বিএনপির প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিতে অফিস খুলছে আ’লীগ

প্রিন্ট ভার্সন
৫ মার্চ ২০২৬ ২০:২৬

পঞ্চগড়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয়ের তালা খুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি, সদর উপজেলার চাকলাহাট বাজারে উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটির একটি ভিডিয়ো ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে- ছবি ইন্টারনেট

॥ এম. গজনবী ॥
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হঠাৎ করেই কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের বন্ধ অফিস খোলার ঘটনা ঘটছে। দলটির অল্পসংখ্যক নেতাকর্মী তড়িঘড়ি করে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা পর্যায়ের অন্তত ২০টি তালাবদ্ধ অফিস খুলে দিয়েছে। ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে অফিসের তালা খুলে ফ্যাসিস্ট হাসিনার ছবিসংবলিত ব্যানার টাঙিয়ে দিয়েছে। নির্বাচনের পরদিন ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম আওয়ামী লীগের অফিস খোলার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির স্থানীয় নেতারা পতিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ১৮ মাস বন্ধ থাকা অফিসের তালা খুলে দেন। শেখ হাসিনার নামে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে অফিস তালা দিয়ে তারা চলে যান। সরকারের নির্বাহী আদেশে অধ্যাদেশ জারি করে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয় অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। দল নিষিদ্ধ হওয়ায় রাজধানী ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয় ছাত্র-জনতা ভাঙচুর করে তালাবদ্ধ করে রাখে। এছাড়া সারা দেশে বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কয়েক হাজার অফিস একইভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু অফিস আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী নিজেরাই বন্ধ করে পালিয়ে গেছে। ১৭-১৮ মাস ধরে অফিসগুলো বন্ধ। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর অনেকটা হঠাৎ করেই ঠাকুরগাঁও, খুলনা, দিনাজপুরসহ অন্তত ২০টি জেলা উপজেলায় আওয়ামী লীগে বন্ধ অফিসের তালা খোলা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনায় এটাই প্রতীয়মান যে সদ্য ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিতে আওয়ামী লীগের বন্ধ অফিস খুলে দেওয়া হয়। তা না হলে প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্নস্থানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিস খোলার ঘটনা ঘটবে কেন? এ ব্যাপারে সরকারি তরফের এখনো কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অফিস খোলার খবর পেয়ে দুয়েক জায়গায় পুলিশ গিয়ে অফিস বন্ধ করে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। প্রশ্ন উঠেছে বিএনপির ইঙ্গিতই যদি না থাকবে, তবে কোন সাহসে নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় অফিস খুলল? অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তো তারা অফিসের কাছেও যেতে সাহস পায়নি। মাঝেমধ্যে ঝটিকা মিছিল করলেও পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তাদের গ্রেফতার করেছে।
তালা খুলছে বন্ধ অফিসের : ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন ঘটে। শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। দলটির কয়েকশ’ নেতা পাতি নেতা ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যান। যারা দেশে তারা সকলেই আত্মগোপনে আছেন। যে কারণে তাদের দলীয় অফিস এমনিতেই বন্ধ হয়ে যায়। আবার কিছু অফিস জুলাইযোদ্ধারা বন্ধ করে দিয়েছে। বিক্ষুব্ধ জনতা অনেক অফিস ভাঙচুর করে জ¦ালিয়ে দিয়েছে। ফলে আওয়ামী লীগের অফিসগুলো ১৭-১৮ মাস ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার আইনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সমস্ত রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের অফিস খোলা বেআইনি। এই বেআইনি কাজটি করেছে একটি বৈধ নির্বাচিত সরকারের আমলে। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও, খুলনা, জামালপুর, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, নোয়াখালী, নওগাঁ, বরগুনা, হবিগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মধুপুর, বেতাগীসহ আনুমানিক ২০টি জেলা উপজেলায় আওয়ামী লীগের অফিস খোলার ঘটনা ঘটেছে। জেলা ও মহানগর পর্যায়ে প্রায় ১২টি অফিস খোলা হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭-৮টি অফিস খোলা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত অন্তত ২০টির মতো অফিস খোলা হয়েছে। রাজবাড়ী জেলা অফিসে দলীয় ও জাতীয় পতাকা ও ব্যানার, বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা অফিসের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও নোয়াখালী জেলা অফিসের সামনে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। দলটির নেতাকর্মীরা বলেছেন, সরকার বেআইনিভাবে দল নিষিদ্ধ এবং অফিস বন্ধ করে দিয়েছে। তারা অফিস খুলে দেওয়ার দাবি জানান।
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন কর্মীর সঙ্গে কথা বললে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, যত বাধা আসুক না কেন, দেশের সকল অফিস আমরা খুলবো। পুলিশ বাধা দিলে সংঘাত বাধলে এর দায়দায়িত্ব সরকারের ওপর বর্তাবে। তারা বলেন, বিদেশে থাকা নেতাদের নির্দেশনা মোতাবেক অফিস খোলা হচ্ছে। নিয়মিত অফিস খোলা রাখতে না পারলেও মাঝেমধ্যে খোলা হবে। অফিসে বসার মতো কোনো পরিবেশ নেই। জ¦ালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় অফিস খোলা হবে। একই সঙ্গে পর্যায়ক্রমে যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের অফিসও খোলা হবে।
গোপনে আন্দোলনের প্রস্তুতি : ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাধা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের। ভারতে পলাতক থেকে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা এমন পরিকল্পনা আঁটলেও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরামর্শে সে পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন। ওপার (ভারত) থেকে নির্দেশ এলো নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে রাজনীতি করার পরিবেশ তৈরি হবে। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচনের পরের দিন থেকেই আওয়ামী লীগের দলীয় অফিস খোলা শুরু হয়েছে। এ খবরটি দিয়েছে একটি দায়িত্বশীল সূত্র। সূত্র বলেছে, দলীয় অফিস খোলার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সংগঠিত করে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। মূলত আন্দোলন ছাত্রলীগকে দিয়েই শুরু করা হবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছাত্রলীগ গোপনে সংগঠিত হবে। তাদের সংগঠিত হতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হবে না। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলবে। এটা করতে গিয়ে রাজপথে দাঁড়ানোর অবস্থা তৈরি হবে। তারপর পরিস্থিতি বুঝে সংগঠনের ব্যানারে রাজপথে নেমে পড়বে। এমন গোপন পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগোচ্ছে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ।
দায়িত্বশীল সূত্রটি আরো জানিয়েছে, আওয়ামী লীগে ৭৪টি সাংগঠনিক জেলা। পতনের আগে অর্থাৎ ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকাকালে ৫০টি সাংগঠনিক জেলাতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ছিল না। তখন থেকেই দল অসংগঠিত অবস্থায় ছিল। ফলে নেতাকর্মীরা ক্ষমতার জোরে সারা দেশে দখলের রাজত্ব কয়েম করেছিল। ২০২৪-এর ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর দল আরো অসংগঠিত হয়ে পড়ে। গত ১৮ মাসে নেতাকর্মীরা পলাতক থাকায় দলটির অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার পথে। এ অবস্থায় গোপনে মিশন শুরু হয়েছে ফের পুনর্বাসিত হওয়ার আন্দোলন।
আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন নড়াইল জেলার একজন সংস্কৃতি কর্মীর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গোপনে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে বলে আমরা বিভিন্ন সূত্র থেকে জানতে পেরেছি। তার আগে তারা দলীয় কার্যালয় খোলার কাজটি দিয়ে শুরু করতে চাচ্ছে। আমার ধারণা, বিভিন্ন সময় বিচ্ছিন্নভাবে অফিস খুললেও তা কার্যকর করতে পারবে বলে মনে হয় না। কারণ আওয়ামী লীগ যত বড় দলই হোক না কেন, সেটি এখন নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ আদেশ প্রত্যাহার না করা হলে কোনোভাবেই অফিস খুলতে পারে না। খুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘাত বাধবে। সরকার আওয়ামী লীগ কতটুকু ছাড় দেবে বা আদৌ ছাড় দেবে কিনা, তা আপাতত বোঝা যাচ্ছে না। কারণ সংসদে শক্তিশীল বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামী রয়েছে। তারা বেআইনি কাজে সমর্থন জানাবে বলে মনে হয় না। তবুও এটা ঠিক যে আওয়ামী লীগ গোপনে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
নির্বিকার সরকার : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের বয়স আধা মাসের একটু বেশি। সরকারের পায়ের নিচের মাটি এখনো নরম। প্রশাসন ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছে। এজন্য প্রশাসনের বিভিন্নস্তরে রদবদলের কাজটি জোরেশোরে চলছে। পুলিশ থেকে শুরু করে প্রশাসনের সব জায়গায় বিএনপি ঘরানার লোক বসানোর চেষ্টা চলছে। প্রশাসনে আওয়ামী ঘরানার কর্মকর্তাও আছেন। যারা সরকার বদলের পর ঘাপটি মেরে আছেন। অনেকে আবার বিএনপি বলয়ে ঢুকে পড়েছেন। শোনা যাচ্ছে ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী ঘরানার কর্মকর্তারাও অতি গোপনে সংগঠিত হতে তৎপরতা শুরু করেছেন।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামীবিরোধী একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললে তারা হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, অবাক হতে হয় পুলিশ থাকতে কীভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের তালাবদ্ধ অফিস খুলছে? তারা শেখ হাসিনার নামে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে। শেখ হাসিনার ছবিসংবলিত ব্যানারও টাঙাচ্ছে। দেশে একটি সরকার বলবৎ থাকতে কী করে সম্ভব? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ কী করছেন? ফ্যাসিস্টদের ধরতে তিনি নির্দেশ দিচ্ছেন না কেন?
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন বামপন্থী আইনজীবী এ প্রতিনিধিকে বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় রাজনৈতিক দল এতে কোনো সন্দেহ নেই। এই দলটি ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল, তাতেও কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এটা ঠিক যে দলটি এখন নিষিদ্ধ। যে কারণে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারেনি। ব্যালট পেপার থেকে তাদের নৌকা প্রতীকও নাই হয়ে গেছে। ফ্যাসিস্ট দল হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাহী আদেশে অধ্যাদেশ জারি করে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করেছে। নিষিদ্ধ করা ঠিক হলো কি বেঠিক হলো, সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ। মোদ্দাকথা, নিষিদ্ধ আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজনীতি করতে পারবে না। দলীয় কার্যালয়ও খুলতে পারে না। অথচ তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয় কার্যালয় খুলছে। ঠাকুরগাঁওয়ে তো বিএনপির এক বিজয়ী নেতা নিজেই উপস্থিত হয়ে আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিয়েছেন।
সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রশাসনে বড় বড় পদে অন্তত বিশ শতাংশ আওয়ামী সমর্থক রয়েছে। আগে শেখ হাসিনা জিন্দাবাদ দিতেন এখন তারেক রহমান জিন্দাবাদ দিচ্ছেন। এরা আসলে বর্ণচোরা। এরা ভোল পাল্টিয়ে বিএনপি বলয়ে ঢুকে পড়েছে। শোনা যাচ্ছে এই ভোল পাল্টানোওয়ালারা ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে আন্দোলন গড়ে তোলার। এদের সঙ্গে কলকাতা কানেকশন আছে। ওপারে পলাতক নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ আছে। তাদের ফর্মুলা মোতাবেক গোপনে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ রয়েছে দেশে আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীদের। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারেক রহমানের সরকার নিঃসন্দেহে জুলাইযোদ্ধা সমর্থিত সরকার। জুলাই বিপ্লব না হলে শেখ হাসিনার পতন হতো না। শেখ হাসিনার পতন না হলে প্রফেসর ইউনূসের সরকার হতো না। প্রফেসর ইউনূস না হলে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হতো না। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন না হলে তারেক রহমান আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না। সুতরাং জুলাইযোদ্ধাবিরোধী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ তাদের অফিসের তালা খুলতে শুরু করেছে আর বিএনপির সরকার নির্বিকার বসে থাকবে?

আ’লীগ