জনগণ হ্যাঁ- কে জয়জুক্ত করে নোট অব ডিসেন্টকে প্রত্যাখান করেছে: ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:১৪
১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারস্থ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদের সভাপতিত্ব ১১ দলীয় ঐক্যের গুরুত্বুপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, খেলাফত মজলিস, জাগপা, লেবাবার পার্টিসহ অন্যান্য দলগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল জালিয়াতি, ভোটকেন্দ্র দখলসহ নানা অনিয়মের বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য আগামীতে সংসদে ও সংসদের বাইরে ১১ দলীয় ঐক্য হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। দেশ, জাতি ও জনগণের স্বার্থে যখন যে ভূমিকা রাখা প্রয়োজন হবে একসঙ্গে ১১ দল তা রাখবে।
১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে তড়িঘড়ি করে গেজেট প্রকাশ করায় যেসব আসনে কারচুপি হয়েছে সেসব আসন চিহ্নিত করে আরপিও অনুযায়ী পুনঃগণনার সুযোগ না থাকায় প্রার্থীরা অধিকার বঞ্চিত হয়েছেন। ফলে এসব বিষয় নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে রিট করার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে আরও আলোচনা হয় যে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট হয়েছে। হ্যাঁ ভোট বিজয়ী হওয়ায় সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০ আসনে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আসন পাবেন। এক্ষেত্রে কোনো দলের নোট অব ডিসেন্টের সুযোগ নেই। জনগণ হ্যাঁ- কে জয়জুক্ত করে নোট অব ডিসেন্টকে প্রত্যাখান করেছে। সংসদ চালু হওয়ার পর ১৮০ দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয় বৈঠকে।
নির্বাচনের আগে ও পরে ১১ দলীয় ঐক্যের নারীসহ অনেক নেতাকর্মীর উপর সহিংসতার নিন্দা জানানো হয় বৈঠকে। সহিংসতা বন্ধ না করলে জনগণকে নিয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেবে ১১ দলীয় ঐক্য। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদীদের সাথে আঁতাত না করে জনপ্রত্যাশার আলোকে গণতান্ত্রিক ধারায় রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। ৩০টির অধিক আসনে কারচুপির বিষয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ড. হামিদুর রহমান আযাদ।ই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোট হয়েছে। হ্যাঁ ভোট বিজয়ী হওয়ায় সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০ আসনে রাজনৈতিক দলগুলো প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে আসন পাবেন। এক্ষেত্রে কোনো দলের নোট অব ডিসেন্টের সুযোগ নেই। জনগণ হ্যাঁ- কে জয়জুক্ত করায় নোট অব ডিসেন্টকে প্রত্যাখান করেছে। সংসদ চালু হওয়ার পর ১৮০ দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয় বৈঠকে।
নির্বাচনের আগে ও পরে ১১ দলীয় ঐক্যের নারীসহ অনেক নেতাকর্মীর উপর সহিংসতার নিন্দা জানানো হয় বৈঠকে। সহিংসতা বন্ধ না করলে জনগণকে নিয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেবে ১১ দলীয় ঐক্য। একই সঙ্গে ফ্যাসিবাদীদের সাথে আঁতাত না করে জনপ্রত্যাশার আলোকে গণতান্ত্রিক ধারায় রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। ৩০টির অধিক আসনে কারচুপির বিষয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ড. হামিদুর রহমান আযাদ।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি