিয়ে আনতে প্রকল্পে কাটছাঁট, অর্থপাচার বন্ধ, পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, হুন্ডি বন্ধ করা ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স রেকর্ড প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় অর্থনীতিতে প্রাণ ফিরে এসেছে। অন্যদিকে পণ্য বাজারে সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় চাঁদবাজি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারার সুুফল পেয়েছে সাধারণ মানুষ। যার ফলে গত বছরের তুলনায় প্রতি ডলারে ১০ টাকা বেশি দিয়ে পণ্য আমদানি করলেও এবার পবিত্র রমজান মাসে কোনো পণ্যের দাম বাড়েনি। উল্টো দাম কমেছে সব পণ্যের। আর্থিক সক্ষমতা বাড়ায় প্রথমবারের মতো কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই পোশাক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগে ঘুরে দাঁড়ানোর অর্থনীতিতে দুর্বার গতি আনে পবিত্র রমজান। রমজান ও ঈদের লেনদেনে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আর্থিক কর্মকাণ্ডে।
রোজা অর্থনীতিতে রহমত নিয়ে এসেছে
মুসলিম বিশ্বে রোজার সওগাত ব্যক্তি জীবনে যেমন প্রভাব ফেলে, তেমনি দেশের অর্থনীতিতে পৃথক এক ধরনের প্রাণচাঞ্চল্যের জন্ম দেয়। পৃথিবীর আর কোনো মতাদর্শে বা উৎসবে এত পরিমাণ আর্থিক কর্মকাণ্ডের জন্ম দিতে পারেনি। অন্যকে সহযোগিতা ও আরেকজনের প্রিয় হতে গিয়ে খাবার থেকে শুরু করে আর্থিক সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করে দেয় ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা। মাসের পুরোটা সময় চলে এ তৎপরতা। আর রোজা শেষে ঈদকে কেন্দ্র করে পোশাক খাত সংশ্লিষ্টদের কেনাবেচা জমে ওঠে।
সেমাই, আতর-টুপি, নতুন জামাকাপড়, যাকাত, ফিতরা ও খাবার নিয়ে অর্থনীতিতে সব পেশা ও শ্রেণির মানুষের সম্পৃক্ততা বেড়ে যায়। এতে টাকার হাতবদল হয় দ্রুত। একজন আয় করেই তা প্রয়োজন পূরণে খরচ করে ফেলে। উৎসবকে কেন্দ্র করে বাড়তি খরচ করে সবাই। এভাবেই প্রাণ ফিরে পায় দেশের অর্থনীতি। রোজা শেষের দুই মাস পরই কুরবানির ঈদ। সেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন খামারিরা। এভাবে ঈদকে কেন্দ্র করেই তিন মাসের বেশি সময় সচল থাকবে দেশের অর্থনীতি।
টাকার হাতবদল বেশি
প্রায় ৯০ শতাংশ মুসলিমের দেশে এ সময় অর্থনীতিতে এক ধরনের ঝড় বয়ে যায় টাকার হাতবদলে। সওয়াবের আশায় সচ্ছলরা টাকা-পয়সা বিলানোর পাশাপাশি খাদ্যদ্রব্য নিয়ে অন্যের পাশে দাঁড়ায়। এতে অর্থনীতিতে একটি ঘূর্ণিপাকের তৈরি হয়, যা পৃথিবীর আর কোনো উৎসবকে ঘিরে হয় না। শুধু ঈদকে কেন্দ্র করেই ২০ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকার কেনাকাটা হয়। অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বাংলাদেশের ঈদ অর্থনীতির আকার প্রায় ৭৫ হাজার থেকে এক লাখ কোটি টাকার। এ পরিমাণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আর কখনোই হয় না। এতে অর্থনীতিতে যে প্রাণ চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়, তাতেই গতি পেয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি।
হাঙ্গামা ছাড়াই পোশাক খাতে বেতন হলো সর্বপ্রথম
অর্থনীতি স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে কিনা, তা বোঝার একটি সূচক হলো শ্রমিকদের বেতন-ভাতা যথা সময়ে পরিশোধ করা হয়েছে কিনা, তা দেখলে বোঝা যায়। স্বাধীনতার পর দেশে প্রথমবার ঈদ বেতন-ভাতা যথাসময়ে কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই পরিশোধ হয়েছে। সরকারের ত্বরিৎ ও শক্ত পদক্ষেপের কারণে কারখানা মালিকরা নির্দিষ্ট সময়ে বেতন-ভাতা পরিশোধ করেছে।
গত বছরও ঈদের সময়ে বকেয়া পাওনা চাইতে সড়কে নামতে হয়েছিল শ্রমিকদের। রোজার শেষের দিকে ও ঈদের আগে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের বেতন ও ঈদ ভাতার জন্য সড়ক বন্ধ করে আন্দোলনে নামার চিত্র দেশ ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেখা গিয়েছে গত বছরও। এবার কারখানা মালিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে কড়া নির্দেশনা দেওয়ার পাশাপাশি রপ্তানি আয়ের বিপরীতে প্রণোদনা বাবদ দুই হাজার ২০০ কোটি টাকা দ্রুত ছাড় করেছে সরকার।
এতে টাকার সংকট দূর হওয়ায় কারখানা মালিকরা যথাসময়ে বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পেরেছে। ঈদের এক সপ্তাহ আগেই ৯০ শতাংশ কারখানায় বেতন-ভাতা পরিশোধ হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, এবার শ্রমিকরা দাবি করেছিলেন, চলতি মার্চ মাসের বেতনের একটি অংশ দেয়ার। সরকার সেই দাবিও পূরণ করেছে। সাধারণত প্রতি মাসের ৭ থেকে ১০ তারিখে সবার বেতন হয়। এবার সেই সময়ে ছুটি থাকায় মার্চ মাসের বেতনের একটি অংশও পরিশোধ করতে বলেছিল শ্রমিকরা। সেই দাবিও মেনে নেয়ায় কারখানা মলিকারা তা পরিশোধ করেছে। অর্থনৈতিক সক্ষমতা না থাকলে কারখানা মালিকরা বিশাল এ অঙ্কের বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হতো না।
প্রবাসী আয়ে রেকর্ড
দুঃসময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি; বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির হাল ধরেছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। আওয়ামী দুঃশাসনের সময়ে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স চলে যেত হুন্ডিতে। এতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় লোকসানের পাশাপাশি অর্থপাচারে ব্যবহৃত হতো রেমিট্যান্স। সে কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকটে পড়ে যায়।
সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরে অর্থ পাচার বন্ধ হলে দেশ গড়তে এগিয়ে আসেন প্রবাসীরা। গত ৮ মাসে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা রেমিট্যান্স পবিত্র রমজান মাস ও ঈদকে ঘিরে প্রবাসীরা রেকর্ড অঙ্ক পাঠিয়েছেন দেশে। মার্চ মাসের ২৫ দিনে আড়াই বিলিয়ন ডলার বা আড়াইশ কোটি ডলার দেশে এসেছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এবার রেমিট্যান্সপ্রবাহ সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি চলে যাবে।
এখন পর্যন্ত একক মাসে স্বাধীনতার পরে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে চলতি মার্চ মাসে। এর আগে করোনা মহামারির সময়ে একক মাসে আড়াই বিলিয়ন ডলার দেশে এসেছিল। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন প্রবাসীরা।
দেশে পাঠানো প্রবাসী আয়ের সিংহভাগ চলে যায় গ্রামে। একসময়ে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড হয়ে উওা রেমিট্যান্স এখন বাংলাদেশের অর্থনীতির সার্বিক অর্থনীতির চালক হয়ে উঠেছে। এ রেমিট্যান্সের কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট থেকে ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠছে। গত বছরে যেখানে ডলার সংকটে পণ্য আমদানিতে কড়াকড়ি করতে হয়েছিল, এবার সেই লাগাম তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কিস্তি ছাড়াই ২০ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ সংরক্ষণ করতে পেরেছে সবরকমের দায়দেনা মিটিয়ে।
শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া বিদেশি ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে বাংলাদেশ বিদেশি ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে বেশি করে। মূলত টাকার বিনিময় হার ধরে রাখা, বাজেট ঘাটতি কমিয়ে আনা, রিজার্ভ বাড়ানো ও অপচয় রোধ করতে বিদেশি ঋণের প্রকল্প কমিয়ে আনতে শুরু করেছে। এ কারণে গত ৮ মাসে বিদেশি ঋণের ছাড় কমেছে।
তবে ঋণের কিস্তি পরিশোধের অঙ্ক বেড়েছে। দুর্নীতিবাজ আওয়ামী সরকারের লুটপাটের প্রকল্পের সেই ঋণ এখন শোধ করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। সেই অর্থের জোগান দিতে খরচও বেড়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি সময়ে উন্নয়ন প্রকল্পে বিদেশি অর্থায়নের পরিমাণ কমেছে ১৭ শতাংশের বেশি। অপরদিকে এ সময়ে পুরনো ঋণের পরিশোধ বেড়েছে ৩০ শতাংশের মতো। গত ৮ মাসে প্রকল্প ঋণ ও অনুদান বাবদ বিদেশি অর্থছাড় হয়েছে ৪১৩ কোটি ৪৪ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৯৯ কোটি ৭৫ লাখ ডলার বা ১৭ দশমিক ২৭ শতাংশ কম।
সরকারের বিদেশি ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কমলেও পুরনো ঋণ পরিশোধ প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ২৬৩ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। স্থানীয় মুদ্রায় তা ৩১ হাজার ৬৫৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা। পরিশোধিত অর্থের মধ্যে আসল হিসাবে ১৬৯ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং সুদ ব্যয় ছিল ৯৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের ৮ মাসে সরকারের বৈদেশিক দায় পরিশোধ ছিল ২০৩ কোটি ডলার, স্থানীয় মুদ্রায় যা ২২ হাজার ৩২৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
অন্যদিকে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার ঋণ দেওয়ার আগ্রহ দেখালেও ঋণ চুক্তি হয়েছে কম। গত ৮ মাসে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে অর্থ ছাড়ে চুক্তি হয় ২৩৫ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের। এখনো চুক্তির অপেক্ষায় (পাইপলাইনে) রয়েছে ৯ বিলিয়ন ১৬ কোটি বা ৯১৬ কোটি ২০ লাখ ডলার। বিদেশি ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বেড়েছে শুধু প্রবাসী আয় বেড়ে যাওয়ায়। নইলে বিদেশি ঋণ পরিশোধে নতুন করে ঋণ করতে হতো বাজেট সহায়তার নামে। তাতে টাকার মান আরো পড়ে যেত ডলারের বিপরীতে।
অর্থ পাচারে ১০০ বছর পিছিয়ে দেশ
গত ১৬ বছরের দুঃশাসনে অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ক্ষতটি ছিল অর্থ পাচার। আওয়ামী লীগের ছোট থেকে শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা দেশ থেকে অর্থ পাচার করার সঙ্গে জড়িত ছিল। হুন্ডি ও ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করে এসব অর্থ পাচার করা হয়। গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে অর্থ পাচার ও পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে করণীয় বিষয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ সম্পর্কে একটি ধারণাপত্র তুলে ধরেন।
তাতে দেখা যায়, গত ১৬ বছরে দেশ থেকে ৭০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ পাচর করেছে আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা। এটি প্রকৃত চিত্র নয়। অর্থ পাচারের সুর্নিষ্ট পরিমাণ জানতে আরো অপেক্ষা করতে হবে বাংলাদেশকে। প্রাথমিক যে তথ্য পাওয়া যায়, তাতে দেশ থেকে ৮৫ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। এটি বাংলাদেশের ১২ বছরের বাজেটের সমান। এ টাকা দিয়ে অনায়াসে বাংলাদেশ এক যুগের বেশি সময় চলতে পারত।
যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিবিদদের মতে, পাচার হওয়া অর্থ দেশের জনগণের দেওয়া ১০০ বছরের করের সমান। অর্থাৎ আগামী ১০০ বছর জনগণকে করের চাপ বইতে হবে এ পরিমাণ অর্থের ঘাটতি পূরণে। এতে বাংলাদেশ একশ বছর পিছিয়ে গেছে। দেশ থেকে অর্থ পাচার না হলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধা পেত সর্বস্তরের জনগণ। এখন আগামী একশ বছর অতিরিক্ত করের বোঝা বইতে হবে বাংলাদেশের সব শ্রেণির জনগণকে। একারণে সরকারকে আগামীতে অনেক খাতেই কর বাড়াতে হবে। যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে মধ্যবিত্ত শ্রেণির ওপর।
অর্থনীতিবিদ, বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিকরা পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, আর্থিক সংস্কারের রূপরেখা প্রণয়ন করা উচিত আগামী বাজেট প্রস্তাবনায়। সেই সংস্কার করতে কতটা সময় লাগবে ও এর প্রভাব কী হতে পারে অর্থনীতিতে এবং এর ফলে জনগণের কী কী সুবিধা বাড়বে, তার আগাম ধারণা দিতে পারে সরকার। অর্থ পাচার ও আর্থিক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের নাম প্রকাশ করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা। ব্যক্তি ও গ্রুপের সম্পত্তি ক্রোক করে রাষ্ট্রের অনুকূলে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া। পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় সিন্ডিকেট যেন পুনরায় ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য সবগুলো ধাপ অটোমোশন করা। আর্থিক খাতের চিত্র সময়ে সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করা। যাতে জনগণ সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারে।