জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি, লুটপাট, ধর্ষণসহ সকল অন্যায় কঠোর হাতে দমন করা হবে—-অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ


৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:০১

নূর ইসলাম, তালা (সাতক্ষীরা) : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ বলেছেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে একটি দলের পোষ্য গুন্ডা বাহিনী দ্বারা এই এলাকার মানুষের ওপর ব্যাপক অত্যাচার করা হয়েছে। মাছের ঘের, বাড়িঘর, দোকানপাটে ব্যাপক লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। তাদের ব্যাপক হারে চাঁদাবাজির কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রাদায়সহ শান্তিপ্রিয় মানুষের ঘুম হারাম হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি, লুটপাট, ধর্ষণসহ সকল অন্যায় কঠোর হাতে দমন করা হবে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকাল ৪টায় তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে ও মাওলানা আহম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. মাহমুদুল হক।
অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, কারা এলাকায় চাঁদাবাজি, লুটপাট, ধর্ষণ, দলবাজি করেছে আপনারা দেখেছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো লোক এ কাজের সাথে জড়িত ছিল না। সেদিন জামায়াতের কর্মীবাহিনী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, মন্দির রক্ষার চেষ্টা করেছিলো। কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে পাহারা দিয়ে তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলো। যাতে পূজা উদযাপনে কোনো বাধা না আসে, সেজন্য মন্দির পাহারার ব্যবস্থা করিছিলো। আপনাদের একটি মাত্র ভোট হতে পারে সকল অন্যায়ের প্রকৃত প্রতিবাদ।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি আপনাদের কাছে ওয়াদা করতে চাই, আপনারা আমাকে নির্বাচিত করলে একটি টাকা হারাম আমি খাবো না। আমি নিজে দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ও দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক। এ দলের কোনো লোক কখনো মজলুমের ওপর অন্যায় করবে না, মিথ্যা মামলার আসামি করবে না। আমি শুনেছি, কয়েকটি মিথ্যা মামলায় সাড়ে ৫শ’র অধিক লোক কারাবরণ করেছে এখনো অনেকেই জেলে আছে। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে কোনো লোকের নামে মিথ্যা মামলা হবে না বলে জানান তিনি।
এছাড়া বক্তব্য দেন, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. সুজায়েত আলী, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা উসমান গণি, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আফতাব উদ্দীন, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, ঢাকা উত্তরের যুববিভাগের উপদেষ্টা কাজী মাহফুজুর রহমান, ড. তৈয়েবুর রহমান প্রমুখ।