আমরা মুক্ত, বৈষম্যহীন, ন্যায়-ইনসাফ ও যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি


২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:২১

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, আগামীর মুক্ত, বৈষম্যহীন, ন্যায়-ইনসাফ ও আমাদের যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রোববার ২৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের পর ২০২৪ সালে এ দেশে জুলাইয়ে জুলাই বিপ্লব হয়। পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। সেই সরকার জুলাইয়ে আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য ঐকমত্য কমিশন গঠন করে। কমিশনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক দলগুলো ছিল। দীর্ঘ সাত মাসের অধিক সময় আলোচনা করে বেশির ভাগ বিষয়ে একমত হয়ে একটি সনদ তৈরি হয়। এই সনদটা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার সকলের ছিল। এরই ভিত্তিতে অংশীজনেরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে ২৫ সালে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে একই দিনে দুটি ভোট হয়েছে। একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আরেকটি গণভোট। কিন্তু আমাদের দাবি ছিল আগে গণভোট হবে পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আমাদের আশঙ্কা ছিল দুটি একসঙ্গে করা হলে গুলিয়ে ফেলা হবে। আমাদের আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। তারা শুরু থেকে চাতুর্যের আশ্রয় নিয়েছে। বিএনপির দাবি ছিল একই দিনে হোক। আর অন্তর্র্বতীকালীন সরকার তাদের অযৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে একই দিনে দুটি ভোট দিলেন।

তিনি বলেন, গণভোটে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একবার হলেও ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইলেন। কিন্তু জনগণ জানে ও বলে বিএনপি আসলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেয়নি। দেশে-বিদেশে নিজেদের লোকদের নির্দেশনা দিয়েছিল ‘না’ ভোট দেওয়ার জন্য। জনগণের আকাঙ্ক্ষার কাছে না ভেস্তে গেছে প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। দেশের জনগণ জানিয়ে দিয়েছে- আমরা অতীতের বস্তাপচা ঘুণেধরা রাজনীতি এ দেশে আর দেখতে চাই না। আমরা তার পরিবর্তন চাই, সংস্কার চাই, আর আমাদের সন্তানেরা এ জন্য জীবন দিয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের সন্তানেরা বলেছিল আমরা বৈষম্যের বাংলাদেশ দেখতে চাই না উই ওয়ান্ট জাস্টিস। কিন্তু জাস্টিস প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বৈষম্য আরও বেড়েছে। এখন বিএনপি সংবিধান খোঁজে কেন? সাড়ে ১৫ বছর তো সংবিধান মেনে মিছিল করে ফ্যাসিবাদ আপনারাও তাড়াতে পারেননি, আমরাও পারিনি। বিএনপির সিনিয়র নেতারাও ৪১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন।

তিনি বলেন, সংবিধান মানলে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কোনো নির্বাচন হতো না। ওই নির্বাচন না হলে বিএনপি সরকার হয় কিভাবে আমরা বিরোধীদল হই কিভাবে? এই সংবিধানের নেশা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এ সংবিধান শুধু ফ্যাসিবাদের জন্মই দেয়নি, স্থায়ী রূপ দিয়েছিল। সংবিধানের যে সমস্ত জায়গায় আমূল পরিবর্তন দরকার সেখানে বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে রেখেছে। তারা যেগুলোতে নোট অব ডিসেন্ট দেয়নি এখন সেগুলোও এড়িয়ে চলছেন।

তিনি বলেন, বিএনপি এখন ইনিয়ে-বিনিয়ে বলছে, সংবিধান সংশোধন কমিটি করেছি আসেন এখানে কথা বলেন। যদি নোট অব ডিসেন্ট থেকে কোনো সমঝোতা করতে হয়, তাহলে আমাদের সাথে কমিটিতে বসতে হবে। তারা মূলত ৭০ ভাগ জনগণের সাথে ধাপ্পাবাজি করেছে। তারা চায় বিরোধীদলও ধাপ্পাবাজি করুক- আমরা এটা মেনে নেবো না। জনগণের কাছে দেওয়া ওয়াদায় আমরা অটল। এই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকব, ইনশাআল্লাহ।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ইতোমধ্যে বহুবার সংবিধান সংশোধন হয়েছে। কিন্তু আদালতে গিয়ে সেটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আমরা ওই প্রক্রিয়ায় যেতে চাই না। আমরা পণ্ডশ্রম করব না এবং অতীতের ভুল ধারায় চলতে অভ্যস্ত নই, রাজি নই- এজন্যই আমরা সংস্কার চাই।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচনের সময় ইনিয়ে-বিনিয়ে আওয়ামী লীগের কাছে ভোট ভিক্ষা চেয়েছে। এর রাজসাক্ষী জনগণ। শেখ হাসিনা তো বলেই দিয়েছে – হাতে-পায়ে ধরে ভোট নিলো এখন বেইমানি করে কেন? তার দলের আরেক কর্ণধার বলেছেন কমপক্ষে ৯৫টি আসনে হেরে যাওয়া বিএনপিকে আমরা জিতিয়ে দিয়েছি। এজন্য আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ছাত্রলীগকে সমাজের ও দলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসাচ্ছে বিএনপি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অস্ত্র ও মাদক আসে তা কেন বিএনপি ঠেকাতে পারে না। অনাকাঙ্ক্ষিত যে বিষয়গুলো যে সরকারের ঠেকানোর ক্ষমতা নাই, সেই সরকারের দেশ শাসনের কোনো অধিকার নাই। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার উপর করের বোঝা, দুর্নীতির বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে বিএনপি। মানুষের জীবন এখন অতিষ্ঠ। প্রবাসে অস্থিরতার কারণে প্রবাসীরা ফেরত আসছেন। তাদের নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নাই। দেশের মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার পরিকল্পনা নাই। চাঁদাবাজির জ্বালায় অতিষ্ঠ জনগণ।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চাঁদাবাজি ও দখলদারির কারণে বিএনপির কর্মীরা নিজেদের লোককে পাথর মেরে হত্যা করতে কুণ্ঠিত হয় না। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। এ সমস্ত পাহাড়সম ব্যর্থতা চাপা দেওয়ার জন্য বিরোধীদলের উপর ইনিয়ে-বিনিয়ে দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন নিজের মন্ত্রণালয় দেখার সুযোগ না পেলেও ধর্মমন্ত্রণালয়সহ সব মন্ত্রণালয় দেখার যোগ্যতা রাখেন। তার নিজ দলীয় সংসদ সদস্য বলেছেন, মাদক বন্ধ হচ্ছে না, কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়ে সবচেয়ে বড় মাদকের চালান আসে। সংবিধান সংশোধনের নামে জনগণকে ধোঁকা না দিয়ে নিজের দায়িত্বের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, আমাদের বার্তা স্পষ্ট- আমরা আমাদের দলীয় কোনো দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামিনি। আমরা নেমেছি জনগণের অধিকারের দাবি নিয়ে। প্রত্যেকটি দাবি জনগণের অধিকারের সাথে সম্পৃক্ত। এই দাবি বাস্তবায়ন থেকে সরে আসতে বিভিন্ন কায়দায় চাপ দেওয়া হচ্ছে। যাতে আমরা এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন না করি। আমরা জানি, জন্ম যখন নিয়েছি, মৃত্যু আমাদের সাথী। কিন্তু অপমানের মৃত্যুবরণ করতে চাই না। জনগণের অধিকারের পক্ষে লড়াই করে সেই মৃত্যুবরণ করতে চাই। এ মৃত্যু হবে গর্বের। আমাদের নেতৃবৃন্দ দেখিয়ে দিয়েছেন তারা কখনো অন্যায়ের কাছে কখনো মাথানত করেননি, আমরাও করব না।

তিনি বলেন, আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছি। কেউ যেন বিশৃঙ্খলা আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না করেন। এ লড়াইয়ে জনগণের বিজয় হবে। আমাদের দাবিগুলো কোনো দলের নয়, কোনো ব্যক্তির নয়, কোনো গোষ্ঠীর নয়, কোনো পরিবারের নয়।

উপযুক্ত লাঞ্চ খেয়ে ঠান্ডা মাথায় দেশ চালাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান আমীরে জামায়াত। তিনি বলেন, জনগণ বলেনি আপনি ১৫০টায় লাঞ্চ করেন। বরং জনগণের মুখে দুমুঠো ভাত স্বস্তিতে তুলে দেন। শান্তিতে থাকতে দেন। বিএনপির লোকেরা মানুষের শান্তি কেড়ে নিয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, আগামী ৩১ তারিখের লংমার্চকে ঘিরে কোনো ষড়যন্ত্র করবেন না। যদি কোনো ষড়যন্ত্র করা হয়, তাহলে ১৯৯৮ সালে আওয়ামী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমাদের যৌথ লংমার্চের কাফেলা যেভাবে সবকিছু মোকাবিলা করে চট্টগ্রাম গিয়েছিল; এবারো আমরা জনগণের জন্য একইভাবে গন্তব্যে পৌঁছাব, কোনো বাধা আমাদের আটকাতে পারবে না। কোনো ষড়যন্ত্রের কাছে মাথানত করব না। আমরা ন্যায়ের পথে আছি।
এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কমছে, কলকারখানা বন্ধ হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে এবং নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অতীতের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারকে বিরোধী দলের সঙ্গে সংঘাতের পথ পরিহার করতে হবে। জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা এবং জনগণের স্বার্থে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন এমপি বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না হলে সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত না হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তাদের দল শুরুতে এ বিষয়ে জোর দিয়েছিল। বর্তমানে সনদে স্বাক্ষর ও গণভোট সম্পন্ন হওয়ার পরও সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা সেই আশঙ্কাকে আরও স্পষ্ট করেছে।

তিনি বলেন, পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এবং সংসদের স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের সভাপতিত্বের মতো বিষয়ে বিএনপির আপত্তি না থাকা সত্ত্বেও এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। এতে সরকারের সংস্কার-প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। জুলাই সনদ প্রণয়ন, স্বাক্ষর, বাস্তবায়ন আদেশ জারি এবং গণভোটের মধ্য দিয়ে সংস্কারের পক্ষে ধারাবাহিক অগ্রগতি হয়েছে। এখন পেছনে ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি একতরফাভাবে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ বাতিল করে গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের মাধ্যমে চলমান সংকটের সমাধান করার দাবি জানান তিনি।

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নকে কেবল সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে রাজনৈতিক সংস্কারের দাবি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান, জুলাই সনদে স্বাক্ষর এবং গণভোটের মাধ্যমে যেসব রাজনৈতিক প্রশ্নের মীমাংসা হয়েছে, সেগুলোকে নতুন করে বিতর্কিত করা উচিত নয়। জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং ভবিষ্যতে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা। তাই জনগণের রায় উপেক্ষা না করে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান বীর প্রতীক বলেন, জুলাইয়ে এত রক্ত দিয়েও জাতি মুক্তি পায়নি। আওয়ামী লীগ যেভাবে দেশ পরিচালনা করেছে একইভাবে বিএনপিও দেশ পরিচালনা করছে। বিএনপি এখনো সেই ২০০১ সালের অবস্থানে রয়েছে। তারা সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে নিজেদের পরিবর্তন করতে পারেনি। এই অপরিবর্তনের কারণে আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপিকেও পালাতে হতে পারে। গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বিএনপি জাতির সঙ্গে যেই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এর ফলাফল বিএনপির জন্য শুভ হবে না।

নেক্সাস ডিফেন্স অ্যান্ড জাস্টিসের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ হাসান নাসির বলেন, বিএনপি গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা গ্রহণের পর গণভোটের রায় মেনে নেয়নি। জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে বিএনপি জাতিকে ধোঁকা দিয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী বলেন, দুর্নীতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে সরকার মূলত মাঠপর্যায়ে বার্তা দিয়েছে দুর্নীতি চালিয়ে যাও! যেই বিএনপি দুর্নীতি আর দলীয়করণে ব্যস্ত সেই বিএনপি কখনোই রাষ্ট্র সংস্কার করবে না। আর এজন্যই বিএনপি গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে সংবিধান সংশোধনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও ড. মো. রেজাউল করিমের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম; এনসিপির সদস্য সচিব জনাব আখতার হোসেন এমপি; জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার; এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ; এবি পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ; রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. দিলারা চৌধুরী; াংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, এডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি ও জনাব মোবারক হোসাইন; ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি; ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন; শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট আতিকুর রহমান; শহীদ জাবের ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম এমপি; সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির ও আইনজীবী ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির; বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি জনাব ওবায়দুর রহমান শাহীন; জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এলাহী নেওয়াজ খান সাজু; ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন; জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।