জুলাই সনদ আদেশ বিএনপিকে খুশি করেছে, জনগণকে নয়
২০ নভেম্বর ২০২৫ ২৩:০১
॥ জামশেদ মেহদী॥
অবশেষে জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) আদেশ জারি হলো। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর যে আদেশ জারি হলো, সেটি দেশের রাজনৈতিক দলসমূহের কোনো পক্ষকেই পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারেনি। এ কথা ঠিক যে, এ আদেশে একটি পক্ষকে সন্তুষ্ট করার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। সেটি হলো বিএনপি। জামায়াতে ইসলামী এবং ৮ দলকে বলতে গেলে এ বাস্তবায়ন আদেশে ইগনোর করা হয়েছে। শুধুমাত্র জামায়াত এবং ৮ দল নয়, যাদের জন্য জুলাই সনদ, যাদের জন্য জুলাই বিপ্লব হলো, সেই জুলাইযোদ্ধাদের দল এনসিপিকেও সন্তুষ্ট করতে পারেনি এ বাস্তবায়ন আদেশ।
বস্তুত গত বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই জুলাই সনদ জারি হওয়ার কথা ছিল। যেসব ছাত্রনেতা জুলাই বিপ্লবের কাণ্ডারি ছিলেন, তারা সকলে মিলে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শহীদ মিনারে জড়ো হয়েছিলেন। মফস্বল থেকেও বিপুলসংখ্যক ছাত্র-জনতা শহীদ মিনারে জড়ো হয়েছিলেন। সেদিন শহীদ মিনারে একটি বড় মহাসমাবেশের মতো বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাবেশ হয়েছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট জুলাই বিপ্লবের পর থেকেই ছাত্রনেতৃত্ব জুলাই ঘোষণা এবং জুলাই সনদ জারি করার দাবি করে আসছিল অন্তর্বর্তী সরকারের নিকট। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার একটার পর একটা বাহানা দেখিয়ে জুলাই সনদ ঘোষণা পিছিয়ে দিচ্ছিল। তখন ছাত্ররা বিরক্ত হয়ে ৩১ ডিসেম্বর শহীদ মিনার থেকে নিজেরাই একতরফাভাবে জুলাই সনদ জারি করবেন বলে ঘোষণা দেন।
শহীদ মিনারের সমাবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর পূর্ব মুহূর্তে সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম ঘোষণা করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার নিজেই জুলাই সনদ জারি করবে। তাই ঐ মুহূর্তে শহীদ মিনার থেকে ছাত্রদের একতরফাভাবে জুলাই সনদ ঘোষণা করার প্রয়োজন নেই। ছাত্ররা সরল বিশ্বাসে সরকারের এ ওয়াদা গ্রহণ করেন। কারণ ছাত্রদের সাথে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কোনোরকম পূর্বপরিচয় না থাকা সত্ত্বেও তারাই তাকে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার আহ্বান জানান এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূস সেই আহ্বানে সাড়া দেন।
৩১ ডিসেম্বরের পর সময় গড়াতে থাকে। কিন্তু জুলাই সনদের দেখা নেই। দেখা নেই জুলাই ঘোষণাপত্রেরও। এর মধ্যে ছাত্ররা অনেক নতুন দাবি তোলেন, যেগুলো ছিল ন্যায্য এবং যেগুলো জুলাই বিপ্লবের স্পিরিটকে ধারণ করে। এগুলোর মধ্যে ছিল প্রেসিডেন্ট চুপ্পুকে অপসারণ, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা, জুলাই ঘোষণাপত্র জারি করা এবং জুলাই সনদ জারি করা। প্রেসিডেন্ট চুপ্পুকে অপসারণ করার জন্য ছাত্ররা বঙ্গভবন ঘেরাও করতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা দেখেন যে, তাদের পৌঁছার বেশকিছু আগেই সেনাবাহিনী বঙ্গভবন কর্ডন করে রেখেছে। অন্যকথায় সেনাবাহিনী প্রেসিডেন্ট চুপ্পুকে প্রটেকশন দিচ্ছে। এর আগে প্রেসিডেন্ট চুপ্পুকে তারা যখন অপসারণের দাবি তোলেন, তখন বিএনপি এ দাবির বিরোধিতা করে। বিএনপির যুক্তি ছিল, প্রেসিডেন্টকে সরালে সাংবিধানিক শূন্যতার সৃষ্টি হবে। ছাত্ররা অবাক হন। কারণ এ সংবিধান তো তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এ সংবিধান হলো মুজিববাদী সংবিধান। চুপ্পুকে অপসারণ করাতে গিয়ে ছাত্ররা এই যে ধাক্কা খেলো তারপর আর তারা সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরাতে পারেননি। আজও চুপ্পু বহাল তবিয়তে আছেন।
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারেও ছাত্ররা বাধা পেল। বিএনপি বললো, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার বিরোধী তারা। ইতোমধ্যে ছাত্ররা এনসিপি নামে তাদের রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন। এনসিপি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে শাহবাগে সমাবেশ করে। ততদিনে বিভিন্ন কারণে; বিশেষ করে বিএনপির রহস্যজনক ভূমিকার কারণে জুলাই বিপ্লবের চেতনা হালকা হতে থাকে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে এনসিপি যে সমাবেশ করে, সেখানে জনসমাগম প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিল।
তখন এনসিপির সাহায্যে এগিয়ে আসে জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবির। এনসিপির সমাবেশ বিপুল আকার ধারণ করে এবং ঐ বিশাল সমাবেশের চাপে অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়।
এর মধ্যে চলতি বছরের ৫ আগস্ট সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এর আগেও প্রধান উপদেষ্টা ছাত্রনেতৃত্বকে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, জুলাই ঘোষণাপত্র ছাত্রদের আশা-আকাক্সক্ষাকে পূরণ করবে। জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠের পর এনসিপি দাবি করে যে জুলাই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, জুলাই ঘোষণাপত্রের যে খসড়া তাদের দেওয়া হয়েছিল, পঠিত ঘোষণাপত্রে তার অনেক কিছুই নাই। বরং নতুন করে কিছু যোগ করা হয়েছে, যেগুলো খসড়ায় ছিল না।
জুলাই ঘোষণাপত্র সম্পর্কে এনসিপি মন্তব্য করে যে, এ ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন করবে, অর্থাৎ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার। অথচ এনসিপির সাথে ড. ইউনূসের এমন কথা ছিল না। অন্যকথায় জুলাই ঘোষণাপত্র সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা বা না করার দায়দায়িত্ব পরোক্ষভাবে তিনি বিএনপির ওপর ছেড়ে দেন।
একই প্রতারণার আশঙ্কা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও আশঙ্কা করেছিল এনসিপি এবং বাস্তবে ঘটেছেও তাই। আমরা শুরুতে বলেছি যে, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের নামে এমন একটি আদেশ জারি করেছে, যে আদেশটি জামায়াতে ইসলামী, জামায়াতের সঙ্গী ৮ দল এবং এনসিপিকে উপেক্ষা করেছে। জুলাই সনদ সংবিধান বাস্তবায়নাদেশ প্রবলভাবে বিএনপির দিকে ঝুঁকেছে। জামায়াতে ইসলামীর দাবিগুলো সরাসরি উপেক্ষিত হয়েছে। দু-একটি উদাহরণ দিচ্ছি।
অনেক টানা-হেঁচড়ার পর অবশেষে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে রাজি হয় বিএনপি। যখন সিদ্ধান্ত হয় যে জুলাই সনদ গণভোটে দেওয়া হবে, তখন জামায়াতসহ ৮ দল দাবি করে যে, দেশের সংসদ নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ আদেশের ওপর গণভোট অনুষ্ঠান করতে হবে। পক্ষান্তরে বিএনপি দাবি করে যে, দেশের নির্বাচন এবং গণভোট একই দিন একই সঙ্গে করতে হবে। সনদ বাস্তবায়ন আদেশে অন্তর্বর্তী সরকার বিএনপির দাবিই মেনে নেয়। অর্থাৎ নির্বাচনের দিনেই গণভোট হবে। নির্বাচন এবং গণভোট একই দিন করলে যে বিষয়টি তালগোল পাকিয়ে যাবে- এটি যে কোনো সাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন মানুষ বোঝেন। একই দিন করলে গণভোট এবং নির্বাচন দুটিই গুরুত্ব হারাবে। দ্বিতীয়ত, এটি দারুণ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে। কারণ একই দিনে ভোটারের হাতে দুটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। একটি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য। আরেকটি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ এর মধ্যে যেকোনো একটিতে সিল মারা। এই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ কিন্তু সহজ ব্যাপার নয়। কারণ সেখানে থাকবে জুলাই সনদের সংযুক্তি, যেখানে থাকবে অনেকগুলো সুপারিশ বা প্রস্তাব। এগুলো ব্যালট পেপারের সাথে সংযুক্ত থাকবে না। ফলে ভোটাররা ঠিক কোথায় ভোট দিচ্ছেন, সেই প্রশ্নে বিভ্রান্ত হবেন।
জামায়াতের অবস্থান ছিল সম্পূর্ণ যৌক্তিক এবং বাস্তবসম্মত। জামায়াতের দাবি ছিল, আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হবে। তারপর সেই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু দুটি একসাথে করলে নির্বাচন কোন আইনের ভিত্তিতে হচ্ছে? অবশ্যই বর্তমান সংবিধানের অধীনে হচ্ছে। অথচ এ সংবিধান জামায়াত, তার সহযোদ্ধা ৭ দল, এনসিপি কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস লজিকের ধার ধারেননি। তিনি বিএনপির দাবির কাছে নতিস্বীকার করেন।
তৃতীয়ত, জুলাই সনদ স্বাক্ষর করা এবং জারি করার ব্যাপারে জামায়াতসহ ৮ দল এবং এনসিপি উভয়েরই দাবি ছিল, এ সনদ এবং সনদের বাস্তবায়ন আদেশ প্রধান উপদেষ্টার স্বাক্ষরে জারি করা হোক। এ ব্যাপারে বিএনপির ভূমিকা ছিল চরম বিভ্রান্তিকর। তারা বলে যে, বর্তমান সংবিধানে সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত কোনো আদেশ (ফরমান) জারি করার কোনোরকম এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের নেই। বিএনপি আরেক কদম এগিয়ে বলে যে, এ সংবিধানে সংস্কার সম্পর্কিত বিশেষ আদেশ জারি করারও কোনো বিধান নেই। প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরে বিশেষ আদেশ জারির ব্যাপারে তারা নীরবতা অবলম্বন করলেও সেটি ছিল তাদের, ‘মৌনং সম্মতি লক্ষনং’।
পক্ষান্তরে জামায়াত, তার আন্দোলনের ৭ সঙ্গী এবং এনসিপি বলে যে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন চুপ্পু হলেন খাস বাকশালের লোক। তিনি হাসিনার হ্যান্ড পিকড্। অর্থাৎ তিনি হাসিনার খাস বান্দা, যে হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে গত ১৭ নভেম্বর ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এমন ব্যক্তির স্বাক্ষরে জুলাই সনদের মতো বিপ্লবকে ধারণকারী একটি ডকুমেন্ট সই হতে এবং জারি হতে পারে না। জুলাই সনদ সই করা এবং জারি করার একমাত্র ক্ষমতা হলো ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। কারণ জুলাই বিপ্লব করেছে এদেশের ১৮ কোটি মানুষ। বিপ্লবের নায়করা সেই ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আর সেই নায়করা ড. ইউনূসকে সরকারপ্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। সুতরাং ড. ইউনূস হলেন ১৮ কোটি মানুষের প্রতিনিধি এবং বিপ্লবের প্রতিভূ।
সুতরাং দেখা গেল যে, জুলাই সনদ নিয়ে একদিকে বিএনপি এবং অন্যদিকে জামায়াত ও তার আন্দোলনের সঙ্গীরা এবং তার সাথে এনসিপি। বিএনপি গত ১৪ মাস থেকে দাবি করে আসছে যে, এ সরকার সাংবিধানিক সরকার। পক্ষান্তরে জামায়াত ও এনসিপি বলছে, এ সরকার বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থানপ্রসূত সরকার। তাই দেখা যায়, চূড়ান্ত বিশ্লেষণে এ লড়াইটি ছিল মুজিববাদী সংবিধান বনাম বিপ্লব উদ্ভূত ফ্যাসিবাদবিরোধী সংবিধানের লড়াই।
প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর স্বাক্ষরে সরকার যে জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) আদেশ জারি করলো সেটিতে অন্তর্বর্তী সরকার বিএনপির পক্ষ নিলো। ফলে অন্তর্বর্তী সরকার মুজিববাদী সংবিধানের পক্ষ নিয়েছে।
জামায়াতের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল জাতীয় সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট। এ সংসদে থাকবে একটি উচ্চকক্ষ। সেই উচ্চকক্ষে থাকবেন ১০০ জন সদস্য। এ ১০০ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন নির্বাচনে যে দল সারা দেশজুড়ে যত শতাংশ ভোট পেয়েছে, সেই শতাংশের ভিত্তিতে থাকবে তাদের প্রতিনিধিত্ব বা সদস্য। এটিকে বলা হয়েছে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতি। উচ্চকক্ষের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হবে এই যে, নিম্নকক্ষে সরকারি দলের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও তারা সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না। সেক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের ৫১ জন সদস্যের সমর্থন থাকতেই হবে।
এ উচ্চকক্ষ এবং সংবিধান সংস্কারে ৫১ জন সদস্যের সমর্থনের বিধান বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনকে রুখে দেবে। উচ্চকক্ষের বিধান স্বৈরাচারের প্রত্যাবর্তনকে রুখে দেবে।
এখন উচ্চকক্ষের বিধানও ঝুলে গেল। এটিকে গণভোটে দেওয়ায় এবং একই দিন গণভোট এবং নির্বাচন করায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে অবধারিতভাবে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হবে। এ বিভ্রান্তি যেন না হয় সেজন্যই জামায়াত দাবি করেছিল, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট অনুষ্ঠিত হোক।
জামায়াত এখনো তার ৫ দফা দাবিতে অনড়। ঐদিকে বিএনপি পুরোদস্তুর নির্বাচনী প্রচারাভিযানে নেমে পড়েছে। সরকার ঘোষণা করেছে, যে বাস্তবায়ন আদেশ জারি করা হয়েছে, সেখানে আর কোনো সংশোধনের সুযোগ নাই।
জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) আদেশ তাই বিএনপিকে খুশি করেছে, কিন্তু জনগোষ্ঠীর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকে খুশি করতে পারেনি।
Email: [email protected]