অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্য ফেব্রুয়ারির পথরেখা

অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন

প্রিন্ট ভার্সন
১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:৫৫

॥ ফারাহ মাসুম ॥
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং তা হতে পারে আগামী এক দশকের রাজনৈতিক কাঠামো কোন দিকে যাবেÑ তার নির্ধারক। আগের সরকারের মিত্রদের অংশগ্রহণের দ্বার খোলা রাখার মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। তবে অপরাধসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান বজায় রাখাÑ এ নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার মূলত ‘ট্রানজিশনাল ডেমোক্রেসির প্রথম পরীক্ষা’ হিসেবে দেখছে। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী গত দেড় বছরে প্রশাসনিক পুনর্গঠন, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতায়ন ও দমন-পীড়নের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে নতুন রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরির প্রচেষ্টাÑ সব মিলিয়ে সামনে আসছে একটি কঠিন, জটিল এবং উচ্চঝুঁকির নির্বাচন।
অন্তর্বর্তী সরকারের ভাষায়, লক্ষ্য একটাই ‘ফ্রি, ফেয়ার, কম্পিটিটিভ অ্যান্ড অ্যাকসেপ্টেবল ইলেকশন’। কিন্তু বড় প্রশ্ন এখনÑ আগের সরকারের রাজনৈতিক মিত্র ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কী এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কিনা?
নির্বাচনী রোডম্যাপ : পাঁচ ধাপের প্রস্তুতি
১. নতুন নির্বাচন কমিশন প্রযুক্তিনির্ভর এবং স্বায়ত্তশাসিত : জুলাই জাতীয় সনদের নির্দেশনায় পূর্বের বিতর্কিত কমিশন বাতিল করে গঠন করা হয়েছে একটি টেকনিক্যাল, ডাটা-ড্রিভেন নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকার ডিজিটাল অডিট, মৃত ও ডুপ্লিকেট ভোটার বাদ দেওয়া, নতুন ভোটার আপডেট সব কাজ চলেছে দ্রুতগতিতে। কমিশনের আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসনও বাড়ানো হয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) আবারও সংশোধনী এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত ৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার আরপিওর সংশোধিত গেজেট জারি করা হয়েছে। এতে অনুসন্ধান কমিটির (ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি) নাম দেওয়া হয়েছে, ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটি। এ কমিটিকে নির্দিষ্ট নির্বাচনী ও ফৌজদারি অপরাধে বিচার করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। আগে অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচনী অপরাধে অনুসন্ধান করে ইসিকে প্রতিবেদন দিত। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইসি ব্যবস্থা নিত। এখন ওই কমিটি বিচার করার ক্ষমতাও পেল। এতে অপরাধ দ্রুত দমন হবে বলে মনে করছে ইসি।
২. প্রশাসনকে ‘ইলেকশন মোড’-এ আনা : জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ব্যাপক রদবদল হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে দলীয় পক্ষপাতের অভিযোগ ছিল, তাদের সরানো হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীকে স্পষ্ট নির্দেশ, ‘রাজনৈতিক নির্দেশ নয়, শুধু আইনের নির্দেশ মানবে।’
প্রশাসনকে ইলেকশন মোডে আনা : ছয়টি কঠিন কাজ মূল ছয়টি ধাপের মধ্যে মাঠপ্রশাসনের পুনর্বিন্যাসের আওতায় বিতর্কিত ডিসি-এসপি বদলি, রাজনৈতিক আনুগত্যের রিপোর্ট যাচাই, নির্বাচনী এলাকায় বিশেষ পর্যবেক্ষণ দল রাখার ব্যবস্থা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি নিরাপত্তা মোড অ্যাক্টিভেশনের অংশ হিসেবে বিশেষ ব্রিফিং, ‘জিরো টলারেন্স’ নির্দেশ ও দলীয় প্রভাবমুক্ত অপারেশন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠনের আওতায় প্রিসাইডিং অফিসারদের স্ক্রিনিং ও একাধিক লেভেলের মনিটরিং সেল করা হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রিজার্ভ চুরি ও আগের সরকারের ডিজিটাল নেটওয়ার্ক কেলেঙ্কারির পর ইভিএম-অ্যাপ-সার্ভার সুরক্ষা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
অবাধ প্রচার-পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য প্রচারে বাধা-হয়রানির অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং রাজপথে দলীয় বাহিনীর দৌরাত্ম্য ঠেকানো আর আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্য মার্জিন খোলা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বিশ্বের চোখ তখন থাকবে ঢাকা-চট্টগ্রাম-রাজশাহীতে। মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কেমন আচরণ করছে, সেদিকে থাকবে।
৩. রাজনৈতিক পরিবেশ স্বাভাবিকীকরণ : আগের সরকারের দমনমূলক নীতির বিপরীতে এখন লক্ষ্য সব দলের জন্য সমান সুযোগ। গুম-নির্যাতন-হয়রানির অভিযোগ যাচাইয়ে কাজ করছে বিশেষ তদন্ত কমিশন। রাজনৈতিক মামলার নিষ্পত্তি দ্রুত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির সাবেক দুই নেতা ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাপা) ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর (জেপি) নেতৃত্বে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) নামে নতুন একটি রাজনৈতিক জোট আত্মপ্রকাশ করেছে।
গত ৮ ডিসেম্বর সোমবার রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। জোটে থাকা অন্য দলগুলো হলোÑ জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, স্বাধীন পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ। এ জোটের উল্লেখযোগ্য দলগুলো আগের সরকারের সহযোগী ছিল। এ জোট পরবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে।
৪. প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে একাধিক উদ্যোগ: অন্তর্বর্তী সরকার স্পষ্ট করেছে, কোনো দলকে বাদ দেওয়ার রাজনীতি হবে না। তবে রাজনীতির নামে রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহার, অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব বন্ধে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি স্পষ্ট, ‘রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধই অংশগ্রহণ নির্ধারণ করবে।’
অর্থাৎ আগের সরকারের যেকোনো দল, যেকোনো জোট বা মিত্র সবাই শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে। তবে যাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন, দুর্নীতি, নির্বাচন জালিয়াতি বা রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপব্যবহারের অভিযোগ প্রমাণ হবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত অযোগ্যতা আরোপ করা হবে। এ কারণে আগের সরকারের বেশকিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ভবিষ্যৎ এখন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করছে।
৫. ভোটের দিনে প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড : সিসিটিভি নজরদারি, পেপার ব্যালট, ডিজিটাল ট্যালি ও রেজাল্ট অডিটিং সবকিছুই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অংশ। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের আনতে কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে। ভোটের দিনে তিনটি প্রযুক্তিগত যুদ্ধক্ষেত্রÑ
(ক) ভোটকেন্দ্র; পেপার ব্যালট মনিটরিং : এবার পেপার ব্যালট হতে পারে ইউনিক সিরিয়ালের, ব্যালট পেপার মুদ্রণ ও পরিবহনের লাইভ ট্র্যাকিং হবে, ডাবল স্ট্যাম্প প্রতিরোধ, ব্যালট বাক্স সিলের ভিডিও প্রমাণ রাখা হতে পারে। এগুলো ছাড়া ব্যালট ভোটও নিরাপদ হবে না।
(খ) কেন্দ্রীয় সার্ভার ও ট্যাবুলেশন সিস্টেম (আরএমএস) : এটাই হচ্ছে অন্ধকার ঘর। এখানেই ফলাফল বদলে দেওয়া যায় চোখের পলকে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে সার্ভারে মাল্টিপার্টি অ্যাক্সেস লগ থাকে, রিয়েল-টাইম ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট, এক্সেস কন্ট্রোলের ভিডিও অডিট, এনক্রিপ্টেড ডেটা রিলে।
বাংলাদেশে পূর্বের নির্বাচনগুলোয় সার্ভার রুম ছিল অত্যন্ত সীমিত নিয়ন্ত্রণে, ফলাফল প্রবেশ করত একক অপারেটরের মাধ্যমে, অডিট ট্রেইল ছিল না, বিরোধীদলকে সার্ভার লগ দেখানো হতো না।
এবার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের চেষ্টা হতে পারে। কোনো সেন্টারের ফলাফল সার্ভারে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে তা সব দলের জন্য লাইভ দৃশ্যমান করতে হবে।
(গ) জাতীয় ফলাফল ঘোষণা; লাইভ ট্রান্সপারেন্সি : ইতোমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এটি স্পষ্ট করেছেনÑ শেষ ঘণ্টার ফলাফলই সবচেয়ে বেশি ম্যানিপুলেট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কেন্দ্রভিত্তিক লাইভ স্ক্যানিং, বহিরাগত অডিট ফার্ম, ওপেন এপিআই, গণমাধ্যমের জন্য লাইভ ডেটা ফিড থাকতে পারে। এগুলো ছাড়া নির্বাচন নিরাপদ নয়।
আগের সরকারের মিত্ররা কী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে?
কেন অন্তর্বর্তী সরকার আগের মিত্রদেরও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চায়? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর তিনটি কারণÑ ১. নির্বাচনের বৈধতা : একটি বড় রাজনৈতিক ব্লককে বাদ দিলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। ২. স্থিতিশীলতা ও ক্ষমতার শূন্যতা; আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের পুরোপুরি বাইরে ঠেলে দিলে একটি ‘রাজনৈতিক ভ্যাকুয়াম’ তৈরি হবে, যার সুযোগ নেবে সহিংস বা উগ্র গোষ্ঠী। ৩. ট্রানজিশনাল জাস্টিস: দলকে নয়, অপরাধী ব্যক্তিকেই বিচারের মুখোমুখি করাÑ এ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, দলকে ধ্বংস করলে গণতন্ত্র দুর্বল হয়, কিন্তু অপরাধীকে বিচ্ছিন্ন করলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের অভিজ্ঞতা থেকে দেশ শিখেছে একতরফা নির্বাচন শুধু রাষ্ট্র নয়, অর্থনীতি ও সমাজকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আগের সরকারের সমর্থকদের মধ্যে কী চলছে?
আওয়ামী লীগ এখন ‘উত্তর-হাসিনা’ রাজনৈতিক কনফিগারেশনের দিকে যাচ্ছে। দলের মধ্যম সারি ও তরুণ নেতৃত্ব সক্রিয়। কারণ তাদের বিরুদ্ধে বড় কোনো মামলা বা মানবাধিকার অভিযোগ নেই। মিত্র দলগুলোর মধ্যেও পুনর্বিন্যাস চলছে। অনেকেই ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সংঘাতে না গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া’Ñ এ পথ বেছে নিয়েছে। এ পুনর্গঠনকে অনেকে বলছেন, প্রয়োজনীয় রিসেট।
কোন কোন ক্ষেত্রে আগের সরকারের ব্যক্তিরা অযোগ্য হতে পারে?
অন্তর্বর্তী সরকারের কমিশনগুলো তিন ধরনের অপরাধ তদন্ত করছেÑ ১. মানবাধিকার অপরাধ গুম, ক্রসফায়ার, রাজনৈতিক নির্যাতন এগুলো প্রমাণিত হলে ব্যক্তি সরাসরি ‘অযোগ্য’। ২. দুর্নীতি ও সম্পদ জালিয়াতি, অবৈধ সম্পদ, মানিলন্ডারিং, ব্যাংক খাত দখল ‘স্কিপ-ট্রেসিং অ্যান্ড অ্যাসেট রিকভারি ইউনিট’ এ নিয়ে কাজ করছে। ৩. নির্বাচন জালিয়াতি ও প্রশাসনিক অপব্যবহার ২০১৪-২০২৪ এর নির্বাচনী অপরাধগুলো অডিট হচ্ছে যাদের অপরাধ প্রমাণিত নয়Ñ তারা নির্দ্বিধায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে পারবে।
কোন দলগুলো মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে?
নতুন নেতৃতে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, ১৪ দলীয় জোটের কয়েকটি ছোট দল আর পূর্বের টেকনিক্যাল মিত্ররা আওয়ামী লীগ এখন ‘উত্তর-হাসিনা যুগে রাজনৈতিক পুনর্গঠন’ করছে। দলের মধ্যম সারির অনেক নেতা প্রকাশ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ইচ্ছা জানিয়েছেন।
শেষ কথাÑ জুলাই বিপ্লবের দেড় বছরের মাথায় বাংলাদেশ এমন এক নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে শুধু ক্ষমতার প্রশ্ন নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠন, রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এবং নতুন সামাজিক চুক্তির ভিত্তি নির্মাণ ঘটতে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির এ নির্বাচনকে অন্তর্বর্তী সরকার স্বাভাবিক একটি নির্বাচন হিসেবে দেখছে না; বরং এটি এক বছরের ট্রানজিশনাল যুগের সার্বিক সফলতার যাচাই-বাছাই।