গণহত্যা মামলার রায়কে ঘিরে আ’লীগের ‘নাশকতার ছক’


১৩ নভেম্বর ২০২৫ ১৯:১১

সোনার বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন : কথায় আছে ‘কয়লা ধুইলে ময়লা যায় না, শয়তান মসজিদে গেলেও নামাজ পড়ে না।’ পলাতক ফ্যাসিস্ট নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের জঙ্গি হামলা, নাশকতা ও বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা তারই প্রমাণ। নিজের দেশের প্রায় দুই হাজার মানুষকে হত্যা করার পর অনুশোচনা, অনুতাপের বদলে ভারতে বসে দেশবিরোধী জঙ্গি হামলার নীলনকশা আঁকছে এবং সারা দেশে ঝটিকা মিছিলের নামে হাতবোমার বিস্ফোরণ, বাসে আগুন ও গুপ্তহত্যা শুরু করেছে।
আওয়ামী লীগের দেশবিরোধী তৎপরতা ঠেকাতে জুলাইযোদ্ধারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগসহ এর দোসরদের স্থায়ী নিষিদ্ধ দাবি করছেন। তাদের যুক্তি হলো, সারা দুনিয়ায় ফ্যাসিস্টরা নিষিদ্ধ। কারণ ফ্যাসিস্ট শক্তি আসলে কোনো রাজনৈতিক শক্তি নয়, লুটেরা ও দস্যুবাহিনী। তাই তো ইতালি ও জার্মানিসহ ইউরোপে তারা নিষিদ্ধ। আমেরিকা উদার কথা বললেও ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে কঠোর।
আওয়ামী লীগ এখন ‘জঙ্গি’ সংগঠন
রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গাড়িতে আগুন দিচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা চালাচ্ছে, হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। প্রথমে তারা গোপালগঞ্জে আশ্রয় নিলেও এখন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ এখন জঙ্গি সংগঠনের আচরণ করছে।’
আওয়ামী লীগের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এরা যে জঙ্গিতে রূপান্তরিত হয়েছে, তা দেশবাসীর কাছে আজ স্পষ্ট হয়েছে। ৫ আগস্টের পর গোপালগঞ্জ ফ্যাসিস্টদের আশ্রয়কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনসহ যাদের নামে মামলা হয়েছে, তারা সকলে গোপালগঞ্জে ছিলেন।’
নাশকতার ছক : ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা গণহত্যা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে বড় ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার নীলনকশা এঁকেছে তার দল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। তাদের লক্ষ্য, সহিংস পরিস্থিতি তৈরি করে বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা। এ পরিকল্পনার সমন্বয় করা হচ্ছে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে। নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় নাশকতা পরিকল্পনার মূল সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভারতে পলাতক সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে। তাকে কৌশলগত সব সহযোগিতা দেওয়ার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসবির সাবেক প্রধান, ভারতে পলাতক পুলিশের অতিরিক্ত আইজি মনিরুল ইসলাম এবং ডিএমপির পলাতক কমিশনার হাবিবুর রহমানকে। এসএসএফের সাবেক ডিজি ও সাবেক কিউএমজি লে. জেনারেল (অব.) মুজিবুর রহমানসহ একাধিক সেনা কর্মকর্তা এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত আছেন। সূত্র আরো জানায়, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকায় অস্থিরতা তৈরির মিশন বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে পলাতক সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি লিয়াকত শিকদার, গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম এবং যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ওরফে ক্যাসিনো সম্রাট। এ লক্ষ্যে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বাছাইকৃত নেতাকর্মীদের ঢাকায় আনা হচ্ছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা চালাতে দিল্লিতে একটি অফিস নেওয়া হয়েছে। কলকাতায় অফিস নেওয়ার খবরও এর আগে গণমাধ্যমে এসেছিল। পরিকল্পনাকারীরা সেখানে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার কাজ চালাচ্ছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে তথ্য মিলেছে।
নিরাপত্তা সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর অন্তত পাঁচটি স্থানে নাশকতার ডিজিটাল প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ কৌশলের ট্রেনিং দেওয়া হয় বাছাই করা এসব ক্যাডারকে। এ প্রশিক্ষণ দেওয়ার ঘটনায় ইতোমধ্যে মেজর সাদিকুল হক সাদেককে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করেছে সেনাবাহিনী। গোপালগঞ্জে অনুকূল পরিবেশে প্রশিক্ষণের কিছু তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশে অবস্থান করা কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান পুলিশ কর্মকর্তার ওপর নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের ওপরও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নাশকতায় আওয়ামী লীগ অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করেছে। গত মাসে ঢাকা বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকায় অস্ত্রের একটি চালান আটক করে সেনাবাহিনীর স্বতন্ত্র ৪৬ ব্রিগেড। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এমন আরো চারটি অস্ত্রের চালান দেশে ঢুকতে পারে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের বিভিন্ন থানা, পুলিশ ফাঁড়ি ও পুলিশ লাইনসগুলো থেকে খোয়া যাওয়া অস্ত্রগুলো ব্যবহার হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি আওয়ামী আমলে দলীয় বিবেচনায় মুজিববাদীদের যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, যেগুলো এখনো জমা দেওয়া হয়নি; সেগুলোর ব্যবহার নিয়েও শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকার লাইসেন্স করা অস্ত্রগুলো জমা দেওয়ার নির্দেশনা জারি করে। কিন্তু সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, সব অস্ত্র জমা পড়েনি।
মহাসড়ক অচল করার পরিকল্পনা
নিরাপত্তা সূত্র জানায়, মহাসড়ক অচল করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের। এক্ষেত্রে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে উত্তরা পর্যন্ত মহাসড়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে। কাঁচপুর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত অবরোধ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লিয়াকত শিকদারকে। ঢাকার ভেতরে অগ্নিসংযোগ ও সংঘর্ষ-পরিকল্পনায় নিয়োজিত থাকছে সম্রাট। এদিন লক্ষাধিক লোকের সমাগম করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে দলটি। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে ঝটিকা হামলা ও পরিবহনে অগ্নিসংযোগের ছক রয়েছে। আদালতপাড়াসহ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করে এবং সেগুলোর আশপাশের এলাকায় বোমাবাজি ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর ছকও আঁকছে দলটি।
সূত্র আরো জানায়, বিশৃঙ্খলার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর বিশেষভাবে বিবেচিত হচ্ছে। চলতি নভেম্বরের মধ্যেই হাসিনার গণহত্যা মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে। রায় ঘোষণা হলে এ অঞ্চলে বিশাল শোডাউন ও আন্দোলন হবেÑ যাতে আন্তর্জাতিক ও দেশি মিডিয়ায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। টার্গেট করা হয়েছে বিদেশি মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভিডিও এবং সংবাদ প্রচার করার। এসব সংবাদ ও ভিডিওকে পুঁজি করে ভারতীয় এজেন্সি ইউরোপ-আমেরিকার এস্টাবলিশমেন্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করা হবে।
নিরাপত্তা সংস্থার সুপারিশ ও প্রস্তুতি
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ হিসেবে প্রমাণ করার জন্য বহু চেষ্টা করা হয়েছে গত এক বছরে। যার প্রায় সবগুলোই বিফলে গেছে বলে মত সংশ্লিষ্টদের। এখন হাসিনার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা করতে চাইছে আওয়ামী লীগ।
এ অবস্থায় আপাতত সেনাবাহিনীর সদস্যদের মাঠ থেকে তুলে না নিতে নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো থেকে সরকারের উচ্চপর্যায়ে সুপারিশ করা হয়েছে। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় মাঠপর্যায়ে দায়িত্বরত সেনাসদস্যদের ৫০ শতাংশ উঠিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছিল। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর পরামর্শ হচ্ছে, অন্তত চলতি নভেম্বর অথবা যতদিন হাসিনার মামলার রায় না হবে, ততদিন যেন মাঠপর্যায়ে সেনা মোতায়েন থাকে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা যায়, দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, র‌্যাব ও গোয়েন্দা ইউনিটগুলোকে সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার আগের এবং পরবর্তী তিনদিন ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ সময়’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে সেনা এবং বিজিবি যৌথ টহল দেবে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোয়।
নিরাপত্তা সূত্র আরো জানায়, হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। এ সুযোগে যদি কোনো সংগঠিত গোষ্ঠী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে, তাহলে তা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক ভাবমর্যাদা দুদিকেই ঝুঁকি বাড়বে। সরকারের ভেতরে কিছু অসন্তুষ্ট অংশ বা বাহিনী যদি সক্রিয় হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠতে পারে। গত কয়েকটি প্রচেষ্টা সফল না হওয়ায় এবার এ রায়ের সময়কে নির্বাচন করা হয়েছে বলেই মনে করছেন তারা।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক লে. কর্নেল (অব.) দিদারুল আলম বলেন, দেশের ভেতর থেকে হোক বা বাইরে থেকেÑ নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার অপচেষ্টা হতে পারে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সব ধরনের নাশকতার চেষ্টা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড আগামী নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টাও হতে পারে।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) এএইচএম শাহাদাত হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে প্রয়োজনীয় নজরদারি ও আগাম তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা তৎপরতা আছে। অবৈধ কর্মকাণ্ড, নাশকতা বা সংঘর্ষের চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আওয়ামী দর্শন ‘অস্ত্রই ক্ষমতার উৎস’
১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুনে অনুষ্ঠিত পূর্ব পকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী সম্মেলনে দলটির প্রতিষ্ঠাতা যে স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন, সেই পথে বেশি যেতে পারেনি। তার আগেই ভারতের হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক নেতাদের চক্করে পড়ে বিপথগামী হয়, ফ্যাসিজমকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে গণতান্ত্রিক পন্থা কিংবা আলোচনা নয়, ‘অস্ত্রই ক্ষমতার উৎস’ দর্শন গ্রহণ করে। ভারতের সহযোগিতায় অনেক ক্ষেত্রে সফল হয় বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন।
আওয়ামী মুসলিম লীগ নাম বদলে হয়ে যায় শুধু ‘আওয়ামী লীগ’। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আদর্শকে বাদ দিয়ে ভারতকে খুশি করতে ধর্মনিরক্ষেতার নামে ধর্মহীনতা তথা ইসলামী দর্শনকে রাজনীতি থেকে উৎখাত করাকেই কি এখানে উদারনীতি বলা হচ্ছে? আসলে কি এর নাম উদারতা? প্রতিবেশী ভারত সাংবিধানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। কিন্তু সেই দেশের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কট্টরপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী দর্শনকে তাদের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছে। অথচ সকল জাতি-ধর্ম বর্ণের মানুষের অধিকার রক্ষার গ্যারান্টি দেয় ইসলাম। এখানে কট্টরপন্থার কোনো স্থান নেই। উদারতার বিচারে ঐতিহাসিকভাবে পরীক্ষিত আদর্শ ইসলাম, তারপরও কেন উদারনীতির নামে এ বিচ্যুতি? এ বিচ্যুতি মেনে নিতে পারেনি বলেই কি আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক আজও নিখোঁজ, তাঁর কবরেরও কোনো সন্ধান কারো কাছে নেই?
স্বাধীন বাংলাদেশে যতবার তারা ক্ষমতায় এসেছে, নির্বাচনকে নির্বাসনে পাঠিয়ে একদলীয় বাকশালী কায়দায় দেশ শাসন করছে। বিরোধীদলে থাকলে এক দিন শান্তিতে থাকতে দিবো না- এমন ঘোষণা দিয়ে জঙ্গি কায়দায় নাশকতা চালিয়েছে। তাই এদের বিরুদ্ধে জঙ্গি দমন অভিযান চালানো এবং বিশ্ববাসীর কাছে তাদের পরিচয় সুষ্পষ্টভাবে পৌঁছানো সরকারের দায়িত্ব বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকমহল।