বিদ্যালয় চলাকালীন যানজট সমাধান ‘স্কুল জোনিং’ পদ্ধতি চালু


২ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৪০

॥ ফেরদৌস আহমদ ভূইয়া ॥
রাজধানী ঢাকায় স্কুল চলাকালীন শহরে যেমন প্রচণ্ড যানজট হয়, তেমনিভাবে অনেক দূরত্বের শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে অনেক ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে হয়। প্রতিটি স্কুলের সামনে যেমন যানজট হয়, তেমনিভাবে সারা শহরেও হয়ে থাকে। এটা রাজধানী ঢাকার নিত্যদিনের একটি চিত্র। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিতে এসেছে। তাই রাজধানীতে স্কুল চলাকালীন যানজট কীভাবে নিরসন করা যায়, সে বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর এ যানজটের মূল কারণ হচ্ছে অধিকাংশ শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব আবাসিক এলাকার বাইরে অনেক দূরত্বের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি। এতে করে শুধু যানজটই নয়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদেরও অনেক ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আসায় এবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বিভাগ সমাধানের একটা উপায় বের করতে সচেষ্ট হবে।
রাজধানীতে স্কুলের সময়ে যেভাবে যানজট হয়, তা কীভাবে নিরসন করা যায় এবং এ ব্যাপারে বিকল্প ব্যবস্থা কী কী হতে পারে, তা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত দুই মন্ত্রীর সাথে প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা হয়েছে বলে পত্রপত্রিকার খবরে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবনা তৈরি করে উপস্থাপন করতে বলেছেন।
গত ৩১ মার্চ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাক্ষাৎ করেন। মন্ত্রীদের সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানিয়েছেন, রাজধানীতে স্কুলের সময়ে যেভাবে যানজট হয়, তা কীভাবে নিরসন করা যায় এবং এ ব্যাপারে বিকল্প ব্যবস্থা কী কী হতে পারে, তার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবনা তৈরি করে উপস্থাপন করতে বলেছেন।
তিনি বলেন, উদাহরণ হিসেবে দেখা গেছে, রাজধানীর একটি স্কুলে দেড়শ’ শিক্ষার্থীর জন্য একশ’ গাড়ি স্কুলের সামনে ভিড় করে। এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে বেগ পেতে হয়। এই সমস্যাগুলো এড্রেস করে প্রধানমন্ত্রী বিকল্প খুঁজতে মন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন।
স্কুল চলাকালীন সৃষ্ট যানজট ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা প্রধানমন্ত্রী সিরিয়াসলি দৃষ্টি আকর্ষণ করে সমাধানের জন্য মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন। মন্ত্রীরা অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর শিক্ষা ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ও যানজট বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করেই প্রধানমন্ত্রী তথা সরকারকে যথাযথ নীতিমাল ও কর্মপন্থা দেবেন বলেই আশা করি। তবে এ বিষয়ে বিশ্বের উন্নত দেশগুলো কীভাবে সমাধান করছে, তা থেকেও আমরা সমাধান খুঁজতে পারি।
এ ব্যাপারে উন্নত দেশগুলো স্কুলের ভর্তির ব্যাপারে যে আধুনিক পদ্ধতি প্রয়োগ করছে তাদের থেকে পরামর্শ, মতামত ও অভিজ্ঞতা নেয়া যেতে পারে। এ সমস্যা সমাধানে বিশ্বের অনেক দেশেই এখন যুগোপযোগী পদ্ধতি বাস্তবায়ন করেছে। আর তা হচ্ছে স্কুল জোনিং বা ক্যাচমেন্ট এরিয়া পদ্ধতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাথীদের ভর্তি করা। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলগুলোর জন্য এ পদ্ধতি অনেক দেশেই শুরু করা হয়েছে।
বিশ্বের উন্নত দেশগুলো অনেক আগে থেকেই এ সমস্যা সমাধানে স্কুল জোনিং পদ্ধতি প্রণয়ন করে তা অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করছে। এ স্কুল জোনিং পদ্ধতিতে উন্নত দেশগুলো এ সমস্যার সমাধান করেছে। সরকার ও শহরের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ স্কুল জোনিং পদ্ধতিটা চালু করে বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে শিক্ষার্থীদের নিজ এলাকার স্কুলে ভর্তি হওয়ার এই পদ্ধতিকে সাধারণত ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ (Catchment Area) বা ‘স্কুল জোনিং’ (School Zoning) বলা হয়।
স্কুল জোনিং (School Zoning) পদ্ধতি হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে শিক্ষার্থীদের তাদের আবাসিক ঠিকানার ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট এলাকার একটি সরকারি স্কুলে ভর্তির অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এ ব্যবস্থায় প্রতিটি স্কুলের জন্য একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা ‘জোন’ (Zone) নির্ধারণ করা থাকে। এই ব্যবস্থায় একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে বসবাসকারী শিক্ষার্থীদের ওই এলাকার সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কোনো কোনো দেশে ঐ নির্দিষ্ট এলাকার নিজ আবাসিক ঠিকানার মধ্যে অবস্থিত স্কুলে ভর্তিকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নিজ আবাসিক এলাকার বাইরের স্কুলে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ খুব বেশি নেই।
যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়াসহ অনেক দেশেই বর্তমানে স্কুল জোনিং পদ্ধতিতেই শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের অধিকাংশ সরকারি স্কুল ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ভিত্তিক। স্থানীয় কাউন্সিল প্রতিটি স্কুলের জন্য একটি সীমানা নির্ধারণ করে দেয়। ভর্তি আবেদনের সময় শিক্ষার্থীর স্থায়ী ঠিকানা থেকে স্কুলের দূরত্ব (Straight-line distance) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। যারা স্কুলের সীমানার সবচেয়ে কাছে থাকে, তারা ভর্তিতে অগ্রাধিকার তথা আগে সুযোগ পায়। তবে ভাই-বোন ওই স্কুলে পড়লে বা বিশেষ চাহিদা থাকলেও অগ্রাধিকার মেলে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৭০% এরও বেশি শহুরে স্কুল ডিস্ট্রিক্ট এই জোন ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। এখানে ‘অ্যাটেনডেন্স জোন’ (Attendance Zones) পদ্ধতি কাজ করে। প্রতিটি বাড়ির ঠিকানার বিপরীতে একটি নির্দিষ্ট পাবলিক স্কুল বরাদ্দ থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজ্যে ‘ওপেন এনরোলমেন্ট’ (Open Enrollment) সুবিধা আছে, যেখানে আসন খালি থাকলে এলাকার বাইরের শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারে।
কানাডায় প্রাথমিক শিক্ষার মেরুদণ্ড হলো এই এলাকাভিত্তিক ভর্তি নীতি। এখানেও সীমানা বা জোন নির্দিষ্ট থাকে। তবে অভিভাবকরা চাইলে অন্য এলাকার স্কুলে আবেদনের সুযোগ পান, যা সিট খালি থাকা সাপেক্ষে মঞ্জুর হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ইন্দোনেশিয়া শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে কঠোর ‘জোনিং সিস্টেম’ চালু করেছে। পাবলিক স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে ৯০% আসন ওই এলাকার (জোন) শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে। শিক্ষার্থীর ফ্যামিলি কার্ডে (KK) দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী জোন নির্ধারণ করা হয়। বাকি ১০% আসন মেধা বা বিশেষ কারণে বাইরের শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়।
জাপানে প্রাথমিক ও জুনিয়র হাই স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক পদ্ধতি অত্যন্ত কঠোরভাবে পালন করা হয়। মিউনিসিপ্যাল কর্তৃপক্ষ প্রতিটি শিশুর ঠিকানায় একটি নোটিশ পাঠায় যেখানে তাকে তার এলাকার নির্দিষ্ট স্কুলে যোগ দিতে বলা হয়। ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে স্কুল পরিবর্তন করার সুযোগ খুব কম থাকে।
ফিনল্যান্ডের হেলসিংকিসহ অধিকাংশ শহরে শিক্ষার্থীরা তাদের নিকটস্থ স্কুলে ভর্তি হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সব স্কুলের মান সমান রাখা যাতে কোনো নির্দিষ্ট স্কুলে সবাই ভর্তি হতে আগ্রহী না হয়। ফ্রান্সে স্থানীয় টাউন হল ভর্তির প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করে এবং সাধারণত শিক্ষার্থীর ঠিকানার সবচেয়ে কাছের স্কুলে ভর্তি নির্ধারণ করে দেয়।
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডেও পাবলিক স্কুলের জন্য ‘এনরোলমেন্ট জোন’ বা ‘ক্যাচমেন্ট’ এলাকা থাকে। এলাকার বাইরের শিক্ষার্থীরা তখনই সুযোগ পায় যখন সব স্থানীয় শিক্ষার্থীর ভর্তির পর আসন খালি থাকে।
সিঙ্গাপুরে স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে; বিশেষ করে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে আবাসিক এলাকার দূরত্ব একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা মূলত Primary 1 (P1) Registration প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ভর্তির বিষয়ে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন পর্যায় অনুসরণ করা হয়ে থাকে। যখন কোনো স্কুলে আসন সংখ্যার চেয়ে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হয়, তখন বাড়ির দূরত্বের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় । বিশেষ করে হোম-স্কুল ডিসট্যান্স (Home-School Distance-HSD) এ নীতিমালা অনুসরণ করা হয়ে থাকে।
সিঙ্গাপুর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, ভর্তির প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপ বা ফেজে বিভক্ত, যেখানে শিক্ষার্থীর বাড়ির দূরত্ব অনুযায়ী ভর্তি প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করা হয়ে থাকে। বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্বের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার যদি কোনো স্কুলে আসনের তুলনায় আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হয়, তবে নিচের ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। যারা স্কুলের সীমানা থেকে ১ কিলোমিটারের মধ্যে বাস করেন, তারা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পান। ১ কিমি.-এর ভেতরে থাকা শিক্ষার্থীদের ভর্তির পর আসন খালি থাকলে ১-২ কিমি. দূরত্বের শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়া হয়। ওপরের দুই ক্যাটাগরির পর আসন খালি থাকলে ২ কিমি.-এর বেশি দূরত্বের শিক্ষার্থীরা সুযোগ পান। যদি নির্দিষ্ট দূরত্বের ক্যাটাগরিতে আসন সংখ্যার চেয়ে আবেদনকারী বেশি হয়, তবে কম্পিউটারাইজড লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয় ।
আবাসিক এলাকায় বসবাসের বিষয়ে ৩০ মাসের একটি শর্ত রয়েছে। যদি আপনি এলাকার দূরত্বের সুবিধা নিয়ে কোনো স্কুলে ভর্তি হন, তবে আপনাকে ওই ঠিকানায় ভর্তির আবেদনের তারিখ থেকে অন্তত ৩০ মাস বসবাস করতে হবে। এই শর্ত পূরণ না হলে শিক্ষার্থীর স্কুল পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।
তবে মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এলাকার দূরত্বের চেয়ে শিক্ষার্থীর PSLE (Primary School Leaving Examination) স্কোর এবং তাদের পছন্দের ক্রমানুসারে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ঢাকা শহরে দেখা গেছে যে, শিক্ষার্থীর পরিবার বাস করেন খিলগাঁও এলাকায় অথচ তার সন্তানকে ভর্তি করিয়েছেন মোহাম্মদপুরের সেন্ট জোসেফ স্কুলে। এ শিক্ষার্থীকে খিলগাঁও থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ কিমি. দূরত্ব অতিক্রম করে স্কুলে যেতে হয়। কোনো মেয়ে শিক্ষার্থী ঢাকার ভিকারুননিসা স্কুলে নারায়ণগঞ্জ থেকে ভর্তি হয়ে থাকে। এ ধরনের শিক্ষার্থীরা প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় তাকে স্কুলে পৌঁছে দিতে তার অভিভাবকদের সাথে যেতে হয় এবং নিয়ে আসতে হয় অথবা তাকে প্রাইভেট কারে করে নিয়ে যেতে এবং আনতে হয়। এতে করে শিক্ষার্থীদের যেমন সময় ও শ্রম নষ্ট হয়, তেমনিভাবে তার অভিভাবকদেরও সমপরিমাণ সময় ও শ্রম দিতে হয়। এতে করে যানজটের পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবকের সময় ও শ্রম নষ্ট হচ্ছে।
তাই বাংলাদেশেও স্কুল জোনিং পদ্ধতি চালু করা দরকার। এ পদ্ধতিটা কীভাবে ও কোন নীতিমালায় বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে কাজ করতে হবে। তাই শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে এ ব্যাপারে যথাযথ নীতিমালা ও কর্মপন্থা তৈরি করবে। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন, সেহেতু এটার একটা যুগোপযোগী নীতিমালা ও পদ্ধতি তৈরি ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবেন বলে জাতি প্রত্যাশা করে।