ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে নারীদের স্বাধীনতা অধিকার ও মর্যাদা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে
৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:১০
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্যপ্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে নারীদের স্বাধীনতা, অধিকার ও মর্যাদা রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করা হবে। গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার নিশ্চিয়তা দিয়ে তিনি বলেন, ইসলাম ব্যতীত কোনো ধর্ম, কোনো বিধান নারীদের সম্মানিত এবং মর্যাদাবান করেনি। আল্লাহর আইনে নারী-পুরুষ কিংবা ধর্ম-বর্ণের কোনো বৈষম্য নেই। আল্লাহর আইনে মানুষ হিসেবে সকলেই সমান। তাই ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ, জাতি-গোষ্ঠীর বৈষম্য দূর করতে হবে। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ব্যতীত বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব নয়।
তিনি উপস্থিত নারীদের উদ্দেশে বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে নারী সমাজ অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। এজন্য তিনি আগামী নির্বাচনে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজদের বয়কট করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিলে দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, বৈষম্যহীন এক কল্যাণ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কালাইয়া ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা মোশাররফ হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মহিলা সমাবেশে স্থানীয় সহস্রাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারী (পটুয়াখালী-২ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ কালাইয়া ইউনিয়নের রাধা মন্দিরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় রাধা মন্দিরের সভাপতি সুভাস মণ্ডলসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, হিন্দু এবং মুসলিম ভাগ হয়েছে মানুষ সৃষ্টির পরে। আল্লাহ সকলকে মানুষ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ নাই। রাষ্ট্রের কাছে নাগরিক হিসেবে সকলেই সমান। তিনি উপস্থিত হিন্দুদের উদ্দেশে বলেন, যারা হিন্দুদের পক্ষের লোক দাবি করেছে, তারাই কিন্তু হিন্দুদের সম্পদ দখল নিয়েছে, মন্দির লুটপাট করেছে। জামায়াতে ইসলামী কিংবা ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোনো নেতাকর্মী আজ পর্যন্ত হিন্দুদের সম্পদ দখল করেনি, মন্দির ভাঙচুর করেনি এবং করবেও না; বরং এদেশের আলেম সমাজ হিন্দুদের সম্পদ রক্ষায় পাহারাদারের ভূমিকা রেখেছে। তিনি আরও বলেন, যারা হিন্দুদের সম্পদ রক্ষায় পাহারাদারের ভূমিকা রাখে তাদের কাছেই হিন্দু সম্প্রদায় নিরাপদ। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে দলমত, ধর্ম-বর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।