ঢাকায় মেড ইন পাকিস্তান প্রদর্শনী
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৫৪
কূটনৈতিক সংবাদদাতা : ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় চতুর্থ ‘মেড-ইন-পাকিস্তান’ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়েছে গত ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার। ‘পাকিস্তান অ্যাসোসিয়েশন অব এক্সিবিশন ইন্ডাস্ট্রি’-র আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীতে ১০০টিরও বেশি পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য— যেমন বস্ত্র, খাদ্য ও পানীয়, প্রসাধনী, ভেষজ ও সুস্থতাবিষয়ক পণ্য, হস্তশিল্প এবং ফ্যাশন একসেসরিজ প্রদর্শন করছে। প্রদর্শনীটি ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ এবং পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার যৌথভাবে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বাণিজ্য খাতের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা এবং পাকিস্তানি কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে হাইকমিশনার হায়দার বলেন যে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি সাম্প্রতিক বিভিন্ন অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি পাকিস্তানি ফ্যাশন আউটলেট চালু হওয়া, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আনারস রপ্তানির প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরি ধাপ সম্পন্ন হওয়া। তিনি আরও বলেন, বাণিজ্য সংক্রান্ত বাধা দূর করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি ‘বিজনেস-টু-বিজনেস’ অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে উভয় দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় হাইকমিশন এবং বাংলাদেশের ইপিবির সাথে নীতিগত প্রস্তাবনা বিনিময় করতে পারে।
ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ প্রদর্শনীটি আয়োজনের জন্য আয়োজকদের অভিনন্দন জানান এবং উভয় দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিনিধিদল ও প্রদর্শকদের পারস্পরিক সফর ও অংশগ্রহণ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের প্রদর্শকরা পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য প্রদর্শনীগুলোয় অংশ নেবেন এবং যৌথ সেমিনার ও সম্মেলন আয়োজনে ইপিবি সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া তিনি পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ এবং ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০২৭’-এ অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। তিনি উভয় দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে পারস্পরিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে যৌথ উদ্যোগ ও ব্যবসার সুযোগগুলো খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান।