সুখের সুবাস
১৫ জুলাই ২০২৬ ১৩:৩৯
স্বস্তি নেই
অস্বস্তির মধ্যেই দিন কাটছে
ওপরের ভুল
বাড়ছে কষ্টবোধ
মানুষ যাচ্ছে চলে একা
পথ ওই বাঁকা
বাঁকা পথেই যেতে হচ্ছে
ওই পথে সুখ নেই
তবু মানুষ যাচ্ছে
জানে না এ পথের শেষ কোথায়
পথ খুঁজে ফেরে মানুষ
পথ তো অন্ধকার
তাই দৃষ্টি এড়ায়
খুঁজে বের করতে হবে সঠিক পথ
আর যেতে হবে নির্ভীক
তবেই খুলে যাবে সুখের দরজা
আর বের হবে সুখের সুবাস।
আনোয়ার হোছাইন
কী লিখি!
ওরা বলে, ‘হাবিজাবি কী যে লিখো ছাইপাশ!
লেখার বিষয় যদি না বুঝ তো সর্বনাশ।
লেখাতে না থাকে যদি দয়িতার রূপগুণ,
সালুনে কী স্বাদ হয় যদি রাঁধো বিনা নুন?
যদি গাও লেখনীতে নিসর্গ বিবরণ,
চিত্ত আমেজে রয়, রেশ থাকে অণুক্ষণ।
লেখনীতে যদি রয় ভ্রমরের গুঞ্জন,
খেচরের কুহু ধ্বনি, মলয়ের শনশন।
কিবা যদি থাকে সেথা তটিনীর কলতান,
পাঠকহৃদয়ে বহে বিমল খুশির বান।
বিরহকথন যদি গাও বহু ছন্দে,
পাঠককে ফেলো যদি ধোঁয়াশা ও ধন্দে।
তবেই তো খ্যাতিমান, সুনাম চতুর্দিক,
শুকতারা যেমনটি উজ্জ্বল, ঝিকিমিক।’
ওদের বাতুল মন কতশত কথা কয়!
সুষমার মূলধারা না চিনলে যেটা হয়।
তাই তো আমার মনে জমে না তো রাগ-টাগ,
অবুঝের কথায় কি কারো মনে পড়ে দাগ?
পৃথিবীর যত শোভা, যত রূপ মনোহর,
সৃজিলেন যে মনিব, তিনিই তো সুধাকর।
সৃজিলেন তুলহীন, কী নিপুণ সুন্দর!
স্বাভাবিক তার নাম জপবে এ অন্তর।
নরকূলে সেই হয় ধন্য ও সার্থক,
যেজন বুঝতে পারে প্রশংসা কার হক!