হজযাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মুসলমানদের প্রতিটি বিপদে ধৈর্যের পথ অবলম্বন করা উচিত। ধৈর্যশীলদের জন্য আল্লাহ তায়ালা মহাপ্রতিদানের ওয়াদা করেছেন। (মুসল্লিগণ!) আপনারা, সবসময় সত্য কথা বলুন এবং মিথ্যা থেকে বিরত থাকুন। বিদআত ও গিবত থেকেও দূরে থাকুন।
তিনি আরো বলেন, আপনারা সর্বক্ষণ মাগফেরাতের দোয়া করতে থাকুন, আল্লাহ তায়ালার জিকির ও ইবাদতে মশগুল থাকুন। নামাজ কায়েম করুন। আল্লাহ তায়ালার নেয়ামতের শোকর আদায় করে তা থেকে উপকৃত হোন।
মসজিদে নববী সা:-এর প্রবীণ এই ইমাম বলেন, যেসব জাতি জুলুম করেছে এবং অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, তাদের থেকে নেয়ামত ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। আল্লাহ ও বান্দার সম্পর্কই মুক্তির মাধ্যম। হে ঈমানদারগণ! নিজেদের রবের সাথে সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখুন। হজের সময় সব ধরনের ঝগড়া-বিবাদ থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি বলেন, তাকওয়া অবলম্বনকারীদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দেয়া হয়েছে। আজকের দিনে বেশি বেশি দোয়া করতে হবে। এমন সব কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে, যা ঐক্যের ক্ষতি করে। হাজীরা যেন সর্বোত্তমভাবে হজের আনুষ্ঠানিকতাগুলো আদায় করেন।
খুতবা চলাকালে দোয়া করে মসজিদে নববী সা:-এর ইমাম বলেন, হে আল্লাহ! মুসলমানদের অবস্থার ওপর রহম করুন। আপনিই দোয়া কবুলকারী। হে আল্লাহ! আমাদের গুনাহগুলো মাফ করে দিন। হে আল্লাহ! মুসলমানদের অবস্থা ভালো করে দিন। হে আল্লাহ! আমাদের আমল কবুল করুন। হে আল্লাহ! আমাদের হেদায়েত দান করুনলাখো হাজী আরাফাতের ময়দানে খুতবা শ্রবণ করেন এবং খুতবায় মুসলিম উম্মাহকে শান্তি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানের বার্তা দেয়া হয়। পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের সমস্যা-সঙ্কটগুলোর জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। খুতবার পর হজযাত্রীরা মসজিদে নামিরায় জোহর ও আসরের নামাজ একসাথে আদায় করেন। সূত্র : আল আরাবিয়া ও অন্যান্য হজের খুতবা দিচ্ছেন শায়খ আলী আল হুজাইফি |সংগৃহীত