গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি সরকারকে মানতে বাধ্য করা হবে : মাওলানা আবদুল হালিম

সোনার বাংলা অনলাইন
২৪ জুলাই ২০২৬ ২০:৫১

শুক্রবার ২৪ জুলাই সকালে গাইবান্ধা দারুল আমান ট্রাষ্ট হল রুমে জামায়াতের দিনব্যাপী উপজেলা/থানা কর্মপরিষদ সদস্যদের (পুরুষ ও মহিলা) শিক্ষাশিবিরের প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জনগণের দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথে ভূমিকা রাখবে জামায়াতে ইসলামী। সরকার যদি জনগণের দাবি ও জুলাই সনদের বিষয়গুলো উপেক্ষা করে, তাহলে গণমানুষকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো এবং সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করা হবে।

শুক্রবার ২৪ জুলাই সকালে গাইবান্ধা দারুল আমান ট্রাষ্ট হল রুমে জামায়াতের দিনব্যাপী উপজেলা/থানা কর্মপরিষদ সদস্যদের (পুরুষ ও মহিলা) শিক্ষাশিবিরের প্রধান অতিথির বক্তব্যে দায়িত্বশীলদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন।

মাওলানা আবদুল হালিম আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী দেশে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার যে উদ্দেশ্যে কাজ করছে, সেক্ষেত্রে আমাদের একমাত্র আদর্শ হচ্ছেন হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। জামায়াতের দায়িত্বশীলদের সাহাবায়ে কেরামের ন্যায় ঈমানের দৃঢ়তা নিয়ে দ্বীন কায়েমের দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রধান বিরোধীদল হিসেবে এখন জামায়াতের দায়িত্বশীলদের রাজনৈতিক ময়দানে যেমনি যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে, তেমনি কথা ও কাজের মাধ্যমে জনগণের কাছে ব্যাপকভাবে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, একজন মু’মীনের কাছে আখেরাতের সফলতাই হলো চূড়ান্ত সফলতা।

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের আমীর মো. আব্দুল করিম এমপির সভাপতিত্বে ও জেলা ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান এর সঞ্চালনায় দিনব্যাপী শিক্ষাশিবিরে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ পরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন।

মাওলানা আবদুল হালিম আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেকে। দেশের জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায়। জনগণের কাছে জামায়াতে ইসলামীর রুকনদের সংগঠন মজবুত করে ময়দানকে পরিবর্তন উপযোগী করতে হবে এবং সমাজের জন্য প্রত্যাশিত নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। জনগণের কাছে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিতে হবে।

জামায়াতের ১১ শীর্ষ নেতাকে শহীদ করে আন্দোলন দমিয়ে রাখা যায়নি। নেতাকর্মীদের শহীদ করা হলে জনশক্তির মাঝে দ্বীনি কাজের প্রেরণা আরও বেড়ে যায়। সংগঠনের শহীদদের সন্তানদের অনেকে মাঠে এখন সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

শিক্ষাশিবিরে আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা আমীর ডা. আব্দুর রহিম সরকার, আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মো. আব্দুল ওয়ারেছ এমপি, অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান এমপি, জেলা রাজনৈতিক সেক্রেটারি মাওলানা নজরুল ইসলাম এমপি, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মো. ফয়সাল কবির রানাসহ জেলা উপজেলার নেতারা।